Category: লাইফস্টাইল

  • যেভাবে গ্রিন-টি পান করলে উপকারের বদলে হয় ক্ষতি!

    যেভাবে গ্রিন-টি পান করলে উপকারের বদলে হয় ক্ষতি!

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ গরম চা কি আপনার নিত্যদিনের অভ্যাস? যদি হয়, তবে সাধারণ চায়ের বদলে এক কাপ গ্রিন টি-র স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা ভেবে দেখেছেন কি? এই সবুজ পানীয়টি কেবল সতেজতাই দেয় না, বরং এর প্রতিটি চুমুকে লুকিয়ে আছে শরীরের জন্য এক দারুণ উপহার। গ্রিন টি-র জাদুকরী উপকারিতা একে শুধু একটি পানীয় নয়, বরং একটি সুস্থ জীবনযাত্রার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    গ্রিন টি-তে যেসব গুণাগুণ পাওয়া যায় তা শরীরের জন্য উপকার। তবে ভুলভাবে তৈরি গ্রিন টি পান করা হলে, এটি উপকারের বদলে ক্ষতিই করে বেশি।

    যেভাবে গ্রিন টি খেলে ক্ষতি হয়, চলুন জেনে নেওয়া যাক—

    খালি পেটে গ্রিন টি
    খালি পেটে গ্রিন টি খাওয়া ক্ষতিকারক হতে পারে। এই উপস্থিত ট্যানিন পেটে জ্বালাপোড়া এবং বদহজমের কারণ হয়ে উঠতে পারে। যার ফলে হতে পারে পেট গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং হজমের সমস্যা। তাই, খালি পেটে গ্রিন টি খাবেন না। খাবার খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরে এটি পান করা ভালো।

    অতিরিক্ত গ্রিন টি খাওয়া
    অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রিন টি খেলে সমস্যা হতে পারে। গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাফেইনের অতিরিক্ত মাত্রা শরীরে অস্থিরতা, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি এবং অনিদ্রার মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। যদি ওজন কমানোর জন্য গ্রিন টি পান করেন, তাহলেও এটি অল্প পরিমাণে পান করা উচিত।

    রাতে গ্রিন টি
    রাতে গ্রিন টি পান করলে ঘুম কম হতে পারে। এতে উপস্থিত ক্যাফেইন মানসিক চাপ বাড়াতে এবং ঘুমকে ব্যাহত করতে পারে। অর্থাৎ রাতে গ্রিন টি খেলে বারেবারে ঘুম ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই রাতে গ্রিন টি খাওয়া এড়িয়েই চলুন।

    রাতের খাবারের পর গ্রিন টি
    গ্রিন টি-তে থাকা ট্যানিন খাবারে পাওয়া পুষ্টি উপাদান হজম করতে সহায়ক নয়। কারণ ট্যানিন খাওয়ার পর শরীরে উপস্থিত জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, আয়রনের মতো পুষ্টি উপাদানগুলো ঠিকমতো শোষিত হয় না। এর ফলে রক্তাল্পতা এবং পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে।

  • ব্ল্যাক কফি বনাম ব্ল্যাক টি, কোনটি ভালো?

    ব্ল্যাক কফি বনাম ব্ল্যাক টি, কোনটি ভালো?

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রতিদিনের আড্ডায় ব্ল্যাক কফি ও ব্ল্যাক টি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হতেই পারে। কেউ বলেন, ব্ল্যাক কফি মানেই তৎক্ষণাৎ এনার্জি; আবার কেউ বলবেন, ব্ল্যাক টি-ই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। আসলে দুটিই জনপ্রিয় পানীয়, তবে শরীরের ওপর এদের প্রভাব ভিন্ন। কোনটা বেছে নেবেন, তা নির্ভর করবে আপনার শরীরের প্রয়োজন ও অভ্যাসের ওপর।

