Category: রাজনীতি

  • বিএনপি নেতারা গণঅভ্যুত্থানের দিবাস্বপ্ন দেখছেন : ওবায়দুল কাদের

    বিএনপি নেতারা গণঅভ্যুত্থানের দিবাস্বপ্ন দেখছেন : ওবায়দুল কাদের

    জীবন নিউজ ডেস্ক : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা দলীয় প্রধানের মুক্তির জন্য একটি মিছিল পর্যন্ত করতে পারে না, তারা নাকি আবার গণঅভ্যুত্থানের রঙিন খোয়াব দেখছে।

    তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা গণঅভ্যুত্থানের দিবাস্বপ্ন দেখছেন। জনগণতো দূরে থাক, তাদের দলের কর্মীরাও এখন মাঠে নামে না। কারণ বিএনপির নেতৃত্বের প্রতি কর্মীদের কোনো আস্থা নেই।

    ওবায়দুল কাদের সোমবার সকালে আওয়ামী লীগের মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘জাতির পিতার হত্যাকা-, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র’ শীর্ষক জাতীয় শোক দিবসের ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় একথা বলেন।

    ‘সরকার জনবিচ্ছিন্ন’ বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার নয়, বিএনপিই জনবিচ্ছিন্ন এবং জনগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত। বিএনপি এই বাস্তবতা বোঝারও সক্ষমতা হারিয়েছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের চেতনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। পক্ষান্তরে বিএনপি ক্ষমতাকেন্দ্রিক সুবিধাবাদী রাজনীতি ও লুটপাটে বিশ্বাসী। বিএনপিরই পায়ের তলায় মাটি নেই। তাইতো তারা কোথাও দাঁড়াতেই পারছে না।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকা-ের পর শুরু হয় ইতিহাসের উল্টো পথে যাত্রা। ফিরে আসে পাকিস্তানি ভাবাদর্শের প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির ধারা। জাতীয় জীবন ও রাষ্ট্রীয় পরিসর থেকে নির্বাসিত হয় মুক্তিযুদ্ধের  চেতনা ও আদর্শ।

    তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণার পাঠককে স্বাধীনতার ঘোষক বানানোর অপচেষ্টা চালানো হয়। ইতিহাসের ফুটনোট জিয়াউর রহমানকে ইতিহাসের নায়ক বানানোর ব্যর্থ চেষ্টাও করা হয়।

    সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের নিবেদিত প্রাণ হতে হবে।

    ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. সুলতানা শফির সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম ক্রিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. তানিয়া হক।

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের বহুল প্রতিক্ষিত ও স্বপ্নের পদ্মাসেতুতে সকালে ২৯১৭টি রোড ওয়ে স্ল্যাবের সবকয়টি স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে।

    তিনি বলেন, এর মাধ্যমে পদ্মার দুই তীরের সড়ক সংযোগ স্থাপিত হলো। এ বছরের অক্টোবর মাসের শেষ দিকে পিচঢালাইয়ের কাজ শুরু হবে। এ পর্যন্ত পদ্মাসেতুর সার্বিক অগ্রগতি ৯৪ দশমিক দুই পাঁচ ভাগ।

  • সরকার ভবিষ্যত প্রজন্মের ভয়ংকর ক্ষতি করছে : মির্জা ফখরুল

    সরকার ভবিষ্যত প্রজন্মের ভয়ংকর ক্ষতি করছে : মির্জা ফখরুল

    জীবন নিউজ ডেস্ক : দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে সরকার ভবিষ্যত প্রজন্মের ‘ভয়ংকর ক্ষতি’ করছে বলে অভিযোগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার দুপুরে দলের এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব এই অভিযোগ করেন।

    তিনি বলেন,  দেখেন- হঠাৎ করেই কঠোর লকডাউন-টকডাউন সমস্ত উদাও হয়ে গেল। এখন খুললাম-যে যেমন খুশি চলো। হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে চলছে, ফিরছে-সব কিছুই করছে। একটা জিনিসই চলছে না এটা হচ্ছে- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম যেন শিক্ষা না পায় সেই ব্যবস্থা তারা(সরকার) করছে।

