Category: রাজনীতি

  • মাদকে সম্পৃক্ত কউে রহোই পাবনোঃ সাভারে ওবায়দুল কাদরে

    মাদকে সম্পৃক্ত কউে রহোই পাবনোঃ সাভারে ওবায়দুল কাদরে

     

    আলমাস হোসনেঃ আওয়ামীলীগরে সংসদ সদস্য (উখয়িা-টকেনাফ) আবদুর রহমান বদরি বরিুদ্ধে যদি অপরাধ বা অভযিোগ প্রমাণতি হয় তাহলে তার বয়োই আকতার কামাল যমেন ছাড় পায়ন,ি তমেনি বদি একা নয়, মাদক ব্যবসায় জড়তি আওয়ামীলীগ, বএিনপি বা অন্য যে কোন দলরে যইে হোক, কউে রহোই পাবে না। আসন্ন ঈদকে সামনে রখেে শনবিার (২৬ ম)ে দুপুরে সাভাররে আশুলয়িায় সড়করে উন্নয়ন কাজরে পরর্দিশনে গয়িে সাংবাদকিদরে প্রশ্নরে জবাবে এ কথা বলনে আওয়ামী লীগরে সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরবিহন ও সতেুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদরে।

    মন্ত্রী এ সময় আরও বলনে, সারাদশেে সরকার মাদকরে বরিুদ্ধে জরিো টলারন্সে ঘোষণা করছেে তাই মাদকরে বরিুদ্ধে র্সবাত্মক অভযিান শুরু করছেে র‌্যাব এবং পুলশি। এই অভযিানে রাজনতৈকি মতলবে একটি মহল খুশি না হতওে পারে কন্তিু দশেরে মানুষ অনকে খুশ।ি কারণ এ দশেরে তরুণ সমাজ মাদকরে কারনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছ।ে আজকে ময়িানমার থকেে আসা রোহঙ্গিা শ্রুতরে মতো মাদকরে স্রোত বাংলাদশেরে গ্রাম,ে শহরে , পাড়া মহল্লায় ঢুকে পড়ছে।ে এই মাদক আগামী প্রজন্মকে ধ্বংস করছ।ে

    এই অবস্থায় জনগণ এ রকম একটি অভযিান চয়েছে।ে মাদক ব্যবসায়ীদরে তালকিা করা হচ্ছ।ে তদন্ত করে র‌্যাব এবং পুলশি তাদরে বরিুদ্ধে ব্যবস্থা নচ্ছি।ে

    বন্দুকযুদ্ধ সর্ম্পকে মন্ত্রী এ সময় আরও বলনে, মাদক ব্যবসায়ীদরে সাথে অস্ত্র থাকে তাই পুলশি ও র‌্যাব যখন তাদরেকে নয়িে মাদক উদ্ধারে যায় তখন মাদক ব্যবসায়ীরা আইন শৃঙ্খলা বাহনিীকে উদ্দশ্যে করে গুলি করে তখন আইন শৃঙ্খলা বাহনিী আত্মরর্ক্ষাথে গুলি চালায় এটাই বন্দুকযুদ্ধ। মাদক ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করে তাই তাদরে কাছে অস্ত্র থাক।ে

    পৃথবিীর বভিন্নি দশেে মাদক ব্যবসায়ীদরে বরিুদ্ধে এমন অভযিানরে উদাহরণ টনেে কাদরে বলনে, মাদক ব্যবসায়ীরা শক্তশিালী। অভযিান চলাকালে মাদক ব্যবসায়ীরা আইন শৃঙ্খলা-বাহনিীর সদস্যদরে গুলি করব,ে আর তারা কি তখন জুঁই ফুলরে গান গাইবনে?

    ভারতে গয়িে তস্তিার পানি বণ্টনসহ দুই দশেরে অমীমাংসতি বষিয়গুলোর অগ্রগততিে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা কী করছেনে? বএিনপরি মহাসচবি মর্জিা ফখরুল ইসলাম আলমগীররে এমন প্রশ্নরে জবাবে মন্ত্রী বলনে, প্রধানমন্ত্রী তো আর দল্লিি যানন।ি আওয়ামী লীগরে প্রতনিধিি হসিবেে আমরা সম্প্রতি ভারতে গয়িওে এ ব্যাপারে কথা বলছে।ি আর প্রধানমন্ত্রী পশ্চমিবঙ্গে শান্তনিকিতেনে গয়িছেনে ভন্নি র্কমসূচতি।ে সখোনে এ বষিয়ে আলোচ্যসূচি না থাকলওে তস্তিার পানবিণ্টন নয়িে পশ্চমিবঙ্গরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যার্নাজরি সঙ্গে আলোচনা করছেনে। ভারতরে প্রধানমন্ত্রী নরন্দ্রে মোদীর সঙ্গওে আলােচনা হয়ছে।ে

