Category: রাজনীতি

  • চুনোপুঁটি নয় রাঘববোয়ালদের ধরুন : রব

    চুনোপুঁটি নয় রাঘববোয়ালদের ধরুন : রব

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযানে চুনোপুঁটিদের ধরা হচ্ছে মন্তব্য করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, চুনোপুঁটিদের ধরে লাভ নেই, রাঘববোয়ালদের ধরে জনগণের সামনে তাদের হাজির করেন। রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের নামে আই ওয়াশ, ভারতের সঙ্গে জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি, আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদ এবং জাতীয় সরকারের দাবিতে জেএসডি ঢাকা মহানগর এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

    এতে অন্যদের মধ্যে জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, আবদুর রাজ্জাক রাজা, এসএম আনছারউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান প্রসঙ্গে রব আরও বলেন, যারা অপারেশন করছেন, এই চুনোপুটি ধরে লাভ নেই। ওয়ার্ড কমিশনারকে ধরে লাভ নেই।

    বড় বড় রাঘববোয়াল, তাদের নাম সম্রাট বলেছে, তাদের জনগণের সামনে হাজির করেন। তাদের বিচার করেন। তাহলে আপনাদের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়বে।

    সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সংকট নিরসনের জন্য অবিলম্বে সরকারকে বিদায় করতে হবে। জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা জাতীয় সরকার গঠন করি।

  • খড়কুটো আঁকড়ে ধরা ঐক্যফ্রন্ট জনগণের সাড়া পাচ্ছে না: হাছান মাহমুদ

    খড়কুটো আঁকড়ে ধরা ঐক্যফ্রন্ট জনগণের সাড়া পাচ্ছে না: হাছান মাহমুদ

    খড়কুটো আঁকড়ে ধরা ঐক্যফ্রন্ট জনগণের সাড়া পাচ্ছে না’ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। রবিবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে নবনির্মিত তথ্য ভবন মিলনায়তনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর আয়োজিত সরকারি প্রচার কার্যক্রমে উদ্ভাবন ও সেবা সহজীকরণ বিষয়ে জেলা তথ্য অফিসারদের কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, ‘তারা (ঐক্যফ্রন্ট) যে সমাবেশ করতে যাচ্ছেন, বিভিন্ন যায়গা মানববন্ধন করতে যাচ্ছেন এই জন্য তাদেরকে অভিনন্দন। কারণ, আমরা চাই রাজপথে এবং সংসদ শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক। কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে, তারা এই সমস্ত সভা সমাবেশ করে জনগণের কোনো সাড়া পাচ্ছে না এবং কোনো ইস্যুও খুঁজে পাচ্ছে না। ছাত্র এবং অন্যান্য ইস্যু নিয়ে খড়কুটো আঁকড়ে ধরে তারা রাজনীতির মাঠে সরগরম থাকার চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণের কোনো সাড়া না পেলেও তারা যে মাঠে নামার চেষ্টা করছে এইজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ।’

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা আজকে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে পরপর তিন তিনবার আমরা নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করার দায়িত্ব পালনের সুয়োগ পেয়েছি। বিএনপি তো ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকেই বলে আসছে দেশ পরিচালনায় সরকারের কোনো নৈতিক অধিকার নেই। বিএনপির এটি কোনো নতুন কথা নয়, এটি

    সাংবাদিকরা এসময় এমপি রাশেদ খান মেননের ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন করলে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, ‘কয়েকটি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আমিও বিষয়টি দেখেছি, তবে বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তাধীন বিষয় নিয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না।’

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যারা ক্যাসিনো পরিচালনা করতো তাদেরকেই ধরা হয়েছে। সবাই দুর্নীতিবাজ। ক্যাসিনো অবৈধ। বড় বড় যারা রাঘব-বোয়ালকেই ধরা হয়েছে। এখন আরো অনেকের নাম আসছে। যারা অভিযোগগুলো করছেন, বড় বড় কথা বলছেন, তাদের নামও আসছে। এটি চলমান আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশকে পরিশুদ্ধ করার জন্য, দেশ থেকে সব ধরণের অনিয়ম দূর করার জন্য সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ধীরে ধীরে দায়ী সবার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

