Category: প্রচ্ছদ

  • প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বৈঠক , যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে

    প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বৈঠক , যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে

    অনলাইন ডেস্ক:      দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে বলে বৈঠকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ।

    রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ বৈঠকের বিষয়ে জানিয়েছে। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন, আসন্ন বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত নিরাপত্তা-সংক্রান্ত পদক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    এছাড়াও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই যোদ্ধা শহিদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্তদের গ্রেফতার ও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।পুলিশের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টাকে জানানো হয়, সম্প্রতি দুটি জাতীয় দৈনিক ও দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভিডিও ফুটেজ দেখে ইতোমধ্যে ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

    এসব ঘটনায় আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে কমপক্ষে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা হলেন— মো. কাশেম ফারুকি, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, মো. সোহেল রানা এবং মো. শফিকুল ইসলাম। বাকি সন্দেভাজনদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে।

    এ ছাড়াও চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের নিকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টাকারীদের মধ্যে তিনজনকে ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে।বৈঠকে ওসমান হাদি হত্যায় জড়িত এবং অন্যান্য বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্তদের দ্রুততার সঙ্গে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

  • লুটের টাকায় কেনা টিভি-ফ্রিজ, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা, গ্রেপ্তার বেড়ে ৯

    লুটের টাকায় কেনা টিভি-ফ্রিজ, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা, গ্রেপ্তার বেড়ে ৯

    অনলাইন ডেস্ক:     রাজধানীতে জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারসহ চারটি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আরও বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মামলাও দায়ের হয়েছে, তদন্ত চলছে একাধিক সংস্থার সমন্বয়ে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসব গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। তারা হলেন মো. কাশেম ফারুক, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, মো. সোহেল রানা ও মো. শফিকুল ইসলাম। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের পরিচয় যাচাই চলছে।

    ঘটনার পেছনের চিত্র উঠে এসেছে ভিডিও ফুটেজ ও জিজ্ঞাসাবাদে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জানিয়েছে, এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ভিডিও বিশ্লেষণ করে অন্তত ৩১ জনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। একইভাবে চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের কাছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার ঘটনায়ও তিনজনকে ভিডিওতে শনাক্ত করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারদের মধ্যে কাশেম ফারুক বগুড়ার আল জামিয়া আল ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম মাদরাসার সাবেক ছাত্র এবং ঢাকার মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা। ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা মো. সাইদুর রহমান। শেরপুরের রাকিব হোসেনকে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত করা হয়েছে। তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডি থেকে ঘটনাস্থলের ধ্বংসস্তূপের ছবি পোস্ট করা হয় এবং উসকানিমূলক পোস্টের তথ্যও পাওয়া গেছে।

    তদন্তে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে লুটের টাকা নিয়ে। ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. নাইমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে এ ঘটনায় লুট হওয়া ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাইম স্বীকার করেছেন, তিনি মোট ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা লুট করেছিলেন। সেই টাকা দিয়ে মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ কেনেন, যা ইতোমধ্যে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    কারওয়ান বাজার রেললাইন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ঢাকার একাধিক থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়াও এগিয়েছে। রবিবার রাত ১২টার পরে প্রথম আলো কার্যালয়ের হেড অব সিকিউরিটি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. সাজ্জাদুল কবির বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীতে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার বিস্তারিত জানাতে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম সেখানে ব্রিফ করবেন।

    পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • খালাস চেয়ে আপিল করলেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুন

    খালাস চেয়ে আপিল করলেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুন

    অনলাইন ডেস্ক:   জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেওয়া পাঁচ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। রাজসাক্ষী হিসেবে দণ্ডপ্রাপ্ত এই সাবেক আইজিপি আইনজীবীর মাধ্যমে আপিল আবেদন দাখিল করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

    সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে তার পক্ষে এ আপিল করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আপিল আবেদনে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মধুমালতি চৌধুরী বড়ুয়া।

    এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয় সোমবার (১৭ নভেম্বর)। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ সাবেক আইজিপি মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এই মামলার বিচার শুরু হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ চলতি বছরের বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

    বিচার চলাকালে এক পর্যায়ে সাবেক আইজিপি মামুন দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে সহযোগিতা করেন। পরে তাকে রাজসাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি মামুনের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়েছে।

    ওই রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা ড্রোন, হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির আওতায় দায়ী হন। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তৎকালীন আইজিপি সেই নির্দেশ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।

