Category: প্রচ্ছদ

  • সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৭ শতাংশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ

    সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৭ শতাংশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ

    অনলাইন ডেস্ক: চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমতে থাকায় চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ মূল্যস্ফীতির নির্ধারিত এই হার অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।

    আজ বুধবার উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে সংশোধিত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়ন শুরু হবে।

    বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    প্রেস সচিব বলেন, গত বছরের শেষের দিকে খাদ্য মূল্যস্ফীতি প্রায় ১৪ শতাংশে পৌঁছেছিল। বর্তমানে তা কমে ৭ শতাংশের কাছাকাছি এসেছে। শীতকালে সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ায় মূল্যস্ফীতি আরও কমবে বলে সরকার আশা করছে। চলতি অর্থবছর শেষে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নেমে আসবে এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ অর্জিত হবে বলে তিনি জানান।

    ব্রিফিংয়ে রাজস্ব আদায়ের চিত্র তুলে ধরে শফিকুল আলম বলেন, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বেড়েছে। জুলাই-অক্টোবর সময়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ২৪ দশমিক ১ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ৪ শতাংশে।

    এই প্রেক্ষাপটে চলতি অর্থবছরের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে আহরিত হবে ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা, কর বহির্ভূত রাজস্ব থেকে আসবে ৬৫ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআর বহির্ভূত অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ২০ হাজার কোটি টাকা।

    সংশোধিত বাজেটে মোট সরকারি ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। মূল বাজেটে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে ২ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে।

    বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংশোধিত বাজেটে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। মূল বাজেটে এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল। ফলে উন্নয়ন ব্যয় মূল বাজেটের তুলনায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে।

    সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা এবং দেশীয় অর্থায়ন ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা। পরিচালনসহ বাজেটের অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

    সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। এই ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ৬৩ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

  • শরিকদের জন্য আরও ৮ আসন ছেড়ে দিলো বিএনপি

    শরিকদের জন্য আরও ৮ আসন ছেড়ে দিলো বিএনপি

    অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে শরিক ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আসন সমঝোতার পথে আরও এক ধাপ এগোল বিএনপি। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন ছেড়ে দেওয়ার পর এবার অন্যান্য শরিকদের জন্য আরও ৮টি আসন ছেড়ে দিয়েছে দলটি। এতে করে জোটভিত্তিক নির্বাচনী প্রস্তুতি অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শরিক দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেসব আসন শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেসব আসনে বিএনপি নিজ দলের কোনো প্রার্থী দেবে না।

    ঘোষণা অনুযায়ী, এলডিপি থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭ আসন থেকে নির্বাচন করবেন। জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা মোস্তফা জামান হায়দার লড়বেন পিরোজপুর-১ আসনে। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর পটুয়াখালী-৩ এবং দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ ঢাকা-১৩, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি রশিদ যশোর-৫ এবং এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ নড়াইল-২ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন।

    দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে মির্জা ফখরুল বলেন, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ছেড়ে দেওয়া আসনে কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তাঁর ভাষায়, শরিকদের সঙ্গে এই সমঝোতা বিএনপির যুগপৎ আন্দোলন ও নির্বাচনী কৌশলেরই অংশ।

    এর আগে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) একই স্থানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল জানান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতার ভিত্তিতে চারটি আসনে বিএনপি প্রার্থী দেবে না। ওই আসনগুলোতে জমিয়তের প্রার্থীরা হলেন নিলফামারী-১ এ মো. মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, নারায়ণগঞ্জ-৪ এ মনির হোসাইন কাসেমী, সিলেট-৫ এ মো. উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জুনায়েদ আল হাবীব।

    বিএনপি সূত্র জানায়, ৩০০ আসনের মধ্যে ইতোমধ্যে ২৭২ আসনে দুই দফায় দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ২৮ আসনের মধ্যে চারটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে এবং সর্বশেষ আটটি অন্যান্য শরিকদের দেওয়া হলো। এখনও ১৬টি আসন নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত বাকি রয়েছে।

    দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, শরিকদের সঙ্গে এই আসন সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। খুব শিগগিরই বাকি আসনগুলো নিয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

  • ঘন কুয়াশা: ২ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

    ঘন কুয়াশা: ২ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

    অনলাইন ডেস্ক: পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।

    বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ বুধবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দুর্ঘটনা এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এ কারণে মাঝ নদীতে আটকা পড়েছে ছোট-বড় দুটি ফেরি।

    বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ বলছে, ভোর থেকেই নদীতে কুয়াশার তীব্রতা বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেড়ে যায় যে নৌপথের চ্যানেল মার্কিং পয়েন্টগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। নৌপথে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে মাঝ নদীতে দুটি ফেরি আটকা পড়ে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুস সালাম জানান, “কুয়াশার তীব্রতা কমে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক বিবেচনায় পুনরায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে।”