    বএিনপি ভারতে গয়িে লাল র্কাপটে রসিপিশন নয়ে, আর বাংলাদশেে ফরিে এসে বমিানবন্দরে সাংবাদকিদরে বলে গঙ্গার পানি চুক্তি নয়িে কথা বলতে তো ভুলইে গয়িছেলিো। কন্তিু আমরা ভুলে যাইন।ি তবে আমার বশ্বিাস চুক্তি যকেোন সময় হতে পারে বলে জানান মন্ত্রী।

    এদকিে আগামী অক্টোবর মাসে আব্দুল্লাহপুর থকেে আশুলয়িার ডইিপজিডে র্পযন্ত সাড়ে আটশ কোটি টাকা ব্যায়ে এলভিটেডে এক্সপ্রসেওয়রে কাজ শুরু হব।ে এছাড়া বাইপাইল আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কে অবধৈ ভাবে মাহন্দ্রি চলাচলে কউে যদি চাঁদা তোলে তাহলে তার বরিুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নওেয়া হব।ে ঈদকে সামনে রখেে ঢাকা আরচিা মহাসড়ক সহ বভিন্নি সড়কে কঠোর নরিাপত্তা ব্যবস্থা থাকব।ে এদকিে মন্ত্রীর সামনে মহাসড়কে একটি ফটিনসে বহিীন গাড়ি পড়লে গাড়টিি ড্যাম্পয়িে পাটয়িে দনে।
    সতেুমন্ত্রীর সাথে এসময় আরও উপস্থতি ছলিনে, সাভার উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা (ইউএনও) শখে রাসলে হাসানসহ সড়ক ও জনপদ বভিাগরে র্উধ্বতন র্কমর্কতারা।

  • শেরপুর-১: আ.লীগে অস্থিরতা বিএনপিতে বিশৃঙ্খলা

    শেরপুর-১: আ.লীগে অস্থিরতা বিএনপিতে বিশৃঙ্খলা

    আগামী নির্বাচন ও দলে প্রভাব বিস্তার নিয়ে শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগে বিরাজ করছে অস্থিরতা। ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে দলের ভেতর নেতাদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা চলছে। ফলে বহু ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে দলটি। এখন কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নেতারা ভাগ হয়ে একই নামে দুটি অফিস খুলে সভা-সমাবেশ করে একে অন্যের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছেন।

    অন্যদিকে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে আছে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে ব্যর্থতার কারণে। সাংগঠনিক কার্যক্রমও চলছে ঢিমেতালে। এ কারণে দলটিতে দেখা দিয়েছে বিশৃঙ্খলা।

    আর মহাজোটের রাজনীতির হিসাব-নিকাশ মাথায় রেখে নির্বাচনী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতারা এক ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। বামপন্থী ও ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সাংগঠনিক অবস্থা ও কর্মকা- সাধারণ মানুষের মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হচ্ছে না।

    আগামী নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা নানাভাবে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। তাদের এ ধরনের তৎপরতায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের কদর বেড়ে গেছে। শেরপুরের তিনটি সংসদীয় আসনের সবই এখন আওয়ামী লীগের দখলে। আওয়ামী লীগ যেমন আসন ধরে রাখার চেষ্টা করবে, তেমনি বিএনপি চাইবে জয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসন করতে পারলে শেরপুরের তিনটি আসন আওয়ামী লীগের দখলেই থেকে যাবে।

    বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় পুরনো দ্বন্দ্ব কাটিয়ে শেরপুর আওয়ামী লীগে সুবাতাস বইতে শুরু করে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলে কমিটি গঠন, স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নসহ বিভিন্ন কারণে দলে বিরোধ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। এর এক পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, শেরপুর সদর আসনের এমপি হুইপ আতিউর রহমান আতিক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল। অন্য পক্ষে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান এবং সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানু।

    জেলা আওয়ামী লীগের এ দ্বন্দ্বের প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতেও। এখন কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নেতারা ভাগ হয়ে এলাকাভিত্তিক সভা-সমাবেশ করে পরস্পরের বিরুদ্ধে কুৎসা রটান। শহরের চকবাজারে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলেছেন হুইপ আতিক। একই নামে ছানু-রুমানের নেতৃত্বে খরমপুর মোড়ে খোলা হয় আরেকটি নতুন কার্যালয়।

    এখন নিজেদের ক্ষমতা জাহির করতে দুই পক্ষের শহরময় মিছিল আর স্লোগানে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনৈতিক পরিবেশ। দেওয়া হয় হরতালের মত কর্মসূচি। অনেক সময় দুই পক্ষকে সামাল দিতে গিয়ে শহরের মাঝখানে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ব্যারিকেড বসিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টাও করছে। দুই পক্ষের  রেষারেষিতে ঘটছে সহিংসতার ঘটনা।

