Category: রাজনীতি

  • পাকিস্তানের মতো বিএনপির বুক কেন কাঁপে: হাছান

    পাকিস্তানের মতো বিএনপির বুক কেন কাঁপে: হাছান

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন হলে পাকিস্তানের  মতো বিএনপির বুক কেন কাঁপে সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগ নেতা হাছান মাহমুদ।

    ক্ষমতাসীন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলে, ‘ভারতের সঙ্গে এখন বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের সর্ম্পক এখন মধুর ও গভীর। বিএনপি নেতাদের চেচামেচি দেখে মনে হয়, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সর্ম্পক গভীর হলেই তাদের বুক কাঁপে।’

    সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের এক আলোচনায় বক্তব্য রাখছিলেন হাছান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের কবি নজরুল ইসলাম বিশ^বিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানাতেই এই আলোচনার আয়োজন করা হয়।

    গত ২৫ ও ২৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর পশ্চিমবঙ্গ সফর নিয়ে বিএনপি নেতাদের নানা বক্তব্যের বিষয়ে হাছান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলবে কেন? আমার জিজ্ঞাসা আপনাদের বুকটা কাঁপে কেন? আপনাদের বুক কাঁপে কারণ এখনো পাকিস্তানি ভাবধারা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি।’

    বর্তমান সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ভারতের সঙ্গে সমুদ্র সীমার মীমাংসা যেমন হয়েছে, তেমনি স্থলসীমান্ত চুক্তি কার্যকর হয়েছে। ছিটমহল বিনিময়ে বাংলাদেশ ১০ হাজার একর জমি বেশি পেয়েছে।

    এর আগেও ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সই হয়েছে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি।

    গত এক বছরের বেশি সময় ধরে তুমুল আলোচিত সীমান্ত হত্যার বিষয়টি নিয়েও উচ্চকিত বাংলাদেশ। এরই মধ্যে এই হত্যা বহুলাংশে কমে এসেছে। বিজিবির তথ্যমতে চলতি বছর সীমান্তে কোনো বাংলাদেশি হত্যা হয়নি।

    তবে এখনও ভারত-বাংলাদশের সম্পর্কে প্রশ্ন হয়ে রয়েছে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি। ২০১১ সালে সই হতে যাওয়ার আগে আগে পশ্চিমবঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আপত্তিতে স্থগিত হয়ে যাওয়া চুক্তি সইয়ে এখনও সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।

    তবে ২০১৭ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় সে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের চলতি মেয়াদেই এই চুক্তি করার অঙ্গীকার করেছেন। কিন্তু মমতা তার আগের অবস্থান থেকে এতটুকু সরেছেন, তার প্রমাণ মিলছে না।

    তবে হাছান বলছেন, আওয়ামী লীগ ভারতের কাছ থেকে নানা সময় বহু কিছু আদায় করেছে। কিন্তু বিএনপি কিছুই করতে পারে না। তারা প্রকাশ্যে ভারতবিরোধিতা করলেও গোপনে ভারত তোষণ করে।

    বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে আলোচনা করতে ভুলে যাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করেই আওয়ামী লীগ দেশের স্বার্থ অক্ষুণœ রাখে জানিয়ে হাছান বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সর্ম্পক ভালো হলে পাকিস্তানের যেমন বুক কাপে, তেমনি বিএনপিরও বুক কাঁপে।’

    প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় টিকে থাকতে ভারত গেছেন, বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর এমন সমালোচনার জবাব দেন হাছান। বলেন, ‘ভারত এসে আমাদের ভোট দেয় না। আমাদের ভোট জনগণ দেয়। আমরা দেশের জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’

    ‘আমাদের ক্ষমতার উৎস দেশের জনগণ। বরং বিএনপিই জনগণের কাছে যায় না, তারা অস্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে।’

    ‘বিএনপি নেতাদের কাজ সকাল-বিকাল মিথ্যাচার করা। একজন নেতা সকাল ও বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যাচার করে। আর কিছু নেতারা বিভিন্ন কূটনৈতিকদের কাছে গিয়ে নালিশ করে।’

    ‘দুষ্টু লোকে বিএনপিকে-বাংলাদেশ নালিশ পার্টি বলে। আমি আপনাদের বলবো, কূটনৈতিকদের কাছে নালিশ না করে জনগণের কাছে যান। অতীত কর্মকা-ের কারণে ক্ষমা চান। জনগণ চাইলে আপনাদের ক্ষমা করে দিতে পারে।’

    আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন হাছান। বলেন, ‘বিএনপি ভোট থেকে পালানোর জন্যই এখন নানা রকম কথাবার্তা বলছে, পালিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজছে।’

    ‘দয়া করে ভোট থেকে পালাবেন না, এবার সংসদ নির্বাচন থেকে পালিয়ে গেলে আগামীতে দেশ থেকেও পালিয়ে যেতে হবে।’

    আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, আবদুল মতিন ভুইয়া, মোবারক সিকদার, চিত্র নায়িকা অরুনা বিশ্বাস, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রনি প্রমুখ।

  • নয়াপল্টনে খালেদার উপদেষ্টা ওয়াহিদুলের জানাজা

    নয়াপল্টনে খালেদার উপদেষ্টা ওয়াহিদুলের জানাজা

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তাকে দলের নেতাকর্মীরা শেষ বিদায় জানান।

    রবিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন বিএনপির এই নেতা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

    দলীয় কার্যালয়ের সামনে জানাজা অংশ নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধূরী, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবদীন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মশিউর রহমান, মামুন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, কেন্দ্রীয় নেতা সেরাজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম সেলিম, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, এবিএম মোশাররফ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মীর নেওয়াজ আলী, মাহবুবুল হক নান্নু, আমিরুজ্জামান শিমুল, হারুনুর রশীদ, আবুল হোসেন, ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ আবদুল মালেকসহ নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। জানাজায় ইমামতি করেন ওলামা দলের সেক্রেটারি শাহ নেছারুল হক।

    জানাজাপূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা এমন একজন নেতাকে হারালাম যা পূরণীয় নয়। তিনি দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ একজন নেতা ছিলেন।

    জানাজার নামাজ শেষে দলীয় পতাকা মোড়ানো কফিনে দলের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্বা জানান বিএনপি মহাসচিব।

    বেলা ১১টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক হুইপ ওয়াহিদুল আলমের জানাজা হয়।

    পরিবারের সদস্যরা জানান, দুপুরে বেসরকারি হেলিকপ্টারে করে মরহুমের কফিন নিয়ে যাওয়া হবে চট্টগ্রামে। বাদ আসর চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের নামাজে জানাজা হবে।

    মঙ্গলবার বেলা ১১টায় হাটহাজারী কলেজ মাঠে এবং বাদ জোহর লালিয়ার হাট মাদ্রাসা মাঠে জানাজা শেষে ওয়াহিদুল আলমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    তার দুই মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা ও ব্যারিস্টার আকলিমা ফারজানা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।

    সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর তিনি এই দলে যোগ দেন। তিনি হাটহাজারী উপজেলার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

    ১৯৯১ সাল থেকে তিনি তিন দফা জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালে ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ।

    ২০০৮-০৯ মেয়াদে চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করা ওয়াহিদুল আলম দলের গত কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকও ছিলেন।

  • খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ওয়াহিদুল আলম আর নেই

    খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ওয়াহিদুল আলম আর নেই

    হাটহাজারীর সাবেক সংসদ সদস্য ও হুইপ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম আর নেই (ইন্না লিল্লাহ… রাজেউন)।

    রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে ঢাকা ন্যাশনাল হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

    সোমবার বেলা এগারোটায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এবং ১২টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

  • ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ চলছে’

    ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ চলছে’

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কবি নজরুলের স্বপ্নাকাঙ্ক্ষিত বিদ্রোহী বীর ও সাম্যবাদী সত্য-সাধক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেছেন, সর্বকালের সর্বশেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কবি নজরুলের স্বপ্নাকাঙ্ক্ষিত আত্মশক্তিতে ভরপুর, বিদ্রোহী বীর, সাম্যবাদী সত্য-সাধক। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণ চলছে। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার সংগ্রামে অর্জিত হিমাদ্রি-শিখর সফলতার কাব্যমালঞ্চে অভিষিক্ত আজ নজরুলের স্বপ্ন-সাধ।

    রবিবার দলটির দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপের স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    গণতন্ত্র, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন থেকে জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলের ‘কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়’থেকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লিটারেচার (ডি-লিট)’ ডিগ্রী লাভ করায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বাঙালির স্বপ্নজয়ের কান্ডারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান।

    বিবৃতিতে কাদের বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মজয়ন্তীতে তারই নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি লাভ বাংলাদেশের জন্য গৌরব ও মর্যাদার অনন্য মাইলফলক।

