Category: প্রচ্ছদ

  • জাপানে বর্তমানে মুসলিম জনসংখ্যা ৩ লাখ ৫০ হাজার

    জাপানে বর্তমানে মুসলিম জনসংখ্যা ৩ লাখ ৫০ হাজার

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাপানে বর্তমানে মুসলিম জনসংখ্যা ৩ লাখ ৫০ হাজার। দ্রুত ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীদের সংখ্যা বাড়ার কারণে দেশটিতে ইসলামিক রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কবরস্থানের জন্য ক্রমবর্ধমান চাপের সম্মুখীন হচ্ছে দেশটির সরকার। মূলত, দেশটিতে মৃতদেহ দাহ করা রীতি থাকলেও ইসলাম জাপানে দ্রুততম বর্ধনশীল ধর্ম হবার কারণে নতুন এই সমস্যা ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এক প্রতিবেদনে মিডেল ইস্ট মনিটর এ তথ্য জানায়।

    জাপানের কিয়োডো নিউজ জানিয়েছে যে মিয়াগি প্রিফেকচারের গভর্নর ইয়োশিহিরো মুরাই বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং বলেছেন যে একজন মুসলিম বাসিন্দা তাকে বলেছেন যে কবরের অভাবের কারণে জাপানে বসবাস করা ‘খুবই কঠিন’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তিনি একটি নতুন কবরস্থান তৈরির কথা বিবেচনা করছেন।

    তোহোকু অঞ্চলে কবরস্থানের অনুপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে মুরাই বলেন, ‘ নতুন কবরস্থান তৈরির কথা মাথায় রেখে দ্রুত জাপান সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

  • জনপ্রশাসন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে দেশের মানুষ তাদের সত্যিকারের অধিকার ফিরে পাবে ; প্রধান উপদেষ্টা

    জনপ্রশাসন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে দেশের মানুষ তাদের সত্যিকারের অধিকার ফিরে পাবে ; প্রধান উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জনপ্রশাসন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে দেশের মানুষ তাদের সত্যিকারের অধিকার ফিরে পাবে। এ দুই বিভাগের সাথে দেশের সব পর্যায়ের মানুষের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

    বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধানরা অন্য সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে রিপোর্ট হস্তান্তর করেন। দুই সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণের পর তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই দুই সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট থেকে অতীতের নতজানু হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে মুক্তি পাবে দেশের মানুষ। হেনস্তা, অবমান , অবজ্ঞা ও অবমাননা থেকেও মুক্তি পাবে। তাদের সত্যিকারের অধিকার ফিরে পাবে।

    কমিশন প্রধানসহ সদস্যদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জনগণ, সিভিল সোসাইটি সংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তুলে ধরবে।

    এই প্রতিবেদন ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য দলিল হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি আরও বলেন, সংস্কার করা সম্ভব হয়নি বা করা যায়নি কেন তা নিয়ে ভবিষ্যত প্রজন্মের জানতে চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া, কমিশনের প্রতিবেদন বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে এর ইংরেজি অনুবাদ করা দরকার। এটা যেমন আমাদের জাতীয় সম্পদ, তেমনি পৃথিবীর সম্পদ বলেও জানান তিনি।

  • শেখ হাসিনা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলে এর দায় ভারতের !

    শেখ হাসিনা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলে এর দায় ভারতের !

    নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলে এর দায় ভারতের। এমনটা ঘটলে ভারতকে জবাব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। বুধবার (৫ ফেব্রিয়ারি) বিকেলে বাংলা একাডেমিতে একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ফেব্রুয়ারি-মার্চ রাজপথ ছাত্র-জনতার দখলেই থাকবে। আমরা যেকোনো সময়ের জন্য প্রস্তুত। কোনো ভয় বা আতঙ্ক দেখিয়ে আমাদের পিছপা করা যাবে না। এ সময় আইনি জায়গায় থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    অভ্যুত্থানে গণমাধ্যমগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্দোলনে সংবাদপত্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইলেকট্রনিক মিডিয়া তৎকালীন সরকার নিয়ন্ত্রণ করছিল। টিভিতে কিছু দেখানো হচ্ছিলো না। তখন সংবাদপত্রের একটি ইতিবাচক ভূমিকা ছিল। তবে কিছু সংবাদপত্র আন্দোলনকে সংঘর্ষ হিসেবে দেখিয়েছিল।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাহাত্তর সালের মতো অপরাধীরা যেন নিজেদের নির্দোষ দাবি করতে না পারে এবং ইতিহাস বিকৃতি রোধে জুলাই আন্দোলন দক্ষতার সাথে নথিভুক্ত করা হচ্ছে।

