Category: আন্তর্জাতিক

  • বিটকয়েনের বাজারে বড় ধস

    বিটকয়েনের বাজারে বড় ধস

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    বিশ্বের শীর্ষ ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েন (Bitcoin) বুধবার (৫ নভেম্বর) এক ধাক্কায় ৬ শতাংশের বেশি মূল্য হারিয়েছে। জুনের পর এই প্রথমবার ১ লাখ ডলারের নিচে নেমে গেছে এর দাম।বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে অস্থিরতা এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিমুক্ত সম্পদের দিকে ঝোঁক এই পতনের মূল কারণ।

    বিটকয়েনের দাম কোথায় দাঁড়িয়েছে

    গত কয়েক দিনে পতনের পর বিটকয়েনের দাম দাঁড়িয়েছিল ১ লক্ষ ১ হাজার ৮২২ ডলারে। বুধবার সেই পর্যায় থেকে ৩.৭ শতাংশ পতনের জেরে প্রতি বিটকয়নের দাম হয় ৯৯ হাজার ১০ ডলার। এই পতনের জেরে বাংলাদেশি মুদ্রায় বিটকয়েনের দাম হয়েছে প্রায় ১২১ লাখ টাকা।

    কীভাবে বাড়ল, আবার কমল বিটকয়েনের দাম

    এ বছরের শুরু থেকেই বিটকয়েনের দামে রেকর্ড অঙ্কের উত্থান হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর থেকেই বিটকয়েন-সহ একাধিক ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম লাফিয়ে বেড়েছে। এই বৃদ্ধির জেরে অক্টোবর মাসে বিটকয়েনের দাম পৌঁছেছিল ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৮৬ ডলারে। সেই পর্যায় থেকে প্রায় ২০ শতাংশ দাম কমেছে বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সির।

    বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ নির্বাহীরা সম্ভাব্য বাজার সংশোধনের (মার্কেট কারেকশন) ইঙ্গিত দেওয়ার পর থেকেই এই পতন। বিনিয়োগকারীরা ক্রিপ্টো ও প্রযুক্তি খাত থেকে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন। এতে বিটকয়েনের পাশাপাশি অন্যান্য ডিজিটাল সম্পদের দামও দ্রুত নিচে নামছে।

    বিটকয়েনের এই পতনে গত কয়েক মাসের অর্জিত বেশিরভাগ লাভ প্রায় শেষের পথে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি-সম্পর্কিত বিনিয়োগের উত্সাহে সাম্প্রতিক সময়ে যে উর্ধ্বগতি তৈরি হয়েছিল, তা এখন থেমে গেছে।

    বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মুদ্রাবাজারে প্রভাব

    নিরাপদ সম্পদের দিকে বৈশ্বিক ঝোঁকের কারণে মার্কিন ডলার ইউরোর বিপরীতে চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। অন্যদিকে ট্রেজারি বন্ডের আয় কমেছে। ১০ বছরের মার্কিন ট্রেজারি বন্ড ৪.০৮৭%-এ নেমে গেছে। ইউরো টানা পঞ্চম দিনে কমে ১.১৪৮ এ নেমে গেছে। যা আগস্ট ১ তারিখের পর সর্বনিম্ন। ব্রিটিশ পাউন্ডও ০.৭২% কমে ১.৩০ ডলারে নেমেছে।

    ক্রিপ্টোর পতনের প্রভাব তেলবাজারেও

    ক্রিপ্টোর পতনের ধাক্কা লেগেছে তেল বাজারেও। ডলার শক্তিশালী হওয়ায় পণ্যের দামেও প্রভাব পড়েছে। মার্কিন ক্রুড অয়েল প্রতি ব্যারেল ৪৯ সেন্ট কমে ৬০.৫৬ ডলারে নেমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৪৫ সেন্ট কমে ৬৪.৪৪ ডলারে নেমেছে।

  • উ.কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান মারা গেছেন

    উ.কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান মারা গেছেন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান কিম ইয়ং নাম মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিনি ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে না রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

    সিউল থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি জানায়, ১৯৯৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, কিম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলির প্রেসিডিয়ামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করায় তাকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রতীকী ভূমিকা প্রদানে নিযুক্ত করা হয়। তবে, আসল সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ছিল নেতা কিম জং ইল ও, তার ছেলে কিম জং উনের হাতে। কিম জং ইল ২০১১ সালে মারা যান।

