Category: প্রচ্ছদ

  • পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা নিহত

    পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা নিহত

    অনলাইন ডেস্ক:    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর পল্লিতে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা নিহত হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চান্দপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মণ্ডলভোগ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত মো. বজলুর রহমান (৬০) মন্ডলভোগ গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ঘাতক ছেলে জুবায়ের (২৫) পলাতক রয়েছে।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সকালে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবার সঙ্গে অটোরিকশা চালক ছেলে জুবায়েরের উত্যপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে বাবা বজলুর রহমানকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় জুবায়ের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন থানা পুলিশ ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। ঘাতক জুবায়েরকে আটক করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

    কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানান, ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ কিশোরগঞ্জের শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • যেকোনো মূল্যে গ্রিনল্যান্ড চান ট্রাম্প

    যেকোনো মূল্যে গ্রিনল্যান্ড চান ট্রাম্প

    অনলাইন ডেস্ক:  শুরুর দিকে গ্রিনল্যান্ড কিনতে চাচ্ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন দ্বীপ অঞ্চলটি দখলের হুঁমকি দিয়েছেন। সহজ হোক বা কঠিন কোনো উপায়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট চান গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা আমেরিকার হোক। খবর বিবিসি’র

    শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, কিছু দেশের মালিকানা থাকতে হয় এবং মালিকানাই রক্ষা করা যায়—লিজ নয়। গ্রিনল্যান্ড আমাদের রক্ষা করতেই হবে।ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ খুব প্রয়োজন।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি ‘সহজ উপায়ে’ অথবা ‘কঠিন উপায়ে’ বাস্তবায়ন করতে পারে।

    হোয়াইট হাউস সম্প্রতি জানিয়েছে, ন্যাটোভুক্ত দেশ ডেনমার্কের অধীন আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার বিষয়টি প্রশাসন বিবেচনা করছে। এমনকি প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করা হয়নি।

    তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড—দুই পক্ষই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। ডেনমার্ক সতর্ক করে বলেছে, সামরিক পদক্ষেপ নিলে তা ট্রান্স-আটলান্টিক প্রতিরক্ষা জোটের অবসান ডেকে আনতে পারে।

    তবে শুক্রবার রাতে গ্রিনল্যান্ডের সব প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেন। তারা বলেন, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, ডেনিশও হতে চাই না—আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডের জনগণই নির্ধারণ করবে।’

    বিশ্বের সবচেয়ে কম জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলেও উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে গ্রিনল্যান্ড কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা এবং আর্কটিক অঞ্চলে জাহাজ চলাচল নজরদারিতে এর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

    ট্রাম্প দাবি করেন, গ্রিনল্যান্ডে রাশিয়া ও চীনের উপস্থিতি বাড়ছে, যদিও এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। বর্তমানে গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত পিটুফিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে এই ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্র পরিচালনা করছে।

    ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সেখানে আরও সেনা মোতায়েন করতে পারে। তবে ট্রাম্প চান মালিকানা, ‘নয় বছর বা এমনকি ১০০ বছরের চুক্তিও যথেষ্ট নয়—মালিকানা থাকতে হবে।’ন্যাটোকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘চীন ও রাশিয়ার জনগণকে আমি ভালোবাসি, কিন্তু গ্রিনল্যান্ডে আমি তাদের প্রতিবেশী হিসেবে চাই না। ন্যাটোর বিষয়টি বুঝতে হবে।’

    ডেনমার্কের ন্যাটো মিত্ররা—ইউরোপের প্রধান দেশগুলো ও কানাডাসহ—ডেনমার্কের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডেরই। তারা জোর দিয়ে বলেন, আর্কটিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে তা মিত্রদের সম্মিলিত উদ্যোগেই করতে হবে এবং জাতিসংঘ সনদের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সীমান্তের অমোঘতা নীতিকে অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে।

  • বিএনপির বহিষ্কার হওয়া ৫ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    বিএনপির বহিষ্কার হওয়া ৫ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    অনলাইন ডেস্ক:   ইতিপূর্বে বহিষ্কার হওয়া ৫ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের পদ ফেরত দিয়েছে বিএনপি। শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বরিশাল মহানগরের অন্তর্গত ১৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব জিয়াউল হক মাসুম, বরিশাল জেলা তাঁতীদলের সাবেক সভাপতি কাজী মো. সাহিন, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. আবুল হোসেন প্রধানীয়া, মতলব উত্তর উপজেলার অন্তর্গত ছেংগারচর পৌর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আ. মতিন মেম্বার ও কক্সবাজার জেলাধীন ৩নং টেকনাফ সদর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিহাদকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

    তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ ১০ জানুয়ারি তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই : উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই : উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

