Category: রাজনীতি

  • হরতালের পর বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

    হরতালের পর বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

    ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে হরতালের পর এবার বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার রাজধানীর থানায় থানায় এই বিক্ষোভ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    রোববার পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের হয়ে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন ফখরুল।

    তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল বাতিল, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগরের থানায় থানায় বিক্ষোভ-সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করছি।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে ভোট কারচুপি ও জালিয়াতি করা হয়েছে। আমাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন’সহ নানা ঘটনার তথ্য প্রমাণ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে তুলে ধরবেন ধানের শীষের দুই প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন।

    এসময় নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সম্মেলনে বিএনপির ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে ধানের শীষের দুই মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শ্যামা ওবায়েদ, শফিউল বারী বাবু, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সুলতানা আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ, ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমুখ ।

  • ভুল রাজনীতির কারণে বিএনপিকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে: নানক

    ভুল রাজনীতির কারণে বিএনপিকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে: নানক

    আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিএনপির ভুল রাজনীতির কারণে জনগণ ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপি ভুলের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে না আসলে জনগণ তাদের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।

    আজ রবিবার ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন নানক।

    জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রমাণ হলো দেশের উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।

    তিনি বলেন, ইভিএম পদ্ধতি স্বচ্ছ ও সহজ। বিএনপি পরাজয়ের ভয়ে এ পদ্ধতি নিয়ে নির্বাচনের আগে অপপ্রচার শুরু করে। তারা মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। কিন্তু ফল ঘোষণার আগেই তারা হরতাল ডেকেছে। নির্বাচন বর্জন করে মুলত বিএনপি ঢাকাবাসীকে প্রত্যাখ্যান করেছে। জনগণ তাদের হরতাল প্রত্যাখ্যান করেছে।

    নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে জড়িত নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

    এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, এডভোকেট আফজাল হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা ও উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান উপস্থিত ছিলেন।

  • পুলিশ দিলো আধঘণ্টা, রিজভী সরলেন ৭ মিনিটেই

    পুলিশ দিলো আধঘণ্টা, রিজভী সরলেন ৭ মিনিটেই

    হরতালের সমর্থনে নয়াপল্টনে ফুটপাতে অবস্থান নেওয়া বিএনপির নেতা-কর্মীদের সরে যেতে আধঘণ্টা সময় দিয়েছিল পুলিশ। তখন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী পুলিশের কাছে ১০ মিনিট সময় চান। কিন্তু দুপুরে খাবার ও নামাজের কথা বলে ১০ মিনিট শেষ না হতেই কর্মসূচি স্থগিত করেন রিজভী।

    এতে ক্ষোভ দেখা যায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে। তারা সাংবাদিকদের বলেন, হরতাল দিয়ে রাস্তায় নামতে পারিনি। এ নিয়ে হাসাহাসি করছে মানুষ। এমন অবস্থায় রিজভী সাহেবের এমন আচরণ নিয়ে মানুষ আরো হাসাহাসি করছে।

    নেতা-কর্মীরা বলেন, পুলিশ আধঘণ্টা সময় দিলেও ৭ মিনিটের মাথায় কর্মসূচি শেষ করেন রুহুল কবির রিজভী। দলের একজন সিনিয়র নেতার এমন আচরণ হতাশাজনক।

    ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে রবিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকে বিএনপি। এই হরতালের সমর্থনে সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন দলটির নেতা-কর্মীরা।

    প্রথমে রুহুল কবির রিজভীসহ ১০ থেকে ১৫ জন নেতা-কর্মীদের সেখানে অবস্থান নেন। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে নেতা-কর্মীদের সংখ্যা বাড়ে। এক সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন সেখানে এসে অবস্থান নেন। তিনি নেতা-কর্মীদের নিয়ে স্লোগান দেন।

    স্লোগানে নেতা-কর্মীরা বলতে থাকেন- ‘ভোট চোর ভোট চোর, শেখ হাসিনার ভোট চোর’, ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘আজকের হরতাল, চলছে, চলবে’, দাবি আদায়ের হরতাল চলছে চলবে’, ‘প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না’ ইত্যাদি।

    এরপর বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে দলের নেতা-কর্মীদের আধঘণ্টার মধ্যে সেখান থেকে সরে যেতে বলেন মতিঝিল জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (এসি) জাহিদুল ইসলাম। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রিজভী পুলিশের দেওয়া সময় শেষ হওয়ার আগেই সরে যান। তিনি এখন কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছেন।