    দুই পক্ষের প্রভাব বিস্তারের রেষারেষিতে পক্ষ ছাড়ার ঘটনাও ঘটছে। হুইপ আতিকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তার পক্ষ ছেড়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার। তিনি গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে এলাকার দুই শতাধিক নেতা-কর্মীকে নিয়ে যোগ দেন রুমান-ছানু বলয়ে।

    হুইপ আতিকের বলয় ছাড়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে অ্যাডভোকেট রফিকুল স্লোগান তোলেন- ‘আতিক ছাড়া নৌকা চাই, ছানু-রুমান ছাড়া উপায় নাই’। সেই সঙ্গে তিনি ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতাদের স্থান নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে  জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠানের দাবি জানান।

    রুমান-ছানুর অনুসারীদের নানা অভিযোগ হুইপ আতিকের বিরুদ্ধে। সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ছানোয়ার হোসেন ছানু বলেন, ‘আতিক সাহেব পেছন থেকে কলকাঠি নাড়েন, এলাকাভিত্তিক বিরোধ বাধানোর চেষ্টা করেন।’
    জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রৌহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মিজুর অভিযোগ, আতিক হুইপ হওয়ার পর তার ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে জামাত-বিএনপির লোকদের বিভিন্ন কমিটিতে স্থান দিয়েছেন।

    অন্যদিকে ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ সুজন ও একই বছরের ২৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগ কর্মী ও জেলা পরিষদ সদস্য জাকারিয়া বিষু হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিপক্ষের হাত দেখছেন হুইপ আতিক। ছানোয়ার হোসেন ছানু ও রুমানকে শেরপুরে স্থান দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন হুইপ আতিক। তিনি আগামী দিনে শেরপুরের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তার হাত শক্তিশালী করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

    দুই পক্ষের জেদাজেদির এখনই লাগাম না টানলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক হানাহানি বাড়ার পাশাপাশি সংসদ নির্বাচনেও এর প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষক অ্যাডভোকেট আখতারুজ্জামান বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন না করার ফলেই দলটি এখন দুই মেরুতে অবস্থান নিয়েছে।’

    দলের ভেতরে কোন্দল থাকলেও ভোটের রাজনীতিতে এখনো হুইপ আতিকই এগিয়ে ব্েযল মনে করেন অনেক সাধারণ মানুষ। শহরের নবীনগর এলাকার সমাজকর্মী সানজিদা আক্তার বলেন, ‘এমপি আতিক বেশির ভাগ সময় এলাকায় অবস্থান করেন। উন্নয়ন কর্মকা-েও তার সুনাম রয়েছে। তবে দলে তার সমালোচনাও আছে। এরপরও সদর আসনে ভোটের রাজনীতিতে তিনি এখনো হিরো।’
    তবে এবার এ আসনে মাঠে নেমেছেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানু।

    বিএনপি

    এদিকে রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি সাংগঠনিক দিক থেকে এক বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।  প্রায় দেড় বছর হলো ইউনিয়নগুলোর আহ্বায়ক কমিটি হয়েছে। কোথাও ৭-৮ সদস্যের কমিটি, আবার  কোথাও আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক দিয়ে দল চলছে। শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা ও পৌরসভা বাদে একই অবস্থা অন্য তিন উপজেলা কমিটির ক্ষেত্রে।

    প্রায় আট বছর পর ২০১৪ সালের মে মাসে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর পার হয়ে যায় তিন বছর। দলীয় কোন্দলের কারণে তখনও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা যায়নি। গত বছরের জানুয়ারি মাসে জেলা বিএনপির সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। কিন্তু এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা যায়নি।

    দলের এ অবস্থার প্রতিফলন রয়েছে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে। জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটি ৯ বছর ধরে রয়েছে। জেলা যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল এসব অঙ্গসংগঠনেরও আংশিক বা আহ্বায়ক কমিটি হয়ে আছে প্রায় পাঁচ-ছয় বছর ধরে। কোনোটারই পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি; অথচ সবই এখন মেয়াদোত্তীর্ণ। উপজেলাগুলোতেও চলছে একই অবস্থা।

    জেলা বিএনপির সম্মেলনে সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল সভাপতি ও ব্যবসায়ী হযরত আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। অনেক নেতাই বলেছেন, দলে নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না। ফলে একধরনের সাংগঠনিক স্থবিরতা চলছে দলে। তাছাড়া মামলা-মোকদ্দমায় আদালতে হাজিরা দেওয়া, কর্মসূচি পালনে সরকারি বাধা এসব কারণেও কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পালন করা সম্ভব হয়ে উঠছে না দলটির জন্য।

