Category: প্রচ্ছদ

  • ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অন্তত ৫ শতাংশ হ্রাস

    ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অন্তত ৫ শতাংশ হ্রাস

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অন্তত ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।  মঙ্গলবার (২০ জুন) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট তেলের মূল্য ব্যারলপ্রতি কমে দাঁড়িয়েছে ৬৮ ডলারে।

    ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার শঙ্কায় নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছায় তেলের দাম। যা যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে স্থিতিশীল পর্যায়ে। এতে সরবরাহ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ অনেকটাই কমে এসেছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, চলমান অস্থিতিশীলতা পুরোপুরি থামলে জ্বালানি তেলের দাম আরও স্বাভাবিক হবে।

  • আইলার এক ধাক্কায় ধনী থেকে নিঃস্ব: ১৬ বছরেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি মোবারক

    আইলার এক ধাক্কায় ধনী থেকে নিঃস্ব: ১৬ বছরেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি মোবারক

    খুলনা প্রতিনিধি: ২০০৯ সালের ২৫ মে আঘাত হানা প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ‘আইলা’ খুলনার উপকূলবাসীর জীবনে নামিয়ে আনে ভয়াবহ বিপর্যয়। সেই দুর্যোগের ১৬ বছর পরেও অনেক পরিবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি। এমনই একজন মো. মোবারক হোসেন, যিনি একদিনে হারিয়েছেন সব—ভিটেমাটি, সম্পদ, আত্মীয়ের কবরস্থান, এমনকি জীবনের স্বাভাবিক গতি।

    খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের পাতা জোড়সিং গ্রামের বাসিন্দা মোবারক হোসেন একসময় ছিলেন এলাকায় পরিচিত বিত্তশালী ব্যক্তি। ২২ বিঘা জমির ওপর চিংড়ি ঘের, বড় মুদি দোকান, সুন্দরবনের মাছ-মধু ব্যবসা, দশটি পাকা ঘরসহ ছিল এক সুখী যৌথ পরিবার। আইলার এক ধাক্কায় সব কিছু বিলীন হয়ে যায়।

    ভিটেমাটি হারিয়ে পরদিনই ট্রলারে করে পরিবার নিয়ে খুলনায় আশ্রয় নেন মোবারক। সেখানে তাকে বারবার হতে হয় হয়রানি ও প্রতারণার শিকার। রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে পাননি সরকারি বা বেসরকারি কোনো সহায়তা। আজও তার পরিবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি।

    বর্তমানে তিনি বসবাস করছেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কুশারহুলা গ্রামে। টিনের ছাউনি ও বেড়ার একটি ছোট ঘর ঘিরে আবারও বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। আইলার ধাক্কা ছিল শুধু বসতভিটা হারানোর নয়, সন্তানদের ভবিষ্যৎও থেমে যায় সেই দিন থেকে।

    মোবারকের ছোট ছেলে মফিজুল ইসলামকে দুইবার বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও প্রতারণার শিকার হন। বর্তমানে তিনি ও তার স্ত্রী শ্রমিকের কাজ করছেন সাভার ইপিজেডে। তাদের ছোট ছেলেকে রেখে যেতে হয়েছে মোবারকের কাছে। দাদার ভাষায়, শিশুটি বয়সের তুলনায় মন্থর বুদ্ধির।

    আলাদা এক বাস্তবতা ভোগ করছেন একই গ্রামের আরেক বাসিন্দা আনসার আলী। আইলার পরপরই মোবারক হোসেন এলাকা ছাড়লেও আনসার আলী দেড় বছর দোকানে আশ্রয় নিয়েছিলেন স্ত্রী-সন্তানসহ ১৩ জনকে নিয়ে। পরে তাকেও এলাকা ছাড়তে হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকায় রিকশা চালান।

    ২০০৮ সালের গুগল আর্থের চিত্র বলছে, পাতা জোড়সিং গ্রামে একসময় ছিল ঘন বসতি। ২০১০ সালের ছবি বলছে, সে জনপদে এখন খালের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে নদীর পানি। স্থানীয়রা জানান, আইলার সময় নদীর বাঁধ ভেঙে সেই খালের সৃষ্টি হয়। এখন সে স্থান পরিচিত ‘হারেজখালী ক্লোজার’ নামে।