    রিজভী বলেন, ‘আমরা সরকারের অন্যায়গুলো তুলে ধরতে এই অবস্থান নিয়েছি। ঢাকা মহানগীর বিভিন্ন জায়গায় আমাদের নেতা-কর্মীরা এরকম শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করছেন।

  • নয়াপল্টনে বিএনপির অবস্থানে এসেই স্লোগান ইশরাকের

    নয়াপল্টনে বিএনপির অবস্থানে এসেই স্লোগান ইশরাকের

    ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির হরতাল চলছে। রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হরতাল চলবে।

    হরতালের সমর্থনে বিএনপির নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়েছেন নেতা-কর্মীরা। এতে আছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন। নয়াপল্টনে এসেই তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে স্লোগান দেন।

    স্লোগানে নেতাকর্মীরা বলতে থাকেন- ‘ভোট চোর ভোট চোর, শেখ হাসিনার ভোট চোর’, ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘আজকের হরতাল, চলছে, চলবে’, দাবি আদায়ের হরতাল চলছে চলবে’, ‘প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না’ ইত্যাদি।

    নির্বাচন ছাড়া প্রকাশ্য কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এটাই ইশরাকের প্রথম অংশগ্রহণ।

    এর আগে হরতালের সমর্থনে সকাল থেকে বিএনপির কিছুসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলেন রুহুল কবির রিজভী। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।

    এ সময় প্রায় ৩০ মিনিট ফুটপাতে অবস্থান করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার জাহিদুল ইসলামসহ পুলিশ কর্মকর্তারা নেতাদের ফুটপাত ছেড়ে যেতে বলেন। এ সময় কিছুটা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তবে বিএনপি নেতারা পুলিশের কথা মেনে অফিসের ভেতরে চলে যান। তখন ইশরাকও ভেতরে যান।

    এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা যায়, হরতালে বাস, লেগুনা, সিএনজি স্বাভাবিকভাবেই চলছে। ব্যক্তিগত গাড়িও সড়কে চলতে দেখা গেছে। অফিসগামী মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও কোথাও আবার যানজটও দেখা যায়।

  • ইভিএমে ‘ফিংগার প্রিন্ট’ মিললো না সিইসি’র

    ইভিএমে ‘ফিংগার প্রিন্ট’ মিললো না সিইসি’র

    ঢাকা সিটি নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের আইএএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। তবে এসময় ইভিএমে ফিংগার প্রিন্ট মেলেনি তার। পরে জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তিনি ভোট দেন।

    জানা গেছে, শনিবার সকাল পৌনে ১১টার দলে আইএএস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দিতে আসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এসময় ভোটকেন্দ্রের দোতলায় অবস্থিত ৮ নম্বর ভোট কেন্দ্রে ভোট দেয়ার সময় ইভিএমে তার বৃদ্ধাঙ্গুলি স্ক্যান করা হলে তা মেলেনি, পরে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েই ভোট দেন তিনি।

    ফিঙ্গার প্রিন্ট না মেলার বিষয়ে সাংবাদিকদের সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, ভোট দেয়ার তিন-চারটি উপায় আছে। যান্ত্রিক ত্রুটি হলে যে কেউ অন্য উপায়েও ভোট দিতে পারবেন।

  • পরিবেশ তৈরি করেছি, ভোটার আনার দায়িত্ব প্রার্থীদের: সিইসি

    পরিবেশ তৈরি করেছি, ভোটার আনার দায়িত্ব প্রার্থীদের: সিইসি

    ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের জন্য ভোটের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে তবে ভোটার আনার দায়িত্ব প্রার্থীদের। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। রাজধানীর উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের আইএএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেয়ার পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এমন মন্তব্য করেন।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক নয়। ইলেক্ট্রনিক্স ভোটিং মেশিন ইভিএম নির্বাচনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলেও দাবি করেন তিনি। ইভিএম প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, জনগণ নিজ দায়িত্বে বুঝে নিয়ে ইভিএমে ভোট দিচ্ছে। এসময় নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের গোলযোগ এড়িয়ে সুষ্ঠু ভোটের জন্য সহযোগিতা করার আহ্বান জানান প্রধান নির্বাচন কমিশন।

    এছাড়া যেসব ভোট কেন্দ্রে এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে সেই সব ভোট কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এজেন্টদের সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। পাশপাশি এজেন্টদেরকেও কোনরকম সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রিজাইডিং অফিসার অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করার জন্য আহ্বান জানান। কারো হুমকিতে এজেন্টদের কেন্দ্র ছেড়ে না যাওয়ার পরামর্শ দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।