    কিছুদিন আগেও জেলা বিএনপিতে দুটি পক্ষ সক্রিয় ছিল। এক পক্ষে ছিলেন বর্তমান সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী। অন্য পক্ষে জেলা বাস-কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপন ও প্রয়াত সভাপতি সাইফুল ইসলাম কালামের ছেলে মামুনুর রশিদ পলাশ। কিন্তু এই বিভেদ এখন অনেকটাই প্রশমিত হয়ে এসেছে। তবে দলের একটি অংশের বিরুদ্ধে বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কিছু নেতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে ফায়দা হাসিলের অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ।

    স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাই বলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেও ব্যবসায়ী হযরত আলী দলের সব ধরনের নেতাকর্মীকে এখনো আস্থায় আনতে পারেননি। তৃণমূল পর্যায়ে তার যোগাযোগ কম। তিনি টাকা দিয়ে সবকিছু বিবেচনা করেন। ভোট পেতে হলে হযরত আলীকে জনসাধারণের কাতারে আসার আহ্বান জানান তিনি।

    বিএনপিতে এখন উদ্যোক্তা ও মেধার অভাব বলে মন্তব্য করেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ পলাশ। ৪৪ বছর ধরে শেরপুর-১ আসনে ধানের শীষের কোনো প্রার্থী নেই। জোটের রাজনীতির কারণে এটি জামায়াতের কাছে ছাড় দিতে হয়েছে।

    আরেক সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন, দলে নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ায় একধরনের সাংগঠনিক স্থবিরতা বিরাজ করছে। ড্রয়িংরুমে বসে দল চালানোর চেষ্টা চলছে এমন মন্তব্য করে স্বপন বলেন, দলে এখন পদ-পদবি বিক্রি হচ্ছে।

    এ সম্পর্কে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীতে আমাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি রয়েছে।’ বিএনপিতে পদ-পদবি বেচাকেনার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচিত হতে পারেনি, তারা মনের ক্ষোভে এসব কথা বলতে পারে।’

    এ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে দলটির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী এগিয়ে আছেন। দলের অনেক নেতাই বলেছেন, হযরত আলী নেতাকর্মীদের নানাভাবে উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের বিপদে-আপদে পাশে থেকে কাজ করছেন।

    হযরত আলী বলেন, ‘দলের নেতৃবৃন্দ যদি আমাকে চান, তবে আমি নির্বাচনের মাঠে আছি, থাকব।’

    এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন তৌহিদুর রহমান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। তবে জোটগত নির্বাচনের কারণে বারবার জামায়াতকে ছেড়ে দেওয়া হতো আসনটি। শোনা যাচ্ছে, জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি হওয়ায় তার ছেলে ইকবাল হাসান জামানকে এ আসনটি ছেড়ে দিতে পারে বিএনপি।

    মামলা-মোকদ্দমা আর পুলিশের ধরপাকড়ে জেলায় জামায়াতের কার্যক্রম নেই বললেই চলে। তারা সঙ্গোপনে তালিমের নামে হঠাৎ হঠাৎ কিছু করতে চেষ্টা করে। কখনো বা জামায়াতের কিছু আদর্শের অনুসারী সংগঠনের ব্যানারে তারা একত্র হওয়ার চেষ্টা করে।

  • খুলনার ‘ভুল’ গাজীপুরে করবে না বিএনপি

    খুলনার ‘ভুল’ গাজীপুরে করবে না বিএনপি

    খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মতো ভোটের দিন গাজীপুরে কর্মীশূন্য থাকতে চায় না বিএনপি। সেই সঙ্গে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট উপস্থিতিও নিশ্চিত করতেও উদ্যোগী হয়েছে তারা।

    দলটির মতে, খুলনায় যেসব কেন্দ্র সরকারি দল ‘কারচুপি’ করতে পেরেছে, তার কারণ ছিল তাদের কর্মী স্বল্পতা আর এজেন্ট না থাকা।

    এই দুটি বিষয়য়ে খুলনা সিটি নির্বাচনে ‘ভুল’ হিসেবে দেখছেন বিএনপির নেতারা। আর গাজীপুরে এই ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন কোনোভাবেই না হয়, সে জন্য আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

    দলের প্রার্থী হাসানউদ্দিন সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতারা গত সোমবার বসে এই কৌশল নির্ধারণ করেছেন।

    গত ১৫ মে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ৬৮ হাজার ভোটে হেরেছেন। তবে বিএনপির অভিযোগ তাদেরকে হারানো হয়েছে ‘ভোট ডাকাতি’ করে। ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৫টিকে কারচুপির বা জালভোটের অভিযোগ এনেছেন মঞ্জু।

    খুলনায় ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩০টিতে বিএনপির পোলিং এজেন্ট ছিলো না বলে জানিয়েছেন দলের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তার দাবি, সরকারি দলের প্রার্থীর লোকজন তাদের বের করে দিয়েছে।

