Category: প্রচ্ছদ

  • নেপালকে হারিয়ে সেমির পথে বাংলাদেশ

    নেপালকে হারিয়ে সেমির পথে বাংলাদেশ

    অনলাইন ডেস্ক:    আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। দ্বিতীয় ম্যাচেও সাফল্যের সেই ধারা ধরে রেখেছে যুব টাইগাররা। নেপাল অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে আজিজুল হাকিম তামিমের দল।

    ৭ উইকেটের জয়ে সেমিতে এক পা দিয়ে রাখল বাংলাদেশ। দুবাইয়ে টসে জিতে আগে নেপালকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৩০ রানের মাথাতে অলআউট হয়ে যায় নেপাল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রানের ইনিংস খেলেন অভিষেক তিওয়ারি।

    বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সবুজ। ২টি করে উইকেট নেন সাদ ইসলাম, শাহরিয়ার আহমেদ এবং আজিজুল হাকিম তামিম। ১ উইকেট নিয়েছেন শাহরিয়া আল-আমিন। জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশকে আগ্রাসী শুরু এনে দেন ওপেনার জাওয়াদ আবরার।

    তবে ৪র্থ ওভারের প্রথম দুই বলে রিফাত বেগ এবং আজিজুল হাকিম তামিমের উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। ৭ বলে ৫ রান করে বিদায় নেন রিফাত। তামিম আউট হন ১ বলে ১ রান করে। এরপর জাওয়াদের সাথে জুটি বাঁধেন কালাম সিদ্দিকী অলিন।

    এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে গেছেন জাওয়াদ। তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দেন কালামও। দুজনের কার্যকরী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশের ইনিংস। কিছুটা চালিয়ে খেলেছেন জাওয়াদ। তুলে নেন দারুণ এক ফিফটিও। আগের ম্যাচেও ম্যাচ জেতানো ফিফটি হাঁকিয়েছিলেন জাওয়াদ আবরার।

    শেষ দিকে ৬৬ বলে ৩৪ রান করে বিদায় নেন কালাম। জাওয়াদ শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৬৮ বলে ৭০ রান করে টিকে ছিলেন জাওয়াদ। ৮ বলে ১২ রান করে টিকে ছিলেন রিজান হোসেন। ১৫১ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ।

  • চিকিৎসা নিতে পারছেন খালেদা জিয়া, শারীরিক অবস্থা আগের মতোই স্থিতিশীল

    চিকিৎসা নিতে পারছেন খালেদা জিয়া, শারীরিক অবস্থা আগের মতোই স্থিতিশীল

    অনলাইন ডেস্ক:     দীর্ঘদিনের নানা শারীরিক জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা আগের মতোই রয়েছে। চিকিৎসকদের দেওয়া চিকিৎসা তিনি গ্রহণ করতে পারছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন। চিকিৎসকরা আশাবাদী, ধীরে ধীরে তিনি সুস্থতার দিকে এগোবেন।

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন অধ্যাপক জাহিদ। তিনি জানান, বয়স ও দীর্ঘদিনের অসুস্থতা বিবেচনায় নিলে বর্তমান অবস্থাকে স্থিতিশীল বলা যায়। এখন পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তা তিনি ঠিকমতো গ্রহণ করতে পারছেন।

    অধ্যাপক জাহিদ বলেন, “ওনার শারীরিক অবস্থা আগে যে পর্যায়ে ছিল, এখনও সেই পর্যায়েই আছে। চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন, এটাকে আমরা ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি।” তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে পরিকল্পিতভাবে যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় খালেদা জিয়ার শারীরিক জটিলতা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। এর প্রভাবেই এবার তাঁকে কঠিন সময় পার করতে হচ্ছে।

    চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ড প্রতিদিন তাঁর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হয় এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চিকিৎসা চলছে। অধ্যাপক জাহিদ বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, এখন পর্যন্ত যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, ম্যাডাম তা গ্রহণ করতে পারছেন এবং গত কয়েকদিনের অবস্থা তিনি ধরে রাখতে পারছেন।”

