Category: প্রচ্ছদ

  • ট্রাম্প প্রশাসন স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও কিছু ইলেকট্রনিক পণ্যে চীনের উপর আরোপিত ১২৫% শুল্কের আওতা থেকে সরিয়ে নিয়েছে

    ট্রাম্প প্রশাসন স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও কিছু ইলেকট্রনিক পণ্যে চীনের উপর আরোপিত ১২৫% শুল্কের আওতা থেকে সরিয়ে নিয়েছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক শুল্ক আরোপের কারণে অস্থির হয়ে উঠেছে বিশ্ব বাণিজ্য। তবে ট্রাম্প প্রশাসন স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও কিছু ইলেকট্রনিক পণ্যকে চীনের উপর আরোপিত ১২৫% শুল্কের আওতা থেকে সরিয়ে নিয়েছে। রোববার (১৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ছাড়ের আওতায় রয়েছে সেমিকন্ডাক্টর, সোলার সেল, মেমোরি কার্ডসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশও। চীনের বিরুদ্ধে আমেরিকার শুল্ক নীতিতে এটাই প্রথম বড় ছাড়, বিশ্লেষকরা এই পদক্ষেপকে ‘গেম-চেঞ্জার’ বলছেন।

    আমেরিকান টেক কোম্পানিগুলোর উদ্বেগের পরেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যারা জানিয়েছিলেন চীন থেকে তৈরি পণ্যের দাম ব্যাপক হারে বেড়ে যেতে পারে।

    হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে আমেরিকা সেমিকন্ডাক্টর, চিপস, স্মার্টফোন ও ল্যাপটপের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি উৎপাদনের জন্য চীনের উপর নির্ভরশীল থাকতে পারে না’।

    তিনি আরও যোগ করেন, প্রেসিডেন্টের নির্দেশে এই কোম্পানিগুলো যত দ্রুত সম্ভব তাদের উৎপাদন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর করার চেষ্টা করছে।’

    এই সিদ্ধান্তের পর চীন ও অন্যান্য দেশ কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য সংঘাতের গতিপথ বদলে দিতে পারে।

  • ঢাকার ‘মার্চ ফর গাজা’ সমাবেশ ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে : ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত

    ঢাকার ‘মার্চ ফর গাজা’ সমাবেশ ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে : ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত

     নিউজ ডেস্ক:  ঢাকার ‘মার্চ ফর গাজা’ সমাবেশ ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ ওয়াই রামাদান। শনিবার (১২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

    বিবৃতিতে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা তার অতুলনীয় আন্তরিকতা দিয়ে বিশ্বকে অবাক করে চলেছে। ১২ এপ্রিল বিশ্ব যা প্রত্যক্ষ করেছে তা ইতিহাসের পাতায় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন ও সংহতির অন্যতম সেরা ঘোষণা হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে, যা সীমান্ত এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রতিধ্বনিত হবে।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের প্রাণশক্তি একটি অকাট্য সত্যকে নিশ্চিত করে। বাংলাদেশ, তার পুরুষ ও নারী, তরুণ ও বৃদ্ধ উভয়ের মাধ্যমে, ফিলিস্তিনি জনগণকে স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য শক্তি, উৎসাহ এবং নৈতিক প্রতিরোধ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বাংলাদেশিদের মতো মহান জাতি খুঁজে পাওয়া বিরল।

    এই মহৎ জাতি একটি অপরিবর্তনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, একটি ঘোষণা, যা কেবল কথায় নয় বরং নীতিগতভাবে খোদাই করা হয়েছে- বাংলাদেশ ইতিহাসের সঠিক দিকে থাকা ছাড়া আর কিছুই মেনে নেবে না। ফিলিস্তিন এবং এর জনগণের ন্যায্য সংগ্রামের পাশে দাঁড়ানো ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করবে না। এই পৃথিবীর প্রতিটি সম্মানিত আত্মার গভীরে বসবাসকারী এই নীতির সঙ্গে তারা কখনও আপস করবে না।

    সমগ্র ফিলিস্তিন থেকে সমগ্র বাংলাদেশের কাছে, আমরা এমন এক জনগোষ্ঠীকে আমাদের শুভেচ্ছা জানাই যাদের মাহাত্ম্য এবং সাহসী অবস্থানকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। ফিলিস্তিন তার বাংলাদেশের ভাইবোনদের কাছ থেকে এটাই প্রত্যাশা করে, আমাদের জনগণ তাদের পূর্ণ অধিকার, তাদের স্বাধীনতা এবং তাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত তাদের সমর্থনে অনুগত এবং অটল থাকবে।

