Category: প্রচ্ছদ

  • মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ ও গবেষণায় কাজ করছে সরকার: আহমেদ আযম খান

    মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ ও গবেষণায় কাজ করছে সরকার: আহমেদ আযম খান

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ, গবেষণা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও কল্যাণ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার।

    তিনি বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন। এই অর্জনকে আমরা লালন করি এবং ধারণ করি। এই অর্জনকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’

    আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    আহমেদ আযম খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে ধরে রাখতে এবং জাতির কাছে চিরদিনের জন্যে স্মরণীয় করে রাখার জন্যেই তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

    তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্বাধীনতার স্মৃতি সংরক্ষণ, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন, ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এসব কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, মাঠ পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অফিস না থাকায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের ওপর নির্ভর করতে হয়। এ প্রেক্ষাপটে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সেশনটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, নির্দিষ্ট কোনো নতুন প্রস্তাবনা নেই। তবে চলমান কার্যক্রমগুলো আরও দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করার বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পেয়েছি। সেগুলোর ভিত্তিতে ভবিষ্যতে কাজের গতি আরও বাড়ানো হবে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধকে তার যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে চাই।’

    তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বীর নিবাস প্রকল্পসহ প্রতিটি সেক্টরে যে দলীয়করণ ও দুর্নীতি হয়েছে, ডিসিরা সে বিষয়ক কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

    ইশরাক হোসেন জানান, বিগত সরকারের অনিয়মগুলো খতিয়ে দেখে ভবিষ্যতে যাতে সেগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করা হবে ।

  • হামের টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু; লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ অর্জিত: জাহেদ উর রহমান

    হামের টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু; লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ অর্জিত: জাহেদ উর রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, দেশে চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনে এ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে। এর মাধ্যমে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।

    আজ (মঙ্গলবার) সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সভাকক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি ও অর্জন তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

    উপদেষ্টা বলেন, ‘হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আক্রান্ত শিশুরা যখন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে, তখন তাদের আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়া কঠিন হয়ে যায়। তবে সরকার এই সংকট মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।’

    তিনি আরও জানান, শিশুদের এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও বেগবান করা হয়েছে।

    জাহেদ উর রহমান জানান, টিকা কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ইউনিসেফ ও গ্যাভির পক্ষ থেকে আরও ২২ লাখ মিক্সিং সিরিঞ্জ দেশে পৌঁছেছে। এছাড়া যক্ষ্মা রোগ শনাক্তকরণে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ এবং ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে।

    এর বাইরে বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দপ্তরগুলো প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

    ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যখাতের পাশাপাশি অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতির বিষয়ে উপদেষ্টা বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

    শিক্ষা খাতে বড় উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, ব্যাগ ও জুতা বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী জুলাই থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের প্রতিটি উপজেলার দুটি করে বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে এই সামগ্রী বিতরণ শুরু হবে।

    জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সংকট কাটিয়ে ওঠার তথ্য দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। গত ২ মে তারিখের হিসাব অনুযায়ী, ২ লাখ ৩৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি ডিজেল এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে অকটেন, পেট্রোল ও জেট ফুয়েল মজুত আছে।

    তিনি জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ফুয়েল পাস’ কার্যক্রম চলমান থাকবে যাতে ভবিষ্যতে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়।

    বিদ্যুৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২৮ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত দেশে কোনো লোডশেডিং করতে হয়নি। তবে সঞ্চালন লাইনের ত্রুটির কারণে কোথাও কোথাও সাময়িক বিভ্রাট হতে পারে।

    তীব্র গরম পড়লে এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে এলএনজি প্রাপ্তিতে সমস্যা হলে কিছুটা লোডশেডিংয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য মানসিক প্রস্তুতি রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

    সংবাদ ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন।

  • মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করলে হামলা চালানো হবে : হুঁশিয়ারি ইরানের

    মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করলে হামলা চালানো হবে : হুঁশিয়ারি ইরানের

    যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করলে, তাদের ওপর হামলা চালানো হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবরুদ্ধ জলপথ দিয়ে জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দেওয়া শুরু করার ঘোষণা দেওয়ার পর, ইরানের সামরিক বাহিনী সোমবার এ হুঁশিয়ারি দেয়।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি বলেন, ‘যে কোনো বিদেশি সশস্ত্র বাহিনী—বিশেষ করে আগ্রাসী মার্কিন সামরিক বাহিনী যদি হরমুজ প্রণালীর দিকে এগিয়ে আসে বা এতে প্রবেশ করার চেষ্টা করে, তবে তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে ও হামলা চালানো হবে।’

