Category: প্রচ্ছদ

  • ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা

    ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা

    অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসন থেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে তার প্রার্থিতা ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। মনোনয়নপত্র জমা দেন তার প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম এবং অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ দলের জ্যেষ্ঠ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে। নানা নির্যাতন ও চাপের মধ্যেও তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের ভোটে তিনি জয়ী হবেন এবং দেশের চলমান সংকট উত্তরণে ভূমিকা রাখবেন।” তিনি তারেক রহমানের জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।

    এর আগে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়। একই দিনে দলীয় নেতারা জানান, ঢাকা-১৭ আসনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির ভেতরে আলোচনা চলছিল। গুলশান, বনানী ও বারিধারার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসন থেকে নির্বাচন করার বিষয়ে তারেক রহমানকে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন।

    ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণার পর রাজনৈতিক সমীকরণেও পরিবর্তন এসেছে। এই আসনে প্রার্থী না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি ভোলা-১ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। দলীয় সূত্র অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রার্থিতা ঘোষণার পরই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু হবে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) থেকে এবং চলবে ২০২৬ সালের রোববার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে সোমবার (৫ জানুয়ারি) থেকে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে শনিবার (১০ জানুয়ারি) থেকে রোববার (১৮ জানুয়ারি)। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে বুধবার (২১ জানুয়ারি)। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এবং ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।

  • তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন কুপাংয়ের প্রতিষ্ঠাতা কিম বম-সুক

    তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন কুপাংয়ের প্রতিষ্ঠাতা কিম বম-সুক

    অনলাইন ডেস্ক:    দক্ষিণ কোরিয়ার ই-কমার্স কোম্পানি কুপাংয়ের প্রতিষ্ঠাতা কিম বম-সুক আজ রোববার তথ্য ফাঁসের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। তথ্য ফাঁসের এই ঘটনা ৩ কোটিরও বেশি গ্রাহকের আস্থা কমেছে।কুপাং-এর গ্রাহকের তথ্য একজন প্রাক্তন কর্মচারী কর্তৃক ফাঁস হওয়ার ঘটনা প্রকাশের পর, ক্ষমা চান কিম বম-সুক। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    এই ঘটনার পর চলতি মাসের শুরুতে পুলিশের পক্ষ থেকে কোম্পানিটিতে তল্লাশি চালানো হয়, আর সমালোচকদের মতে ঘটনাটি হালকা করে দেখানোর চেষ্টার কারণে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সংসদীয় শুনানিতে হাজির হতে কিমের বারবার অস্বীকৃতি জনমনে আরও হতাশা বাড়িয়েছে দেয়।

    ৩ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য এতে ক্ষতি হয়েছে, যা দক্ষিণ কোরিয়ার মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ।তবে কুপাং দাবি করেছে, মাত্র ৩ হাজার গ্রাহক এতে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। যদিও এই সংখ্যাটি এখনও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।

    রোববার কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম বলেন, ‘ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের কারণে আমরা আমাদের গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গুরুতর উদ্বেগ ও ভোগান্তি সৃষ্টি করেছি। আমি সকলের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

    এক মাস আগে, বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর এটাই ছিল এ নিয়ে তার প্রথম সরাসরি মন্তব্য।কুপাং সম্প্রতি সরকারের সঙ্গে সহযোগিতায় সব ফাঁস হওয়া গ্রাহক তথ্য পুনরুদ্ধার সম্পন্ন করেছে বলে জানা গেছে।সিউল পুলিশ জানিয়েছে,  তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি জুন ২৪ থেকে নভেম্বর ৮ পর্যন্ত কুপাং-এর বিদেশী সার্ভারের মাধ্যমে ঘটেছে।

  • নির্বাচনকে সামনে রেখে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    নির্বাচনকে সামনে রেখে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    অনলাইন ডেস্ক:     আগামী সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সব ধরনের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিকে নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।আজ রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের তথ্য প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং সব ধরনের সাইবার অপরাধকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’তিনি বলেন, সরকার সব ধরনের নাগরিক সেবাকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে অনেক সেবা দেশে ও বিদেশে অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে। এসব সেবাকে সুরক্ষিত ও নির্বিঘ্ন রাখতে হলে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি।

    নাগরিক সেবার খাতগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিসহ যেসব প্রতিষ্ঠান সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, তাদের নিয়মিত সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার হালনাগাদ করতে হবে। পাশাপাশি এসব ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত জনবলকেও আরও দক্ষ করে তুলতে হবে।’

    তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট জনবলকে একটি রেটিং পদ্ধতির আওতায় আনতে হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাইবার সুরক্ষাসহ প্রকৃত মূল্যায়ন সহজ হয়।ফিনান্সিয়াল সেক্টরে কোনো অপরাধ করে যেন কেউ পার পেয়ে না যায়—সে বিষয়েও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিকে বিচার বিভাগের পাশাপাশি কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।

    বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ইতোমধ্যে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন তিনি।

    এছাড়া আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুজব, মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশনসহ অন্যান্য সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি এবং বিটিআরসির মধ্যকার সমন্বয় সাধনের বিষয়ে জোর গুরুত্ব আরোপ করেন।সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ. মনসুর বলেন, ব্যাংকিং সেক্টরের সাইবার নিরাপত্তা আরও দৃঢ় করতে ইতোমধ্যে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং আরও কিছু কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    এছাড়া তিনি সেক্টরাল সার্ট (সিইআরটি) গঠনের উদ্দোগের প্রশংসা করেন।জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সদস্য সচিব  ও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে এজেন্সির কার্যক্রম ও ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনাসহ সাইবার পরিমন্ডলে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহন ও পরবর্তী প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রণীত ‘সাইবার ইনসিডেন্ট রিপোর্টিং এন্ড রেসপন্স সিস্টেম’ এর বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন।

    সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

    ২১ মে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ প্রণয়নের পর এই সংশোধিত অধ্যাদেশের অধীনে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২৬ আগস্ট জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হয়।২৫ সদস্যের এই কাউন্সিলের নেতৃত্বে রয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।

  • অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:     বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই শহীদ হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।তিনি আজ রোববার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

    এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, হাদি হত্যা মামলা চলাকালীন এ যাবত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো— ঘটনার মূল হোতা ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, গার্লফ্রেন্ড মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সিবিয়ন দিও, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম রাজু ও মো. আব্দুল হান্নান।তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৬ জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং ৪ জন সাক্ষীও ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য প্রদান করেছে।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জব্দকৃত উল্লেখযোগ্য আলামতসমূহ হলো—  হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুইটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড গুলি, ম্যাগাজিন ও ছোরা, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ভুয়া নম্বর প্লেট, ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত গুলির খোসা, বুলেট, ভিডিওচিত্র সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত এবং প্রায় ৫৩টি একাউন্টের মোট ২১৮  কোটি টাকার স্বাক্ষরিত চেক।তিনি আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত রয়েছে— তা উদঘাটনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

    মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য, সাক্ষীদের জবানবন্দি ও উদ্ধারকৃত আলামত পর্যালোচনা ও সার্বিক বিবেচনায় মামলাটির তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে (৭ জানুয়ারি ২০২৬) এ মামলার চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী

    প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী

    অনলাইন ডেস্ক:     সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন ।আজ রোববার সকালে বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান।শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করে।

    এর আগে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত ২৩ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।এদিকে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ গতকাল শনিবার অবসরে গেছেন। এদিন তাঁর চাকরির মেয়াদ ৬৭ বছর পূর্ণ হয়।

    আইন পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জেলা জজ আদালতে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৮৭ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং দুই বছর পর বিচারপতি হিসেবে তাঁকে স্থায়ী করা হয়।২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তাঁকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে উন্নীত করা হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি যুক্তরাজ্য থেকে আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

  • ৭ জানুয়ারির মধ্যে ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট : ডিএমপি কমিশনার

    ৭ জানুয়ারির মধ্যে ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট : ডিএমপি কমিশনার

    অনলাইন ডেস্ক:      ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে আদালতে পেশ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে। যারা ঘটনার পিছনে আছে তাদের সবার নাম ও ঠিকানা উন্মোচিত করে দেব।’

    তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে। সরকার পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাবসহ সব গোয়েন্দা সংস্থাকে ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, তা উদঘাটনের দায়িত্ব দিয়েছে। ইতোমধ্যে তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।’মামলার তদন্তে এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।

    যার মধ্যে অভিযুক্ত ফয়সালের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সামিয়া, স্ত্রীর বড় ভাই শিপু এবং গার্লফ্রেন্ড মারিয়াও রয়েছে।শেখ মো. সাজ্জাত আলী আরও বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা দু’টি পিস্তল আমরা উদ্ধার করেছি। তদন্তের স্বার্থে অস্ত্র দুটি বর্তমানে সিআইডিতে সায়েন্টিফিক পরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে।’

    তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। তদন্তে ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেকও উদ্ধার করা হয়েছে।ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, এটি একটি রহস্যজনক হত্যাকাণ্ড। এর পেছনে অনেকের জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা উদঘাটনে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।