Category: রাজনীতি

  • ফের ৫ দিনের রিমান্ডে মামুনুল হক

    ফের ৫ দিনের রিমান্ডে মামুনুল হক

    জীবন নিউজ ডেস্ক : হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে পৃথক দুই মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৪ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে তথ্য জানা গেছে।

    এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড শেষে মামুনুলকে আদালতে হাজির করেন।এরপর বায়তুল মোকাররমে চলতি বছরের মার্চ মাসে সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় করা পৃথক দুই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুলের ১৭ দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করেন।আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার দুই মামলায় মোট ৫ দিনের রিমান্ড মন্জুর করেন।

    এর আগে গত ২৬ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালত তার ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    আগে রোববার (১৮ এপ্রিল) মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

    জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের তাণ্ডবের সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় মোট ৫৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এর মধ্যে চারটি মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৯টি মামলার মধ্যে ৩২টি মামলা এখনো থানা পুলিশের কাছে তদন্তাধীন। এ ছাড়া বাকি ১৭টি মামলা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে তদন্তভার হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ডিএমপি সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের তাণ্ডবের মামলা ছাড়াও সম্প্রতি মোদিবিরোধী আন্দোলনের সূত্র ধরে সহিংসতার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন ও মতিঝিল থানায় ১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মতিঝিল ও পল্টন থানার পাঁচটি মামলায় মামুনুল হকের নাম রয়েছে।

  • রওশন এরশাদের জন্য দোয়া চাইলেন বিদিশা

    রওশন এরশাদের জন্য দোয়া চাইলেন বিদিশা

    জীবন নিউজ ডেস্ক : বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের সুস্থতা কামনা করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে রওশন এরশাদের সুস্থতা কামনা করে সবার কাছে দোয়া চান তিনি।  বিদিশা সিদ্দিক শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) রাতে ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আছেন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন’।

    এদিকে, গত বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে অসুস্থ বোধ করায়  রওশন এরশাদকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার সহাকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মো. মামুন হাসান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন রওশন এরশাদ। তার করোনা টেস্টে রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। স্বাভাবিক খাওয়া দাওয়া করছেন তিনি।

    ১৯৫৬ সালে ময়মনসিংহের মেয়ে রওশনকে বিয়ে করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তখন তিনি তরুণ সেনা কর্মকর্তা। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিদিশা সিদ্দিকের সাক্ষাৎকার অনুযায়ী, ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বাসায় এক অনুষ্ঠানে তাদের প্রথম দেখা হয়। পরের বছর বাগদান হয় বিদিশা-এরশাদের। রওশনের সঙ্গে সংসার অব্যাহত রেখেই এরশাদ ২০০০ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন বিদিশার সঙ্গে। তবে সেই খবর প্রকাশ্যে আসে যখন তাদের ঘরে জন্ম নেয় শাহাতা জারাব এরিক। আর তা হয়ে ওঠে টক অব দ্যা কান্ট্রি।

    অবশেষে ২০০৫ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় বিদিশা-এরশাদের। পরবর্তীতে বিদিশাকে জেলে জেতে হয় সাবেক স্বামীর দেয়া চুরির মামলায়। সবশেষ ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই সব আলোচনা সমালোচনার ইতি টেনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

  • খালেদা জিয়া ছাড়া বাসার সবাই করোনামুক্ত

    খালেদা জিয়া ছাড়া বাসার সবাই করোনামুক্ত

    জীবন নিউজ ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনের সব কর্মী করোনামুক্ত হয়েছেন। শনিবার (০১ মে) চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বাসায় মোট ৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে আগে পাঁচজনের নেগেটিভ হয়। বেগম জিয়াসহ চারজন পজিটিভ ছিলেন। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সবার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। ওই বাসায় এখন আর কারো করোনা পজিটিভ নেই। তবে খালেদা জিয়ার করোনা রিপোর্টের বিষয়ে চিকিৎসকরা পরে জানাবেন বলে জানান শায়রুল।