    তিনি বলেন, পারস্য উপসাগর ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালীর নিরাপত্তা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘যে কোনো পরিস্থিতিতে, যে কোনো নিরাপদ যাতায়াত অবশ্যই আমাদের  বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে করতে হবে।’

  • ফিলিপাইনে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প : ইউএসজিএস

    ফিলিপাইনে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প : ইউএসজিএস

    ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলের সামার দ্বীপে সোমবার দুপুর ২টা ৯ মিনিটে ৬ দশমিক ০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

    ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এ তথ্য জানায়।

    ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৭৩ দশমিক ৩ কিলোমিটার (৪৫ মাইল) গভীরে।

    এটি উপকূলীয় শহর সান জুলিয়ান থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানে।

    তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ম্যানিলা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
    একজন স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ভূমিকম্পটি ছিল প্রবল ও আকস্মিক। তবে এখন পর্যন্ত এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    তিনি বলেন, ‘পুলিশ স্টেশনে আমাদের ছাদের সঙ্গে যুক্ত একটি বিম ভেঙে গেছে। কিছু আসবাবপত্র নড়তে দেখেছি।’

    তিনি আরও জানান, আফটারশকের আশঙ্কায় তিনি ও তার সহকর্মীরা এখন বাইরে অবস্থান করছেন।

    গত অক্টোবর মাসে পূর্ব মিন্ডানাও দ্বীপে ৭ দশমিক ৪ ও ৬ দশমিক ৭ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে অন্তত আট জন প্রাণ হারান।

    এর আগে কয়েকদিনের ব্যবধানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে ৭৬ জন নিহত হন।

    সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই ভূমিকম্পে মধ্য ফিলিপাইনের সেবু প্রদেশে ৭২ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

  • এপ্রিল মাসে তুরস্কের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে পৌঁছেছে ৩২.৩৭ শতাংশে

    এপ্রিল মাসে তুরস্কের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে পৌঁছেছে ৩২.৩৭ শতাংশে

    তুরস্কে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে এপ্রিল মাসে ৩২ দশমিক ৩৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা মার্চ মাসে ছিল ৩০ দশমিক ৯ শতাংশ।

    সোমবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    মাসিক ভিত্তিতেও ভোক্তা মূল্য দ্রুত হয়েছে। মার্চের ১ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে এপ্রিলে ভোক্তা মূল্য বেড়েছে ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ।

    মূলত বাসস্থান, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে, এই চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানায় তুর্কি পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট বা টিইউআইকে।

    এই পরিসংখ্যান নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন অর্থনীতিবিদদের সংগঠন ইনফ্লেশন রিসার্চ গ্রুপ (ইএনএজি)।
    তাদের হিসাব অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৫৫ দশমিক ৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

    ইএনএজি দীর্ঘদিন ধরেই তুরস্কের সরকারি মূল্যস্ফীতি পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছে।

    তুরস্ক ২০১৯ সাল থেকে দুই অঙ্কের মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে। বিগত চার বছর ধরে এর বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ৩০ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

    গত ২০২৪ সালের মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৭৫ শতাংশের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছেছিল।
    এরপর তা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।

  • রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

    রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

    জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)-মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট।

    গত এপ্রিল মাসে ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯ শতাংশের বেশি। রোববার দুপুরে বিআইএফপিসিএল’র উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বাসস’কে এই তথ্য জানান।

    বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী রমানাথ পূজারী বলেন, ‘সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্রটি পরিচালনা করা আমাদের আধুনিক নকশা এবং টিমের নিরলস প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। এই সাফল্য আমাদের কঠোর পরিচালন পদ্ধতি এবং দুই দেশের মধ্যকার সফল সহযোগিতার এক অনন্য নিদর্শনও।’

    বর্তমানে কেন্দ্রটি ভারতের এনটিপিসি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একদল দক্ষ বাংলাদেশি প্রকৌশলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এনটিপিসি বর্তমানে উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা দিচ্ছে। তবে স্থানীয় মেধাবী প্রকৌশলীদের দ্বারা এই বিশালাকার কেন্দ্রের দৈনন্দিন পরিচালনা দেশের কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পথে একটি বড় অর্জন।