Category: রাজনীতি

  • জাপার যুগ্ম মহাসচিব সাদ এরশাদ

    জাপার যুগ্ম মহাসচিব সাদ এরশাদ

    সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও রওশন এরশাদের পুত্র রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ এমপিকে দলের যুগ্ম মহাসচিব করা হয়েছে।

    জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক সাদকে মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব নিয়োগ করেন। এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জাপার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মারা যাওয়ায় রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাদ এরশাদ। এরপর ১০ অক্টোবর একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন এরশাদপুত্র।

  • নিউইয়র্কে গুরুতর অসুস্থ সাদেক হোসেন খোকা

    নিউইয়র্কে গুরুতর অসুস্থ সাদেক হোসেন খোকা

    বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    তার শয্যা পার্শ্বে থাকা সহকারী সিদ্দিকুর রহমান মান্না জানান, সাদেক হোসেন খোকা আগে থেকেই কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। সোমবার থেকে তার স্বাস্থ্যের আরও অবনতি হয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যানসার সেন্টারে ভর্তি আছেন।

    সাবেক এই মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বলেও তিনি জানান। এছাড়া সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন তার বাবার জন্য দোয়া কামনা করে বলেন, বাবার শারীরিক অবস্থা খুব ভালো নয়। আপনারা সবাই দোয়া করবেন।

    উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। ২৯ নভেম্বর ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শাসনামলে ঢাকা মহানগরের মেয়র ছিলেন সাদেক হোসেন খোকা। ২০১৪ সালে ১৪ মে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান অবিভক্ত ঢাকা মহানগরের দায়িত্ব পালন করা বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতা।

  • কংগ্রেস বর্জনের আহ্বান ওয়ার্কার্স পার্টির ৬ নেতার

    কংগ্রেস বর্জনের আহ্বান ওয়ার্কার্স পার্টির ৬ নেতার

    আবারও বড় এক ভাঙনের মুখে রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। সোমবার পার্টির দুই পলিটব্যুরো সদস্যসহ কেন্দ্রীয় কমিটির ছয় নেতা যৌথ বিবৃতিতে ২ নভেম্বরের কংগ্রেসে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা পার্টির সবার প্রতি এই কংগ্রেস বর্জনের আহ্বানও জানিয়েছেন।

    এ বিবৃতির ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, পার্টির যে ছয়জন বিবৃতি দিয়েছেন, তারা একদিন আগেও হাসিমুখে কেন্দ্রীয় কংগ্রেসের প্রস্তুতি সভায় অংশ নিয়েছেন। মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের এ ধরনের বিবৃতি প্রহেলিকা ছাড়া আর কিছুই নয়।

    তিনি জানান, মঙ্গলবার পার্টির পলিটব্যুরোর সভায় বিষয়টি আলোচনা করা হবে। তার দৃঢ় বিশ্বাস, ওয়ার্কার্স পার্টি ঐক্যবদ্ধ আছে এবং থাকবে।

    সোমবার যৌথ বিবৃতি দেওয়া ছয় কেন্দ্রীয় নেতার মধ্যে রয়েছেন- পলিটব্যুরো সদস্য নুরুল হাসান, ইকবাল কবির জাহিদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জাকির হোসেন হবি, মোফাজ্জেল হোসেন মঞ্জু, অনিল বিশ্বাস এবং তুষার কান্তি দাস। এর আগে পলিটব্যুরো সদস্য এবং পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিমল বিশ্বাসও পার্টি ছাড়ার ঘোষণা দেন।

    বিবৃতিতে ছয় নেতা বলেছেন, ১৯৯২ সালের ৪ মে অনুষ্ঠিত ঐক্য কংগ্রেসের লক্ষ্য ছিল কমিউনিস্ট ঐক্যকে এগিয়ে নেওয়া, বাম গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করা। কিন্তু পার্টির বর্তমান নেতৃত্বের কারণে দল ইতোমধ্যে সংগ্রামী ভাবমূর্তি হারিয়ে ফেলেছে এবং জনগণ থেকে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। ছয় নেতা

