Category: প্রচ্ছদ

  • কেশবপুরে একইদিনে দুই আওয়ামী লীগের দুই নেতার মৃত্যু

    কেশবপুরে একইদিনে দুই আওয়ামী লীগের দুই নেতার মৃত্যু

    যশোর প্রতিনিধি:যশোরের কেশবপুর আওয়ামী লীগের বিশিষ্ট দুই জন নেতা একইদিনে মৃত্যু বরন করিয়াছেনকেশবপুর উপজেলার আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দিনের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা (৫৯)আজ সোমবার ৩/২/২৫ তারিখে বিকাল ৫২০ ঘটিকায় ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ব্রেনষ্টোটকের চিকিৎসা অবস্থায় ইন্তেকাল করিয়াছেন, তার বাড়ি কেশবপুর পৌর শহরে থানার মোড়ে তাহার গ্রামের বাড়ি প্রতাপপুর, মৃত্যু কালে তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে সহ অসংখ্য অত্নীয় সজন রেখে গেছেন আজ মঙ্গলবার বার সকাল ১০ ঘটিকায় পাবলিক মযদানে ১ম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে পরে ২য় জানাজা গ্রামের বাড়িতে ১১টার সময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্হানে দাফন করা হয়েছে। গাজী গোলাম মোস্তফা ২০০৩ সাল থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    এ ছাড়া কেশবপুরে আওয়ামী লীগের আর এক নেতা মারা গিয়েছেন। যশোর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও হাসানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তৌহিদুজ্জামানের পিতা সোহরাব হোসেন গত রাত ২.১০ মিনিটে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। তাহার প্রথম জানাজা গত কালকে ১০৩০ মিনিটে কেশবপুর পাবলিক ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২য় জানাজা হাসানপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্হানে দাফন করা হয়।

    কেশবপুর একইদিনে আওয়ামী লীগের দুই নেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
    আনেকে এই দুই নেতার মৃত্যুর খবর শুনার পর বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছে।
    এদিকে দুই নেতার বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের পৌরসভায় ৮ হাজারের বেশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা অবৈধভাবে চলছে !

    ঠাকুরগাঁওয়ের পৌরসভায় ৮ হাজারের বেশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা অবৈধভাবে চলছে !

    জেলা প্রতিনিধি:যেকোনো যান মানুষকে গন্তব্যে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার কাজটি করে। কিন্তু যান যদি গন্তব্যে সঠিক সময়ে পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হয়, তা আরোহীকে উদ্বিগ্ন করে তোলে। এমন যান সড়ক থেকে তুলে দেওয়াই ন্যায়সংগত। কিন্তু এ ভাবনা ঠাকুরগাঁও পৌর প্রশাসন আদৌও ভেবে দেখেছে কি না তা নিয়ে সন্দিগ্ধ পৌরবাসী। এই পৌরসভার ঘাড়ে চেপে বসেছে ১০ হাজারেরও বেশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। প্রতিদিন এগুলোর দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ যাত্রী থেকে শুরু করে পথচলতি মানুষ । ১০ হাজার অটোরিকশার চাপে ত্রাহি অবস্থা শহরবাসীর। ঘর থেকে বের হলেই ব্যাটারিচালিত এই যানের নৈরাজ্য দেখে তাদের কপালে রক্ত ওঠা অবস্থা হয়। পৌর কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের প্রতি কী দায়িত্ব পালন করছে, এ নিয়ে হাজারটি প্রশ্ন তাদের মনে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২ হাজার অটোযানকে পৌর প্রশাসন ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে সড়কে নামার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে ৮ হাজারেরও বেশি এই যান অবৈধভাবে চলছে। এতে যানজট ও দুর্ভোগের শহরে পরিণত হয়েছে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা।