  • রমজান সামনে রেখে খেজুর আমদানিতে বড় ছাড়

    রমজান সামনে রেখে খেজুর আমদানিতে বড় ছাড়

    অর্থনীতি ডেস্ক: আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে খেজুরের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারদর সাধারণ মানুষের নাগালে রাখতে খেজুর আমদানিতে বড় ধরনের শুল্ক ছাড় দিয়েছে সরকার। আমদানিতে বিদ্যমান কাস্টমস ডিউটি ৪০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর। এর ফলে রমজানকে কেন্দ্র করে খেজুরের বাজারে স্বস্তি ফেরার আশা করা হচ্ছে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এতে বলা হয়, জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবং রমজানে খেজুরের চাহিদা বিবেচনায় এনে আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে, যাতে সরবরাহে কোনো ঘাটতি না হয় এবং দাম সহনীয় থাকে।

    এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকার মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খেজুর আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সুবিধা কার্যকর থাকবে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

    শুধু শুল্কই নয়, খেজুরসহ সব ধরনের ফল আমদানিতে অগ্রিম আয়করেও ছাড় বহাল রাখা হয়েছে। বিগত বাজেটে আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম আয়কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। পাশাপাশি খেজুর ও অন্যান্য ফল আমদানিতে অগ্রিম আয়করের ওপর যে ৫০ শতাংশ ছাড় গত বছর দেওয়া হয়েছিল, তা চলতি বছরেও বহাল রয়েছে।

    এনবিআর মনে করছে, আমদানি শুল্ক ও অগ্রিম আয়করে এই উল্লেখযোগ্য ছাড়ের ফলে রমজান মাসে খেজুরের আমদানি বাড়বে। এতে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং দাম সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন রুমিন ফারহানা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন রুমিন ফারহানা

    অনলাইন ডেস্ক:   বহুল আলোচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসনেই নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন তিনি।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি দুই দফায় ২৭২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও শুরুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনটি ফাঁকা রাখা হয়। দলীয় সূত্রে তখন ধারণা ছিল, শেষ পর্যন্ত এই আসনেই রুমিন ফারহানার নাম আসতে পারে। তবে আসন সমঝোতার কারণে শেষ পর্যন্ত সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি জানায়, আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে তারা নিজস্ব কোনো প্রার্থী দেবে না। একই সঙ্গে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের নাম ঘোষণা করা হয়। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে কার্যত বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েন রুমিন ফারহানা।

    দলীয় মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে থাকার সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, “দল থেকে মনোনয়ন না পেলেও আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করব।” তিনি আরও জানান, মনোনয়নপত্র কেনার আগেই সম্মানের সঙ্গে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করবেন এবং দু’একদিনের মধ্যেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন।

    দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে কোনো সাংগঠনিক শাস্তির মুখে পড়তে হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, “আশা করি সেটা আমার সঙ্গে হবে না।” একই সঙ্গে তিনি এলাকার ভোটারদের প্রতি আস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, “আশা করি এই এলাকার মানুষের ভালোবাসা এখনো আমার সঙ্গে আছে। তারা এর জবাব ভোটের মাধ্যমেই দেবে।”

    এর আগেও এলাকায় এক কর্মসূচিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন রুমিন ফারহানা। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “আমি যা বলি, আমি তা–ই করি। ভালো হইলে বা মন্দ হইলে, সেটা আমার দায়িত্ব। আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন, মার্কা যা–ই হোক, নির্বাচন করব আমি সরাইল–আশুগঞ্জ থেকেই।”

    এদিকে একই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, আসন সমঝোতার মাধ্যমে কোনো শরিক দলকে আসন ছেড়ে দেওয়ার পর যদি বিএনপির কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বক্তব্যের পরও রুমিন ফারহানার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনের রাজনীতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

  • নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা

    নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:     ময়মনসিংহে সম্প্রতি ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দীপু চন্দ্র দাস নামে একজন পোশাকশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর ঘটনার প্রতিবাদে ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে আজ মঙ্গলবার বড় ধরনের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি’র তথ্যনুযায়, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) এবং বজরং দলের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি পুলিশ হাইকমিশনের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। তবে তা সত্ত্বেও, বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে ব্যারিকেড ভেঙে কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানটির দিকে এগিয়ে যেতে দেখা গেছে।

    জানা গেছে, বিক্ষোভকারীরা কমপক্ষে দুটি স্তরের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গেছে। বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে ব্যানার এবং প্ল্যাকার্ড ধরে দূতাবাসে স্লোগান দিতেও দেখা গেছে। এনডিটিভি জানিয়েছে, বিক্ষোভের খবরে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ভবনের বাইরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।প্রতিবেদন অনুসারে, এলাকাটি তিন স্তরের ব্যারিকেডিং দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়েছে। এছাড়া ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনীর সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে।

    এর আগে, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সাথে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাকে তলব করা হয়। কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।