    বিবৃতিতে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত বলেন, এই মহান জনগণের প্রতি, আমরা আমাদের স্থায়ী অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করি। ফিলিস্তিন এবং এর জনগণ আপনাদের প্রতি অনুগত থাকবে, যতক্ষণ না এটি তাদের পূর্ণ অধিকার, তাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে। আমরা আপনাদের সম্মানজনক অবস্থান কখনও ভুলব না। আমরা বাংলাদেশের জন্য আপনাদের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং অব্যাহত অগ্রগতির জন্য ক্রমাগত প্রার্থনা করি।

    ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে, আমরা লাল এবং সবুজ রঙের সমুদ্রের উত্থান প্রত্যক্ষ করেছি। ফিলিস্তিনের পতাকার পাশে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক রাজু স্মৃতি ভাস্কর্যটি এই অসাধারণ দৃশ্যের পটভূমি হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের জাতীয় রং ফিলিস্তিনের সঙ্গে মিশে আছে, সাহসের দুটি পতাকা পাশাপাশি উড়ছে। হাজার হাজার কণ্ঠস্বর, যার মধ্যে শিক্ষার্থী, মা, ইমাম, শিল্পী এবং আরও অনেকে স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের জন্য একযোগে ধ্বনি তুলেছেন।

    ঢাকার কণ্ঠস্বর চিৎকার করে উঠবে এবং কখনও নীরব থাকবে না, যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি ভাই-বোনেরা দখলদারিত্ব এবং অবিচারের শিকার হচ্ছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমি গত কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের অবিচল সংহতির জন্য কৃতজ্ঞতায় ভরা হৃদয় নিয়ে লিখছি। মিছিল করা প্রতিটি ছাত্র, চিত্রশিল্পী, প্রার্থনাকারী, ইমাম এবং কণ্ঠস্বর তুলে ধরা প্রতিটি বাংলাদেশিকে ধন্যবাদ। গাজার শরণার্থী শিবির থেকে পশ্চিম তীরের জলপাই গাছ পর্যন্ত আপনার সংহতি অনুভূত হয়। ন্যায়বিচারের জয় হবে এই বিশ্বাসকে আপনারা বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করেছেন।

    আমার হৃদয় থেকে এবং ফিলিস্তিনের পক্ষ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ। আপনারা কেবল সমর্থক নন। আশা, মর্যাদা এবং সংগ্রামে আমাদের ভাই ও বোন। ফিলিস্তিন-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক। ন্যায়বিচারের জন্য আমাদের যৌথ সংগ্রাম দীর্ঘজীবী হোক।

    উল্লেখ্য, ‘প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশ’ এর আয়োজনে শনিবার রাজধানীতে ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচি পালন করা হয়। এই কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচিতে ফিলিস্তিনের সমর্থনে ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়।

  • শরীয়তপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ

    শরীয়তপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ

    অনলাইন ডেস্ক: গত ৫ এপ্রিল শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। গ্রামের বাজারে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

    এ ঘটনার একটি ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায় একই গ্রামের মানুষ একে অপরের ওপর হাতবোমা নিক্ষেপ করছে। দেখে মনে হবে এ যেন যুদ্ধ চলছে।

    এই সংঘর্ষ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বিলাসপুরে আধিপত্বের এই লড়াই ৪১ বছর ধরে চলছে। শুধু বোমার আঘাতে এ পর্যন্ত ৮ জনের প্রাণ গেছে। গত বছরের ২৭ মার্চ এমনই এক সংঘর্ষে বোমার আঘাতে ২৫ বছর বয়সী সজিব নামের একজন যুবক মারা যায়।

    সজীবের মা জানান, বোমার আঘাতে আহত ছেলের পেট থেকে ৩৭টি তারকাটা বের করা হয়। আর ১১টি তারকাটা সজীবের পেটের মধ্যে রয়ে গিয়েছিল। সাতদিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে মারা যায় সজীব।

    এই ঘটনার ১ মাসের মধ্যে আরেকটি সংঘর্ষে স্কুল ছাত্র সৈকত মারা যায়। বোমার আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল সে। পরে হাসপাতালে মারা যায় সে। এদিকে সৈকত মারা যাওয়ার পরও তার বাড়িতেও বোমা হামলা হয়।

    প্রতিপক্ষের বোমার আঘাতে এ পর্যন্ত হাজারের ওপর মানুষ আহত হয়েছেন। স্থায়ী অঙ্গহানি, বোমায় উড়ে গেছে হাত বা পা এমন সংখ্যাও শতাধিক। হাত হারানো এক ব্যক্তি বলেন, হাত না থাকায় যাবতীয় কাজকর্ম করতে অনেক কষ্ট হয়।

    এখন প্রশ্নটা হলো, তারা কেন নিজেরাই নিজেদের মারছেন? এ নিয়ে অনুসন্ধানে নামে যমুনা নিউজ। তাতে উঠে আসে দুইজনের নাম। এলাকায় তারা বোমা কুদ্দুস আর বোমা জলিল নামে পরিচিত।