    পৌরবাসীর ধারণা, ৮ হাজারের বেশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলার পেছনে পৌর কর্তৃপক্ষের হাত আছে। এসব যানের চলার পেছনে তাদের মৌন ও জোরাল দুটি সমর্থনই রয়েছে। এটা যদি না থাকত, তাহলে কীভাবে অবৈধভাবে চলছে এসব যান। এক দিন নয়, মাসের পর মাস। এসব যানের কারণে সব সময় লেগে থাকে যানজট। অবৈধ অটোরিকশার ভারে শহরটি স্থবির হয়ে পড়েছে। এগুলোর বেপরোয়া চলাচলে ছোট-বড় দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। এই যানের কাছে শহরবাসী জিম্মিদশায় পড়েছে। এ থেকে উদ্ধার করতে পারে শুধু পৌর প্রশাসন। কিন্তু এ নিয়ে প্রশাসন কতটা মাথা ঘামিয়েছে, তা পৌরবাসীর প্রশ্ন। প্রতিদিনই অটোরিকশার দৌরাত্ম্য বেড়ে চলছে। সড়কের এখানে সেখানে এগুলো থামিয়ে তৈরি করা হচ্ছে যানজট। এতে শহরে যান চলাচল নিয়ে বিশাল নৈরাজ্যের সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাফিক আইনকে পর্যন্ত অটোচালকরা তোয়াক্কা করছে না। ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণাও নেই। তাই দুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না। এসব দুর্ঘটনায় অনেক প্রাণ ঝরে পড়ছে। পৌর শহরের হাজিপাড়ার বাসিন্দা নওশাদ আলী বলেন, ‘পৌর এলাকায় যারা অটোরিকশা চালায়, তাদের কোনো ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নেই। অনেকে ছিল দিনমজুর, কেউ সবজি বিক্রেতা। সড়কে কীভাবে রিকশা চালাতে হবে তাও জানে না। এতে প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। অটোরিকশার বিরুদ্ধে পৌরসভা প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    শহরের গোয়ালপাড়ার আরেক বাসিন্দা ফাতেমা বেগম বলেন, ‘মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যেতে হয়। অটোরিকশা সড়কের মধ্যে এমনভাবে চলাচল করে যে আতঙ্কে থাকতে হয়। দুর্ঘটনার আশঙ্কা মনে উঁকি দিয়ে ওঠে। অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে পৌর প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’ পৌরবাসী বাবুল হোসেন নামে একজন বলেন, ‘শহরের ধারণক্ষমতা থাকে, কতটা যানবাহন ধারণ করতে পারবে। বৈধভাবে চলা ২ হাজার অটোরিকশা ঠাকরগাঁও পৌরসভা ধারণ করতে পারে কি না, তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তার ওপর অবৈধভাবে চলছে আরও ৮ হাজারের বেশি অটোরিকশা। অবৈধভাবে চলা সবকটি সড়ক থেকে তুলে দিতে হবে।’ পৌর শহরের কাপড় ব্যবসায়ী জনি রহমান বলেন, ‘কয়েক বছর আগেও এখানে কোনো যানযট ছিল না। এত অটোরিকশা যে পা ফেলার জায়গা নেই। জরুরি কোনো কাজে বের হলে আপনি সময়মতো পৌঁছতে পারবেন না। পৌর প্রশাসন ইচ্ছে করেই অবৈধ যান চলাচল জিইয়ে রেখেছে।

    অটোরিকশার চালক বারেক আলী বলেন, ‘আমি পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে রিকশা চালাচ্ছি। নতুন নতুন কিছু অটোচালক আছে তারা জানে না গাড়ি কীভাবে চালাতে হয়। মূলত তাদের জন্য সড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

    ঠাকুরগাঁও ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট রাহুল আহমেদ বলেন, ‘আমরা সব সময় চেষ্টা করি শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে। বৈধ ছাড়াও অসংখ্য অটোরিকশা অবৈধভাবে চলছে। পৌরসভা পারে অটোরিকশার জন্য স্ট্যান্ড করে দিতে। এতে যানজট কমে আসবে বলে মনে হয়।’ ঠাকুরগাঁও পৌরসভার প্রশাসক সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, ‘যানজট নিরসনের জন্য আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। সেই সঙ্গে বৈধ অটোরিকশার জন্য স্ট্যান্ড করা হচ্ছে। অনুমোদনহীন যানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এগুলো পৌর এলাকায় চলতে পারবে না।’

  • কুড়িগ্রামে ফেসবুক পোস্টের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিক সহ আহত অন্তত-৫

    কুড়িগ্রামে ফেসবুক পোস্টের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিক সহ আহত অন্তত-৫

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলায় ফেসবুকে ‘উষ্কানিমূলক’ পোস্টের জেরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠন যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক সাংবাদিক সহ উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা শহরের কয়েকটি স্থানে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে দলটির নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষকে নিবৃত করে সরিয়ে দেয়। তবে রাত সাড়ে ৮ টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষের উত্তেজনা চলছিল।