    খুলনায় যেদিন ভোট হওয়ার কথা ছিল, সেদিন ভোট হওয়ার কথা ছিল গাজীপুরেও। কিন্তু ৬ মে হাইকোর্টে সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ বি এম আজহারুল ইসলাম সুরুজের এক আবেদনের কারণে নির্বাচন ঝুলে যায়।

    ১০ মে আপিল বিভাগ স্থগিতাদেশ তুলে দিলেও রোজায় ভোট নিতে চায়নি নির্বাচন কমিশন। ভোটের নতুন তারিখ ঠিক হয়েছে ২৬ জুন। আর ১৮ জুন থেকে শুরু করা যাবে স্থগিত হওয়া প্রচার।

    বিএনপি নেতারা বলছেন, ভোটের প্রচার শুরু হওয়ার আগেই গাজীপুরে ওয়ার্ডভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে হবে বিশেষ দল। এর বাইরে শীর্ষ নেতাদের নিয়ে হবে আলাদা দল।

    গাজীপুরে ভোটের আগের রাতে কেন্দ্র পাহারা, ভোটের দিনে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি রাখা, ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ডা নিশ্চিত করা হবে।

    খালোদা জিয়াকে ছাড়াই গুলশানের কার্যালয়ে বৈঠক করছেন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা

    খালোদা জিয়াকে ছাড়াই গুলশানের কার্যালয়ে বৈঠক করছেন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা

    মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার এবং গাজীপুরের নেতারা কেন্দ্রীয় নেতাদের আশ্বস্ত করেছেন তারা ভোটের দিন ময়দান ছেড়ে যাবেন না।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে চার ঘণ্টার ওই বৈঠকে  ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, গাজীপুর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডের নেতারা।

    বৈঠকে অংশ নেয়া একজন কেন্দ্রীয় নেতা ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘খুলনায় ভোটের দিনে দলের নেতাকর্মীরা নিজেদের মত করে ভোট দিলেও মাঠে তেমন সেইভাবে উপস্থিত ছিলেন না। যে কারণে সরকার দলীয় প্রার্থীর লোকজন কারচুপি করার সুযোগ পেয়েছে।’

    ‘গাজীপুরে আমরা সেই সুযোগ দিতে রাজি না। সেইভাবে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’

    ১৫ এপ্রিল খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট শেষে আওয়ামী লীগের বিজয়ী প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকও বিএনপি কর্মীদের ‘অনুপস্থিতি’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, ‘সারাদিন তো তাদেরকে দেখলামই না।’

    গাজীপুর নির্বাচন নিয়ে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে বিএনপির ওই নেতা আরও বলেন, ‘হাসান উদ্দিন সরকার শীর্ষ নেতাদের আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, তিনি বেঁচে থাকতে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ভোট কারচুপি হতে দেবেন না। কারচুপি মোকাবেলার দায়িত্ব তার।’

    বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ১৮ জুন প্রচার শুরুর দিন থেকেই থেকে ওয়ার্ডভিত্তিক বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি কাজ শুরু করবে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রয়োজনে বিশেষ দল কাজ করবে।

    ভোটে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যম চাওয়া হবে। আগের রাত থেকেই কেন্দ্র পাহারা দেওয়া হবে।

    প্রতিটি বুথেই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এজেন্ট উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। একইসঙ্গে মামলা নেই এমন নেতাকর্মীদের পোলিং এজেন্ড নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    জানতে চাইলে গাজীপুর নির্বাচনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির প্রধান খন্দকার মোশাররফ হোসেন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘মিডিয়ার কল্যাণে সবার কাছে পরিষ্কার হয়েছে কীভাবে সরকার খুলনায় নির্বাচন করে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করেছে। বাইরের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রেখে ভেতরে ভেতরে কারচুপি করেছে। এটা নতুন কৌশল। আমরা রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে কাজ করব।’

    খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন নারী ভোটাররা

    খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন নারী ভোটাররা

    গাজীপুর বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন বলেন ‘খুলনা নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা গাজীপুরের ব্যাপারে করণীয় চিন্তা করছি। নেতাকর্মীরা ভোটের দিন শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবে।’

    পোলিং এজেন্ট নিয়োগের ব্যাপারে মিলন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা নেই তাদেরই পোলিং এজেন্ট করা হবে। যাতে তারা সাহসের সঙ্গে ভোটের দিন শেষ পর্যন্ত থাকে সেজন্যও কাজ চলছে।’

    তবে জানতে চাইলে মেয়র হাসান উদ্দিন সরকার শুরুতে তাদের ‘কৌশলের’ বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, ‘আমরা গাজীপুরে জয়ী হওয়ার নিশ্চয় কৌশল নির্ধারণ করব। কিন্তু আপনারা জেনে গেলে সেটা কি আমাদের জন্য ভালো হবে?’