    কেসিএনএ জানিয়েছে, কিম জং উন তার মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা জানাতে তার শবযাত্রায় যান। সরকারি কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, কিম ইয়ং নামের একাধিক অর্গান অকেজো হয়ে তিনি মারা যান।

    একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কিম জং উন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে, মৃত কিং ইযং ন্যামের কাচের কফিনে শায়িত অবস্থায় তার শবযাত্রার সামনে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। ২০১৮ সালে, কিম ইয়ং ন্যাম দক্ষিণ কোরিয়ার পিয়ংচ্যাংয়ে শীতকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উত্তর কোরিয়ার একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

    তিনি ওই সফরে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিলেও দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম ব্যা জানায়, কিম ইয়ং ন্যাম দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় কিম জং উনের বোন কিম ইয়ং জংকে সম্মানের আসন প্রদান করেছিলেন।

    এই পদক্ষেপের ফলে জল্পনা শুরু হয় যে, কিম ইয়ং নাম কয়েক দশক ধরে সর্বোচ্চ নেতাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে উত্তর কোরিয়ার নির্মূল-প্রবণ রাজনৈতিক দৃশ্যে অবস্থান ধরে রেখেছেন। সিউলের একত্রিকরণ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে কিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে। মন্ত্রণালয়টি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সিউলের সম্পর্ক পরিচালনা করে থাকে।

    মন্ত্রী চুং ডং-ইয়ং বলেন, ২০০৫ ও ২০১৮ সালে পিয়ংইয়ংয়ে কিমের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি কোরীয় উপদ্বীপে শান্তির বিষয়ে অর্থপূর্ণ আলোচনা করেছিলেন। চুং আরো বলেন, ২০১৮ সালে পিয়ংচ্যাং শীতকালীন অলিম্পিকের জন্য কিমের দক্ষিণে সফর ‘আন্তঃকোরীয় সংলাপের দরজা খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে’ অবদান রেখেছিল।

  • ট্রাম্পের চেয়ে বড় অপরাধী দেখিনি : হ্যারিসন ফোর্ড

    ট্রাম্পের চেয়ে বড় অপরাধী দেখিনি : হ্যারিসন ফোর্ড

    বিনোদন ডেস্ক: বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে অবহেলার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তিরস্কার করেছেন মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ড। বলেছেন, ‘আমি ইতিহাসে ট্রাম্পের চেয়ে বড় অপরাধী দেখিনি; তার আচরণ আমার হৃদয় ভেঙে দিয়েছে।’ শিকাগোর ফিল্ড মিউজিয়ামে পরিবেশ সুরক্ষা পুরস্কার গ্রহণের আগে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হ্যারিসন ফোর্ড বলেন, ট্রাম্প অজ্ঞতা ও নির্বুদ্ধিতার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতাকে উপেক্ষা করছেন এবং আগের সরকারের পরিবেশনীতি ধ্বংস করে দিয়েছেন।

    ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ খ্যাত বর্ষিয়ান এই মার্কিন অভিনেতা বলেন, ‘ট্রাম্পের কোনো নীতি নেই; তিনি নিজের খেয়ালখুশি মতো চলেন, আর সেটাই আমাকে ভয় পাইয়ে দেয়। অজ্ঞতা, অহংকার, মিথ্যা, বিশ্বাসঘাতকতা-সব মিলিয়ে তিনি জানেন যে, তিনি কেবল বর্তমান ব্যবস্থার এক হাতিয়ার, যে শুধু টাকাই কামাচ্ছে, অথচ পৃথিবীকে ধীরে ধীরে নরকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমি ইতিহাসে তার চেয়ে বড় অপরাধী দেখিনি।’ ‘স্টার ওয়ার্স’ ও ‘ইন্ডিয়ানা জোন্স’-খ্যাত এই অভিনেতা ট্রাম্পের সমালোচনা করে আরও বলেন, ‘তিনি নিজের অবস্থান হারাচ্ছেন, কারণ যা বলেন সবই মিথ্যা। আমি নিশ্চিত, আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমাতে পারব-যদি আমাদের আচরণ বদলাই, নতুন প্রযুক্তি উন্নয়ন করি এবং বাস্তব পদক্ষেপ নিই। তবে এজন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নতুন সমাধান খোঁজার মানসিকতা দরকার।’