    ব্ল্যাক কফির শক্তি

    কফি বিন ভাজা ও গুঁড়া করার পর গরম পানিতে মিশিয়ে তৈরি হয় ব্ল্যাক কফি। এতে থাকে উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন, যা মুহূর্তে শরীর চাঙ্গা করে দেয়। অফিসে ঘুমের ঘোর কাটাতে বা দীর্ঘ পড়াশোনার সময় মনোযোগ বাড়াতে অনেকেই ব্ল্যাক কফির ওপর ভরসা রাখেন। গবেষণা বলছে, সীমিত পরিমাণে ব্ল্যাক কফি পান করলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে, বিপাকক্রিয়া দ্রুত হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমে। আবার ফ্যাটি লিভারের জন্যেও এটি উপকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে এর একটি নেতিবাচক দিকও আছে। অতিরিক্ত ব্ল্যাক কফি ঘুম নষ্ট করতে পারে, হৃদস্পন্দন বাড়াতে পারে এবং অনেকের ক্ষেত্রে পেটের অস্বস্তি তৈরি করে। তাই দিনে দুই থেকে তিন কাপের বেশি না খাওয়াই ভালো।

    ব্ল্যাক টির গুণ

    চায়ের পাতাকে সরাসরি ফুটিয়ে তৈরি হয় ব্ল্যাক টি। গ্রিন টির মতোই এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্ল্যাক টি পান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং হজমশক্তি বাড়ায়। ব্ল্যাক টিতে ক্যাফেইন আছে ঠিকই, তবে কফির তুলনায় কম। ফলে যাদের ক্যাফেইন সেনসিটিভিটি আছে, তাদের জন্য কফির তুলনায় ব্ল্যাক টি বেশি নিরাপদ। এছাড়া বিকেলের ক্লান্তি কাটাতে কিংবা হালকা আড্ডায় ব্ল্যাক টি-ই যথেষ্ট।

    কোনটা বেছে নেবেন?

    >> আপনি যদি দ্রুত এনার্জি চান, সকাল শুরু করতে বা রাতের পড়াশোনায় জেগে থাকতে চান, তবে ব্ল্যাক কফি উপযোগী।

    >> আবার আপনি যদি প্রতিদিন নিয়ম করে স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে কিছু খুঁজছেন, যেটি দীর্ঘমেয়াদে শরীর ভালো রাখবে, তবে ব্ল্যাক টি হতে পারে সেরা বিকল্প।

    >> মূল কথা হলো, পরিমাণের ওপর গুরুত্ব দিন। অল্প ব্ল্যাক কফি কিংবা নিয়মিত পরিমিত ব্ল্যাক টি-দুটোই আপনার শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।

    ব্ল্যাক কফি ও ব্ল্যাক টি-দুটিই শরীরের জন্য উপকারী, তবে ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে। যিনি তৎক্ষণাৎ এনার্জি চান, তার জন্য ব্ল্যাক কফি, আর যিনি দীর্ঘমেয়াদে সুস্থতা চান, তার জন্য ব্ল্যাক টি। তাই দুটোই পান করা যায়, শুধু খেয়াল রাখতে হবে যেন অতিরিক্ত না হয়।

  • কেন মুড়ি খাবেন? সহজলভ্য এই খাবারটিই আপনাকে সুস্থ রাখবে!

    কেন মুড়ি খাবেন? সহজলভ্য এই খাবারটিই আপনাকে সুস্থ রাখবে!

    লাইফস্টাইল ডেস্ক : সকাল বা বিকেলের নাশতায় মুড়ি সবারই পছন্দ। চা, চানাচুর, মাংসের ঝোল, যে কোনো কিছুর সঙ্গেই মুড়ি খাওয়া যায়। মুড়িতে রয়েছে ক্যালরি, কার্বোহাইড্রেটস, প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, পটাশিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, থিয়ামাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যা শরীরে বিভিন্ন উপকার করে। মুড়ি বাংলাদেশ বা ভারত নয়, আমেরিকা, ইতালি কিংবা ইংল্যান্ডের মতো দেশেও বেশ জনপ্রিয়। ইংরেজিতে মুড়িকে পাফড রাইস বলা হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক মুড়ি আমাদের স্বাস্থ্যের কী কী উপকার করে-