    । এমনটা ঘটলে ভারতকে জবাব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। বুধবার (৫ ফেব্রিয়ারি) বিকেলে বাংলা একাডেমিতে একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ফেব্রুয়ারি-মার্চ রাজপথ ছাত্র-জনতার দখলেই থাকবে। আমরা যেকোনো সময়ের জন্য প্রস্তুত। কোনো ভয় বা আতঙ্ক দেখিয়ে আমাদের পিছপা করা যাবে না। এ সময় আইনি জায়গায় থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    অভ্যুত্থানে গণমাধ্যমগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্দোলনে সংবাদপত্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইলেকট্রনিক মিডিয়া তৎকালীন সরকার নিয়ন্ত্রণ করছিল। টিভিতে কিছু দেখানো হচ্ছিলো না। তখন সংবাদপত্রের একটি ইতিবাচক ভূমিকা ছিল। তবে কিছু সংবাদপত্র আন্দোলনকে সংঘর্ষ হিসেবে দেখিয়েছিল।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাহাত্তর সালের মতো অপরাধীরা যেন নিজেদের নির্দোষ দাবি করতে না পারে এবং ইতিহাস বিকৃতি রোধে জুলাই আন্দোলন দক্ষতার সাথে নথিভুক্ত করা হচ্ছে।

  • আওয়ামী লীগের গবেষণা শাখা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) নামে আইএফআইসি ব্যাংকে ৩৫ কোটি ২১ লাখ টাকার এফডিআর

    আওয়ামী লীগের গবেষণা শাখা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) নামে আইএফআইসি ব্যাংকে ৩৫ কোটি ২১ লাখ টাকার এফডিআর

    অর্থনীতি ডেস্ক:  আওয়ামী লীগের গবেষণা শাখা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) নামে আইএফআইসি ব্যাংকে ৩৫ কোটি ২১ লাখ টাকার এফডিআর পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে  মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সিআরআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির অফিস বন্ধ পাওয়া গেলেও ওই ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্টটি (এফডিআর) পাওয়া যায়।

    পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দুদক মহাপরিচালক আখতার হোসেন এসব কথা জানান। তিনি বলেছেন, সিআরআইয়ের পরিচালনা পর্ষদ বিভিন্ন রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রীয় তহবিলের অপব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতে একটি অভিযান চালানো হয়।

    অভিযান চলাকালে দুদক দল ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সিআরআইয়ের ব্যাংকিং রেকর্ড সংগ্রহ করে। দুদক এখন সংগৃহীত নথি ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করবে বলে জানান সংস্থাটির এ মহাপরিচালক।

    উল্লেখ্য, সিআরআইয়ের চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ জয়, ভাইস-চেয়ারম্যান সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। ট্রাস্টিদের মধ্যে আছেন রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ।

  • চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট

    নিউজ ডেস্ক: ষ্ট্রদ্রোহের মামলায় গ্রেফতার বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। তাকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি মো. আলী রেজার হাইকোর্ট বেঞ্চে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে দুই সপ্তাহের রুল জারি করা হয়।

    আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য ও প্রবীর রঞ্জন হালদার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনিক আর হক ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ।

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে সনাতনী সম্প্রদায়ের একটি বড় সমাবেশ হয় গত ২৫ অক্টোবর। এর কয়েক দিন পর গত ৩১ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়। এ মামলায় আরও ১৮ জনকে আসামি করা হয়।