    ৮৩ বছর বয়সি এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘আমি এখন অনেক কিছুতেই আমেরিকা নিয়ে হতাশ। ট্রাম্প আমাদের চার বছরের জন্য একে অপরের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন, অথচ বিশ্বের একনায়ক আর স্বৈরশাসকদের বুকে টেনে নিয়েছেন। আমাদের ‘আমেরিকাকে আবার মহান’ করার দরকার নেই; আমাদের দরকার আবার একসঙ্গে কাজ করা। আমাদের এমন একজন প্রেসিডেন্টের প্রয়োজন যে আমাদের সকলের জন্য আবার কাজ করবে।’ গত মাসে জাতিসংঘে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতারণা। এই সবুজ প্রতারণা থেকে যদি বের না হন, তাহলে আপনার দেশ ধ্বংস হবে। আবার শক্তিশালী হতে চাইলে, শক্ত সীমান্ত ও ঐতিহ্যবাহী জ্বালানি উৎসে ফিরতে হবে।’ ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ট্রাম্প ইতোমধ্যে স্বচ্ছ জলবায়ু সুরক্ষা নীতিমালা বাতিল করেছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রকল্প স্থগিত করেছেন এবং তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলোকে আরও বেশি জীবাশ্ম জ্বালানি উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন- যা পৃথিবীকে আরও দ্রুত উষ্ণ করছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ১৫০ বার পৃথিবীকে উড়িয়ে দেওয়ার মতো পারমানবিক আছে

    যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ১৫০ বার পৃথিবীকে উড়িয়ে দেওয়ার মতো পারমানবিক আছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  যুক্তরাষ্ট্রের হাতে যথেষ্ট পারমাণবিক অস্ত্র আছে, যা দিয়ে পৃথিবীকে ১৫০ বার উড়িয়ে দেওয়া যাবে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    সিএবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই দাবি করেন।

    রাশিয়া ও চীনও গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা চালাচ্ছে। যদিও দেশ দুটি তা প্রকাশ্যে স্বীকার করছে না বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।

    সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়, ট্রাম্পের দাবি, উত্তর কোরিয়া একমাত্র দেশ নয় যারা পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। রাশিয়া ও চীনও তা করছে, কিন্তু প্রকাশ্যে কিছু বলছে না। রোববার সিএবিএস নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ৬০ মিনিটস-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “রাশিয়া পরীক্ষা চালাচ্ছে, চীনও চালাচ্ছে- কিন্তু তারা এসব নিয়ে কিছু বলে না।”

    সাক্ষাৎকারে উপস্থাপিকা নোরা ও’ডনেল তাকে বলেন, বর্তমানে কেবল উত্তর কোরিয়াই পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করছে। তখনই ট্রাম্প পাল্টা মন্তব্য করে এই দাবি করেন। মূলত কয়েকদিন আগেই ৩০ বছরের বেশি সময় পর আবারও পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “অন্য দেশগুলো পরীক্ষা চালাচ্ছে। আমরাই একমাত্র দেশ যারা এই পরীক্ষা করি না। আমি চাই না যে আমরা একমাত্র দেশ হয়ে থাকি যারা পরীক্ষা চালায় না। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে তা পরীক্ষা না করা বাস্তবসম্মত নয়। ট্রাম্প প্রশ্ন তোলেন, “আপনি অস্ত্র বানালেন, কিন্তু পরীক্ষা করলেন না- তাহলে জানবেন কীভাবে এটা কাজ করে কিনা?”

    যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি নিয়েও গর্ব প্রকাশ করেন ট্রাম্প।

    তিনি বলেন, “আমাদের কাছে বিশাল পারমাণবিক শক্তি আছে- যা আর কোনো দেশের নেই। রাশিয়া দ্বিতীয় স্থানে, আর চীন অনেক পিছিয়ে। তবে পাঁচ বছরের মধ্যে তারা সমান পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। আমাদের পর্যাপ্ত পারমাণবিক অস্ত্র আছে, যা পৃথিবীকে ১৫০ বার উড়িয়ে দেওয়ার মতো। রাশিয়ারও অনেক আছে, আর চীনও দ্রুত এগোচ্ছে।”