    আইলা, আম্পান, সিত্রাং—একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ খুলনার উপকূলীয় জনপদকে পরিণত করেছে এক প্রকার জলবায়ু যুদ্ধক্ষেত্রে। বাস্তুচ্যুতি এখানকার সাধারণ ঘটনা।

    শিশুদের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত

    কয়রার আরেক বাসিন্দা কামরুল সরদার পরিবার নিয়ে ২০২০ সালের আম্পানের পর পাড়ি জমান খুলনা শহরে। বর্তমানে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা চালালেও সন্তানদের শিক্ষার পরিবর্তে পাঠিয়েছেন কাজ করতে। তার ৮ বছর বয়সী ছেলে হোসাইন এখন চানাচুর বিক্রি করে। মা লতিফা পারভিন বলেন, “ওর ব্রেন ভালো, কিন্তু খরচ চালাতে না পেরে ওকে কাজে নামাইছি।”

    পরিসংখ্যান যা বলছে

    নরওয়েভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ডিসপ্লেসমেন্ট মনিটরিং সেন্টারের (IDMC) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে জলবায়ু দুর্যোগের কারণে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ লাখে। আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ১৮ লাখ। বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে পঞ্চম স্থানে।

    বিশ্বব্যাংকের ‘গ্রাউন্ডসওয়েল’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে ১ কোটির বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে খুলনার উপকূলীয় এলাকা।

    যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি এবং নাসার গবেষণায়ও উঠে এসেছে একই সতর্কতা। গবেষকরা বলছেন, অতীতে যেসব বড় ঘূর্ণিঝড় ১০০ বছরে একবার ঘটত, এখন তা ১০ বছরেই ঘটছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের ঘনত্ব ও তীব্রতা বাড়ছে।

    ঘূর্ণিঝড় আইলার ১৬ বছর পার হলেও মোবারক হোসেন ও তার মতো আরও অনেক বাস্তুচ্যুত মানুষ রয়ে গেছেন পুনর্বাসনের বাইরে। তাদের হারানো কিছুই ফিরে আসেনি—না ভিটেমাটি, না আত্মীয়স্বজনের কবর, না সন্তানদের স্বপ্ন। রাষ্ট্রের উচিত এসব জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য একটি স্থায়ী সমাধান ও পুনর্বাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

  • ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বাধিক রোগী ভর্তি

    ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বাধিক রোগী ভর্তি

    অনলাইন ডেস্ক:   গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯৪ জন। এটি এ বছরের একদিনে সর্বোচ্চ রোগী। মঙ্গলবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা যায়।

    এদিকে আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৫৭। আর এ বিভাগের জেলা বরগুনায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৯৩। ২৪ ঘণ্টায় দেশের মোট আক্রান্তের ২৫ শতাংশই হয়েছে দক্ষিণের এ জেলায়।

    এবছর রাজধানীর তুলনায় বাইরের বিভাগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি, বিশেষ করে বরগুনা জেলায়। বরগুনা পৌরসভার ৩১ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। পৌর এলাকার চেয়ে গ্রামাঞ্চলের অবস্থা অনেক খারাপ। সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের ৭৬ শতাংশ বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে। পৌর শহরের দুটি ওয়ার্ডে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে প্রতি ১০ বাড়ির মধ্যে ৮টিতে।

    সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) পরিচালিত এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষক দল ১৭ থেকে ১৯ জুন জরিপটি করে। এরপর রোববার প্রতিষ্ঠানটি জরিপের প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেয়।

    সংক্রমণ বেশি হলে সে এলাকাকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বরগুনা পৌর শহরের দুটি ওয়ার্ডে সংক্রমণে হার ৮০, যা ডব্লিউএইচও নির্ধারিত সীমার আট গুণ বেশি।