    বিবৃতিতে বলেন, শীর্ষ নেতৃত্ব রাজনৈতিক দুর্নীতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক দুর্নীতিতেও আক্রান্ত। আওয়ামী লীগের সঙ্গে স্থায়ী ঐক্যের যে নীতি-কৌশল নেওয়া হয়েছে, তাতে ওয়ার্কার্স পার্টি দেউলিয়া পার্টিতে পরিণত হয়েছে। সর্বশেষ বরিশালে জেলা সম্মেলনে সাম্প্রতিক প্রহসনের নির্বাচন সম্পর্কে পার্টি সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন সত্য উচ্চারণ করেও পরদিনই ইউটার্ন নিয়েছেন- যা বর্তমান ভ্রান্তনীতিরই অনিবার্য ফল। এর ফলে পার্টির নেতা, কর্মী এবং জনগণের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

    তারা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিপর্যয়, দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, তাতে পার্টিকে স্বাধীন ভূমিকা নিতে হবে। অন্যদিকে বিএনপি-জামায়াত, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক শক্তির সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

    বিবৃতিতে ছয় নেতা শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় অবিশ্বাস্য সংখ্যক পার্টি সভ্যপদ দিয়ে ভুয়া প্রতিনিধিদের দশম পার্টি কংগ্রেসে উপস্থিত করানোর পরিকল্পনার অভিযোগও আনেন। তারা বলেন, পার্টি সভ্যপদ যাচাই না করে অবৈধ প্রতিনিধিদের নিয়ে পার্টি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হলে তা হবে অবৈধ কংগ্রেস। তাই এই ‘প্রহসনের কংগ্রেসে’ অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

  • ‘ভাই’কে বাদ দিয়ে আসামি ভাতিজা

    ‘ভাই’কে বাদ দিয়ে আসামি ভাতিজা

    চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের মধ্যেই ব্যবসায়ী ও এক সময়ের চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গুলশান-২ নম্বরের বাড়িতে ক্যাসিনো-জুয়া চলত। তার ঘনিষ্ঠজন এবং কিছু নির্দিষ্ট বিদেশি ক্যাসিনো খেলতেন সেখানে। বিদেশে বসে এই ক্যাসিনো আজিজ মোহাম্মদ ভাই নিয়ন্ত্রণ  করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। খেলায় ব্যবহার হতো আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের নামের তিনটি শব্দের ইংরেজি আদ্যক্ষর দিয়ে লেখা (এএমবি) কয়েন। বসত মদ আর সিসার আড্ডা। বিদেশি মদ বাইরেও সরবরাহ করা হতো নিয়মিত। গুলশান-১ নম্বরে তার রয়েছে আরও একটি নিজস্ব ফ্ল্যাট, সেটি ব্যবহার হতো ‘রঙ্গশালা’ হিসেবে। আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাড়িতে মদ, সিসা, ক্যাসিনো সরঞ্জাম এবং তার নামের কয়েন জব্দ করা হলেও দুটি মামলার একটিতেও আসামি করা হয়নি তাকে। আসামি করা হয়েছে তার ভাতিজা ওমর মোহাম্মদ ভাই এবং দুই কেয়ারটেকার নবীন মণ্ডল ও পারভেজকে। এদিকে গতকাল আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।

    তিনজনকে আসামি করে গতকাল সোমবার গুলশান থানায় পৃথক দুটি মামলা করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এরমধ্যে একটি মাদক মামলার আসামি ওমর মোহাম্মদ ভাই এবং অপর মাদক মামলায় আসামি করা হয়েছে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাড়ির কেয়ারটেকার নবীন ও পারভেজকে।

    ডিএনসির কর্মকর্তারা বলছেন, আজিজ মোহাম্মদ ভাই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পালিয়ে আছেন। তিনি যেহেতু দেশে নেই তাই তাকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়নি। তবে তদন্তে তার সংশ্নিষ্টতা পাওয়া গেলে পরবর্তীকালে মামলায় তাকে সংযুক্ত করা হবে।