    অনলাইন ডেস্ক:   ভোটের দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। শনিবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

    নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ‘মানুষের ভোট’। এতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    আদিলুর রহমান খান জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ ভোট’ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘এই সনদ ছাত্র ও সাধারণ মানুষের রক্তের বিনিময়ে লেখা হয়েছে। তাই এর প্রতি সবার দায়িত্ব আছে।’

    তিনি আরও জানান, নির্বাচনে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। এতে মাঠে কোনো বৈষম্য থাকবে না বলে তিনি মনে করেন। তার কথা, ‘নির্বাচনের সময় সব রাজনৈতিক দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এটি কার্যকর থাকবে।’

    এর আগে উপদেষ্টা সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় সিলেট বিভাগের কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশিদের জন্য বি-১ ভিসা বন্ড পুনর্বিবেচনার আশ্বাস

    বাংলাদেশিদের জন্য বি-১ ভিসা বন্ড পুনর্বিবেচনার আশ্বাস

    অনলাইন ডেস্ক:   সম্প্রতি আরোপিত মার্কিন ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত সহজ করার অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। ওয়াশিংটন ডিসিতে শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি অ্যালিসন হুকারের সঙ্গে এক বৈঠকে এ অনুরোধ জানান তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্ভব হলে বি-১ (স্বল্পমেয়াদী ব্যবসা) ভিসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এই ‘ভিসা বন্ড’ থেকে অব্যাহতি দিতে বিশেষ অনুরোধ করেন ড. খলিলুর রহমান।

    জবাবে অ্যালিসন হুকার বিষয়টি আমলে নেন এবং মার্কিন সরকার এই পদক্ষেপটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দেন। ভবিষ্যতে যদি পর্যটকদের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত অবস্থানের (ওভারস্টে) হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই বন্ডের প্রয়োজনীয়তা পুনর্বিবেচনা করতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

    এছাড়া নথিপত্রহীন বাংলাদেশিদের স্বদেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ঢাকার আন্তরিক সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন হুকার।বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকটসহ আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    ড. রহমান আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ও আয়োজন সম্পর্কে হুকারকে অবহিত করেন। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে নির্বাচনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    হুকার জানান, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো সমর্থন অব্যাহত থাকবে এবং তারা আগামী ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করেন।ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

    তিনি বাংলাদেশে আশ্রিত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি নিরবচ্ছিন্ন সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় দাতা দেশ উল্লেখ করে তিনি এই সহায়তা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখারও অনুরোধ করেন।

    বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে বড় দায়িত্ব বহন করছে, তার জন্য ধন্যবাদ জানান হুকার।তিনি এই সংকটের সমাধান এবং দায়ভার সবার মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে থাকাকালে রোহিঙ্গাদের জীবনমানের সুযোগ বাড়ানোরও অনুরোধ জানান তিনি।

    জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডিএফসি অর্থায়নে প্রবেশাধিকার এবং দেশের সেমিকন্ডাক্টর উন্নয়নে বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অনুরোধ জানান।

    আন্ডার সেক্রেটারি হুকার প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন।এছাড়া, গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা বাহিনী’র অংশ হতে বাংলাদেশের নীতিগত আগ্রহের কথা জানান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। হুকার বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

    এদিকে, পৃথক এক বৈঠকে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে ড. খলিলুর রহমান দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এতে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট, ভিসা বন্ড ও বাণিজ্য-বিনিয়োগসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।

    বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের শপথ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন ড. খলিলুর রহমান। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আয়োজিত এ শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদবিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে রিগাস।

    অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মকর্তা, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং শীর্ষ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

    নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের উজ্জ্বল গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথে সহায়তা করে যাবে। আমি নির্বাচনের ফলাফলের অপেক্ষায় আছি এবং নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কাজ করতে চাই।’ সব অনুষ্ঠানে দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে ছিলেন।

  • বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ গ্রহন

    বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ গ্রহন

    অনলাইন ডেস্ক:   বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ নিয়েছেন।শুক্রবার ডেপুটি সেক্রেটারি অব স্টেট মাইকেল আর. ম্যাকফল ক্রিস্টেনসেনকে শপথবাক্য পাঠ করান।

    শপথ নেওয়ার পর রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, আমি বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। একটি দেশ যেটিকে আমি ভালোভাবে জানি। আমি ঢাকায় দূতাবাসের এক শক্তিশালী দলকে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত। আমাদের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়া এবং প্রতিদিন নিরলস পরিশ্রম করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধিশালী করা।

    নতুন এই রাষ্ট্রদূত আগামী ১২ জানুয়ারি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।