Category: রাজনীতি

  • ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ জানালেন তারেক রহমান

    ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ জানালেন তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:      দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে তরুণ প্রজন্মের কাঁধেই আগামীর বাংলাদেশের দায়িত্ব তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নানা আধিপত্যবাদী শক্তি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকলেও ধৈর্য ও শান্তি বজায় রেখে গণতান্ত্রিক ও শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশ গড়তে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তাঁর রয়েছে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা, যার নাম তিনি দিয়েছেন ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’।

    রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কে দলের পক্ষ থেকে আয়োজিত গণসংবর্ধনায় বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের সদস্যরাই আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। এই দায়িত্ব আজই গ্রহণ করতে হবে, যাতে আমরা শক্ত গণতান্ত্রিক ভিত্তি ও অর্থনৈতিক ভিতের ওপর একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।”

    বক্তব্যের শুরুতে প্রিয় মাতৃভূমিতে ফেরার জন্য স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, জনগণের দোয়া ও আল্লাহর রহমতেই তিনি দেশে ফিরতে পেরেছেন। তিনি স্মরণ করেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী জনতার বিপ্লব এবং ২০২৪ সালে ছাত্র জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষের ভূমিকার কথা। তাঁর ভাষায়, এসব লড়াই প্রমাণ করে দিয়েছে, দেশের মানুষ বারবার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন কথা বলার অধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। পাহাড় ও সমতল, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবাইকে নিয়ে একটি নিরাপদ রাষ্ট্র গড়াই তাঁর লক্ষ্য। “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যে স্বপ্ন একজন মা দেখেন,” বলেন তিনি, যেখানে নারী, পুরুষ কিংবা শিশু সবাই নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ফিরতে পারবে।

    মার্টিন লুথার কিংয়ের ঐতিহাসিক উক্তির প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, “তিনি বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’, আর আজ আমি বলছি ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’। এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, উন্নয়নের জন্য এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দলমত নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

    গণসংবর্ধনার আবহ ছিল আবেগঘন। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে যুক্তরাজ্য থেকে আসা তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দর থেকে লাল সবুজ রঙের বুলেটপ্রুফ বাসে তিনি পূর্বাচলের সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান। বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে মঞ্চে ওঠার পর চারপাশ গগনবিদারী স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে।

    বক্তৃতার শেষ পর্যায়ে তিনি দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় সবার প্রতি আহ্বান জানান এবং বলেন, যেকোনো উসকানির মুখে ধীর ও শান্ত থাকতে হবে। তিনি নতুন, স্বৈরাচারমুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন। বক্তব্য শেষে তিনি মা ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান এবং উপস্থিত জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • ঢাকা-১৫ আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন জামায়াত আমির

    ঢাকা-১৫ আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন জামায়াত আমির

    অনলাইন ডেস্ক:     আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা-১৫ আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে।

    ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও ঢাকা-১৩ এবং ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এদিন ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে এই আসনে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঘোষিত তফসিল অনুসারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    ঢাকা-১৫ আসনের পাশাপাশি একই দিনে ঢাকা-১৩ আসনেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহে তৎপরতা দেখা গেছে। ওই আসন থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসন মিলিয়ে মোট একুশ জন সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শীর্ষ রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক দলের নেতাদের সরাসরি নির্বাচনী প্রস্তুতি রাজধানীর এই দুই আসনে ভোটের সমীকরণকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলছে। মনোনয়নপত্র জমার সময় ঘনিয়ে আসায় আগামী দিনগুলোতে প্রার্থীদের প্রচার ও সাংগঠনিক তৎপরতা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • শরিকদের জন্য আরও ৮ আসন ছেড়ে দিলো বিএনপি

    শরিকদের জন্য আরও ৮ আসন ছেড়ে দিলো বিএনপি

    অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে শরিক ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আসন সমঝোতার পথে আরও এক ধাপ এগোল বিএনপি। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন ছেড়ে দেওয়ার পর এবার অন্যান্য শরিকদের জন্য আরও ৮টি আসন ছেড়ে দিয়েছে দলটি। এতে করে জোটভিত্তিক নির্বাচনী প্রস্তুতি অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শরিক দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেসব আসন শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেসব আসনে বিএনপি নিজ দলের কোনো প্রার্থী দেবে না।

    ঘোষণা অনুযায়ী, এলডিপি থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭ আসন থেকে নির্বাচন করবেন। জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা মোস্তফা জামান হায়দার লড়বেন পিরোজপুর-১ আসনে। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর পটুয়াখালী-৩ এবং দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ ঢাকা-১৩, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি রশিদ যশোর-৫ এবং এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ নড়াইল-২ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন।

    দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে মির্জা ফখরুল বলেন, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ছেড়ে দেওয়া আসনে কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তাঁর ভাষায়, শরিকদের সঙ্গে এই সমঝোতা বিএনপির যুগপৎ আন্দোলন ও নির্বাচনী কৌশলেরই অংশ।

    এর আগে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) একই স্থানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল জানান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতার ভিত্তিতে চারটি আসনে বিএনপি প্রার্থী দেবে না। ওই আসনগুলোতে জমিয়তের প্রার্থীরা হলেন নিলফামারী-১ এ মো. মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, নারায়ণগঞ্জ-৪ এ মনির হোসাইন কাসেমী, সিলেট-৫ এ মো. উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জুনায়েদ আল হাবীব।

    বিএনপি সূত্র জানায়, ৩০০ আসনের মধ্যে ইতোমধ্যে ২৭২ আসনে দুই দফায় দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ২৮ আসনের মধ্যে চারটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে এবং সর্বশেষ আটটি অন্যান্য শরিকদের দেওয়া হলো। এখনও ১৬টি আসন নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত বাকি রয়েছে।

    দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, শরিকদের সঙ্গে এই আসন সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। খুব শিগগিরই বাকি আসনগুলো নিয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন রুমিন ফারহানা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন রুমিন ফারহানা

    অনলাইন ডেস্ক:   বহুল আলোচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসনেই নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন তিনি।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি দুই দফায় ২৭২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও শুরুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনটি ফাঁকা রাখা হয়। দলীয় সূত্রে তখন ধারণা ছিল, শেষ পর্যন্ত এই আসনেই রুমিন ফারহানার নাম আসতে পারে। তবে আসন সমঝোতার কারণে শেষ পর্যন্ত সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি জানায়, আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে তারা নিজস্ব কোনো প্রার্থী দেবে না। একই সঙ্গে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের নাম ঘোষণা করা হয়। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে কার্যত বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েন রুমিন ফারহানা।

    দলীয় মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে থাকার সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, “দল থেকে মনোনয়ন না পেলেও আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করব।” তিনি আরও জানান, মনোনয়নপত্র কেনার আগেই সম্মানের সঙ্গে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করবেন এবং দু’একদিনের মধ্যেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন।

    দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে কোনো সাংগঠনিক শাস্তির মুখে পড়তে হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, “আশা করি সেটা আমার সঙ্গে হবে না।” একই সঙ্গে তিনি এলাকার ভোটারদের প্রতি আস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, “আশা করি এই এলাকার মানুষের ভালোবাসা এখনো আমার সঙ্গে আছে। তারা এর জবাব ভোটের মাধ্যমেই দেবে।”

    এর আগেও এলাকায় এক কর্মসূচিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন রুমিন ফারহানা। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “আমি যা বলি, আমি তা–ই করি। ভালো হইলে বা মন্দ হইলে, সেটা আমার দায়িত্ব। আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন, মার্কা যা–ই হোক, নির্বাচন করব আমি সরাইল–আশুগঞ্জ থেকেই।”

    এদিকে একই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, আসন সমঝোতার মাধ্যমে কোনো শরিক দলকে আসন ছেড়ে দেওয়ার পর যদি বিএনপির কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বক্তব্যের পরও রুমিন ফারহানার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনের রাজনীতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

  • দেশে ফিরে ২৭ ডিসেম্বর ভোটার হচ্ছেন তারেক রহমান

    দেশে ফিরে ২৭ ডিসেম্বর ভোটার হচ্ছেন তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:     দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আগামী শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তিনি ভোটার হবেন।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ এবং ইসির সিনিয়র সচিবও উপস্থিত ছিলেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন। পরদিন শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) থাকায় নির্বাচন কমিশনের নিয়মিত কার্যক্রম সীমিত থাকবে। সে কারণে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর), যখন নির্বাচনকালীন সময়ে ইসির সব অফিস খোলা থাকে, সেদিনই ভোটার তালিকাভুক্তির সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার পর ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সে বিষয়টি নিয়েই সিইসির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং কমিশন বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে।

    বৈঠকে শুধু তারেক রহমানের ভোটার হওয়া নয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্রের শর্ত নিয়েও আলোচনা হয়। সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মনোনয়নপত্র জমাদানের সময় মামলা সংক্রান্ত তথ্য ও জামিনের সার্টিফায়েড কপি দাখিলের বিষয়টি সহজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “অনেক ক্ষেত্রে কে কোথায় কত মামলার আসামি, তা প্রার্থীর পক্ষেও জানা কঠিন। এ বিষয়ে বাস্তবসম্মত সমাধান দরকার।”

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার দায়িত্ব সরকারের। নির্বাচন কমিশন যেভাবে নির্দেশনা দেবে, সেভাবেই সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। “আমরা চাই জনগণ উৎসবমুখর পরিবেশে স্বাধীন ও নির্ভয়ে ভোট দিতে পারুক,” বলেন তিনি।

    দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকে আসন্ন নির্বাচনের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা। তাদের মতে, এটি নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সক্রিয় উপস্থিতির বার্তাও দিচ্ছে।

  • বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মান্নানকে জি.এম. সুমন মুন্সির ফুলেল শুভেচ্ছা

    বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মান্নানকে জি.এম. সুমন মুন্সির ফুলেল শুভেচ্ছা

    সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন-সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সংগ্রামী সভাপতি জি.এম সুমন মুন্সি।

    সোমবার, ২২ ডিসেম্বর বিকেলে সোনারগাঁয়ে আজহারুল ইসলাম মান্নানের নিজ বাস ভবনে অসংখ্য নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে এই ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়তাবাদ জিয়া সৈনিক দলের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য সচিব মো. শফিকুল ইসলাম, যুগ্ন-আহ্বায়ক মো. আসাদুজ্জামান মিন্টু প্রধান, জিয়া সৈনিক দলের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সদস্য সচিব মো. কবির হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা সভাপতি মো. মনির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. সোলেমান ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস বিজয়, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, সহ-সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক জয় প্রমূখ।

    এসময় আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, আগামী ২৫ তারিখ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান বাংলাদেশে আসছেন। সেই উপলক্ষে দলের সকল নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আপনারা সবাই আমাদের নেতা তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ঢাকায় যাবেন। নেতার উপস্থিতিতে আমাদের দল আরো শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।

    ‎জিএম সুমন বলেন, আমরা তারেক রহমানের উপস্থিতিতে আরো গতিশীল হয়ে উঠবো। আমরা তার এবং তার মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করি।