    গুলশান ২ নম্বরের ৫৭ নম্বর সড়কে ১১/এ ও ১১/বি নম্বর হোল্ডিংয়ের পাশাপাশি দুটি ভবনে রোববার বিকেলে অভিযান চালায় ডিএনসি। একই সময় গুলশান ১ নম্বরে ২৮ নম্বর রোডে ৫২ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এটি আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের ফ্ল্যাট বলে জানা গেছে। এই ফ্ল্যাটে স্থায়ীভাবে কেউ থাকেন না। রঙ্গশালা হিসেবে ব্যবহার হতো সেটি। সেখানে তার ঘনিষ্ঠজনরা নিয়মিত মদের আড্ডা বসাতেন। সেখান থেকে ১০ বোতল বিদেশি মদ ও সিসা জব্দ করা হয়। গুলশান-২ নম্বরের ৫৭ নম্বর রোডের পাশাপাশি দুটি বাড়ি আজিজ মোহাম্মদ ভাইদের। দুটি বাড়ির প্রায় সব সদস্যই মাসের বেশিরভাগ সময় বিদেশে থাকেন। আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের স্ত্রী নওরীন আজিজ থাকেন ১১/এ নম্বর ভবনে। তবে দেশে আসা-যাওয়ার মধ্যেই থাকেন তিনি। সর্বশেষ কয়েকদিন আগে তিনি বিদেশে গেছেন। ওই ভবনে আরও থাকেন আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের ভাতিজা ওমর মোহাম্মদ ভাই ও ওমরের সহোদর আহাদ মোহাম্মদ ভাই। তারা আজিজের ভাই প্রয়াত রাজা মোহাম্মদ ভাইয়ের সন্তান। রোববার অভিযানের সময় ওমর মোহাম্মদ বাসাতেই ছিলেন। ডিএনসির কর্মকর্তারা প্রবেশের পরপরই বিকল্প পথ দিয়ে তিনি পালিয়ে যান। আহাদ কয়েকদিন আগে বিদেশে গেছেন। ওমর এবং আহাদ ১১/এ নম্বর পাঁচতলা ভবনের ছাদে মিনিবার গড়ে তুলেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সবকিছুই চলত আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের নির্দেশনায়। বিদেশে বসে ক্যাসিনোর নিয়ন্ত্রকও ছিলেন তিনি। ১১/বি নম্বর ভবনের চারতলার ফ্ল্যাটে গড়ে তোলা হয়েছিল মদের গোডাউন। ডিএনসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের নির্দেশে তার দুই কেয়ারটেকার নবীন মণ্ডল ও পারভেজ গুলশান এলাকায় মদ সরবরাহ করতেন। ব্যাগে করে তারা গ্রাহকের কাছে মদ পৌঁছে দিতেন। অভিযানের সময় নবীন ও পারভেজকে আটক করা হয়। গতকাল দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হয়।

    ডিএনসির জিজ্ঞাসাবাদে নবীন জানিয়েছেন, সপ্তাহে অন্তত দু’দিন আজিজ মোহাম্মদ ভাই তাকে বিদেশ থেকে ফোন করতেন। তবে ফোনে কী কথা হতো তা বিস্তারিত জানাননি তিনি। ডিএনসির কর্মকর্তারা বলছেন, মদ কোথায় কার কাছে পৌঁছাতে হবে আজিজ ভাই ফোনে নবীনকে নির্দেশনা দিতেন।

    অভিযানে মিনিবার ও গোডাউন থেকে ৩৭২ বোতল বিদেশি মদ, সিসা, সিসার উপকরণ, গাঁজা ও ক্যাসিনো সামগ্রী জব্দ করা হয়। ক্যাসিনো সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে একটি ক্যাসিনো বোর্ড, আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের নামের তিনটি শব্দের ইংরেজি আদ্যক্ষর দিয়ে লেখা সোনালি রঙের (এএমবি) এক হাজার ছয়শ’ কয়েন। এ ছাড়া তাস ও ঘুঁটিও জব্দ করা হয় সেখান থেকে। এসব উদ্ধারের ঘটনায় ডিএনসির পক্ষ থেকে গুলশান থানায় দুটি মাদক মামলা করা হয়েছে। এরমধ্যে ডিএনসির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান বাদী হয়ে দায়ের করা মামলার আসামি আজিজ মোহাম্মদের ভাতিজা ওমর মোহাম্মদ ভাই। ওমর মোহাম্মদ পলাতক আছেন। অপর মামলার বাদী ডিএনসির পরিদর্শক এসএম সামসুল কবীর। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে কেয়ারটেকার নবীন ও পারভেজকে। ওমর মোহাম্মদ পলাতক আছেন। দুটি মামলার একটিতেও আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে আসামি করা হয়নি।

