Category: প্রচ্ছদ

  • অনুমতি ছাড়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা মক্কায়

    অনুমতি ছাড়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা মক্কায়

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আসন্ন হজ মৌসুমকে সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু করেছে সৌদি আরব। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য অন্যতম পবিত্র এই হজ মৌসুমকে ঘিরে আগামী বুধবার (২৩ এপ্রিল) থেকে পবিত্র নগরী মক্কায় প্রবেশের জন্য বিশেষ অনুমতির বাধ্যবাধকতা জারি করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ এ তথ্য জানায়।

    হজ ব্যবস্থাপনাকে সুসংগঠিত ও নির্বিঘ্ন করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত সোমবার (৭ এপ্রিল) সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, বিদেশি ওমরাহ পালনকারীদের সৌদি আরব ছাড়ার শেষ দিন ২৯ এপ্রিল। হজ মৌসুম শুরুর প্রাক্কালে প্রস্তুতি নেওয়ার সুবিধার্থে এ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এই ঘোষণার পর নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সৌদির অন্যান্য শহরে বসবাসরত বিদেশি বাসিন্দাদেরও ২৩ এপ্রিল থেকে মক্কায় প্রবেশের জন্য অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কেউ মক্কা প্রবেশের চেষ্টা করলে চেকপয়েন্ট, বিশেষ করে আল-শুমাইসি চেকপয়েন্টে তাদের ফেরত পাঠানো হবে।

    কর্মসংক্রান্ত কারণে মক্কা বা পবিত্র স্থানগুলোতে যেতে হলে বিদেশি শ্রমিকদের ‘আবশের’ বা ‘মুকিম’ পোর্টালের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অনুমতি নিতে হবে। এছাড়াও উমরাহ ভিসা ইস্যুর জন্য ব্যবহৃত ‘নুসুক’ পোর্টাল থেকে ২৯ এপ্রিল থেকে ১০ জুন পর্যন্ত উমরাহ অনুমতি ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

    এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, এ বছর ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশের শেষ সময় ১৩ এপ্রিল। এরপর ওমরাহ পালনের জন্য দেশটিতে প্রবেশ করা যাবে না। হজ মৌসুম শেষে আবার ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সৌদি আরবের দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

    এছাড়াও, ২৯ এপ্রিলের পর সৌদি আরবে ওমরাহ যাত্রীদের যদি কেউ অবস্থান করেন, তবে তিনি দেশটির ভিসা আইন ও হজের নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন বলে বিবেচনা করা হবে। এছাড়াও আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    যেসব ব্যক্তি ও কোম্পানি ওমরাহ পরিষেবা প্রদান করে থাকে, তাদের কেউ যদি নিয়ম লঙ্ঘন করে, তবে শাস্তি হিসেবে তাদের সর্বোচ্চ এক লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা এবং সঙ্গে সম্ভাব্য আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে।

  • জৌলুস হারাচ্ছে তবুও রেওয়াজ ধরে রাখতে স্বর্ণের দোকানে চলছে হালখাতা উৎসব

    জৌলুস হারাচ্ছে তবুও রেওয়াজ ধরে রাখতে স্বর্ণের দোকানে চলছে হালখাতা উৎসব

    অর্থনীতি ডেস্ক: জৌলুস হারাচ্ছে হালখাতার আয়োজন। এখন আর গহনার দোকানে আগের মতো দেনাদার গ্রাহক নেই। ‘নগদ যা পাও হাত পেতে নাও, বাকির খাতা শুন্য থাক’— ওমর খৈয়ামের সেই কালজয়ী পঙক্তির চাক্ষুষ প্রমাণ মিলবে বায়তুল মোকাররমের কিছু স্বর্ণের দোকানে।

    তারপরও নববর্ষের রেওয়াজ ধরে রাখতে রাজধানীর অনেক স্বর্ণের দোকানে চলছে হালখাতা উৎসব। তবে এইক্ষেত্রেও কমেছে নিমন্ত্রণের ব্যপ্তি।

    ব্যবসায়ীরা জানালেন, চড়া দামের কারণে এখন বকেয়া রাখাই দায়। তারপরও গ্রাহক এলে আপ্যায়ন করা হচ্ছে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে দোকানগুলোতে সাজসাজ রব।

    আজ নতুন বাংলা বর্ষের দিন বিভিন্ন স্বর্ণের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, হালখাতার যুগ পেরিয়ে এখন সব হিসাব ডিজিটাল হলেও দোকানের অ্যাকাউনট্যান্ট বা ‘সরকার’-দের অনেকেই এখনও আগের অভ্যাস ছাড়তে পারেননি। তাই খাতায় লিখেই চলছে দেনা-পাওনার অঙ্ক। সবাই যে বকেয়া ফেরত দিতে আসছেন তা নয়। কেউ খুঁজছেন নতুন গহনা, কেউ-বা শুধুই আতিথিয়তার খোঁজে। অনেকে আবার টাকা দিয়ে ছুটিয়ে নিচ্ছেন বন্ধক রাখা গহনা। আর এসবই চলছে মিষ্টি, ফল আর উপহারের আপ্যায়নে।