    তিনি বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই করোনার একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেমন তারা টিকার জন্য পরিকল্পনা করেছেন, টিকা ভ্যাকসিনেশনের জন্য পরিকল্পনা করেছে, তেমন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জীবন-জীবিকার পরিকল্পনা করেছে এবং একই সঙ্গে কিভাবে শিক্ষা প্রদান করা যায় সেটার জন্য তারা পরিকল্পনা করেছে। আমাদের এখানে কোনো পরিকল্পনা নাই। এই যে একটা ভয়ংকর ক্ষতি হচ্ছে প্রজন্মের, ক্ষতি করছে প্রজন্মের।

    অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, অনলাইনে কারা পড়ে? একমাত্র যারা বিত্তশালী মানুষ তারাই অনলাইনে পড়াশুনা করতে পারে, আর তো কারো পক্ষে সম্ভব নয়। একটা কম্পিউটার যোগাড় করা, একটা মোবাইল সেট যোগাড় করা- সারা দেশে সেটা নাইও। গ্রামে স্কুল যেগুলো আছে সেগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ। পত্রিকায় দেখেছেন যে, ছেলেরা এখন বেলুন বিক্রি করছে, বাদাম বিক্রি করছে। স্কুল বন্ধ এখন তারা বাবা-মাকে সাহায্য করার জন্য এগুলো করছে।  অর্থাৎ দে হেভ বিন অলরেডি ডাইভার্টেড।

    ফখরুল বলেন, এই যে একটা ভয়ংকর ক্ষতি হচ্ছে প্রজন্মের সেই ক্ষতিটা সরকারকে মোকাবিলার করার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা তারা সেভাবে গ্রহণ করতে পারেনি। তারা আছে শুধু বিভিন্ন রকম ভুল ব্যাখ্যা ও তথ্য দিয়ে জনগনকে বিভ্রান্ত করতে।

    গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির পরিচালিত কোভিড-১৯ হেল্প সেন্টারের জন্য ওষুধ সামগ্রি হস্তান্তর উপলক্ষে জিয়া পরিষদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। করোনায় ঔষধপত্র দেয়ার জন্য জিয়া পরিষদকে ধন্যবাদ জানান বিএনপি মহাসচিব।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, করোনা মোকবিলায় সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে সব দিক দিয়ে। না পেরেছে তারা চিকিৎসা দিতে, না পেরেছে তারা আমাদের জনগণকে আগাম একটা প্রিভেনটিভ ব্যবস্থা তৈরি করার জন্য একটা ব্যবস্থা তৈরি করতে, না পেরেছে তারা মানুষের মধ্যে একটা আস্থা তৈরি করতে যে, আমি এখানে চিকিৎসা পাব। পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে শুধু দুর্নীতির কারণে।

    তিনি বলেন, টিকা নিয়ে তেলেসমাতি কা-। এত মিথ্যা কথা, এত মিথ্যা অপপ্রচার যে মিথ্যা অপপ্রচার ও ভুল তথ্য দিয়ে পুরো জাতিকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। যারা বিশেষজ্ঞ আছে তারা বলছেন যে বয়সে মানুষের টিকা দেওয়া দরকার আমি ধরে নেই সেটা ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত টিকা দেওয়া দরকার।

    তাহলে আপনার টিকার প্রয়োজনীয়তাটা হয় মোটামুটিভাবে ১৩ কোটি। ১৮ কোটির দেশে ১৩ কোটি টিকা দরকার হয়। তাহলে ২৬ কোটি ডোজ টিকা লাগবে। আনে ২ লাখ, ৩ লাখ, ১ লাখ। তাও আবার দান, অনুদান আসে। সেখানে বলে যে, আমরা গণটিকা প্রদানের অভিযান করছি এবং প্রতিদিন এককোটি করে টিকা দেব। অনরেকর্ড বলেছে। অথচ টিকা নাই।

    ফকরুল বলেন, এই যে মিথ্যা তথ্য-প্রচারণা। এদের লজ্জা-শরমও নেই। তারা ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্য কথা বলে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। আমি একদিন বলেছি যে, এটা একটা ফ্রড গভমেন্ট।

