Category: প্রচ্ছদ

  • গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

    গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এমন প্রস্তাবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, এ পরিকল্পনায় কোনো রকমের ত্রুটি নেই।

    তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্য নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হয়েছে। কারণ এটি ফিলিস্তিনি জনগণের ভবিষ্যৎ এবং তাদের স্বদেশে থাকার অধিকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

    এদিকে, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অপসারণে ইউএস প্রেসিডেন্ট যে পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তার বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে ৫টি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কাছে ওই চিঠি পাঠিয়েছেন তারা।

    মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরে পাঠানো ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছে জর্ডান, মিশর, সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। তাদের পাশাপাশি ওই চিঠিতে সই করেছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হুসেইন আল শেখ।

    মার্কো রুবিও’র কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজার পুনর্গঠন সেখানকার জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার মাধ্যমেই হওয়া উচিত। ফিলিস্তিনিরা তাদের ভূখণ্ডে বাস করবে এবং তারা পুনর্নির্মাণে সহায়ত করবে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উপত্যকাটি পুনর্গঠনের সময় গাজাবাসীর এজেন্সি কেড়ে নেয়া উচিত নয়। কেননা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তায় পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মালিকানা অবশ্যই গাজবাসীদের কাছে রাখতে হবে।

  • নাইজেরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কমপক্ষে ১৭ শিশুর মৃত্যু, আহত ১৬ জন

    নাইজেরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কমপক্ষে ১৭ শিশুর মৃত্যু, আহত ১৬ জন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নাইজেরিয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় একটি বোর্ডিং স্কুলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কমপক্ষে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আহত ১৬ জন। খবর, বিবিসি’র।

    স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় দেশটির জামফারা রাজ্যের ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলটিতে আগুন লাগে। সেসময় শিক্ষার্থীরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলো। নিহত শিশুদের বয়স ১০ থেকে ১৬ বছরের মাঝে।

    আগুনের খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস। তবে, স্কুলটির অবস্থানের কারণে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয় তাদের।

    কর্তৃপক্ষের ধারণা, স্কুলের পাশের একটি ভবনে প্রথমে আগুন ধরে। পরে, স্কুলের দালানে ছড়ায়।

    পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবকর বলেছেন, বুধবার বিকেলে মৃত শিশুদের দাফন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াহায়া মাহি বিবিসি হাউসাকে বলেছেন, আগুন নেভাতে হিমশিম খেয়েছে কর্মীরা। তিনি বলেন, দমকলকর্মীরা সময়মতো উপস্থিত হলেও, বাড়ির দিকে যাওয়ার রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় বাড়িতে পৌঁছাতে সমস্যা হয়েছে।

  • ১৪ জন ব্যক্তি ও নারী ফুটবল দলকে একুশে পদক-২০২৫ দেয়ার সিদ্ধান্ত

    ১৪ জন ব্যক্তি ও নারী ফুটবল দলকে একুশে পদক-২০২৫ দেয়ার সিদ্ধান্ত

    নিউজ ডেস্ক: ভাষা ও সাহিত্য, শিল্পকলা, গবেষণা, ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৪ জন ব্যক্তি ও নারী ফুটবল দলকে একুশে পদক-২০২৫ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

    ভাষা ও সাহিত্যে অবদান রাখায় শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজকে (মরণোত্তর), শিক্ষায় ড. নিয়াজ জামান, সঙ্গীতে উস্তাদ নিরোদ বরন বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা, চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর), সমাজসেবায় মো. ইউসুফ চৌধুরীকে (মরণোত্তর) একুশে পদক দেয়া হচ্ছে।

    এছাড়া, গবেষনায় মঈদুল হাসান, সংস্কৃতি ও শিক্ষায় ড. শহীদুল আলম (দৃক), মানবাধিকার ও সাংবাদিকতায় মাহমুদুর রহমান (আমার দেশ), সাংবাদিকতায় মাহফুজুল্লাহ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অভ্রর জনক মেহেদী হাসান খান, চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা, আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল একুশে পদক পাচ্ছেন।

  • সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে নানা ফর্মূলা আছে: নাহিদ ইসলাম

    সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে নানা ফর্মূলা আছে: নাহিদ ইসলাম

    নিউজ ডেস্ক: জুলাই অভুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র নেতাদের ৩ জন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অন্তবর্তী সরকারে। বাকিরা মাঠে। ছাত্ররা ফেব্রুয়ারিতে গঠন করতে যাচ্ছেন নতুন রাজনৈতিক দল। এতে নির্বাচনকালীন অন্তবর্তী সরকার কতটা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে— এ নিয়ে প্রশ্ন আছে বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর।

    এদিকে, তথ্য উপদেষ্টা ও ছাত্রনেতা নাহিদ ইসলাম বলছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নিরপেক্ষ সরকারের কাঠামো নিয়ে নানা ফর্মুলা আছে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে এক্ষেত্রে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। দল গঠন করলে সরকারে থাকবে না উপদেষ্টারা।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, দল গঠনে যারা বাইরে আছে, তারাই কার্যক্রমের সাথে জড়িত। কিন্তু দল গঠনে আমরা কেউ যদি যুক্ত হতে চাই, শুধু নতুন দল না, অন্য কোনও দলেও যুক্ত হতে চাইলে আমরা সরকার থেকে বের হয়ে গিয়ে এটা করবো।

    এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের রুপরেখা নিয়ে? এক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন নাকি রাজনৈতিক দল থেকে প্রতিনিধি নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে?