    ১. গ্যাসের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে

    বিভিন্ন খাবার খাওয়ার কারণে অনেক সময় বুক জ্বালাপোড়াসহ গ্যাসের সমস্যা হয়। মুড়ি এসব ক্ষেত্রে ভালো সমাধান হতে পারে। মুড়ি খেলে পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণে ভারসাম্য আসে। তাই অ্যাসিডিটির সমস্যা হলে মুড়ি পানিতে ভিজিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া ডায়রিয়া, পেপটিক আলসারের মতো বিভিন্ন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ব্যাধির ক্ষেত্রেও উপকারী।

    ২. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

    মুড়িতে প্রচুর ফাইবার আছে। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন, তাদের জন্য মুড়ি খুব উপকারী। এছাড়া মুড়িতে রয়েছে শর্করা, যা প্রতিদিনের কাজে শক্তি যোগান দিতে সাহায্য করে।

    ৩. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

    মুড়ি খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। এতে আছে ইনসলিউবল ফাইবার। যা ক্যানসারের কোষকে ধ্বংস করে। এই ফাইবার অন্ত্র দিয়ে মলের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। তখন শরীরের কিছু ক্ষতিকর কোষকে সঙ্গে নিয়ে বের হওয়ার ফলে কোলন ক্যানসারের সম্ভাবনা কয়েকগুণ কমে যায়।

    ৪. হাড় ও দাঁত ভালো রাখতে

    মুড়ি চিবিয়ে খেতে হয়। এর ফলে দাঁত ও মাড়ির একটা ব্যায়াম হয়। নিয়মিত মুড়ি খেলে দাঁত ও মাড়ি ভালো থাকে। মুড়িতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম, যা হাড়কে দৃঢ় ও মজবুত করে তোলে। তাই হাড়ের যত্নে মুড়ি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।

    ৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে

    মুড়িতে ভিটামিন বি ও প্রচুর পরিমাণে মিনারেল থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে দারুণ কাজ করে।

    ৬. বয়সের ছাপ কমাতে

    বয়সের ছাপ নিয়ে দুশ্চিন্তা কম বেশি সবারই থাকে। মুড়িতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পারে। যা বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে।

  • ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ রোধ করতে যা খেতে পারেন

    ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ রোধ করতে যা খেতে পারেন

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: আপনার যদি কোমল ও সতেজ ত্বক চান, তাহলে তা শুধু বাহ্যিক যত্ন নয়-প্রয়োজন সঠিক পুষ্টি ও খাদ্য। সঠিক খাবার খেলে ত্বকের আর্দ্রতা, দৃঢ়তা এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখা সম্ভব। আসুন জেনে নেই, কোন খাবারগুলো ত্বকে অতিরিক্ত বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয়না-

    ১. ক্যারোটিন সমৃদ্ধ ফল ও সবজি

    গাজর, টমেটো, পেঁপে, আম-এসব রঙিন ফল ও সবজিতে থাকে ক্যারোটিনয়েড, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যারোটিনয়েড ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করে এবং সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।

    ২. ওমেগা‑৩ ফ্যাটি অ্যাসিড

    স্যালমন, সেরডিন, হেরিং-এসব মাছ ওমেগা‑৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। ওমেগা‑৩ ত্বকের প্রদাহ কমায়, সূর্যের ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করে এবং ত্বকের ফ্লেক্সিবিলিটি উন্নত করে। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত ওমেগা‑৩ থাকলে, তা ত্বককে ভিতর থেকে সতেজ রাখে।

    ৩. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার

    লেবু, কমলা, আমলা প্রভৃতি ভিটামিন সি-এর উৎকৃষ্ট উৎস। ভিটামিন সি প্রাকৃতিক কোলাজেন উৎপাদনকে উৎসাহিত করে, যা ত্বকের টোন উন্নত করে এবং ত্বক টানটান রাখে।