    জেলা তথ্য অফিসারদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ হচ্ছে সরকারের সাথে জনগণের সেতুবন্ধ রচনা করা এবং দেশ ও জাতির প্রয়োজনে একটি ন্যায় ভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সমাজকে উদ্বুদ্ধ করা। সেই লক্ষ্যেই গণযোগাযোগ অধিদপ্তর দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। গত দশ বছরে প্রচার প্রচারণার ক্যানভাস অনেক পরিবর্তিত হয়ে গেছে। সময় এসেছে পুরনো ধাঁচের প্রচার কার্যক্রম বদলে ফেলে আধুনিক যুগোপযোগী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে সাথে নিয়ে সমন্বিত প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করার।

    বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের লক্ষ্য, একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের পাশাপাশি একটি উন্নত জাতি গঠন করা, উলে­খ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র বস্তুগত উন্নয়ন দিয়ে উন্নত জাতি গঠন করা সম্ভব নয়। উন্নত জাতি গঠন করার জন্য সমাজকে উন্নত করতে হবে। প্রচার প্রচারণার অংশ হিসেবে জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে মূল্যবোধ, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের বার্তা।

    গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও দেশব্যাপী ৬৮টি তথ্য অফিসের প্রতিনিধিবৃন্দ কর্মশালায় যোগ দেন।

  • দেশে চলছে ভানুমতির খেল: রিজভী

    দেশে চলছে ভানুমতির খেল: রিজভী

    দেশে ভানুমতির খেল চলছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার এখন নানা তেলেসমাতি দেখানোর চেষ্টা করছে। চেষ্টা করছে জনগণকে ধোকা দেয়ার। ‘দুর্নীতিবাজরা গণভবনে আসতে পারবে না’ প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি।

    রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে দলের মুখপাত্র রিজভী বলেন আপনারা সম্প্রতি দেশের পত্রপত্রিকায় একটি শিরোনাম দেখেছেন। নিশিরাতের সরকারের প্রধানমন্ত্রী যুবলীগের নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলছেন, ‘দুর্নীতিবাজরা গণভবনে আসতে পারবে না’। এই কথাটি জনমনে হাসি-তামাশার উদ্রেক করেছে। কারণ কে কাকে দুর্নীতিবাজ বলছে? অপ্রিয় হলেও সত্য, খোদ গণভবনই এখন দুর্নীতিবাজদের নিয়ন্ত্রণে। রাতের আধারে জনগণের ভোট ডাকাতি করে ভোটাধিকার হরণ কি বড় দুর্নীতি নয়?

    ৩০ ডিসেম্বরের ভোটের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে জনগণের ভোট ডাকাতি করে রাতের গর্ভে যেই সরকারের জন্ম দেয়া হয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে এতবড়ো দুর্নীতি, এত বড় কলঙ্ক, জনগণের ভোট নিয়ে এতো বড়ো জুয়া খেলা অতীতে আর কখনোই ঘটেনি। নির্বাচনের নামে ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দিয়ে জনগণের ভোট কেটে নেয়া, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোট ডাকাতিকেও হার মানিয়েছে। সেই ভোট ডাকাতদের নিয়ন্ত্রণে এখন গণভবন। সেই গণভবনে বসে যখন বলা হয় ‘দুর্নীতিবাজরা গণভবনে আসতে পারবেনা’ তখন এটা জনগণের কাছে পরিহাসের মতোই শোনায়।

    ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন নেতাদের বিরুদ্ধে উঠা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণের টাকা যার সিঁধ কেটে বিদেশে পাচার করে সেকেন্ড হোম ও বেগম পল্লী বানাচ্ছে তাদের আবার বড় গলা। গণভবন যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে থাকে তাহলেই কেবলমাত্র দুর্নীতিবাজদের কবল থেকে গণভবন মুক্ত হবে এবং সারাদেশের দুর্নীতিবাজরা জবাবদিহির আওতায়

  • অনুমতি মিললে খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন ড. কামাল

    অনুমতি মিললে খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন ড. কামাল

    কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে দেখতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমতি দিলে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবে।

    রোববার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে অনুষ্ঠিত স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    খালেদা জিয়াকে দেখতে যাওয়ার বিষয়ে অনুমতি নেয়ার জন্য ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হবে।

    বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের প্রধান শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আজই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হবে।

    সভা শেষে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘২২ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সমাবেশের অনুমতি এখনো পাওয়া যায়নি। ২১ তারিখে অনুমতি দিলে পরদিন সমাবেশ করা তো কঠিন কাজ। আমরা তো ঐকমত্যের কথা বলছি, সংঘাতের কথা বলছি না। সুতরাং কেন অনুমতি পাওয়া যাবে না। সমাবেশের অনুমতি না দেয়ার মানে তো গণতন্ত্র ধ্বংস করা।’