    অভিযানে অংশ নেওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা রোববার অভিযানের সময় আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাড়ি থেকে মদ, সিসা, গাঁজা ও ক্যাসিনো জব্দের কথা বলেছিলেন। অথচ এজাহারে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাড়ি বা ফ্ল্যাটের কথা উল্লেখ করা হয়নি। বাসার মালিকের নাম সরাসরি না লিখে একাংশে বলা হয়েছে-ওই বাসার মালিক বা তার পরিবারের সদস্য কিংবা অন্য কেউ ঘটনার সঙ্গে সংশ্নিষ্ট থাকতে পারে বলে প্রতীয়মান হয়। বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হবে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্নিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ডিএনসির পরিদর্শক ও একটি মামলার বাদী এসএম সামসুল কবীর সমকালকে বলেন, ৮-১০ বছর ধরে আজিজ মোহাম্মদ ভাই দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এ কারণে তাকে আসামি করা হয়নি। তবে যে ফ্ল্যাট থেকে মদ, সিসা ও ক্যাসিনো সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে তদন্তসাপেক্ষে সেই ফ্ল্যাটের মালিক বা অন্য কেউ এর সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

    ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ: বিতর্কিত ব্যবসায়ী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসায় অভিযানের পর দিন তার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তার স্বার্থসংশ্নিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো অ্যাকাউন্ট থাকলে আগামী ৩০ দিনের জন্য তা ফ্রিজ রাখতে বলা হয়েছে। গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে সব ব্যাংকের এমডি বরাবর চিঠি দিয়ে তার স্বার্থসংশ্নিষ্ট সব হিসাব ফ্রিজের আদেশ দেওয়া হয়।

    সোমবার তার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ ছাড়াও লেনদেনের যাবতীয় তথ্য, অ্যাকাউন্ট খোলার ফরমসহ সব ধরনের তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।

    জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ ও সোহেল চৌধুরী হত্যার ঘটনায় আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সপরিবারে থাইল্যান্ডে থাকেন তিনি। গুলশানের বাসায় তার আত্মীয়স্বজনরা থাকেন। অভিযানের সময় দু’জন কেয়ারটেকারকে আটক করা হয়। তার স্ত্রীর নাম নওরিন মোহাম্মদ ভাই। বাবার নাম মোহাম্মদ ভাই, মায়ের নাম মনোয়ারা বেগম (খাদিজা মোহাম্মদ ভাই)।

  • জয়নাল হাজারী আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা

    জয়নাল হাজারী আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছে ফেনীর আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল হাজারীকে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালের ২২-২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত দলের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে তাকে এ পদে মনোনয়ন দিয়েছেন।

    দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল সোমবার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি জয়নাল হাজারীর হাতে তুলে দেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম জয়নাল হাজারীকে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    জয়নাল হাজারী ১৯৮৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে ১৯৮৬, ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ সালে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০১ সালের ১৭ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান জয়নাল হাজারী। সংসদ সদস্য হিসেবে তার শেষ মেয়াদে নানা বিতর্কে জড়ান জয়নাল হাজারী। এ কারণে ২০০৪ সালে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর দীর্ঘদিন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন

    নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ফিরেন তিনি। পাঁচটি মামলায় ৬০ বছরের সাজা হয় তার। এরপর ঐ বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করলে আট সপ্তাহের জামিন পান হাজারী। পরে ১৫ এপ্রিল নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে পাঠানো হয় কারাগারে। চার মাস কারাভোগের পরে ২০০৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্ত হন তিনি।

    শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় সম্প্রতি জয়নাল হাজারীকে চিকিৎসার জন্য ৪০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঐ অনুদানের চেক গ্রহণ করতে হাজারী গণভবনে গেলে তার সঙ্গে রাজনীতি নিয়েও অনেক কথা হয় দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং তার সুস্থতা কামনা করেন।

  • রংপুর মহানগরের তিন ছাত্রলীগ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার

    রংপুর মহানগরের তিন ছাত্রলীগ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার

    রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আসিফসহ সংগঠনের তিন নেতাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার রাতে সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অপর দুই নেতা হলেন- রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নয়ন মাহমুদ বিপ্লব ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম।

    ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ওই তিন নেতাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।