    পরে অবশ্য হাসান বলেন, ‘খুলনায় আমাদের যে ভুল হয়েছে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব সেটা গাজীপুরে না হোক।’

    ‘খুলনা আর গাজীপুরের পরিবেশ কিন্তু এক না। এটা মাথায় রাখতে হবে। এটা অনেক বড় সিটি করপোরেশন। এক প্রান্তে কিছু ঘটলে খবর পেলে যে কোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটে যেতে পারে।’

    খুলনায় কোন ভুলের কথা বলছিলেন জানতে চাইলে বিএনপির মেয়র প্রার্থী বলেন, ‘যেমন সময়মত আমাদের এজেন্টরা কেন্দ্রে যেতে পারেনি। এখানে আমরা সেটা পুরোপুরি নিশ্চিত করব। আবার খুলনায় অনেক কেন্দ্র থেকে আমাদের এজেন্ট বের করে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এখানে আমরা শেষ পর্যন্ত বাধা বিপত্তি আসলেও কেন্দ্রে থাকব। কারণ না থাকলেই অনেক ঘটনা ঘটে যাবে।’

    গাজীপুরে সাত জন মেয়র প্রার্থী রয়েছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ধানের শীষের হাসানের সঙ্গে আছেন নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম।

    আয়তনে দেশের সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশনটিতে ওয়ার্ড সংখ্যা মোট ৫৭টি। আর এবার ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬জন।

    ২০১৩ সালের মেয়র নির্বাচনে গাজীপুরে থেকে জিতেছিলেন বিএনপি নেতা এম এ মান্নান। তবে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে হতে যাওয়া নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

  • দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা উদ্ধার

    দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা উদ্ধার

    গত মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা ফয়সাল আহমেদ সজলের সন্ধান পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর রামপুরা ব্রিজের কাছ থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঢাকাটাইমসকে জানান, শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম কিরণ তাকে জানিয়েছেন ফয়সাল আহমেদ সজলকে রামপুরা ব্রিজের কাছ থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

    রিজভী বলেন, ‘কিরণই আমাকে ফয়সালের নিখোঁজ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।’

    রামপুরা থেকে সজলকে চোখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধারের কথা ঢাকাটাইমসকে জানান বিএনপির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।

    এদিকে ফয়সাল আহমদ সজলের উদ্ধারের কথা ঢাকাটাইমসকে নিশ্চিত করেন ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারি । তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সজলকে একটা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি।’

    ফয়সাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি।

  • শাহ মজিান শাফউির ঢাকা রঞ্জেরে শ্রষ্ঠে পুলশি সুপার নর্বিাচতি

    শাহ মজিান শাফউির ঢাকা রঞ্জেরে শ্রষ্ঠে পুলশি সুপার নর্বিাচতি

    বৃহস্পতবিার (২৪শে ম)ে সকালে ঢাকা রঞ্জেরে সম্মলেন কক্ষে মাসকি অপরাধ সভায় এই পুরস্কার তুলে দনে ঢাকা রঞ্জেরে ডআিইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন পপিএিম মহোদয়। এসময় উপস্থতি ছলিনে অতরিক্তি ডআিইজি আনোয়ার হোসনে সহ পুলশিরে র্ঊধ্বতন র্কমর্কতাগণ।

    পুরস্কার পয়েে ঢাকা জলোর পুলশি সুপার শাহ মজিান শাফউির রহমান বলনে, বশে কছিু চাঞ্চল্যকর সন্সেশেনাল ও ক্লু-লসে মামলার রহস্য উন্মোচনরে জন্য আমাকে ঢাকা রঞ্জেরে শ্রষ্ঠে পুলশি সুপার নর্বিাচতি করা হয়ছে।ে পুরস্কার দয়িে আমাকে উৎসাহীত করায় বাংলাদশে পুলশিরে আইজ,ি ঢাকা রঞ্জেরে ডআিইজি ও অতরিক্তি ডআিইজি স্যার সহ আমার সহর্কমীদরে প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছ।ি এই পুরস্কার দশে ও মানুষরে সবোয় আমাকে অনুপ্ররেণা যোগাবে বলে জানান পুলশিরে এই সফল র্কমর্কতা।

    উল্লখ্যে, বৃহস্পতবিাররে এ মাসকি সভায় শ্রষ্ঠে পুলশি সুপার থকেে কনস্টবল র্পযন্ত অফসিার এবং রঞ্জে এর শ্রষ্ঠে তনিজন চৌকদিাররে মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া সফল তদন্তকারী অফসিার হসিাবে ৯ জন র্কমর্কতাকে পুরুস্কার প্রদান করা হয়।

  • সুস্থধারার রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ সুবিধা হাতিয়া উপজেলায় পৌঁছে দেয়ার জন্য দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ: মাহমুদ আলী রাতুল

    সুস্থধারার রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ সুবিধা হাতিয়া উপজেলায় পৌঁছে দেয়ার জন্য দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ: মাহমুদ আলী রাতুল