    নাহিদ ইসলাম বলেন, নানা ধরনের প্রস্তাবনা আসছে, সবাই মিলে এগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। হয়তো এটা ঠিক হবে আমরা এখন সরকারের কোনও কিছু পরিবর্তন হওয়ার প্রয়োজন মনে করতেছি না। যে অবস্থায় আছে, তারা যথেষ্ট নিরপেক্ষভাবে কাজ করতেছে। পরবর্তীতে রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে হয়তো সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

    তথ্য উপদেষ্টা মনে করেন, আগামী জুলাই-আগষ্টে নির্বাচনের দাবিতে কঠোর অবস্থান নেই রাজনৈতিক দলগুলোর। এক্ষেত্রে প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত নির্বাচনী টাইম লাইনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বললেন, বিএনপি তো এই বছরের মাঝামাঝি এভাবে বলছে না। হয়তো এক-দুইবার বলছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটা সময়রেখা দিয়েছেন, মোটামুটি আমরা সেটাকে ধরেই আগাচ্ছি। আশা করি, রাজনৈতিক দলগুলো সেটার সাথে সহমত পোষণ করবে।

    নির্বাচনের কার্যক্রম থেমে নেই জানিয়ে তিনি এ-ও বলেছেন, ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে অন্তবর্তী সরকার।

    সূত্র: যমুনা টিভি

  • স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার

    স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার

    নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায় না বলেও জানিয়েছে সরকার।

    বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক বিবৃতিতে এমনটা জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। পলাতক অবস্থায় ভারতে বসে জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে জনমনে গভীর ক্রোধের সৃষ্টি হয়েছে, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

    গত ছয় মাসে ৩২ নম্বর বাড়িটিতে কোনো ধরনের আক্রমণ, ধংসযজ্ঞ হয়নি। গতকাল রাতে এটি ঘটেছে পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে, যার দুটো অংশ আছে।

    একটা অংশ হলো, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা আত্মদান করেছেন, শেখ হাসিনা তাদেরকে অপমান করেছেন, অবমাননা করেছেন। শহীদের মৃত্যু সম্পর্কিত অবান্তর, আজগুবি ও বিদ্বেষমূলক কথা বলে পলাতক শেখ হাসিনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবজ্ঞা করেছেন ও অশ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    দ্বিতীয়ত, শেখ হাসিনা দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও অমানবিক প্রক্রিয়ায় নিপীড়ন চালিয়ে ক্ষমতায় থাকাকালীন যে সুরে কথা বলতেন গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি একই হুমকি-ধামকির সুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, এতে অংশ নেয়া প্রতিটি মানুষের বিরুদ্ধে কথা বলে চলেছেন, হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। শেখ হাসিনা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির হুমকি দিয়েছেন।

    মানুষের মনে জুলাই গণহত্যা নিয়ে যে ক্ষত রয়েছে, সেখানে শেখ হাসিনা একের পর এক আঘাত করে চলছেন। তার এই সহিংস আচরণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকার দেশ ও জনগণের জানমালের রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক আছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বাত্মকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার যথাযথ চেষ্টা করছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শেখ হাসিনা বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়ানো সম্ভব।

    সরকার আশা করে, ভারত যেন তার ভূখণ্ডকে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে এমন কাজে ব্যবহৃত হতে না দেয় এবং শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ না দেয়। অন্তর্বর্তী সরকার ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায় না।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচারকাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এই বিচার নিশ্চিত করে গণহত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কী কী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া যায় তা সরকার খতিয়ে দেখবে।

  • মাদারীপুরের কুমার নদে গোসলে নেমে দুইজন শিশু নিখোঁজ

    মাদারীপুরের কুমার নদে গোসলে নেমে দুইজন শিশু নিখোঁজ

    স্টাফ রিপোর্ট :মাদারীপুরের কুমার নদে গোসল করতে নেমে দুইজন শিশু নিখোঁজ হয়েছে। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা পৌর শহরের হাইক্কারমার ঘাটে গোসল করতে নামেন তারা।

    নিখোঁজ দুই শিশুর নাম, মিনহাজ হোসেন (৭) ও উম্মে কুলসুম (১২)। সম্পর্কে তারা আপন ভাই-বোন।

    নিখোঁজের স্বজনরা জানান, বুধবার দুপুরের দিকে কুমার নদে দুই ভাই-বোন গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে দুইজনই পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় আরেক শিশু তাদের ডুবে যেতে দেখে পরিবারকে জানায়। পরে স্থানীরা এসে অনুসন্ধান চালালেও তাদের পাওয়া যায়নি।

    পরে খবর পেয়ে মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশী চালায়। সবশেষ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এদিকে আজকের মতো উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করেছেন ডুবুরি দল।