    করোনার শুরু পর প্রথম দিকে চীন ও রাশিয়া টিকা প্রদানের প্রস্তাবের বিষয়টি তুলে ধরে ফখরুল বলেন,  চীন ও রাশিয়া প্রথম দিকে এখানে টিকা উৎপাদনের প্রস্তাব নিয়ে এসছিল। তখন তারা (সরকার) নেয়নি। কেনো নেয়নি? তাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতম ইতিহাসের সর্বোচ্চ সম্পর্ক যাদের সঙ্গে আরকি।

    ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করেছিল যে চুক্তিটাও সম্পূর্ণ জনবিরোধী চুক্তি। সেই টিকার দাম বেশি, আবার টিকার অর্থ অগ্রিম পরিশোধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরে সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে সম্ভবত এক কোটি ২০ লক্ষ টিকা এসছিল আর কোনো টিকা আসেনি। এখন চীনের সঙ্গে একটা চুক্তি করেছে। আমরা পত্রিকায় দেখলাম যে, এখানে টিকা বোতলজাত করবে। আমি জানি না এই চুক্তির ভেতরে ডিটেলস কি আছে, কখন শুরু করবে।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমার কথা হলো চীনের টিকাই যদি নিতে হয়, ওইটাই যদি উৎপাদন করতে হয় তাহলে প্রথমে করলেন না কেনো? একটা বিশেষ প্রাণী যখন পানি খায় ঘোলা করে। এরা হচ্ছে সেই প্রাণীয় যারা ঘোলা করে খায়।

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক শিষ্ঠাচারবর্হিভূত’ বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন,  গোটা দেশের মানুষ যখন করোনার টিকা ও জীবন-মৃত্য নিয়ে লড়ছে সেই সময়ে তারা এটাকে ডাইভার্ট করে দিতে চান বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে, জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। আমি মনে করি ওঁর (ওবায়দুল কাদের) বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্ঠাচার বিবর্জিত। কোনো দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে এই বিষয় নিয়ে এত কথা বলার আছে বলে আমি মনে করি।

    ফখরুল বলেন, একইভাবে ওরা শহীদ জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেই চলেছে। বন্ধ হচ্ছে না, চলছেই। ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের সঙ্গে আওয়ামী লীগের লোকেরাই জড়িত, জিয়াউর রহমানের প্রশ্নই উঠতে পারে না। এভাবে জাতিকে ধোঁকা দিয়ে, মিথ্যা কথা বলে জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তার ভয়ে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই তারা(ক্ষমতাসীনরা) এসর মিথ্যাচার করছে। জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস ধারণ করেছে যতকিছু বলো না কেনো তাকে জনগনের হৃদয় থেকে মুছে ফেলতে পারবে না।

    জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অধ্যাপক এমতাজ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

    অনুষ্ঠানে জিয়া পরিষদের নেতাদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, আবু জাফর খান, দেলোয়ার হোসেন, শহীদুল ইসলাম, নীলিমা রহমান লিলি, নুরুন নবী, ইদ্রিস আলী প্রমূখ নেতারা ছিলেন।

  • খালেদা জিয়ার চার্জগঠন শুনানির দিন নির্ধারণ

    খালেদা জিয়ার চার্জগঠন শুনানির দিন নির্ধারণ

    জীবন নিউজ ডেস্ক : গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক আলী হোসেন এ দিন ধার্য করেছেন বলে সোমবার দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, করোনা মহামারিতে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শুনানি হয়নি।  আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন বিচারক।

    দুদকের উপ-পরিচালক মো. গোলাম শাহরিয়ার ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ১৩ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. জহিরুল হুদা।

    অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।

    আসামিদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, এম শামছুল ইসলাম, এমকে আনোয়ার, আকবর হোসেন, আবদুল মান্নান ভূঁইয়া এবং খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মারা গেছেন।

    আর একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়েছে।

    মামলার অন্য আসামিরা হলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান কমোডর জুলফিকার আলী, সাবেক মন্ত্রী আকবর হোসেনের স্ত্রী জাহানারা আকবর, দুই ছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মন এবং একেএম মুসা কাজল, এহসান ইউসুফ, প্রাক্তন নৌ সচিব জুলফিকার হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন সদস্য একে রশিদ উদ্দিন আহমেদ, গ্লোবাল এগ্রোট্রেড প্রাইভেট লিমিটেডের (গ্যাটকো) পরিচালক শাহজাহান এম হাসিব, সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন।