  • ড্রোন আতঙ্কে দুই ঘণ্টা বিমান চলাচল বন্ধ বার্লিন বিমানবন্দরে

    ড্রোন আতঙ্কে দুই ঘণ্টা বিমান চলাচল বন্ধ বার্লিন বিমানবন্দরে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জার্মানির বার্লিন ব্র্যান্ডেনবার্গ বিমানবন্দরে অজ্ঞাত ড্রোন দেখার পর প্রায় দুই ঘণ্টা বিমান চলাচল স্থগিত রাখা হয়। শুক্রবার রাতের এই ঘটনাকে ইউরোপজুড়ে সাম্প্রতিক ড্রোন আতঙ্কের অংশ হিসেবে দেখছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বার্লিন থেকে এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    বিমানবন্দর মুখপাত্র জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ৮টা ৮ মিনিট থেকে ৯টা ৫৮ মিনিট পর্যন্ত সব উড্ডয়ন ও অবতরণ স্থগিত রাখা হয়। এ সময় বেশ কিছু ফ্লাইটকে জার্মানির অন্য বিমানবন্দরে অবতরণ করতে বলা হয়। তিনি আরও জানান, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বার্লিনে রাতের ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে। মুখপাত্র বলেন, ‘আপাতত মনে করছি, ঝুঁকি কেটে গেছে।’

    ব্র্যান্ডেনবার্গ রাজ্যের পুলিশ জানায়, ড্রোন দেখার খবর পেয়ে তারা একটি টহল গাড়ি ও হেলিকপ্টার পাঠায়। টহল দল ড্রোনটি শনাক্ত করলেও নিয়ন্ত্রণকারীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অজ্ঞাত ড্রোনের উপস্থিতি বাড়ায় বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক করে আসছিলেন জার্মান নেতারা।

    ডেনমার্ক, নরওয়ে ও পোল্যান্ডেও সম্প্রতি অজ্ঞাত ড্রোন দেখা যাওয়ায় ফ্লাইট স্থগিত করতে হয়েছে। অন্যদিকে রোমানিয়া ও এস্তোনিয়া এসব ঘটনার জন্য সরাসরি রাশিয়াকে দায়ী করেছে। যদিও মস্কো এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান ন্যাটো মিত্র জার্মানি। তাই সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে রুশ সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছে বার্লিনও।

    গত কয়েক মাসে জার্মানির সামরিক ঘাঁটি, শিল্প এলাকা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ওপর একাধিক অজ্ঞাত ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। গত মাসেও দক্ষিণাঞ্চলীয় মিউনিখ শহরে দু’দফা ড্রোন দেখতে পাওয়ায় বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে বহু যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন এবং অনেক ফ্লাইট বাতিল বা পরিবর্তন করতে হয়। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডব্রিন্ড বলেছেন, জার্মানিকে এই ধরনের বহুমাত্রিক হুমকির বিরুদ্ধে নতুনভাবে প্রস্তুত হতে হবে। এজন্য ড্রোন শনাক্ত করা, তাদের অবস্থা যাচাই করা এবং প্রয়োজন হলে গুলি করে ধ্বংস করার ক্ষমতা বাড়ানো হবে।

  • চীনের ওপর থেকে ১০ শতাংশ শুল্ক কমালেন ট্রাম্প

    চীনের ওপর থেকে ১০ শতাংশ শুল্ক কমালেন ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:         দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে শীর্ষ বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, চীনের সঙ্গে এক বছরের জন্য বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এতে চীনের ওপর থেকে ১০ শতাংশ শুল্ক কমানো হয়েছে। এই চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হবে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘আমাদের চুক্তি হয়ে গেছে।’

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, চীনের ওপর আরোপিত শুল্ক ৫৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৭ শতাংশ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে চীন-মার্কিন বাণিজ্য উত্তেজনা প্রশমনে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চুক্তির অংশ হিসেবে বিরল খনিজ সম্পর্কিত জটিল ইস্যুটিও সমাধান হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    এদিকে আগামী এপ্রিলে ট্রাম্প চীন সফরে যাবেন বলে জানিয়েছেন। এর পরবর্তী কোনো সময়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন। বৈঠক শেষে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ‘বৈঠকটি ছিল অসাধারণ। আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

    এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বুসানে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিং। বৈঠকের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় যাওয়ার আগমুহূর্তেই দুই নেতার মধ্যে হয়েছে সৌজন্যমূলক আলাপ, কূটনৈতিকভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন।

    ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলানোর সময় শি বলেন, ‘আপনাকে আবার দেখে খুবই ভালো লাগছে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনার পুনর্নির্বাচনের পর আমরা ফোনে তিনবার কথা বলেছি, একে অপরকে বেশ কয়েকটি চিঠি পাঠিয়েছি এবং সবসময় ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছি।’

    চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের দুই দেশের ভিন্ন জাতীয় বাস্তবতা রয়েছে। ফলে সব বিষয়ে একই দৃষ্টিভঙ্গি থাকার কথা নয়। বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতির মধ্যে মাঝে মাঝে বৈরিতা হওয়াটাও স্বাভাবিক।’