    এদের মধ্যে কুদ্দুস বিলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি। নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য নিশ্চিত করতে ২০০১ সালে প্রথম বোমাবাজির শুরু করেন তিনি। এলাকায় গড়ে ওঠা চরের জমি দখল নেয়া, পদ্মা নদীর নৌ পথ, বালু তোলা ও মাছ শিকারের নিয়ন্ত্রণ ছিল তার হাতে।

    একই ইস্যুতে এলাকার স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জলিল মাতবর তার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নির্বাচনও করেছিলেন তিনি। বছরের পর বছর ধরে চলা তাদের এ যুদ্ধের হাতবোমা অন্যতম হাতিয়ার হয়ে ওঠে। সবশেষ পরিস্থিতি এমন যে, কুদ্দুসের কাছ থেকেই বোমা কিনে তার সাথে যুদ্ধে নামে জলিলের সমর্থকরা।

    এ বিষয়ে স্থানীয় একজন বলেন, আক্রমণ ঠেকাতে হলে কিছু একটা তো করতে হবে। সেক্ষেত্রে তাদের কাজ থেকে হাতবোমা সংগ্রহ করতে হয়।

    গত ২৪ বছরে অন্তত ৬০ বার এমন সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। এমনকি একটানা ১৬ দিনও চলেছে এই বোমা নিক্ষেপ।

    একজন স্থানীয় একজন, গত ৩৭ বছরে এবারই প্রথম বিলাসপুরের মারামারি একদিনে থেমেছে। আগে একটা ৯ মাস পর্যন্ত মারামারি হয়েছে।

    কুদ্দুস আর জলিলের অপরাধের আমলনামা অনেক বিশাল। কুদ্দুসের বিরুদ্ধে ৪৭টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২৭টি বোমা মেরে মানুষ হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা। আর জলিলের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ৫০টি। যার মধ্যে ৩৩টি বোমার মামলা। দুইজনই এখন জেলে রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীতাকে কেন্দ্র করে এই দ্বন্দ্বের শুরু। তারা নিজেরাই বোমা বানিয়ে নিজেদের ওপর মেরে এলাকায় এক ত্রাসের রাজত্ব কেয়েম করেছেন। পুরোটা সময় দুইজন সাবেক সংসদ সদস্য তাদের শেল্টার দিয়ে গেছেন। এলাকার একটি অংশের দাবি জলিল জেলে থাকলে তারা ভালো থাকেন। অপর অংশের দাবি কুদ্দুস জেলে থাকলে তারা ভালো থাকেন।

    স্থানীয় একজন বলেন, সাবেক এমপি মোজাম্মেল ভূঁইয়া, ইকবাল হোসেনের ছত্রছায়ায় তারা এই কাজ করেছে। আরেকজন বলেন, এমপি ঝামেলা না মিটে ঝিইয়ে রাখত।

    জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মূল অপরাধীরা তৎকালীন সরকারের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। তারা পদেও ছিল। ওই সময় তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে।

    এখন প্রশ্ন বোমা বানায় কারা? উত্তর হলো দুইপক্ষের প্রায় সবাই বোমা বানানোর সাথে জড়িত। স্থানীয়দের অনেকেই বোমা বানানোর কৌশল জানে। বহু অনুরোধের পর একজন বোমা বানানোর প্রক্রিয়া দেখাতে রাজি হয়। এ সময় নিমিষেই তিনি বোমা বানিয়ে দেখান।

    উপকরণ সব সাথে থাকলে মাত্র ৫ মিনিটিই তৈরি হয় একটি হাতবোমা তৈরি হয়। ১০০ বোমা তৈরি করলে ৪০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক অয়ান তারা। নির্জন স্থান, বাগান, পদ্মার চর বা নৌকায় বসেও বোমা বানানো হয়। এমনিকে স্কুলকেও বোমা বানানোর স্পট হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

    জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় কয়েকজন তাৎক্ষণিকভাবে বোমা বানাতে থাকেন। একজন বলেন, মহিলারা বোমা বানানোর সময় পুলিশ আসে কিনা তা পাহাড়া দেন।

    কোথা থেকেই বা আসে বোমার রসদ? কুদ্দুস আর জলিল দুই ক্ষের বক্তব্য রসদের রুট একটিই। একজন বলেন, বোমা কুদ্দুসের ভাই নূর ইসলাম ব্যাপারী প্রতিটি এলাকায় বোমা সরবরাহ করে। আরেকজন বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম পিকআপের মাধ্যমে নিয়ে আসে তারা।

