Category: রাজনীতি

  • খালেদাকে পরীক্ষার জন্য সিএমএইচে যাওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে সরকার

    খালেদাকে পরীক্ষার জন্য সিএমএইচে যাওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে সরকার

    কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রোগ পরীক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে না চাওয়ায় তাকে বিকল্প প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে সরকার। তিনি চাইলে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।

    মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

    খালেদা জিয়া বেসরকারি হাসপাতাল ইউনাইটেডে যেতে চাচ্ছেন। আর সরকার গত ৭ এপ্রিলের মতোই নিতে চাইছে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে। কিন্তু বিএনপি প্রধান আসতে চাইছেন না বলে গত তিন দিনেও তাকে আনা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বললেন।

    মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিএমএইচে নেয়ার প্রস্তাব করা হবে। এটা অত্যন্ত সমৃদ্ধ হাসপাতাল। সেখানে সব ধরনের ব্যবস্থা আছে।’

    তিনি যদি সেখানেও যেতে না চান, তবে কী হবে, এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে কারাবিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ বিএনপি নেত্রীর চিকিৎসার বিষয়টিতে সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    বিএনপির দাবি অনুযায়ী ইউনাইটেড হাসপাতালে নিতে সমস্যা কী- এমন প্রশ্নে কামাল বলেন, ‘আমাদের সিএমএইচ আছে, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল আছে, সব কটি সমৃদ্ধ হাসপাতাল, সেখানে কোনো সমস্যা নাই।’

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর কারাগারে যাওয়া খালেদা জিয়া আগে থেকেই নানা রোগে ভুগছিলেন। আর গত ২৮ মার্চ তার অসুস্থতার খবর জানা যায়।

    মার্চের শেষ দিকে বিএনপি তাদের নেত্রীকে বিদেশে পাঠানোর দাবি জানায়। সে সময় আওয়ামী লীগ নেতারা এতে সম্মতি দেন। তখন সরকারের সঙ্গে বিএনপির সমঝোতার গুঞ্জন ছড়ায়। তবে এরপর বিএনপি সিদ্ধান্ত পাল্টে বেসরকারি হাসপাতাল ইউনাইটেডে নেয়ার প্রস্তাব করে।

    কিন্তু এপ্রিলের শুরুতে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলেই রোগ পরীক্ষা হয় খালেদা জিয়ার। আর এই পরীক্ষায় গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানান চিকিৎসকরা।

    এর মধ্যে ৯ জুন কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন তার চার ব্যক্তিগত চিকিৎসক। তারা এসে দাবি করেন, গত ৫ জুন খালেদা জিয়া পড়ে গিয়েছিলেন এবং সে সময়ের কথা তিনি স্মরণ করতে পারছেন না। আর এতে তারা ধারণা করেন, খালেদা জিয়ার মাইল্ড স্ট্রোক করেছে।

    তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের দাবি মিথ্যা। খালেদা জিয়ার ব্লাড সুগার কমে গিয়েছিল আর পরে চকলেট খাওয়ানোর পর তিনি ঠিক হয়ে গেছেন।

    গত রবিবারই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে পরীক্ষা নিরীক্ষার কথা বলেন। কিন্তু তিনি আসতে রাজি না হওয়ায় তিন দিনেও আনা যায়নি।

    এর অবস্থায় খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করেন যেখানে তিনি তার বোনকে ইউনাইটেডে নেয়ার অনুরোধ করেন।

    খালেদা জিয়াকে সিএমইইচে নিলে আপত্তি আছে কি না, জানতে চাইলে শামীম ইস্কান্দার বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারবেন না, বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তার বোন।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ইউনাইটেড একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল। বেগম খালেদা জিয়া সেখানে যেতে চাইছেন। এখানে ভর্তি করতে সরকারের আপত্তি কেন। সরকারকে এই চিকিৎসার টাকা দিতে হবে না।

  • বিকালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা

    বিকালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে আজ শনিবার কারাগারে যাবেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। বিকাল ৩টার দিকে চিকিৎসকরা নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে যাবেন।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, মেডিসিনের এফএম সিদ্দীকী, নিউরো সার্জন ওয়াহিদুর রহমান,চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. আবদুল কুদ্দুস,ডা.মামুন রহমান খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। তাদের দেখা করার অনুমতিও রয়েছে।

    এর আগে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘খালেদা জিয়া গত ৫ জুন (মঙ্গলবার) কারাগারে মাথা ঘুরে পড়ে যান। সম্প্রতি কারাগারে তার নিকটাত্মীয়রা দেখা করতে যান। এসময় তিনি একথা জানান। সরকারের জিঘাংসার কষাঘাতের তীব্রতা যে কত ভয়াবহ, সেটি বোঝা যাবে শুধু খালেদা জিয়ার প্রতি অমানবিক আচরণের মাত্রা দেখলেই।’