    ৪. প্রোটিন ও ট্রেস মিনারেল

    প্রোটিন, কপার, আয়রন ও জিঙ্ক ত্বকের কোষ গঠন ও ক্ষত মেরামতের জন্য অপরিহার্য। প্রোটিন শরীরের কোষ পুনর্র্নিমাণে সাহায্য করে, আর ট্রেস মিনারেল ত্বককে সুস্থ রাখে।

    ৫. পানি ও হাইড্রেশন

    প্রচুর পানি পান করা, পাশাপাশি ফল, সবজি ও হালকা প্রোটিন গ্রহণ ত্বককে রাখে আর্দ্র ও স্বাস্থ্যকর। হাইড্রেটেড ত্বক স্বাভাবিক উজ্জ্বল এবং স্নিগ্ধ থাকে।

    পুষ্টিকর খাবার শুধু আপনার শরীরের অভ্যন্তরের জন্যই নয়, ত্বকের জন্যও অপরিহার্য। তাই সপ্তাহে কয়েকদিন সালাদ, সামুদ্রিক মাছ এবং রঙিন ফল ও সবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন, এটি ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

  • অনিদ্রা সমস্যা দূর করতে পান করুণ এই পানীয়

    অনিদ্রা সমস্যা দূর করতে পান করুণ এই পানীয়

    লাইফস্টাইল ডেস্ক : রাতে ঘুমের জন্য যাদের লড়াই করতে হয় না, তারা সৌভাগ্যবান। কিন্তু অনেকেরই সেই সৌভাগ্য হয় না। আলো কমিয়ে দেওয়া, ফোন দূরে রাখা, গরম কিছু পান করা- এরকম নানা অভ্যাসও সঠিক সময়ে ঘুম আনতে পারে না অনেক সময়। তবে কিছু উপকারী পানীয় আছে যা আপনাকে রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করতে পারে। সেরকম একটি হলো, জিরা দুধ। উষ্ণ দুধ দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সময় একটি প্রধান পানীয় হিসেবে পরিচিত, তবে এতে জিরা যোগ করলে উপকারিতা আরও বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে হজম, ঘুম এবং চাপ উপশমের জন্য।

    জিরা দুধ কী এবং কেন এটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে

    জিরা গুঁড়া মিশ্রিত এক গ্লাস গরম দুধ। ঐতিহ্যগতভাবে ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশে এটি খাওয়া হয়, এটি হজম, প্রশান্তি এবং ঘুম বর্ধক বৈশিষ্ট্যের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। আয়ুর্বেদ অনুসারে, জিরা (কিউমিনাম সাইমিনাম) জিরাক নামে পরিচিত, যার অর্থ ‘যা হজম করে’। এটি লঘু (হালকা), রুক্ষ (শুষ্ক) এবং উষ্ণা (গরম) হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ, যা কফ এবং বাত দোষের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এটিকে আদর্শ করে তোলে। দুধের সাথে মিলিত হলে এটি শীতল এবং পুষ্টিকর হয়ে ওঠে, এই মিশ্রণটি প্রায় সবার জন্য উপযুক্ত প্রতিকার হয়ে ওঠে।

    জিরা দুধ কি ঘুমের মান উন্নত করতে পারে?