    রাজিবপুর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) তসলিম উদ্দিন সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
    উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রোস্তম মাহমুদের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটে বলে জানা গেছে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    সংঘর্ষের সময় মোখলেছুর রহমানের সমর্থকরা স্থানীয় সাংবাদিক সুজন মাহমুদের ওপরও হামলা করে। পরে উপজেলার সাংবাদিকরা সুজন মাহমুদকে উদ্ধার করেন।

    বিএনপি নেতাকর্মীরা জানায়, রবিবার কুড়িগ্রাম জেলার বিএনপির ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে স্থান পাননি। এনিয়ে সহিদুল নামে এক যুবদলকর্মী ফেসবুকে উষ্কানি ও ব্যঙ্গার্থক পোস্ট দেন। তিনি রোস্তম মাহমুদের সমর্থক। ওই পোস্টের জেরে সন্ধ্যায় রাজিবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় গেটের সামনে সহিদুলকে কিলঘুষি মারে মোখলেছের সমর্থক কয়েকজন ছাত্রদলকর্মী।

    খবর পেয়ে রোস্তমের সমর্থকরা রাজিবপুর পাঁচ রাস্তা মোড়ে মোখলেছ গ্রুপের কয়েকজনকে মারপিট করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মোখলেছ গ্রুপের নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে রাজিবপুর বাজারে যুবদল আহ্বায়ক রোস্তম মাহমুদ গ্রুপের ওপর হামলা করে। উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ইয়াকুব নামে এক যুবদলকর্মী ও সাংবাদিক সুজন অন্তত ৫ জন আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    সাংবাদিক সুজন মাহমুদ বলেন, ‘সন্ধ্যায় সহকর্মীদের সঙ্গে বাজারে আড্ডা দিচ্ছিলাম। সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, সাব্বির হোসেন সহ কয়েজন মিলে আমার ওপর হামলা করে। এসময় সঙ্গে থাকা আমার সহকর্মীরা আমাকে উদ্ধার করেন।’
    ‘তাদের উভয় পক্ষের সংঘর্ষের সময় তারা আমাকেও মারপিট করেন। মোখলেছকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার ওপর তাদের ক্ষোভ ছিল ’, হামলার কারণ প্রশ্নে বলেন সুজন।

    উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক রোস্তম মাহমুদ বলেন, ‘ আমি এলাকায় ছিলাম না। আমাদের এখানে কোনও পক্ষ ভাগ নেই। জুনিয়রদের মধ্যে হালকা হাতাহাতি হয়েছে। তেমন গুরুতর কিছু নয়। একজন গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ’

    সংঘর্ষের বিষয়টি স্বীকার করলেও তাতে নিজের সম্পৃক্ততার কথা প্রত্যাখ্যান করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান।
    তিনি বলেন, ‘ আমি ঢাকায় রয়েছি। বিরোধের বিষয় নিয়ে কিছুই জানি না। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছি। হাসপাতালে ভর্তি আহত একজনের চিকিৎসার জন্য ডাক্তারকে অনুরোধ করেছি।’
    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হাসিবুর রহমান বলেন, আহত ৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তরা সবাই জখম ছিলেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ইয়াকুবকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে।’

    ওসি তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘ ফেসুবুকে পোস্ট করা নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হালকা সংঘর্ষ হয়েছে। কয়েকজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে আমি নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

  • নোয়াখালী পৌর বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    নোয়াখালী পৌর বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    বেলাল হোসেন কামাল : নোয়াখালী পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি আবু নাছেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চাঁদাবাজির মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে পৌর বিএনপির ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা আবু নাছের বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। বিগত সরকারের আমলে অনেকগুলো মিথ্যা ও গায়েবী মামলার শিকার হয়েছেন। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর যখন একটু স্বস্তিতে থাকার কথা, ঠিক ওই সময়ে কোন এক ব্যক্তি বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে সুধারাম থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তার নির্দেশে নাকি ওই ব্যক্তির কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা আবু নাছের আরও বলেন, তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। পারিবারিকভাবে অর্থ ও সম্পদের মালিক। দলের প্রয়োজনেও কখনো কারো কাছ থেকে চাঁদা কিংবা অনুদান দাবি করেননি। অথচ তার বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে দেওয়া প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল, যারা বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলেন না, তারা উঠেপড়ে লেগেছে। ওই মহলটির ইশারা ইঙ্গিতে তার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনীত চাঁদাবাজির অভিযোগ সাংবাদিকদের কেউও যদি তথ্য প্রমাণ দিয়ে উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে তিনি আর কখনো রাজনীতি করবেন না। তাই তিনি সুদাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটির সুস্থ তদন্ত করে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সলিমুল্লাহ বাহার, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খানসহ সদর উপজেলা ও নোয়াখালী পৌর বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    উল্লেখ্য, জেলা শহর মাইজদীর কাজী কলোনী এলাকায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের একটি হাউজিং প্রকল্পের মাটি ভরাটের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির সমর্থক দুটি পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনার ধরে গত শনিবার সুধারাম থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় আবু নাছেরকে এক নম্বর আসামি করা হয়।