     

    সাইফুল ইসলাম: হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদ আলী রাতুল যিনি হাতিয়াকে নিয়ে স্বপ্নকে স্বপ্নের জায়গায় না রেখে স্বপ্ন গুলোকে বাস্তব রুপ দেয়ার জন্য দৃঢ়ভাবে অঙ্গিকার বদ্ধ। দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকাকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ সব কথা ব্যক্ত করেন।
    হাতিয়ার যাবতীয় বিষয় নিয়ে জাতীয় দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার চট্টগ্রাম এর প্রতিনিধি সাংবাদিক মুহাম্মদ জাকের হোসেন ও জনাব মাহমুদ আলী রাতুলের প্রশ্নোত্তর পর্বঃ- প্রশ্ন ১। আপনার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পন ও অনুপ্রেরণা মুল উৎস কি ছিল?
    উত্তরঃ আমার বড় ভাই শহীদ মোস্তাফা আলী দুলাল বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়া অঞ্চলের সংগঠক মোস্তফা আলী দুলাল দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন। বৃহত্তর হাতিয়ার মাটি ও হাতিয়ার মানুষের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালবাসা ও মানুষদের ঘিরে তিনি যে স্বপ্ন দেখতেন সেই স্বপ্ন গুলো তিনি আমার সাথে আলোচনা করতেন। তিনি শহীদ হওয়ার পর আমাদের পরিবারের আকাঙ্খা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে নিয়ে ও আমার শহীদ মুক্তি যোদ্ধাভাইয়ের স্বপ্নের হাতিয়া হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করবো।
    প্রশ্ন ২। হাতিয়ার বর্তমান রাজনৈতিক অংগনে সহিংসতা ও আওয়ামীলীগের মুলধারার সুস্থ রাজনীতি চর্চার ও প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাধা সমূহ কিকি বলে আপনি মনে করছেন?
    উত্তরঃ আমি সব সময়ই সুস্থ ধারার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। হাতিয়ায় ব্যক্তি কেন্দ্রীক রাজনীতির কারনে দলীয় রাজনৈতিক আদর্শ গুলো ধীরে ধীরে সুস্থ ধারা হতে পথভ্রষ্ট হয়ে মূল ধারার চর্চাগুলো থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে। সুস্থধারার রাজনৈতিক চর্চা না থাকার কারণে সন্ত্রাস চাঁদবাজ, ভূমি দস্যু, জল দুস্যু ইত্যাদি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়। আমি বৃহত্তর হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে হাতিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের আওয়ামী লীগের মুল ধারার রাজনৈতিক আদর্শ ও চর্চার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। যার ফলশ্রæতিতে আজ হাতিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ ঐক্যবদ্ধ। কিন্তু বিগত চার বছর আপনারা দেখেছেন হাতিয়ায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শচ্যুত ব্যক্তির নেতৃত্বের জন্য আজ হাতিয়ার ৭ লক্ষ্য মানুষ প্রতিনিয়ত যাবতীয় হত্যা, খুন, গুম, জলদস্যু, ভুমি-দস্যু চাঁদাবাজ ও যাবতীয় সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অতিষ্ঠ। এই সব সমস্যা থেকে উত্তোরণের জন্য বৃহত্তর হাতিয়ার মানুষ এখন যোগ্য নেতৃত্ব চায়।
    প্রশ্নঃ ৩। বর্তমানে বৃহত্তর হাতিয়ার জনগণের প্রধান সমস্যাগুলোর ব্যাপারে আপনার অভিমত কি?
    উত্তর ঃ হাতিয়া একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ, যেখানে ৭ লক্ষ মানুষের বসবাস। এই মানুষগুলো রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নাগরিক সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত। আপনি জানেন হাতিয়ার প্রধান সমস্যা গুলো হলো নদী-ভাঙ্গন, বিদ্যুত হীনতা, উন্নত চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার অভাব, নিরাপদ ও উন্নত যাতায়াত ব্যাবস্থা, জল দস্যু ও ভূমি দস্যুর আধিপত্য বিস্তার ও অত্যাচার।
    প্রশ্ন ৪। পূর্বের চেয়ে অনেক বেশী দরে হাতিয়ার ঘাট গুলো নিলাম দেয়ার কারণে নদীপথে জনগণের যাতায়াতের উপরে কোন ধরনের প্রভাব পড়বে কিনা ?