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, নবজাগরণের অগ্নি-গিরি-গর্ভের মতো শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে এদেশের মানুষের প্রাণ-প্রদীপ মুক্তির অগ্নিস্পর্শে প্রজ্জ্বলিত হওয়ায় স্বৈরশাসনের অবসান ঘটেছে। তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অর্জিত হয়েছে অভাবনীয় সাফল্য।

    এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিদ্যুৎ, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, শিল্প-বাণিজ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়নসহ সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের অর্জন আজ বিশ্বসভায় রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণকর নেতৃত্বে উন্নয়ন সমৃদ্ধি ও শান্তির স্নিগ্ধ-কলরবে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

    বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, উপাচার্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

  • প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ক্ষমতায় টিকে থাকতে: রিজভী

    প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ক্ষমতায় টিকে থাকতে: রিজভী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পশ্চিমবঙ্গ সফরকে ‘ক্ষমতা হারানোর ভয়ে বিদেশিদের কাছে দৌড়ঝাঁপ’ হিসেবে দেখছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী।

    প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের সফর শেষ করে শনিবার দেশে ফেরার পরদিন রবিবার দলীয় কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।

    বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন এবং কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি লিট ডিগ্রি নিতে শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ যান প্রধানমন্ত্রী। শনিবার রাতে দেশে ফেরেন তিনি।

    দ্বিপাক্ষিক সমস্যার বা বাণিজ্যিক বিষয় এই সফরের ‍উদ্দেশ্য নয় সেটা আগেই জানিয়েছিল সরকার। তারপরও শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এক ঘণ্টা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে শনিবার আধা ঘণ্টা একান্তে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এই বৈঠকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বাংলাদেশ বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

    মমতা তার বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মিনিট চারেক কথা বললেও আলোচিত তিস্তা চুক্তি নিয়ে একটি কথাও বলেননি।

    রিজভী বলেন, ‘সরকার এখন নিজ দেশের জনগণকে বাদ দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এখন মুরুব্বিদের কাছে দেনদরবার শুরু করেছে। কারণ সরকার বুঝতে পেরেছে তাদের দুঃশাসনের জবাব দিতে মানুষ প্রস্তুত হয়ে আছে।’

    সরকারি অর্থ ব্যয় করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে আকুতি জানাতে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করেছেন বলেও মন্তব্য করেন রিজভী। বলেন, ‘দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যে সরকার দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করে ট্রানজিটসহ ভারতকে সব কিছু উজাড় করে দিয়েছেন। কিন্তু বিনিময়ে কিছুই পায়নি বাংলাদেশ।’

    ‘তবে প্রতিদান হিসেবে ক্ষমতা ধরে রাখতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন বলে খবর দিয়েছে ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।’

    ‘গণমাধ্যমের খবরে এটা পরিষ্কার প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বার্থে ভারত যাননি, তিস্তার পানির জন্য যাননি, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে যাননি, তিনি গেলেন ক্ষমতায় টিকে থাকার দেনদরবারে।’

    সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনেরও তীব্র নিন্দা করেন রিজভী। বলেন, ‘ইসির কার্যকলাপে জনগণ মনে করে বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দিয়ে বাংলাদেশে কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। কারণ সিইসি এখন পর্যন্ত তাঁর কার্যকলাপে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেননি। জাতীয় নির্বাচন যতোই ঘনিয়ে আসছে সিইসির অনুগত ভূমিকা ততোই স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।’

  • লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতাকে গণধোলাই

    লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতাকে গণধোলাই

    লক্ষ্মীপুরে রাকিব হোসেন বিপ্লব নামের এক ছাত্র্রলীগ নেতাকে আপত্তিকর অবস্থায় পেয়ে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। রাকিব কমলনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে। শনিবার রাতে সদর উপজেলার চরউভূতির চকবাজার এলাকার আবদুল জাহেরের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

    স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে চরউভূতির চকবাজার এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল জাহেরের স্ত্রীর সঙ্গে রাকিব হোসেন বিপ্লবের অবৈধ সর্ম্পক চলছিল। বিষয়টি জেনেও স্থানীয়রা ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। শনিবার রাতে বিষয়টি টের পেয়ে মুসল্লিরা নামাজ শেষে ওই ব্যবসায়ীর  বাড়ি ঘেরাও করেন। এ সময় রাকিব ও নারীকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে গণধোলাই দিয়ে তারা পুলিশে সোর্পদ করেন।

    সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ‘রাকিব হোসেন বিপ্লব ও ওই নারীকে উদ্ধার করে শনিবার রাতেই থানায় নিয়ে আসা হয়। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’