    রায়ের পর প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সাজা আরও বাড়ানোর জন্য আপিল করা হয়েছে। একই মামলায় পাঁচ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে এবার আপিল করলেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।

  • এ কে খন্দকারের জানাজায় প্রধান উপদেষ্টার অংশগ্রহণ

    এ কে খন্দকারের জানাজায় প্রধান উপদেষ্টার অংশগ্রহণ

    অনলাইন ডেস্ক: মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকারের (এ কে খন্দকার) নামাজে জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    আজ রাজধানীর বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারে এ কে খন্দকারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে খন্দকারের ফিউনারেল প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

    জানাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাগণ ছাড়াও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মরহুম এ কে খন্দকারের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এরপর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন একে একে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বিমানবাহিনীর একটি ফ্লাই পাস্টের মাধ্যমে মরহুম এ কে খন্দকারের প্রতি সম্মান জানানো হয়।

    জানাজার আগে এ কে খন্দকারের পূত্র জাফরুল করিম খন্দকার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

    মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী এ কে খন্দকার গতকাল শনিবার সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।

    তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর-উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এবং সাবেক মন্ত্রী।

    ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এ কে খন্দকার। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তাঁর কৌশলগত সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরও সুসংহত করে।

  • মবোক্রেসি দমনে কঠোর অবস্থানের আহ্বান সালাহউদ্দিনের

    মবোক্রেসি দমনে কঠোর অবস্থানের আহ্বান সালাহউদ্দিনের

    অনলাইন ডেস্ক: দেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও লক্ষ্যভিত্তিক হামলার ঘটনাকে সরকারের দুর্বলতার ফল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, মবোক্রেসি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটিকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।

    রাজধানীর বনানীতে গণমাধ্যম সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় রোববার (২১ ডিসেম্বর) এসব কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। সাম্প্রতিক সময়ে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কিছু কিছু গণমাধ্যমকে আগে থেকেই টার্গেট করা হয়েছিল। কিন্তু কেন আগেভাগে সতর্ক হওয়া গেল না, সেটিই বড় প্রশ্ন।

    সালাহউদ্দিন আহমদের ভাষায়, “মবোক্রেসি কেন হচ্ছে, কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটছে, তার মূল কারণ সরকারের দুর্বলতা। এসব ঘটনা শক্ত হাতে দমন না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। এই বাংলাদেশে মবোক্রেসি দেখতে চাই না।”

    গণমাধ্যমের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন আদর্শে বিশ্বাস থাকতে পারে, সেটি স্বাভাবিক। তবে দেশের প্রশ্নে নিরপেক্ষ থাকা নয়, দেশের পক্ষে থাকা জরুরি। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্ত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এবং সে ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য বিএনপি সবার সহযোগিতা চায়। কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য নয়, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্যই এই আহ্বান।” তিনি অতীত ভুলে যাওয়ার কথা বললেও ফ্যাসিস্ট আমলের অভিজ্ঞতা স্মরণে রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

    বিএনপির এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সহিংসতা ও গণমাধ্যমে হামলার প্রেক্ষাপটে সালাহউদ্দিন আহমদের মন্তব্য সরকার ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

  • নিরাপত্তা শঙ্কায় চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা সেন্টার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

    নিরাপত্তা শঙ্কায় চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা সেন্টার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

    অনলাইন ডেস্ক: নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা সেন্টারের সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন। রোববার (২১ ডিসেম্বর) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

    ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র আইভিএসি’র ওয়েবসাইটে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক নিরাপত্তাজনিত ঘটনার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে আলাদা করে ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের আশপাশের এলাকায় ঘটে যাওয়া নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনাগুলো বিবেচনায় নিয়ে আপাতত সব ধরনের ভিসা সেবা স্থগিত রাখা হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আবেদনকারীদের ভিসা সেন্টারে না আসার অনুরোধও জানানো হয়েছে।

    এর আগে চলতি মাসেই ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। সে সময় ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছিল, চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ঢাকার ভিসা সেন্টার আবারও নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করে।

    চট্টগ্রামে ভিসা কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণায় চিকিৎসা, শিক্ষা ও ভ্রমণসহ নানা প্রয়োজনে ভারতে যেতে আগ্রহী আবেদনকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভিসা সেবাও পুনরায় চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে উপযুক্ত সময়ে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর ঘোষণা দেওয়া হবে।”