    তিনি জানান, খালেদা জিয়া গত তিন সপ্তাহ ধরে ভীষণ জ্বরে ভুগছেন। যা কোনোক্রমেই ঠিক হচ্ছে না। চিকিৎসা বিদ্যায় যেটিকে বলা হয় টিআইএ (ট্রানজিয়েন্ট স্কিমিক অ্যাটাক)। দেশনেত্রীর দুটো পা এখনও ফুলে আছে এবং তিনি তার শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারছেন না।’

  • ‘ভারতকে কী কী দিয়েছেন, এর জবাব আপনাকে দিতেই হবে’

    ‘ভারতকে কী কী দিয়েছেন, এর জবাব আপনাকে দিতেই হবে’

    অনলাইন রিপোর্ট

    বিকল্পধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, ভারতকে এমন কী কী দিয়েছেন যে তারা জীবনেও ভুলবে না। এর জবাব দিতেই হবে।মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘সোনার বাংলা পার্টি’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বদরুদ্দোজা চৌধুরী এ কথা বলেন।‘ভারতকে যা দিয়েছি, তা সারা জীবন মনে রাখবে’—প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এ বক্তব্যের সমালোচনা করে বি. চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ ইজ নট এ সোল প্রোপার্টি অব অ্যানি বডি, নট ইভেন দ্য প্রাইম মিনিস্টার (বাংলাদেশ কারও একার সম্পত্তি নয়। এমনকি দেশের প্রধানমন্ত্রীরও নয়)। অনেক রক্তের অক্ষরে লেখা এই দেশ, জনগণের বাংলাদেশ। আপনি কী কী দিয়েছেন যে তারা জীবনেও ভুলবে না। এর জবাব আপনাকে দিতেই হবে। যতক্ষণ না আপনি জবাব দেবেন, বারবার জিজ্ঞেস করতেই থাকব।’

    নতুন রাজনৈতিক জোট যুক্তফ্রন্টের আহ্বায়ক বি. চৌধুরী বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি নিরপেক্ষ সরকার দিতেই হবে। সংবিধানে নেই—এটা ক্ষমতাসীনদের ভুলে যেতে হবে। তিনি বলেন, এবার যদি আবারও ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন হয়, সরকার যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না দিতে পারে, তাহলে এই দেশে গণতন্ত্রের সমাধি হবে।অনুষ্ঠানে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশে গণতন্ত্র নাকি শক্ত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত। খুলনায় এজেন্ট বের করে দিয়ে, পুলিশ পাহারায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ট্রেনিং দিয়েছেন। বিনা ভোটে যদি গণতন্ত্র শক্ত ভিত্তি পায়, তা হলে নির্বাচনের দরকার কী?গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী সরকারের উদ্দেশে বলেন, যদি সুষ্ঠু ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন চান, তাহলে ঈদের আগেই খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। তিনি মাদকবিরোধী অভিযানে মানুষ খুনের সমালোচনা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে মনস্থির করতে হবে তিনি মাদক বন্ধ করতে চান কি না। চাইলে মাদক উৎপাদন ও প্রবেশের জায়গাগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এটা খালেদা জিয়া নিয়ন্ত্রণ করেন না। পুলিশ, বর্ডার গার্ড চাইলে একটি ইয়াবাও ঢুকবে না।

    নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, এটি বাংলাদেশে মানবতার চরম নিষ্ঠুরতার প্রমাণ। এর বিরুদ্ধে জীবনবাজি রেখে লড়াই করতে হবে। সবাইকে এক হতে হবে, কার সঙ্গে কে মতপার্থক্য, এখন সে সময় নেই।

    তিনি বিএনপির উদ্দেশে বলেন, একসঙ্গে লড়াই করতে রাজি আছি। তবে একটি কথা অঙ্গীকার করতে হবে, জেতার পর দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

    বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, খুলনায় রিহার্সাল হয়েছে। গাজীপুরেও এর পুনরাবৃত্তি হবে। এটা সফল হলে জাতীয় নির্বাচনও তারা এভাবে পার করবে। তিনি বলেন, রাজপথে দাঁড়িয়ে দিশা দেওয়া ছাড়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রক্ষা করা যাবে না।

    সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি আবদুন নূরের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক প্রমুখ।

  • সমাবেশ থেকে ইমরান এইচ সরকার আটক

    সমাবেশ থেকে ইমরান এইচ সরকার আটক

    গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে আটক করেছেন র‍্যাব সদস্যরা।

    বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর শাহবাগে মাদকবিরোধী অভিযানে ‘বিনা বিচারে হত্যা’র প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত সমাবেশ থেকে তাকে আটক করা হয়।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত গণজাগরণ মঞ্চের সদস্যরা জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে ইমরান এইচ সরকার বিকাল ৪টার সময় আসেন শাহবাগে। কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে একটি মাইক্রোবাসে সাদা পোশাকে ৭-৮ র‌্যাব সদস্য ‘একটু যেতে হবে’ বলে এইচ সরকারকে তুলে নিয়ে যায়।এ সময় র‌্যাবের চারটি গাড়িও সেখানে উপস্থিত হয়। গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা বাধা দিতে গেলে র‌্যাব সদস্যরা লাঠিপেটা করলে কয়েকজন আহত হন। তাদের মধ্যে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।ইমরান এইচ সরকারকে তুলে নিয়ে যাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে সাংস্কৃতিক কর্মী সঙ্গীতা ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এখানে কথা বলতে এসেছিলাম। কিন্তু ইমরান এইচ সরকারকে এভাবে তুলে নিয়ে যাবে এটা ঠিক নয়।র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান ইমরানকে তুলে নেয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, ‘র‌্যাব-৩ তাকে অ্যারেস্ট করেছে। কোন মামলায় তাকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে তা আধাঘণ্টা পর জানানো সম্ভব হবে।’র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. এমরানুল হাসান বলেন, ‘অবৈধভাবে জনসমাবেশ করায় ইমরানকে আটক করা হয়েছে। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানানো হবে।’প্রসঙ্গত, ফেসবুকে একটি ইভেন্ট ক্রিয়েট করে বুধবার বিকালে মাদকবিরোধী অভিযানে ‘বিনা বিচারে হত্যা’র প্রতিবাদে শাহবাগে সমাবেশে করতে জড়ো হয় গণজাগরণ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এই সমাবেশ থেকে সরকারকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড থেকে সরে আসার আহ্বান জানানো হয়।

  • ‘বিএনপি না এলেও দলছুট নেতারা ভোটে আসবেন’

    ‘বিএনপি না এলেও দলছুট নেতারা ভোটে আসবেন’

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী। তিনি বলেছেন, ‘এবার একটা পরিবর্তন হওয়ার সম্ভবনা আছে। আওয়ামী লীগ একা নির্বাচনে যাবে না।’

    মঙ্গলবার রাতে বেসরকারি চ্যানেল আই টেলিভিশনের টক শো ‘তৃতীয় মাত্রায়’ তিনি এসব কথা বলেন।

    উপস্থাপক জিল্লুর রহমান প্রশ্ন রাখেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কী সব দলের অংশগ্রহণেই হবে’- জবাবে নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনা যেভাবে আশু গ্রহণ করছেন, তিনি নির্বাচন একা হলেও করবেন।’

    তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে আসুক আর না আসুক, খালেদা জিয়ার কারামুক্তি হোক আর না হোক, কিংবা তিনি নির্বাচনে অযোগ্য প্রমাণিত হলেও আওয়ামী লীগ নির্বাচন করবে।’

    ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কি না সে নিয়ে খোদ দলটির মধ্যেই দোটানা রয়েছে। দলের কারান্তরীণ চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুক্তি না পেলে দলটি নির্বাচনে যাবে কি না তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যেও সংশয় রয়েছে।

    এমন প্রশ্নে নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘তারা (আওয়ামী লীগ) কিছু-কিছু দলছুট নেতাকে নির্বাচনে নামাবেন। যাদের মাটির সঙ্গে জনতার সঙ্গে সম্পর্ক নেই। নির্বাচনে তাদের কিছু আসনও ছেড়ে দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত এমন পাঁয়তারাই করছেন তারা।’

    সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত বিষয় মাদকবিরোধী অভিযান ও শতাধিক নিহতের ঘটনায় তিনি বলেন, ‘ইয়াবা উদ্ধারের নামে যে ক্রসফায়ার শুরু হয়েছে এটার ব্যাপারে সরকার প্রধানকে অনুরোধ করব তিনি যেন এ ব্যাপারে সতর্ক থাকেন।’

    ‘মাদক বা ইয়াবা দমনের নামে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা যে চলছে না সেটা কিন্তু বলা যাবে না। এই প্রতিহিংসা শুধু যে আওয়ামী লীগ বা বিরোধী দল বিএনপির মধ্যে চলছে তা নয়। এটা স্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে যারা উদীয়মান, যারা সম্ভাব্য নেতৃত্বে আসতে চান তাদের মধ্যেও হচ্ছে।’

    মাদক ব্যবসায় জড়িত কোনও গডফাদারকে এখনও শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে না অবিযোগ করে করে নূরে আলম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে গডফাদার একজনও শাস্তির আওতায় আসেনি বলে আমি মনে করি।’

    আগামীকাল ঘোষণা করতে যাওয়া বাজেটে মানুষের ভাগ্য বিবর্তনে কোনও কাজে আসবে না উল্লেখ করে নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘যে দেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও কাউকে জবাবদিহি করে চলতে হয়, অন্যদের মন রক্ষা করে চলতে হয় সেই দেশ কত অসহায়! সেই দেশে বড় বাজেটে কী পরিবর্তন আসবে?’

    জাতীয় পার্টির নির্বাচনে যাওয়া প্রসঙ্গে সঞ্চালকের এক প্রশ্নে স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘গৃহপালিত বিরোধী দল এরশাদের কথার তো বিশ্বাস নেই। তিনি দিনে এক কথা রাতে আরেক কথা বলেন। তবে তিনি এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ থেকে ৭০টি আসন দাবি করছেন। তার মানে তিনি নির্বাচনে যেতে দরকষাকষি করছেন।’