    এর আগে গত ১১ এপ্রিল রাজধানীর গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজার ৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানান তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক মামুন।
    এদিকে করোনা আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আগামী সোমবার পর্যন্ত তাকে হাসপাতালেই থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসনের সবশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান তিনি।

    ডা. জাহিদ জানান, বেগম জিয়ার আরও কয়েকটি পরীক্ষা করাতে হবে। সব পরীক্ষা শেষ হতে আগামী সোমবার পর্যন্ত লাগতে পারে। সব পরীক্ষা শেষে রিপোর্ট পর্যালোচনার পর তাকে বাসায় নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

    গত মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) খালেদা জিয়াকে রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর ইতোমধ্যে সিটি স্ক্যান, ইসিজি ও ইকোসহ যেসব পরীক্ষা করা হয়েছে তাতে বড় কোনো জটিলতা পাওয়া যায়নি। তিনি হাসপাতালের কার্ডিওলজিস্ট ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন।

    গত ১০ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় চিকিৎসক টিম গঠন করে অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। করোনা আক্রান্তের ১৪ দিন পার হওয়ার পর আবারও খালেদা জিয়ার নমুনা পরীক্ষা করা হয়; কিন্তু ফল করোনা পজিটিভ আসে। পরে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • বিয়ন্ড দ্যা প্যানডেমিক: ১১তম পর্বের বিষয় করোনা সংকট মোকাবেলায় সঠিক তথ্যপ্রবাহ

    বিয়ন্ড দ্যা প্যানডেমিক: ১১তম পর্বের বিষয় করোনা সংকট মোকাবেলায় সঠিক তথ্যপ্রবাহ

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ ওয়েবিনার ‘বিয়ন্ড দ্য প্যানডেমিক’ এর ১১তম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার)। এবারের পর্বে বক্তারা করোনা সংকট মোকাবেলায় সঠিক তথ্যপ্রবাহের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন।

    মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮ টায় করোনাকালীন সংকট নিয়ে বিশেষ ওয়েবিনার ‘বিয়ন্ড দ্যা প্যানডেমিক’ এর একাদশ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। বরাবরের মতোই পর্বটি সরাসরি প্রচারিত হবে আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/awamileague.1949 এবং অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে https://www.youtube.com/user/myalbd একই সঙ্গে দেখা যাবে বিজয় টিভির পর্দায় এবং সমকাল, ইত্তেফাক, ভোরের কাগজ, বাংলা নিউজ, যুগান্তর, জাগো নিউজ ২৪, বার্তা ২৪, সারা বাংলা ও বিডি নিউজের ফেসবুক পেজে।

    এবারের পর্বের আলোচনার বিষয় ‘করোনা সংকট মোকাবেলায় সঠিক তথ্যপ্রবাহ’। এই সঙ্কটে গণমাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত, করোনা বিষয়ে সঠিক তথ্য প্রচার ও সরবরাহ, দুর্যোগ মোকাবিলায় সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমগুলোর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি’র বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ সঞ্চালনায় আলোচক হিসেবে যুক্ত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাননীয় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ, এমপি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ-এর মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক, এমপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ. আরাফাত, একাত্তর টিভির কারেন্ট এ্যাফেয়ার্স এডিটর মিথিলা ফারজানা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-এর সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

    অনুষ্ঠানে দর্শকেরা সরাসরি প্রশ্ন করতে পারবেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের আগে দলের ফেসবুক পেজের পোস্টেও প্রশ্ন করতে পারবেন। দর্শকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রশ্নের ভিত্তিতেই এই অনুষ্ঠান সাজানো হয়।

  • দলের ভেতরের বর্ণচোরাদের ছাড় দেওয়া হবে না: কাদের

    দলের ভেতরের বর্ণচোরাদের ছাড় দেওয়া হবে না: কাদের

    দলের ভেতরে বর্ণচোরা সেজে যারা অর্থসম্পদ বৃদ্ধির চেষ্টা করে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করবে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ার করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এদেশের মাটি ও মানুষের সংগঠন, জনগণের বুকের গভীরে রয়েছে এর শেকড়। দলে এসে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে কাউকে ভাগ্য বদলাতে দেওয়া যাবে না। দলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মীদের পেছনে রেখে, আওয়ামী লীগে আশ্রয়ী, লোভী, ষড়যন্ত্রকারীদের দলে আর সুযোগ নেই।