  • টিকার দুই ডোজের ব্যবধান কমানোর উপায় খোঁজার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    টিকার দুই ডোজের ব্যবধান কমানোর উপায় খোঁজার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    জীবন নিউজ ডেস্ক : কোভিড-১৯ টিকার দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান আরো কমিয়ে আনা যায় কিনা, সেটি দেখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সোমবার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

    এ পর্যন্ত প্রায় দুই কোটি ২৪ লাখ করোনার টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৬৬ লাখ ৬১ হাজার ৪১২ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭৩ জন।

    টিকার স্বল্পতায় গণটিকাদান কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে সরকার। আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, আপাতত গণটিকা কার্যক্রম নয়। নিবন্ধনের মাধ্যমে টিকা নিতে হবে।

    এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকাগ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৯৬ লাখ ৬৬ হাজার ৪৪২ আর নারী ৬৯ লাখ ৯৪ হাজার ৯৭০ জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকাগ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৪০ লাখ ৬৮ হাজার ১১৪ আর নারী ২৫ লাখ ৭ হাজার ৩৫৯ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

  • অবৈধ শাসকগোষ্ঠী জনগণের ওপর জুলুম চালাচ্ছে : ফখরুল

    অবৈধ শাসকগোষ্ঠী জনগণের ওপর জুলুম চালাচ্ছে : ফখরুল

    জীবন নিউজ ডেস্ক : শুক্রবার (২৫ জুন) জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের নির্যাতিত ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানাই। যুগে যুগে মানুষ বিভিন্ন রাষ্ট্রের স্বৈরশাসক ও নিষ্ঠুর একনায়ক এবং একদলীয় শাসনের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছে। এখনো হচ্ছে।

    এখনো বিশ্বব্যাপী কোনো না কোনো অঞ্চলে ভাষা, বর্ণ, জাতি ও সম্প্রদায় নিয়ে সংঘাত চলছে। রাজনৈতিক ভিন্ন মতের ওপর অসহিষ্ণু শাসকরা চালাচ্ছে নির্দয় অত্যাচার। জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নির্বাচনের নামে প্রহসন ও তামাশা চলছে।’

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের যেহেতু জনগণের নিকট কোনো জবাবদিহিতা নেই, তাই তারা গণতান্ত্রিক সব প্রতিষ্ঠানকে হাতের মুঠোয় নিয়ে একদলীয় অপশাসনের পাথর জনগণের বুকের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। গণমাধ্যমকে হুমকি ও ভয় দেখিয়ে এবং নির্যাতন করে কব্জা করার অপচেষ্টা চলছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এখন সম্পূর্ণরূপে বিপন্ন।’

  • সরকার ফ্যাসিবাদী জুলুম চালাচ্ছে : মির্জা  ফখরুল

    সরকার ফ্যাসিবাদী জুলুম চালাচ্ছে : মির্জা ফখরুল

    জীবন নিউজ ডেস্ক :বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর প্রধান অস্ত্র।

    শুক্রবার (২৫ জুন) জাতিসংঘ ঘোষিত নির্যাতিতদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

    ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে অবৈধ শাসকগোষ্ঠী জনগণের ওপর এখন ফ্যাসিবাদী জুলুম চালাচ্ছে। আর এক্ষেত্রে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাই হচ্ছে তাদের প্রধান অস্ত্র।

    বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের নির্যাতিত ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানিয়ে ফখরুল বলেন, যুগে যুগে মানুষ বিভিন্ন রাষ্ট্রের স্বৈরশাসক, নিষ্ঠুর একনায়ক ও একদলীয় শাসনের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। এখনো বিশ্বব্যাপী কোনো না কোনো অঞ্চলে ভাষা, বর্ণ, জাতি ও সম্প্রদায় নিয়ে সংঘাত চলছে। রাজনৈতিক ভিন্নমতের ওপর অসহিষ্ণু শাসকেরা চালাচ্ছে নির্দয় অত্যাচার। জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে নির্বাচনের নামে প্রহসন ও তামাশা চলছে।