    একাদশ সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা রাশেদ খান মেননের বক্তব্যের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, ‘দেরিতে হলেও মেনন সত্য কথা বলেছেন। ওই নির্বাচনে কেউ ভোট দিতে পারেনি। সত্য কথা বলার জন্য মেননকে ধন্যবাদ।’

    ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) নেতা আ স ম আবদুর রব বলেন, সভায় নেতারা কারাগারে খালেদা জিয়াকে দেখতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমতি দিলে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবে।

    আ স ম রব আরও জানান, এই সরকারের আমলে বুয়েটের ছাত্র আবরারসহ আরও যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার বিচারের দাবিতে ঐক্যফ্রন্ট রক্তাক্ষরে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করবে। তারপর তা জাতিসংঘসহ দেশি–বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ঐক্যফ্রন্ট নেতা জাফরুল্লা চৌধুরী, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, রেজা কিবরিয়া, বিএনপির ইকবাল হাসান মাহমুদ, জহির উদ্দিন স্বপন, নাগরিক ঐক্যর মমিনুল ইসলাম, জেএসডির তানিয়া রব ও আব্দুল মালেক রতন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘জনগণ ভোট দিতে পারেনি’ বক্তব্যের জন্য মেননকে ধন্যবাদ ড. কামালের

    ‘জনগণ ভোট দিতে পারেনি’ বক্তব্যের জন্য মেননকে ধন্যবাদ ড. কামালের

    একাদশ সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা রাশেদ খান মেননের বক্তব্য প্রসঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘দেরিতে হলেও মেনন সত্য কথা বলেছেন। ওই নির্বাচনে কেউ ভোট দিতে পারেনি। সত্য কথা বলার জন্য মেননকে ধন্যবাদ।’

    রোববার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে নিজ চেম্বারে অনুষ্ঠিত স্টিয়ারিং কমিটির সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সভায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে দেখতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমতি দিলে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবে।

    খালেদা জিয়াকে দেখতে যাওয়ার বিষয়ে অনুমতি নেয়ার জন্য ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হবে।

    বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের প্রধান শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আজই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হবে।

    সভা শেষে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘২২ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সমাবেশের অনুমতি এখনো পাওয়া যায়নি। ২১ তারিখে অনুমতি দিলে পরদিন সমাবেশ করা তো কঠিন কাজ। আমরা তো ঐকমত্যের কথা বলছি, সংঘাতের কথা বলছি না। সুতরাং কেন অনুমতি পাওয়া যাবে না। সমাবেশের অনুমতি না দেয়ার মানে তো গণতন্ত্র ধ্বংস করা।’

    ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) নেতা আ স ম আবদুর রব বলেন, সভায় নেতারা কারাগারে খালেদা জিয়াকে দেখতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমতি দিলে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবে।

    আ স ম রব আরও জানান, এই সরকারের আমলে বুয়েটের ছাত্র আবরারসহ আরও যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার বিচারের দাবিতে ঐক্যফ্রন্ট রক্তাক্ষরে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করবে। তারপর তা জাতিসংঘসহ দেশি–বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ঐক্যফ্রন্ট নেতা জাফরুল্লা চৌধুরী, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, রেজা কিবরিয়া, বিএনপির ইকবাল হাসান মাহমুদ, জহির উদ্দিন স্বপন, নাগরিক ঐক্যর মমিনুল ইসলাম, জেএসডির তানিয়া রব ও আব্দুল মালেক রতন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • যুবলীগ নিয়ে গণভবনে মিটিং রবিবার: ওবায়দুল কাদের

    যুবলীগ নিয়ে গণভবনে মিটিং রবিবার: ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, যুবলীগ নিয়ে গণভবনে মিটিং ডেকেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুবলীগের চেয়ারম্যানকে কেন ডাকা হয়নি, কোন বয়স পর্যন্ত যুবলীগ করা যাবে, সেসব আলোচনা রবিবারই করা হবে।

    আজ শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

    ‘সরকার বাকশালী আচরণ করছে’ বিএনপির এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির একটি রোগ আছে। সেটা হলো- অভিযোগ। অভিযোগ নামক রোগ বিএনপিকে পেয়ে বসেছে। তারা কথায় কথায় অভিযোগ করে, নালিশ করে। এছাড়া তো তাদের আর কিছু করার নেই।

    তিনি বলেন, বিএনপি রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসুক, এটা আমরা চাই। অভিযোগ আর নালিশের রাজনীতি বাদ দিয়ে গণরাজনীতির ধারায় ফিরে আসুক, সেটাই আশা করি।