    উত্তরঃ আপনারা অবগত আছেন হাতিয়ার একমাত্র যাতায়াত ব্যাবস্থা হলো নদী পথ। নলচিরা ঘাটে পল্টুন না থাকা সত্বেও যাত্রীদের কাছ থেকে পল্টুনের নামে ইজারা প্রাপ্তরা টাকা আদায় করে থাকেন। বাংলাদেশের অন্যান্য সকল নৌরুটের চেয়েও হাতিয়ার জনগণকে অধিক ভাড়া গুনতে হয়। আপনারা জানেন হাতিয়ার সরকারী সী-ট্রাক দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ রয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইজারাদার ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের বল প্রয়োগপূর্বক ট্রলার ও স্পীডে বোট এ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুই থেকে তিন গুন বেশী ভাড়ায় নদী পারাপার হতে হয়।
    প্রশ্ন ৫। বর্তমান সরকারের আমলে রেকর্ড সংখ্যক বিদ্যুতের উৎপাদনের বিপ্লব ঘটলেও হাতিয়ার জনগন এই সেবা কতটুকু পাচ্ছেন বলে আপনি মনে করেন ?
    উত্তরঃ বর্তমানে হাতিয়া উপজেলা পরিষদের আশে-পাশে সরকারী ভাবে জেনারেটর পদ্ধতিতে বিদ্যুতের কিছু ব্যবস্তা করলেও তা জনগণের প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। এখনো সব জায়গাতে বিদ্যুতের সুবিধা পাচ্ছেন না। হাতিয়ার ৯০% মানুষই এই বিদ্যুত সুবিধা হতে এখনো বঞ্চিত।
    প্রশ্নঃ ৬। সাম্প্রতিক সময়ে হাতিয়ায় ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক সহিংসতায় নির্মম হত্যাকন্ড গুলো নিয়ে আপনার মতামত ও অভিব্যক্তি কি?
    উত্তরঃ বিগত চার বছরে হাতিয়ায় যে সকল রাজনৈতিক সহিংসতা ও পরিস্থিতি উত্তপ্ত করণের পিছনে কারা জড়িত এবং এর দায়ভার কাদের উপর, তা সরকারের উপর মহল প্রশাসন ও সাংবাদিক সহ সকলেই অবগত আছেন। এই সকল মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে দ্বিবালোকে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ও নিত্যনতুন অপকর্ম করে যাচ্ছেন। যার বড় উদাহরণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া রিয়াজ, নুরু, আশরাফ, মুরাদ ও ছোট্ট শিশু নীরব সহ এই হত্যাকান্ড গুলো।
    প্রশ্ন ৭। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে দলের মনোনয়নের ব্যাপারে আপনি কত টুকু আশাবাদী ?
    উত্তর ঃ প্রতীক বরাদ্ধ এবং প্রার্থীর চুড়ান্ত পর্যায়ে দলীয় ভাবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার বিষয়টি সম্পূর্ণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জন নেত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর দলীয় সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। আজ হাতিয়া বাসী যেকোন ধরনের অপশক্তি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। বিগত দিনে যারা শান্ত হাতিয়াকে অশান্তির দিকে ঠেলে দিয়েছেন এবং জনগনের জানমালের নিরাপত্তার জন্য নতুন নতুন হুমকির সৃষ্টি করেছেন সেই সকল অপশক্তি নির্মুলের ব্যাপারে জনগন ঐক্যবদ্ধ হয়ে আছে। হাতিয়া বাসীর দাবী জননেত্রী তাদের পছন্দের প্রার্থকেই মনোনয়ন দিবেন।
    প্রশ্ন ৮। বৃহত্তর হাতিয়ার মাটি ও মানুষের জন্য আপনার পরিকল্পনা গুলো কিকি?
    উত্তর ঃ বৃহত্তর হাতিয়ার মানুষের জন্য আমি যে সব পরিকল্পনা মনে রেখেছি তা হলো নদী-ভাঙ্গন রোধ, বিদ্যুতের স্থায়ী সমাধান, উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করণ ও সরকারীভাবে এয়ার এম্বুলেন্স এর ব্যাবস্থা করা, সড়ক পথ ও যাতায়াত ব্যাবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নদীপথে নিরাপদ যাতায়াত এর ব্যাবস্থা, পর্যটন শিল্পের উন্নতি সাধন, এতিম শিশু সদন, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও নিশ্চিত করণ, সন্ত্রাস দমন ও জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণ, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে উৎসাহিত করা, মাদকের সম্পূর্ণ ভাবে নির্মূল করা, ডিজিটাল আইল্যান্ড রূপান্তর, সবুজ বনায়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, কোল্ড ষ্টোরেজ সাধারণ গুদাম ও মৃৎশিল্পের পুনরুত্থান, গণ কবর ও ঈগগাহ নির্মান, মসজিদ মাদরাসা নির্মাণ ইত্যাদি জনকল্যাণ মুলক অতিগুরুত্ব পূর্ণ কাজ গুলো পরিপূর্ণভাবে নিশ্চিত করা।
    পরিশেষে দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার আজকের এই সাক্ষাৎকারের ব্যাপারে আপনার অভিমত কি?
    দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক সহ সকল সাংবাদিকদের আমার তরফ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।