Category: প্রচ্ছদ

  • ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডসহ খাল খনন কর্মসূচি আশার সঞ্চার করেছে: মির্জা ফখরুল

    ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডসহ খাল খনন কর্মসূচি আশার সঞ্চার করেছে: মির্জা ফখরুল

    ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    রাজধানীর বনানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বুধবার ‘দ্য কম্পাস ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপ শেষে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর)। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেইজে এ তথ্য জানানো হয়।

    মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি ইশতেহারে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি একটার পর একটা কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচির মতো উদ্যোগ জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

    তিনি বলেন, দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে সরকারি সংস্থাগুলোর ধীরগতি। বিনিয়োগকারীরা যে গতিতে সমাধান চান, তা না হওয়ায় সেখানে নেতিবাচক অবস্থা তৈরি হয়। ফলে তারা হতাশ হয়ে যান। এটা অন্যতম প্রধান একটা সমস্যা। আমরা চেষ্টা করছি এ বিষয়গুলোকে ঠিক করার।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমলাতন্ত্রে গতি এনে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি প্রতিদিনই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছেন এবং সব মন্ত্রণালয়কে দ্রুত সমস্যার সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের আমলাতন্ত্রকে ঠিক করার মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা হবে।

    আমরা এটাকে ভালো করার চেষ্টা করছি, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি প্রতিদিনই এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন, কথা বলছেন। প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয়কে তিনি অতি দ্রুত এই সমাধান করতে বলেছেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা রয়েছে জ্বালানি খাতে। এক্ষেত্রে আমরা রিনিউয়েবল এনার্জির (নবায়নযোগ্য জ্বালানি)  দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছি। সোলার এনার্জির দিকে আমরা যাওয়ার চেষ্টা করছি। গ্যাস ও তেল উত্তোলন করার কাজগুলো আমরা ইতোমধ্যে শুরু করেছি। তিন মাসের মধ্যে আমরা টেন্ডারে যাব বলে আশা করছি।

  • সরকার শিক্ষকতার মানোন্নয়নে কাজ করতে বদ্ধপরিকর : শিক্ষা মন্ত্রী

    সরকার শিক্ষকতার মানোন্নয়নে কাজ করতে বদ্ধপরিকর : শিক্ষা মন্ত্রী

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার শিক্ষার গুণগত মান ও শিক্ষকতার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন সরকারের এজেন্ডা। শিক্ষক ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে আমাদের এগোতেই হবে।

    আজ রাজধানীর একটি হোটেলে এক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। দেশের মানুষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ করছে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের জন্য সর্বোচ্চ ব্যয় করছেন।

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার মধ্যে আছি। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়তে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    এ সময় মন্ত্রী জানান, তিনি প্রায় ২০ বছর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু এ দীর্ঘ সময় পরও মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য উন্নতি তার চোখে পড়ছে না।

    ড. মিলন আরও বলেন, ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার শিক্ষা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি)-৫ এ ৫১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এর আগে পিইডিপি-৪ এ ব্যয় হয়েছে ৩২ হাজার কোটি টাকা।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।

    এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিক্ষা প্রধান দীপা শংকর।

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ওয়াকফ এর প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

    বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আজ সকালে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান।

    তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ ওয়াকফের প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন। এ সময় তাঁরা ওয়াকফ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

    এ সময়ে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন এবং ধর্ম সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

  • নীতিমালা পেলে বাংলাদেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব: বিদ্যুৎ মন্ত্রী

    নীতিমালা পেলে বাংলাদেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব: বিদ্যুৎ মন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এমপি বলেছেন, সঠিক নীতিমালা সহায়তা (পলিসি) পেলে বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব।

    তিনি বলেন, সরকার দ্রুত সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে।

    আজ রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১৫তম আন্তজার্তিক বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এক্সপো অ্যান্ড ডায়ালগ-২০২৬-এর উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ সোলারে যাওয়ার জন্য রেডি, শুধু নীতিমালা দরকার। এই নীতিমালা পেলে, আমরা বাংলাদেশের সোলারে একটা বিপ্লব ঘটাতে পারি।’

    তিনি বলেন, শুধু সমস্যা হলো যে আমাদের নীতিমালা। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নেতৃত্বে একটা কমিটি করে দিয়েছেন।
    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, এখন কিভাবে নীতিগত সহায়তা দিলে, আমরা খুব দ্রুত ইমপ্লিমেন্টেশনে যেতে পারি সে জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

    তিনি জানান, চলতি মাসের মধ্যেই একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করার চেষ্টা চলছে এবং জুন মাসে ক্যাবিনেট অনুমোদনের পর, তা সরকারি আদেশ হিসেবে জারি করা হতে পারে।

    মন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে সরকার যদি কোনো সেক্টরকে ঠিকমতো নীতিগত সহায়তা দেয়, তাহলে তা দেশে বিপ্লব আনতে পারে।

    গার্মেন্টস খাতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আশির দশকে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি’র মতো নীতিগত সুবিধা দেওয়ার ফলেই দেশের তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
    তিনি আরও বলেন, সৌর খাতের রেগুলেশন আরও শিথিল করা, ইনভার্টার, ফ্রেম ও প্যানেলসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সহজে আমদানির সুযোগ সৃষ্টি ও কর সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও সরকার কাজ করছে।

    মন্ত্রী জানান, সরকার এখন ব্যাটারি স্টোরেজের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে দিনের বেলায় উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ব্যবহার করা যায়।

    ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগোচ্ছে।

    রুফটপ সোলার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে, গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে বিল সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    এতে ভবন মালিকরা আর্থিক সুবিধাও পাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, প্রাইভেট এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে ঢাকা শহরের প্রত্যেকটা হাউসকে যদি আমরা এই সোলারের আওতায় নিয়ে আসতে পারি, তাহলে আমি মনে করি, ঢাকার যে লোড আছে, তা অনেকটাই কমে যাবে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— আয়োজক এক্সপোনেট-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুল হক, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) চেয়ারম্যান মোজাফফর আহমেদ ও ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি)’র চেয়ারম্যান এম আজিজুর রহমান রিপন প্রমুখ।

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইফতেখারুজ্জামানের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইফতেখারুজ্জামানের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

    আজ সকাল ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, উভয়ে এ সময়ে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার করণীয়  নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।

    সাক্ষাতের সময়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল

    প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল

    বর্তমান সরকার প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে চায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ সকালে রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে আয়োজিত ‘সি.ও.এম.পি.এ.এস.এস. ডায়ালগ, চ্যাপ্টার-১: দ্য ওয়েস্টার্ন ক্যালিব্রেশন’ শীর্ষক এক সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর) আয়োজিত এ সংলাপে বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

    মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে বর্তমান সরকার। গ্যাস উত্তোলন বাড়াতে আগামী তিন মাসের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

    তিনি বলেন, বিনিয়োগের পথে প্রধান বাধা সরকারি সংস্থাগুলোর ধীরগতি। এ সমস্যা কাটিয়ে দেশকে বিনিয়োগবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার। তার মতে, বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য।

    মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি খাতের অগ্রগতি এবং নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছি। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমরা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই এবং তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করতে সরকার প্রস্তুত।

    তিনি বলেন, একটি টেকসই ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ চলছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

    এ সময় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় এখন অনেক ইতিবাচক। এতে দেশের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী।

    মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’

    সমসাময়িক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

    সেমিনারে বিদেশি ডেলিগেটসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আগ্রহ ও আস্থার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করা হয়।

    আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র সৃষ্টির বিষয়েও মতবিনিময় করেন।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক, গবেষক ও বিশিষ্টজনেরা।