Category: প্রচ্ছদ

  • প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনকালে ইলন মাস্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে !

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনকালে ইলন মাস্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে !

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনকালে ইলন মাস্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন বিষয় নিয়ে চলছে বিতর্ক। এমন সময়ে টাইম ম্যাগাজিনের কভারে হোয়াইট হাউসের রেজলুট ডেস্কের পেছনে বসানো হয়েছে ইলন মাস্ককে। এমন উসকানিমূলক ছবি রাগান্বিত করতে পারে ট্রাম্পকে বলে এক প্রতিবেদনে দেশটির সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।

    ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট ইফিসিয়েন্সি’ (ডিওজিই) এর প্রধান হিসেবে মাস্ককে যে নজিরবিহীন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা এখন আদালতে মামলার কারণে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। তবে তার নীতি বাস্তবায়নের ফলে লাখ লাখ সরকারি কর্মী চাকরির অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

    টাইম ম্যাগাজিনের কভারে মাস্কের উপস্থিতি ট্রাম্পের জন্য বেদনার হতে পারে, কারণ তিনি বরাবরই এই ম্যাগাজিনের কভার পেজকে সম্মানের প্রতীক হিসেবে দেখেন।

    এর আগে, ২০২৪ সালে ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হওয়া ট্রাম্প ইতিপূর্বে তার নিজের নামে একটি জাল টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ বানানোর জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন।

  • যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনার সিদ্ধান্ত

    যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনার সিদ্ধান্ত

    নিউজ ডেস্ক: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ঘটনায় শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সভায় সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শনিবার থেকেই গাজীপুরসহ সারা দেশে এই অভিযান শুরু হবে।

    ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ এর ব্যাপারে আগামীকাল রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

  • বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত

  • গাজীপুরে মোজাম্মেল হকের বাড়িতে ভাঙচুর

    গাজীপুরে মোজাম্মেল হকের বাড়িতে ভাঙচুর

    স্টাফ রিপোর্ট :গাজীপুরে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় স্থানীয়দের মারধরের শিকার হয়েছে ছাত্র-জনতা। এতে আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন।

    শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় এক সমন্বয়ক’সহ ছাত্র-জনতার ২০/৩০ জনের একটি দল আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

    এসময় মসজিদের মাইকে ডাকাতি হচ্ছে এমন খবর ছড়িয়ে দেয় স্থানীয়রা। পরে এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে হামলাকারীদের মারধর করে। এসময় আহত হন অন্তত ২০ জন। ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে গাজীপুর সদর হাসপাতালে নেয় সেনাবাহিনী। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ৫ জনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

  • ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবের বাড়ি ও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের ঘটনায় টিআইবি ক্ষোভ প্রকাশ

    ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবের বাড়ি ও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের ঘটনায় টিআইবি ক্ষোভ প্রকাশ

    নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদশে (টিআইবি)। সংস্থাটি মনে করে, উদ্ভূত পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক উত্তরণ, সুশাসন ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এমন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে শুধু বিবৃতি দিয়ে দায়িত্ব সম্পন্ন করা নয়, সরকারের কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য।

    শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) টিআইবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ক্ষোভ প্রকাশ করে।

    ধ্বংসাত্মক তৎপরতার পথ পরিহার করে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, দলীয়করণ ও পরিবারতন্ত্রের সীমাহীন লালসা-তাড়িত কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সবচেয়ে বেশি অপূরণীয় ক্ষতি করেছে গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত শেখ হাসিনা ও তার দোসররা। বহুমাত্রিক অধিকার হরণের শিকার দেশবাসীর ক্ষোভের মাত্রা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে পলাতক শেখ হাসিনা ও তার দেশি-বিদেশি সহযোগীদের নির্লজ্জ ও ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারনার প্রেক্ষিতে। তাই বলে আইনসিদ্ধ প্রতিক্রিয়ার পথ অনুসরণ না করে দেশব্যাপী যে প্রতিশোধপ্রবণ ভাঙচুর ও সহিংসতা চলেছে, তা কোনোভাবেই প্রহণযোগ্য হতে পারে না, এটি জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী একটি স্থিতিশীল বাংলাদেশ সর্ম্পকে দেশ-বিদেশে ইতিবাচক কোনো বার্তা দেবে না।

    টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, আগে থেকে সহিংস কর্মসূচির ঘোষণা থাকার পরও আইনশৃঙ্খলা সংস্থা ও তার সঙ্গে সহায়ক হিসেবে দায়িত্বপালনরত সেনাবাহিনী, তথা সরকার কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আশঙ্কাজনকভাবে নির্লিপ্ততার পরিচয় দিয়েছে। পরবর্তিতে ঘটনাটি ‘অনাকাঙ্খিত ও অনভিপ্রেত’ এমন বিবৃতি দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টাও লক্ষণীয়। কর্তৃত্ববাদের দীর্ঘ ১৬ বছরের পুঞ্জীভূত বিশাল জঞ্জাল অপসারণ করে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদিচ্ছা হয়তো বিতর্কের ঊর্ধ্বে, তবে তার প্রয়োগে সুচিন্তিত ঝুঁকি নিরসন কৌশলের ওপর ভিত্তি করে যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা সক্রিয়, সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর কারণে এই প্রশ্ন যৌক্তিকভাবে উত্থাপিত হতে পারে। তাই শুধু দায়সারা বিবৃতি দিয়ে নয়, যে কোনো পরিস্থিতি আইনসিদ্ধভাবে মোকাবেলায় সরকারের দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

    উদ্ভূত পরিস্থিতি বাস্তবে পতিত আওয়ামী কর্তৃত্ববাদের পুনরুত্থানকামী মহলকেই অধিকতর সুযোগ করে দেয়ার শঙ্কা তৈরি করছে জানিয়ে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, এমনটি অব্যাহত থাকলে নজিরবিহীন আত্মত্যাগের বিনিময়ে সূচিত ‘নতুন বাংলাদেশের’ অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়বে, একইসঙ্গে গণতান্ত্রিক উত্তরণ, সুশাসন এবং বিশেষ করে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার সম্ভাবনাকে ঝুঁকিপূর্ণভাবে খাদের কিনারায় ঠেলে দেয়া হবে। মনে রাখা দরকার, শেখ হাসিনাসহ কর্তত্ববাদের সকল দোসরদের সুনির্দিষ্ট অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা ‘নতুন বাংলাদেশর’ স্বপ্নপূরণের সর্বোচ্চ প্রাধান্যপ্রাপ্ত করণীয়। তবে, এ জন্য প্রতিশোধপ্রবণ ও আত্মঘাতী মব-জাস্টিস নয়, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের পথ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

    একইসঙ্গে ভিন্নমত পোষণকারীদের মামলা দিয়ে হয়রানির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে সকলের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষায় রাষ্ট্র ও সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নেবে এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজন সহনশীলতার পরিচয় দেবে এমন প্রত্যাশাও করে টিআইবি।

  • মালয়েশিয়ায় সেরেম্বান রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ৭৪ জন বাংলাদেশি সহ ১১৬ জন অভিবাসী আটক

    মালয়েশিয়ায় সেরেম্বান রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ৭৪ জন বাংলাদেশি সহ ১১৬ জন অভিবাসী আটক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় সেরেম্বান রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকসহ ১১৬ জন অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক কেনিথ তান আই কিয়াং এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান।

    বিবৃতিতে ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাজ্যের নেগেরি সেম্বিলানের কুয়ালা পিলাহে একটি ইট কারখানা এবং পোর্ট ডিকসনের একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযানে চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে ১৮০ জন অভিবাসীর কাগজপত্র যাচাইবাছাই করা হয়। এ সময় অভিবাসন আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধে ১১৬ জনকে আটক করা হয়।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আটকদের মধ্যে ৭৪ জন বাংলাদেশি, ১৩ জন ইন্দোনেশিয়ান পুরুষ ও ২ জন নারী, ১১ জন চীনা, ৯ জন পাকিস্তানি, ৫ জন ভারতীয়, ২ জন মায়ানমারের নাগরিক রয়েছেন। তাদের বয়স ২০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। বর্তমানে আটককৃতদের লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।