জীবন নিউজ ডেস্ক : চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো যে সব সীমান্তবর্তী জেলায় করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে সেগুলো আইসোলেটেড করে রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে আলাদা করে লকডাউনও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক।
Category: রাজনীতি
-

প্রয়োজনে সীমান্তবর্তী অন্য জেলায়ও লকডাউন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মঙ্গলবার (২৫ মে) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চীনের সিনোফার্মের ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যে সব সীমান্তবর্তী জেলায় করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে সেসব জেলাকে আইসোলেটেড করে রাখা হবে। কয়েকটি জেলায় করোনা বেড়ে গেছে। আমরা ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করেছি। যে সব জেলায় করোনা বেড়েছে প্রয়োজনে সে সব জেলায় আলাদা করে লকডাউনও দেওয়া হবে।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই পাঁচ লাখ টিকা দিয়ে আমরা আড়াই লাখ মানুষকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনতে পারব। যাদের টিকা দানের আওতায় আনা হবে তার বেশির ভাগই হবে মেডিকেল শিক্ষার্থী ও ফ্রন্টলাইনার ও চিকিৎসা কর্মীদের।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সব মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের এ ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে চারটি হাসপাতালে এ টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। -

৫ দিনের রিমান্ডে মুফতি আমির হামজা
নিউজ ডেস্ক: সংবাদ ভবনে খোলা তলোয়ার নিয়ে হামলার পরিকল্পনায় অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মুফতি আমির হামজার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ ছাড়া আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য আব্দুল্লাহ ও আনোয়ার হোসেনের ৪ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
এরআগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)-এর পরিদর্শক কাজী মিজানুর রহমান শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় প্রত্যেক আসামির ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, এই মামলার এজাহারনামীয় আসামি নিষিদ্ধে ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য মো. আল সাকিবসহ অন্য কর্মীদের তার বক্তৃতার মাধ্যমে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ করেন। এই হামলা করার বিষয়ে ইন্ধন দিয়েছেন। আমির হামজার কথিস উগ্রবাদী বক্তব্য ইউটিউবে দেখে আগেই গ্রেপ্তার আল সাকিব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা করে গুলিশের গুলিতে শহীদ হবেন মর্মে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়, যা তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। আমির হামজা তথাকথিত জিহাদের নামে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের অপব্যাখা করে উগ্রবাদী বয়ান দেন। যুব সমাজকে উগ্রবাদ সমর্থনে ইন্ধন দেন। এ ছাড়া বয়ানের ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে উগ্রবাদের প্রচার ও প্রসারে লিপ্ত রয়েছেন। এ ছাড়া আব্দুল্লাহ ও আনোয়ার হোসেন জঙ্গিবাদে অর্থায়ন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন।
আমির হামজার পক্ষে অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম আকন্দ, শাকিল উদ্দিন, এমআর মাসুদসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। তবে অন্য দুই আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে তলোয়ার নিয়ে সংসদ ভবনে হামলা চালানোর চেষ্টারত সাকিব নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সাকিবকে আটকের পর শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় সাকিবসহ আলী হাসান উসামা ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান গুনবীকে আসামি করা হয়।
সিটিটিসি সূত্রে জানা গেছে, সাকিবের কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘সাকিব মোবাইল ফোনে উগ্রবাদ বার্তা সংবলিত ভিডিও প্রচারকারী আলী হাসান উসামা, মাহমুদুল হাসান গুনবী, আমির হামজা, হারুন ইজহার প্রমুখ ব্যক্তির উগ্রবাদী জিহাদি হামলার বার্তা সংবলিত ভিডিও দেখে উগ্রবাদে আসক্ত হয়।’
ওই এজাহারে মুফতি আমির হামজার নাম ছিল। তার সূত্রে ধরেই সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়া থেকে আমির হামজাকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি।
এদিকে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আলী হাসান ওসামা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আর নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য আল আমিন রিমান্ড শেষে কারাগারে রয়েছে।
মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের রিয়াজ সর্দারের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসীর পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সুত্র: এফ.এন.এস
-

শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা : সাজাপ্রাপ্ত সাত আসামির জামিন
জীবন নিউজ ডেস্ক : ২০০২ সালে সাতক্ষীরায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত সাতজনকে চার মাসের জন্য জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এই সময়ের মধ্যে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামিদের করা আপিল নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া এই মামলায় আরও ১১ জনের জামিনের বিষয়ে আগামী রোববার আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।
জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, গোলাস রসুল, আবদুস সামাদ, জহিরুল ইসলাম, রাকিব, শাহাবুদ্দিন ও মনিরুল ইসলাম।
এর আগে সোমবার বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ১৮ জনের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়।
আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।’
আদালতে জামিন আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট গাজী মহসীন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইয়াহিয়া দুলাল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শাহীন মৃধা। জামিন আবেদন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারসহ ১৮ আসামি।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হিজলদি গ্রামের এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সদর হাসপাতালে যান। মাগুরায় ফেরার পথে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কলারোয়া বিএনপি অফিসের সামনে তাঁর গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায় সাতক্ষীরা-১ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
হামলায় শেখ হাসিনাসহ তাঁর গাড়িবহরে থাকা লোকজন, আওয়ামী লীগনেতা ও সাংবাদিকসহ অন্তত এক ডজন লোক আহত হন। ওই ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোসলেম উদ্দীন বাদী হয়ে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আশরাফ হোসেনসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৭০ থেকে ৭৫ জনের নামে থানায় ব্যর্থ হয়ে আদালতে মামলা করেন।
বিভিন্ন আদালত ঘুরে হাইকোর্টের নির্দেশে এক যুগ পর ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর কলারোয়া থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। এরপর ২০১৫ সালের ১৭ মে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০ জনকে সাক্ষী রেখে পেনাল কোড, অস্ত্র আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পৃথক তিনটি অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেখ সফিকুর ইসলাম।
সাতক্ষীরা মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে বিচারাধীন পেনাল কোডের মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর এবং সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে বিচারাধীন অস্ত্র আইনে ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দুটির কার্যক্রম যথাক্রমে ২০১৭ সালের ৯ ও ২৩ আগস্ট হাইকোর্টে স্থগিত করে আসামিপক্ষ। পরে গত বছরের ৮ অক্টোবর ওই রুল খারিজ করে রায় দেন আদালত। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন রাকিবুর। এর পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ তিন মাসের মধ্যে নিম্ন আদালতে বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
এরপর বিচার শেষে সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ৪ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ তিনজনের সর্বোচ্চ ১০ বছর করে এবং বাকি ৪৭ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড- দিয়ে রায় দেন।
-

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নয়, ভেঙে পড়েছে বিএনপি সেতুমন্ত্রী : ওবায়দুল কাদের
জীবন নিউজ ডেস্ক : সাম্প্রতিক সব নির্বাচনে পরাজিত হয়ে বিএনপি এখন নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহই হারিয়ে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সোমবার (২৪ মে) সকালে সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নয়, ভেঙে পড়েছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান এখন স্বাধীন, কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে আসে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। জনগণ বিএনপির এসব বুঝতে পেরেছে বলেই তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। বিএনপির কারচুপির যে অতীত ইতিহাস সেই রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারবে না। তারাই (বিএনপি) এখন নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।’সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের জামিনের বিষয়টিকে ফরমায়েশি রায় বলে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের জানতে চান, কে ফরমায়েশ দিয়েছে? কোথা থেকে দিয়েছে? মির্জা ফখরুলের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে?এ ধরনের কাল্পনিক অভিযোগ শুধু বিএনপিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, দেশের স্বাধীন বিচার বিভাগকেও বিএনপি হেয় করছে বলেও মনে করেন ওবায়দুল কাদের।সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির অপরাজনীতি আর মিথ্যাচার ছিল এতদিন সরকারের বিরুদ্ধে, এখন আদালতের বিরুদ্ধে তারা বক্তব্য দিচ্ছেন যা প্রকারান্তরে আদালত অবমাননার শামিল।এর আগে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন ওবায়দুল কাদের। -

টিকিট ছাড়া কাউকে প্লাটফর্মেও ঢুকতে দেয়া হবে না: রেলমন্ত্রী
জীবন নিউজ ডেস্ক : রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। করোনা সংক্রমণের কারণে কাউন্টারে টিকিট বিক্রি হবে না, সব কিছু অনলাইনে চলবে। টিকিট ছাড়া কাউকে প্লাটফর্মেও ঢুকতে দেয়া হবে না।
সোমবার সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ১০৮টি আন্তঃনগর ট্রেন আছে। ৫৬টি ট্রেন আজ থেকে চালু করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আগামীতে আস্তে আস্তে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে।
তিনি আরো বলেন, যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেনে চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। ভ্রমণ করতে গিয়ে কেউ যেন করোনার ঝুঁকিতে না পড়েন সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
এসময় রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
-

টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন ওবায়দুল কাদের
জীবন নিউজ ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন।
সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) টিকা কেন্দ্রে তিনি টিকা নেন।
এর আগে ৩১ মার্চ একই জায়গায় করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের।
গত ২৭ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশে করোনা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের একজন নার্সকে দেয়ার মধ্য দিয়ে। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় গণ টিকাদান।