    হ্যাঁ। জিরাতে মেলাটোনিন থাকে। এই হরমোন ঘুম-জাগরণ চক্র নিয়ন্ত্রণ করে। এতে থাইমোকুইনোনও রয়েছে, যা ক্লিনিকাল ট্রায়ালে ঘুমের মান উন্নত করে বলে প্রমাণিত হয়েছে। ফ্রন্টিয়ার্স ইন নিউট্রিশনে প্রকাশিত ২০২৪ সালের একটি ডাবল-ব্লাইন্ড গবেষণায় দেখা গেছে যে, জিরার নির্যাস (ইঈঙ-৫) ঘুমের দক্ষতা উন্নত করে, ঘুমের লেটেন্সি হ্রাস করে এবং অংশগ্রহণকারীদের মোট ঘুমের সময় বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে, দুধে ট্রিপটোফ্যান থাকে, যা সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিন তৈরিতে সাহায্য করে – ঘুম নিয়ন্ত্রণের জন্য উভয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্য স্লিপ ডক্টর নামে পরিচিত ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ডঃ মাইকেল ব্রুস নিশ্চিত করেছেন যে, উষ্ণ দুধে ট্রিপটোফ্যানের পরিমাণ থাকার কারণে এটি আরও ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। জিরা এবং দুধ একসাথে শান্ত, ঘুম-বান্ধব মিশ্রণ তৈরি করে যা স্নায়ুতন্ত্র এবং পাচনতন্ত্র উভয়ের ওপর কাজ করে, যা হতে পারে আপনার রাতের রুটিনে একটি স্মার্ট সংযোজন।

  • ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন লবণ

    ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন লবণ

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: বর্ষায় পরিবেশের আর্দ্রতা অনেক বেড়ে যায়। এই আর্দ্রতার ফলে ফ্রিজে রাখা শাকসবজি নষ্ট হয়ে ফ্রিজে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এছাড়া ফ্রিজে ভিন্ন ভিন্ন ধরণের খাবার বেশি সময় ধরে রাখা থাকলে সেগুলো থেকে গ্যাস নির্গত হয়। এই গ্যাস ফ্রিজের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েও দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে। এক বাটি লবণ হতে পারে এই সমস্যার সমাধান। লবণে থাকা উপাদান গন্ধ শোষণ করে দুর্গন্ধ দূর করে। আসুন জেনে নেওয়া যাক ফ্রিজে লবণ কীভাবে রেখে দুর্গন্ধ দূর করবেন-

    ফ্রিজে লবণ রাখবেন কীভাবে?
    ফ্রিজের ভেতর ব্যাকটেরিয়া মুক্ত রাখতে একটি বাটিতে ১০০ গ্রাম লবণ নিয়ে ফ্রিজের এক কোণে রেখে দিতে হবে। সপ্তাহে একবার পরিবর্তন করে দিলেই হবে। মোটা দানার লবণ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

    কীভাবে কাজ করবে
    বর্ষার বারবার রেফ্রিজারেটরের দরজা খোলা-বন্ধ করার কারণে ফ্রিজের ভেতরের আর্দ্রতার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। যার ফলে দ্রুত খাবার নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই আর্দ্রতা শুষে নিতে সাহায্য করবে এক বাটি লবণ । লবণ একটি হাইগ্রোস্কোপিক পদার্থ। এর মানে হলো লবণ বায়ু থেকে জলীয় বাষ্প শোষণ করে নিজের মধ্যে ধরে রাখতে পারে। তাই ফ্রিজের ভেতরে এক বাটি লবণ রেখে দিলে ফ্রিজের ভেতরের আর্দ্রতা শোষণ করে ফ্রিজটি শুষ্ক রাখবে।

    লবণ ফ্রিজে রাখার উপকারিতা
    >> বর্ষাকালে খুব সহজেই শাকসবজির গায়ে পানি জমে। তাই সবজি তাড়াতাড়ি পচে যায়। ফ্রিজে লবণ রাখলে সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা যাবে।

    >> ফ্রিজ বেশি আর্দ্র হয়ে গেলে কম্প্রেসারের উপর চাপ পড়ে। ফলে বিদ্যুতের খরচ বাড়ে। বিল বেশি আসে। এছাড়া কম্প্রেসার তাড়াতাড়ি খারাপ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। লবণ রাখলে এইসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

    কেউ যদি লবণ ব্যবহার করতে না চাইলে বেকিং সোডা ব্যবহার করা যেতে পারেন। কারণ এটি দুর্গন্ধ দূর করতে বেশ উপকারী।