  • বালিয়াকান্দির জংগল ইউনিয়নের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে সরস্বতী পূজা উৎযাপন 

    বালিয়াকান্দির জংগল ইউনিয়নের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে সরস্বতী পূজা উৎযাপন 

    জেলা প্রতিনিধি : রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার হিন্দু প্রত্যাশিত এলাকা জংগল ইউনিয়নের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিপুল উৎসাহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সরস্বতী পূজা উদযাপিত হয়েছে।

    (০৩ ফেব্রুয়ারি) সোমবার সকাল থেকেই বালিয়াকান্দি উপজেলার (৭টি) ইউনিয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে নানা আয়োজনে বিদ্যাদেবী সরস্বতীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

    বালিয়াকান্দি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে আয়োজনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়িসহ বিভিন্ন মণ্ডপে মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়। বিদ্যার দেবী সরস্বতীর চরণে ফুল দিয়ে প্রার্থনা করেন শিক্ষার্থীরা।

    জংগল ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, সকল পূজা, মন্ডপ স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মন্ডলী, শিক্ষার্থী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পুজার আয়োজন করে।
    পুজা উপলক্ষে জংগল ইউনিয়নের সকল পুজা মন্ডপ নিজেরাই পাহারা দিয়ে বিদ্যার দেবী সরস্বতীর চরণে ফুল দিয়ে প্রার্থনা করেন শিক্ষার্থীরা।

    জঙ্গল সম্মিলনী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও ধর্মতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাধ্যমিক বিদ্যালয় পোটরা ও সমাধীনগর আর্য সংঘ বিদ্যা মন্দির মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারদ কুমার বাছার বলেন, এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিক্ষক ও কর্মকর্তারা একত্রিত হয়ে সম্প্রতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। উৎসব মুখর পরিবেশে আয়োজিত এ পুজা ক্যাম্পাসে সম্প্রতি ও সৌহার্দ্য বার্তা বহন করে।

  • গাইবান্ধায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধায় বাম গনতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর ধারা বিবরনে জানা যায়, বর্ধিত ভ্যাট প্রত্যাহার, সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ ২রা ফেব্রুয়ারী রোজ রবিবার দুপুরে গাইবান্ধা পৌর শহরের ডিবি রোডের গানাসাস মার্কেটের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোট জেলা সমন্বয়ক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাম জোটের কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড মিহির ঘোষ, বাসদ মার্কসবাদী জেলা আহবায়ক কমরেড আহসানুল হাবীব সাঈদ, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ জেলা সম্পাদক কমরেড রেবতী বর্মন, বাসদ জেলা আহবায়ক গোলাম রব্বানীসহ অন্যান্যরা।

    বক্তারা বলেন, বিগত সরকারের সময়ে দুর্নীতি, লুটপাট, মামলা-হামলা, বাজার সিন্ডিকেট, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি, ভোটাধিকার হরণসহ নানা অপকর্মের কারণে তাদের পতন অনিবার্য হয়েছিল। আর এসব থেকে মুক্তির আকাঙ্খায় মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের পাঁচ মাস অতিবাহিত হয়েছে। এরই মধ্যে মানুষের আকাঙ্খার বিপরীত কর্মকান্ড শুরু হয়েছে।

    তারা সিন্ডিকেট ভাঙ্গার বদলে নিত্যপণ্যের উপর ভ্যাট আরোপ করেছে। নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা না করে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করছে, বাংলাদেশের নাম পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র করছে। যা কখনই গ্রহণযোগ্য না। বক্তারা অবিলম্বে বর্ধিত ভ্যাট প্রত্যাহার ও প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণার দাবি জানান। এছাড়াও বক্তারা গাইবান্ধার বিভিন্ন স্থানে মেলার নামে হাউজী ও জুয়ার আয়োজন বন্ধের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান। এসব আয়োজনে প্রশাসনের ভূমিকারও সমালোচনা করেন বক্তারা। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ১নং রেল গেটে গিয়ে সমাপ্ত হয়।