Category: প্রচ্ছদ

  • হাম-রুবেলাসহ ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে

    হাম-রুবেলাসহ ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে

    হাম-রুবেলা ও ওরাল পোলিওসহ ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে।

    হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজে উপস্থিত থেকে টিকার এই চালান গ্রহণ করেন।

    আজ (বুধবার) বেলা পৌনে ১২টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার এই নতুন চালান পৌঁছায়।

    হাম-রুবেলা-ওরাল পোলিও ছাড়াও এই চালানে বিসিজি, পেন্টাভ্যালেন্ট, পিসিভি ও টাইফয়েড টিকাও রয়েছে।

    চালান গ্রহণ শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ১৫ লাখ ডোজ হামের টিকা দেশে পৌঁছেছে। আগামীতে টিকার আর কোনো সংকট তৈরি হবে না।

    তিনি আরও বলেন, মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে এসব টিকা দেশে এনে ইতিহাস গড়েছে সরকার। আগামী ১০ মে’র মধ্যে হামসহ আরও ১০ ধরনের ১ কোটি ৮ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসবে।

  • চীনে ৩ দিনের সরকারি সফর শুরু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

    চীনে ৩ দিনের সরকারি সফর শুরু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান তিন দিনের সরকারি সফরে চীনের রাজধানী বেইজিং পৌঁছেছেন।

    দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার এবং উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বাড়ানো তাঁর এ সফরের লক্ষ্য।

    মঙ্গলবার তিনি বেইজিং পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম এবং চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনসাল জেনারেল ওয়েই হুয়াসিয়াং।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

    সফরকালে ড. খলিলুর রহমান ৬ মে বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্ট হাউসে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী  এবং একইসঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই’র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

    এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনের পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্স (সিপিপিসিসি)-এর চেয়ারম্যান এবং অন্য জ্যেষ্ঠ চীনা নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বৈঠকগুলোতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

  • মাদক, সন্ত্রাস ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাদক, সন্ত্রাস ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে।

    আজ (বুধবার) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    এসময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

    মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার এবং আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে জমা দেওয়া লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি। এসব অস্ত্র দ্রুত ফেরত দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির আগে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে ইস্যু করা লাইসেন্সের আওতাধীন অস্ত্র ফেরত দিতে হবে। এছাড়া ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া লাইসেন্সগুলো যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র এখনও জমা পড়েনি। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান জোরদার এবং প্রয়োজনে মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক ‘গায়েবি মামলা’ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জেলা পর্যায়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে এসব মামলা যাচাই করে প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হবে। পরে তা আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারায় নিষ্পত্তি করা হবে। জেলা প্রশাসকদের এ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সহিংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত মামলাগুলোর তালিকা চেয়ে প্রকৃত আসামি শনাক্তে জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে নিরপরাধ ব্যক্তিরা হয়রানির শিকার না হন।

    আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু সিদ্ধান্তের কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মহাসড়ক ও রেললাইনের পাশে কোনো পশুর হাট বসানো যাবে না। হাটে জাল টাকা প্রতিরোধে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হবে এবং প্রয়োজনে যাচাই যন্ত্র সরবরাহ করা হবে। ঈদের আগে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করে সারাদেশের সড়ক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

    নৌপথে যাতায়াত নিরাপদ করতে ফেরিঘাটগুলোতে যাত্রীদের ওঠানামায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করে চামড়া অন্তত সাত দিন সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে অতিরিক্ত চাপের কারণে নষ্ট না হয়।

    জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • উজবেকিস্তানের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ

    উজবেকিস্তানের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ

    উজবেকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় বাংলাদেশ।

    দেশটির সমরখন্দে উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভের সঙ্গে গতকাল এক বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বোর্ড অব গভর্নরসের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে সমরখন্দ সফর করছেন অর্থমন্ত্রী। বৈঠকে তার সঙ্গে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

    বার্ষিক সম্মেলনটি ৩ মে শুরু হয়েছে। শেষ হচ্ছে আজ।

    নতুন সরকার গঠনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানোয় উজবেকিস্তানের সরকার ও বিশেষ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট শভকত মির্জিইয়োয়েভকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান অর্থমন্ত্রী।

    বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মানুষের মধ্যকার ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বন্ধনের কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে বাণিজ্য, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং গণযোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

    উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর বিষয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রীকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান অর্থমন্ত্রী। বিশেষ করে ঢাকা-তাসখন্দ রুটে উজবেক এয়ারওয়েজের ফ্লাইট পুনরায় চালুর আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও জোরদার করতে বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের কূটনৈতিক মিশন খোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ ও পাটজাত পণ্যের জন্য উজবেকিস্তানের বাজারে আরও সহজ প্রবেশাধিকার চেয়েছেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

    উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সফরের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

    এ সময় উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশের সঙ্গে কার্যকরভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাণিজ্য, কৃষি ও পর্যটন খাতে অপেক্ষমাণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার ওপরও গুরুত্ব দেন।

    বস্ত্র ও ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে উপ-প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করতে শিগগিরই একটি উজবেক ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে।

  • গণমাধ্যমে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে: তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যমে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমে প্রকৃত পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা গেলেই এই খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যার সমাধান স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যাবে।

    তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণকে অবাধ ও সঠিক তথ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে এবং অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দিতে বদ্ধপরিকর।’

    আজ (বুধবার) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

    সাক্ষাতে প্রতিনিধি দলটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রীর কাছে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

    বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘আমাদের পলিসি হচ্ছে এনালগ কিন্তু চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ডিজিটাল।’

    তিনি বলেন, ডিজিটাল যুগের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে প্রচলিত নীতিমালার আধুনিকায়ন প্রয়োজন। সরকার কোনো কিছু চাপিয়ে না দিয়ে বরং ‘ফেসিলিটেটর’ বা সহায়ক হিসেবে ভূমিকা পালন করতে চায়।

    জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যার স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে একটি ‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠন করা হবে।

    তবে এক্ষেত্রে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সুস্থ ঐকমত্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি।

    তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অংশীজনদের গঠনমূলক পরামর্শ এই কমিশনকে কার্যকর করতে সহায়ক হবে।

    সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় বিজেসি চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ, সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন এবং ট্রাস্টি সদস্য রেজোয়ানুল হক, তালাত মামুন ও নূর সাফা জুলহাজ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিনিধি দলের নেতারা ব্রডকাস্ট মিডিয়ার ডিজিটালাইজেশনের প্রয়োজনীয়তা, সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিভিন্ন সংকটের কারিগরি ও নীতিনির্ধারণী দিক তুলে ধরেন।

    তথ্যমন্ত্রী তাদের প্রস্তাবনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

  • উপহার ফিরিয়ে দিয়ে সততার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

    উপহার ফিরিয়ে দিয়ে সততার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

    কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার বাসভবনে উপহার হিসেবে আনা মিষ্টি ও ফলের কার্টন ফেরত দেওয়ার একটি ঘটনা বর্তমানে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। ব্যক্তিগত সততা ও নৈতিকতার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তিনি জনমনে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।
    ঘটনার বিবরণে জানা যায়, সম্প্রতি দুই ব্যক্তি এমপির বাসভবনে গিয়ে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ফল ও মিষ্টির প্যাকেট উপহার হিসেবে প্রদান করতে চান। তাদের ধারণা ছিল, এসব উপহারের মাধ্যমে এমপি মহোদয়কে সন্তুষ্ট করা সম্ভব হবে। তবে এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া তাদের সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করেন।
    উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এমপি আগত ব্যক্তিদের অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেন এবং আপ্যায়ন করেন। তবে যখন তারা উপহারের কার্টনগুলো সামনে এগিয়ে দেন, তখন তিনি তা গ্রহণ করতে সবিনয়ে অস্বীকৃতি জানান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, জনসাধারণের সেবা করার জন্য তিনি দায়বদ্ধ, কিন্তু ব্যক্তিগত কোনো উপহার গ্রহণ তার নৈতিকতার পরিপন্থী। দীর্ঘক্ষণ অনুরোধের পরও তিনি উপহারগুলো না নিয়ে তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেন।
    সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আমাদের দেশে সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের উপহার প্রদানের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের একটি সংস্কৃতি বিদ্যমান। এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এই কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার সঞ্চার করেছে। তারা মনে করছেন, এই সংস্কৃতি নিরুৎসাহিত করা গেলে সমাজে দুর্নীতি কমাতে তা সুদূরপ্রসারী ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
    একজন সংসদ সদস্যের এই দৃঢ় নৈতিক অবস্থান বর্তমান সময়ে অনেকের কাছেই সততার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও স্থানীয় বাসিন্দারা এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, জনপ্রতিনিধিদের এমন আদর্শ অনুসরণ করলে রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণ ত্বরান্বিত হবে।