    উৎসবের আমেজ মিলবছে রাজধানীর মিষ্টির দোকানেও। নববর্ষ উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই এখানে বেচাকেনার চাপ। পরিবার, স্বজন বা বন্ধুদের জন্য নানা রঙ আর স্বাদের মিষ্টি কিনছেন গ্রাহকরা। এর বাইরে করপোরেট অর্ডারের চাপও কম না।

    গতানুগতিক মিষ্টির বাইরে, বাঙালিয়ানাকে মাথায় রেখে নতুন ধরনের সন্দেশ আর ছানা হাজির করেছে কিছু প্রতিষ্ঠান। তাতে উঠে এসেছে মাছ কিংবা পাখির অবয়ব। বিশেষ প্যাকেট বা ডালায় সাজিয়ে ক্রেতাদের দেয়া হচ্ছে এসব মিষ্টি। যদিও বিশেষ পণ্যের দাম নিয়ে আপত্তি আছে ক্রেতাদের।

    পরিসংখ্যান বলছে, বৈশাখের বিকিকিনি মিলিয়ে প্রতি বছর হাতবদল হয় ৫ হাজার কোটি টাকা।

  • চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রাটি আনন্দ উল্লাসে শেষ হলো

    চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রাটি আনন্দ উল্লাসে শেষ হলো

    নিউজ ডেস্ক:  বাংলা নববর্ষ ১৪৩২- কে বরণ করে নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রাটি শেষ হয়েছে।

    সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় ঘুরে টিএসসি মোড়, শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তা দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে গিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শেষ হয়।

    ‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

    ২৮টি জাতিগোষ্ঠী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন দেশের অতিথিরা অংশ নেন এতে।

    শোভাযাত্রায় মূল মোটিফ ছিল ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’। আগে তৈরি করা মুখাবয়বটি পুড়িয়ে ফেলার পর ফের ককশিট দিয়ে তৈরি করা হয় আরেকটি মুখাবয়ব। এর সঙ্গে সবার দৃষ্টি কাড়ে জুলাই আন্দোলনে নিহত মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের স্মরণে ‘পানি লাগবে পানি’ মোটিফ।

    এছাড়া, পায়রা, মাছ, বাঘ, তরমুজসহ একাধিক প্রতিকৃতি দেখা যায় সেখানে।

    উল্লেখ্য, দেশের মানুষের পাশাপাশি শোভাযাত্রায় অংশ নেন বিদেশিরাও। শোভাযাত্রা ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরব উপস্থিতি ছিল।

  • শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা , টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা , টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    নিউজ ডেস্ক:  রাজধানীর পূর্বাচল নিউটাউন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা ৩ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং শেখ রেহানার দুই মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

    রোববার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের দেয়া চার্জশিট আমলে গ্রহণ করেন। আসামিরা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

    উল্লেখ্য, দেড় দশক দেশ শাসনের পর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর থেকে সেখানেই রয়েছেন তিনি।

     

  • বাংলাদেশি পাসপোর্টে পূর্বে থাকা ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্তটি আবারও পুনর্বহাল

    বাংলাদেশি পাসপোর্টে পূর্বে থাকা ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্তটি আবারও পুনর্বহাল

    নিউজ ডেস্ক:  বাংলাদেশি পাসপোর্টে পূর্বে থাকা ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্তটি আবারও পুনর্বহাল করার জন্য বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গত ৭ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের উপসচিব নীলা আক্তার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয়ে প্রাসঙ্গিক গুরুত্বসহ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পূর্বের ন্যায় বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্ত পুনর্বহালের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

    এর আগে, বাংলাদেশের পাসপোর্টে লেখা থাকত, এই পাসপোর্ট বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ, ইসরায়েল ব্যতীত। তবে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২০ সালে দেশে নতুন ই-পাসপোর্ট চালু করলে সেই পাসপোর্টগুলো থেকে এই লেখা বাদ দেয়। এমনকি এ বিষয়ে কোনো ঘোষণাও দেয়া হয়নি।

  • নববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে : র‍্যাবের মহাপরিচালক

    নববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে : র‍্যাবের মহাপরিচালক

    নিউজ ডেস্ক:  বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এ কে এম শহিদুর রহমান।

    রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে রমনা বটমূলসহ নববর্ষ উৎসবে র‍্যাবের নিরাপত্তা নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, নববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা রেখেছি। আশা করি উৎসবটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।

    তিনি বলেন, বৈশাখী উৎসবকে ঘিরে অপপ্রচার রোধ করতে সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। নববর্ষের উৎসবকে কেন্দ্র করে ইভটিজিং যাতে না হয়, সেজন্য সতর্ক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, চারুকলায় ফ্যাসিস্টের মুখাকৃতি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। কারও গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান উল্লেখ করে র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা এই অনুষ্ঠানটি উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করব। এ জন্য র‍্যাব ঢাকাসহ সারাদেশে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমাদের মোটরসাইকেল পেট্রোল, গাড়ি পেট্রোল, চেকপোস্ট, অবজারভেশন টাওয়ার ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

    বর্ষবরণের সুন্দর আয়োজন সম্পন্ন করতে সাধারণ মানুষের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।