    শুধু চলতি বছরই নয়, গত বছরও বরগুনায় ডেঙ্গুর উচ্চ সংক্রমণ ছিল। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে, বরগুনা ছিল দেশের চতুর্থ বৃহৎ ডেঙ্গু সংক্রমণের এলাকা। এ জেলায় গত বছর ২ হাজার ৪৩৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বরিশাল বিভাগে এটি ছিল সর্বোচ্চ সংক্রমণ।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ১৯৯ জন রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সারাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ১ হাজার ৮০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছে। যার মধ্যে ঢাকায় ৩১০ জন, বাকি ৭৭০ জন ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিভাগে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগ ছাড়াও চট্টগ্রামে (সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে) ৫৮ জন, ঢাকায় (সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে) ৩৫ জন, খুলনায় (সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে) ৮ জন এবং রাজশাহীতে (সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে) ৪৪ জন রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪২ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫০ জন রোগী পাওয়া গেছে।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছে ৩৪ জন, যাদের মধ্যে ১৭ জন পুরুষ ও ১৭ জন নারী। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে আট হাজার ৫৪৪ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত বছর ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই বছর মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,০১,২১৪ এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিল ১,০০,০৪০ জন।

  • রুটের সামনে রেকর্ডের হাতছানি

    রুটের সামনে রেকর্ডের হাতছানি

    খেলাধুলা ডেস্ক:    আর মাত্র ৩৪৫ রান করলেই সর্বকালের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় ২ নম্বরে উঠে আসবেন ইংল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার জো রুট। সামনে থাকবেন কেবল ভারতের সাবেক ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার।

    এই মুহুর্তে টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার ৫ম স্থানে আছেন রুট। এখন তার নামের পাশে রয়েছে ১৫৪ ম্যাচে ১৩ হাজার ৩৪ রান। গড় ৫০.৭১, সঙ্গে ৩৬টি শতক ও ৬৫টি অর্ধশতক।

    ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটার রাহুল দ্রাবিড়ের রান ১৩,২৮৮ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস আছেন ১৩,২৮৯ রান নিয়ে এবং সাবেক অজি কাপ্তান রিকি পন্টিংয়ের সংগ্রহ ১৩,৩৭৮ রান। অর্থাৎ এদের ছাড়িয়ে যেতে রুটের চাই আর ৩৪৫ রান। চলমান অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফিতেই এই তিনজনকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন এই ব্যাটার।

    এছাড়াও, টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরার রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন তিনি। হেডিংলি টেস্টেই ২১০ ক্যাচ নিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে তার সময় লেগেছে ২৯৩টি ইনিংস। এই তালিকায় অবশ্য যৌথভাবে শীর্ষে আছেন তিনি। ২১০ ক্যাচ নিয়ে আগেই শীর্ষে ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। তবে সেজন্য তার অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩০১ ইনিংস।

  • ট্রাম্প ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই ইসরায়েলের বাজলো সাইরেন

    ট্রাম্প ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই ইসরায়েলের বাজলো সাইরেন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই ইরান থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে—যার ফলে ইসরায়েলের উত্তর এবং কিছু দক্ষিণাঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজতে শুরু করেছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েল’র।

    ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হামলার আগেই দেশটির বেশিরভাগ অঞ্চলে পূর্ব সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, কারণ আগেভাগেই ইরানি হামলার বিষয়টি জানা যায়।

    এই হামলার ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন একদিনের মধ্যে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল ইরান-ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির। তবে এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    তবে আইডিএফ এর পক্ষ থেকে এখনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রতিক্রিয়ার বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

  • নেতানিয়াহুর মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক

    নেতানিয়াহুর মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের এই খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

    বৈঠকে ইসরায়েলের কৌশলগত বিষয়ক মন্ত্রী রন ডার্মার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ, শাস পার্টির চেয়ারম্যান আরিয়েহ ডেরি, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ উপস্থিত রয়েছেন।

    এর আগে, নেতানিয়াহু তাঁর বিস্তৃত নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।