    গত ২২ নভেম্বর চিন্ময়ের নেতৃত্বে রংপুরে আরও একটি বড় সমাবেশ হয়। এরপর রাষ্ট্রদ্রোহের সেই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গত ২৫ নভেম্বর ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়। পরদিন জামিন আবেদন করা হলে তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

    আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে সেদিন চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে চিন্ময়ের অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে আদালত চত্বরের বাইরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর থেকেই কারাগারে আছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস।

    গত ২ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। এর আগে, গত বছরের ২৬ নভেম্বর চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নাকচ করে দেন চট্টগ্রামের ষষ্ঠ মহানগর হাকিম আদালত।

  • প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে একজন বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইলন মাস্ক

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে একজন বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইলন মাস্ক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তার মতে, ইলন মাস্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে একজন বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ‘বিশেষ সরকারি কর্মচারী’ পদবিটির অর্থ হল মাস্ক, যিনি একজন বিলিয়নেয়ার প্রযুক্তি উদ্যোক্তা হিসেবে নতুন ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে একটি শক্তি হিসেবে কাজ করেছেন। তবে তিনি একজন স্বেচ্ছাসেবক নন। সেই সাথে, তিনি পূর্ণকালীন ফেডারেল কর্মচারীও নন।

    মাস্কের কর্মসংস্থানের সাথে পরিচিত একজন ব্যক্তি সিএনএনকে জানিয়েছেন যে বিচার বিভাগের সারসংক্ষেপ অনুসারে, একজন বিশেষ সরকারি কর্মচারী হলেন ‘কেউ বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১৩০ দিন বা তার কম সময়ের জন্য সরকারের জন্য কাজ করেন।

    বিষয়টির সাথে পরিচিত একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন যে এছাড়াও মাস্কের কাছে একটি গোপন নিরাপত্তা ছাড়পত্র রয়েছে।

    হোয়াইট হাউস ক্যাম্পাসে একটি অফিস রয়েছে মাস্কের। ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, মাস্ক দেখিয়েছেন যে তার ডজ নামে পরিচিত সরকারি দক্ষতা উদ্যোগটি বাস্তবায়নের জন্য বিস্তৃত একটি ম্যান্ডেট রয়েছে।

    স্থানীয় সময় সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে মাস্কের ট্রেজারি বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অর্থপ্রদান ব্যবস্থায় অ্যাক্সেস রয়েছে, যা সমগ্র ফেডারেল সরকারের পক্ষে থেকে অর্থ পাঠায়।

    সোমবার ফেডারেল ইউনিয়ন এবং অন্যান্যরা এই অ্যাক্সেসের জন্য ট্রেজারি বিভাগের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।ট্রাম্প যখন মাস্কের কার্যক্ষেত্র সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন তখন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ওভাল অফিসের ভেতরে ছিলেন।

    মাস্কের দায়িত্ব নিয়েব ট্রাম্প বলেন, ‘ইলন মাস্ক আমাদের অনুমোদন ছাড়া কিছু করতে পারবেন না এবং করবেনও না। সেই সাথে, যেখানে উপযুক্ত হবে সেখানে আমরা তাকে অনুমোদন দেব; যেখানে উপযুক্ত হবে না, আমরা দেব না,” রাষ্ট্রপতি বলেন।

    উল্লেখ্য, মাস্কের ব্যবসায়িক সাফল্য আংশিকভাবে ফেডারেল অর্থ দ্বারা ইন্ধনপ্রাপ্ত হয়েছে, এবং স্পেসএক্স বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সরাসরি সরকারি চুক্তি পেয়েছে।

    একজন বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে, মাস্ক একটি ফেডারেল স্বার্থ-সংঘাত আইন দ্বারা আচ্ছাদিত; যা সরকারি কর্মচারীদের তাদের আর্থিক স্বার্থকে প্রভাবিত করবে এমন বিষয়ে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করে। এই আইনটি ফৌজদারি বা নাগরিক প্রেক্ষাপটে প্রয়োগ করা যেতে পারে। তবে ক্ষমতা বিবেচনা করলে এটি কেবল বিচার বিভাগ দ্বারা প্রয়োগ করা যেতে পারে।