    এসবের ভয়ে বিলাসপুরের বহু পরিবার নিজ বাড়িতে থাকে না। আহতদের অনেকেই পাল্টা মামলার আসামি হয়ে পলাতক রয়েছে। একজন বাসিন্দা বলেন, সম্ভব হলে বাড়ি বিক্রি করে চলে যাব। এই বিলাপুরে থাকতে চাই না।

    এতো বছর প্রশাসন তাহলে কী করেছে? জেলার এসপির কাছে জানতে চায় যমুনা নিউজ।

    শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের চেষ্টা স্বত্বেও অনেক সময় আইনের ফাঁক ফোকরে অনেকে কারাগার থেকে বের হয়ে যায়। এরপর তারা আবার নাশকতা শুরু করে।

    সূত্র যমুনা টিভি

  • জলঢাকায় তারেক রহমানকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    জলঢাকায় তারেক রহমানকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    মোঃ এহছান এলাহী: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আওয়ামীপন্থী একটি গোষ্ঠীর পরিচালিত মিথ্যাচার ও ফ্যাসিবাদী অপপ্রচারের প্রতিবাদে জলঢাকার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের জয় বাংলা বাজার বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ কর্মসূচির আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহ। কর্মসূচিতে অংশ নেন যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “তারেক রহমান একজন দেশপ্রেমিক ও গণমানুষের নেতা। তাঁকে নিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী মশিউর রহমান মিঠুল, মিজানুর রহমান, আসাদ, মতিয়ার রহমান, নজরুল ইসলাম, মহুবার রহমান, মকবুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, মজিদুল রহমান, ছাইয়াকুল রহমান, লিটন রহমানসহ আরও অনেকে বারবার ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু জনগণ আজ সজাগ ও সচেতন। তারা সবকিছু বুঝে এবং সময়মতো এর উপযুক্ত জবাব দেবে।” বক্তারা আরও বলেন, “মিথ্যা প্রচার ও চরিত্র হননের রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি। অবিলম্বে এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।” তারা দেশে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার দাবি জানান। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন গোলমুন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাফিউল ইসলাম চঞ্চল। উপস্থিত ছিলেন— যুগ্ম আহবায়ক মওদুদ আহমেদ ও সাইফুল ইসলাম সবুজ, ছাত্রদল নেতা মফিজুল ইসলাম, শাকিল পাটোয়ারী, শাহজালাল ইসলাম শান্ত ও গালিব হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রদল নেতা শাহীন ইসলাম, শফিকুল আলম, সিরাজুল ইসলাম, মাইদুল ইসলাম দুলু, আখিলুজ্জামান বাচ্চু এবং মৎস্য দলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সিনিয়র সহ-সভাপতি ফেরদৌস আলম। লপ্রতিবাদ ও মানববন্ধন শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  • পাকিস্তানে দুপুরে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

    পাকিস্তানে দুপুরে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি ও ইসলামাবাদের কাছে দুপুরে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। একই সঙ্গে খাইবার পাখতুনখোয়াতেও আরেকটি ভূমিকম্পের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শনিবার (১২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় ১২টা ৩১ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। এক প্রতিবেদনে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও টিভি এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের জাতীয় ভূকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনএসএমসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি ১২ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাওয়ালপিন্ডি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুসারে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.০ এবং এর গভীরতা ছিল ৩৯.২ কিলোমিটার।

  • ইপিএল -এর প্রিমিয়ার লিগে প্রতিনিধিত্ব করছেন ১২৬ দেশের খেলোয়াড়

    ইপিএল -এর প্রিমিয়ার লিগে প্রতিনিধিত্ব করছেন ১২৬ দেশের খেলোয়াড়

    খেলাধুলা ডেস্ক: এখন পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগে প্রতিনিধিত্ব করছেন ১২৬ দেশের খেলোয়াড়। সেখানে নাম রয়েছে বাংলাদেশেরও। এই বৈচিত্র‍্যকে উদ্যাপন করতে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা প্রতিটি দেশের ফুটবলারদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছে প্রিমিয়ার লিগ।

    বাংলাদেশের মধ্যে যেহেতু কেবল হামজাই প্রিমিয়ার লিগে, তাই অবধারিতভাবে তাঁর নামই রাখা হয় সেই পোস্টে। প্রিমিয়ার লিগে এই মিডফিল্ডারের অভিষেক হয় ২০১৭-১৮ মৌসুমে। এখন পর্যন্ত লেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগে ৫৭টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

    কিন্তু বর্তমানে ধারে শেফিল্ডের হয়ে খেলছেন এই মিডফিল্ডার। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে দেখা যেতে পারে তাকে। তবে সেটা একমাত্র লেস্টার সিটি ছাড়লেই সম্ভব হবে। কারণ, প্রিমিয়ার লিগে ৩১ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১৯-এ আছে লেস্টার। তাই অবনমনের শঙ্কায় আছে তারা।