    আজ সোমবার সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবন থেকে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক আনলাইন ভিডিও বার্তায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

    দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারি দলে সবসময় কিছু আগাছা-পরগাছা ঢুকে পড়ে, কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে সচেতন। দলে এসে দলের নাম ভাঙিয়ে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে ভাগ্য বদলাতে আওয়ামী লীগ কখনো কাউকে সুযোগ দেয়নি। যারা দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার মোটেই কার্পণ্য করে না।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে আশ্রয় নেওয়া লোভী ও ষড়যন্ত্রকারীদের আর সুযোগ নেই। যারা দলের ভেতর বর্ণচোরা হয়ে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করবে, নিজের সহায় সম্পত্তির গোছানোর চেষ্টা করবে অনিয়ম করে। তাদের সর্তক করে দিচ্ছি এমন অপকর্ম আওয়ামী লীগ মেনে নেবে না। আমরা আওয়ামী লীগের অর্জন নস্যাৎ হতে দিতে পারি না। দুর্বৃত্তদের কোনো দল নেই, তাদের নেই দলীয় পরিচয়। যারা অপরাধী, অপরাধীর অপরাধকেই বিবেচনা করে শেখ হাসিনা সরকার।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। শেখ হাসিনা সরকার স্বপ্রণোদিত হয়ে দুর্নীতি উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসছে। ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান থেকে শুরু করে ত্রাণ কাজে অনিয়মসহ এবং স্বাস্থ্য খাতের অনিয়মের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম শুদ্ধি অভিযানের অংশ। অন্যান্য খাত বিশেষ করে যেখানে অনিয়ম দুর্নীতি সেখানেই কঠোর অবস্থানে সরকার।

    বিএনপি সরকারে থেকে দুর্নীতি সাম্প্রদায়িকতা নানা অনিয়মকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল দাবি করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিকে নানাভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং পুনর্বাসিত করেছিল তারা, তাদের মুখে অনিয়মের কথা বলা মানায় না। আমরা এখন জনগণকে বাঁচাবার লক্ষ্যে সর্বঠত্মক কাজ করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি বাদ দিয়ে ক্ষেত্রে বিশেষে সীমিত করে জনগণের দুর্দশা কমানো, সংক্রমণ রোধ জীবিকা নিরাপত্তা বিধানকে রাজনীতি হিসেবে বেছে নিয়েছি।

    তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে মহামারি নিয়ন্ত্রণে সরকার সুচিন্তিত সহযোগিতা চায়। বিএনপি অসহায় জনগণের পাশে না থেকে সমালোচনার নামে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। জনগণের দুঃখ-দুর্দশা অসহায়ত্ব তাদের চোখে পড়ে না। মানুষের কল্যাণে সরকারের নিরলস প্রয়াস তারা দেখতে পায় না। সার্কাসের হাতির মতো নেতিবাচকাতার বৃত্তে ঘুরপাক খাওয়া চিরাচরিত মিথ্যাচারে ঘুরপাক খাচ্ছে বিএনপি। জনগণ আর এখন মিথ্যাচারে বিভ্রান্ত হয় না।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখন রাজনীতি হবে মানুষকে বাঁচানোর বৈশ্বিক সংকট করোনা প্রতিরোধ করা। বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য তারা নিজেরাই যথেষ্ট। তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতৃত্বে, তাদের মিথ্যাচার আর নেতিবাচক রাজনীতি বিএনপিকে জনগণের কাছে ক্রমেই অপ্রাসঙ্গিক করে তুলছে।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি (মির্জা ফখরুল) কথায়-কথায় সরকারের মন্ত্রীদের পদত্যাগ দাবি করেন। আমি বলব আন্দোলন সংগ্রামে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বিএনপির শীর্ষ থেকে নিচ পর্যন্ত নেতৃত্বেকে পদত্যাগ করার উচিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখছেন, আপনাদের সময়কালে এমন একটি উদহারণ দেখাতে পারবেন? বাসস