    তিনি জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসার বিষয়টি তদারকি করছেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর সহধর্মিণী সৈয়দ শামিলা রহমান, খালেদা জিয়ার ভাই শামীম এস্কান্দার ও বড় বোন সেলিনা ইসলাম নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন। তবে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে থাকায় তাঁরা সরাসরি পাশে থাকতে পারছেন না।

    চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া রোববার (২৩ নভেম্বর) এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিলে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। এর আগে শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানে তাঁকে হাস্যোজ্জ্বল দেখা গেলেও পরদিন শ্বাসকষ্টের জটিলতা বাড়তে থাকে।

    অধ্যাপক জাহিদ আরও বলেন, খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করছেন তাঁরা। তাঁর ভাষায়, “আমরা সবাই আশাবাদী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং দেশের রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা রাখতে পারবেন।”

    একই সঙ্গে তিনি বিএনপির নেতা কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান, হাসপাতালে অন্য রোগীদের চিকিৎসা যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়। তিনি বলেন, এভারকেয়ার হাসপাতাল সবার জন্য উন্মুক্ত এবং এখানে চিকিৎসাধীন প্রতিটি রোগীর সেবাই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

  • জেআইসি সেলে গুম ও নির্যাতন, শেখ হাসিনা ও ১২ সেনা কর্মকর্তার বিচার শুরুর আদেশ

    জেআইসি সেলে গুম ও নির্যাতন, শেখ হাসিনা ও ১২ সেনা কর্মকর্তার বিচার শুরুর আদেশ

    অনলাইন ডেস্ক:     জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ গঠন শেষে আদালত মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেন।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে প্রসিকিউশনের ওপেনিং স্টেটমেন্ট ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

    রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, মামলায় ১৩ আসামির বিরুদ্ধে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। শুনানিতে প্রসিকিউশন দাবি করে, জেআইসি সেলে শত শত মানুষকে আটক রেখে নির্যাতন করা হয়েছে। আবদুল্লাহিল আমান আযমী ও মাইকেল চাকমাসহ অন্তত ২৬ জন নির্যাতনের পর মুক্তি পান। রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, গুমের নির্দেশনা দিতেন শেখ হাসিনা এবং সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতেন তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা।

    অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন জানায়। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এ মামলায় তিনজন সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজাহার সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

    মামলার বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের একাধিক সাবেক মহাপরিচালক ও পরিচালক এবং একজন সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল। পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে।

    প্রসিকিউশন জানায়, গত ৮ অক্টোবর ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার বিচার শুরুর আদেশ এলো। আদালতের এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে জেআইসি সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে বহুল আলোচিত মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।

  • জুলাই আন্দোলন দমনের অভিযোগ ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

    জুলাই আন্দোলন দমনের অভিযোগ ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

    অনলাইন ডেস্ক:    চব্বিশের জুলাই আন্দোলন দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। অভিযোগ আমলে নিলে এই মামলায় বিচারিক প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ শুরু হবে।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর রেজিস্ট্রারের কাছে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, “জুলাই আন্দোলন দমনে হত্যা, উসকানি ও নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।”

    অভিযোগপত্রে ওবায়দুল কাদের ছাড়াও নাম রয়েছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানের।

    প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলন দমনের সময় এসব নেতার উসকানি ও নির্দেশনায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের ওপর দমন নিপীড়ন চালায়। এতে একাধিক হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে আসে।

    এর আগে প্রসিকিউশন জানিয়েছিল, এই সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়েছে। গত ৮ ডিসেম্বর সেই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই অভিযোগপত্র দাখিলের পথ খুলে যায়।

    এখন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিলে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে। এরপর সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বিচারকাজ। মামলাটিকে চব্বিশের জুলাই আন্দোলন সংক্রান্ত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • এলাকা ভিত্তিক বন্যপ্রাণীর তালিকা প্রণয়ন করবে সরকার

    এলাকা ভিত্তিক বন্যপ্রাণীর তালিকা প্রণয়ন করবে সরকার

    অনলাইন ডেস্ক: মানুষকে বন্যপ্রাণী সম্পর্কে সচেতন করতে সরকার দেশব্যাপী এলাকা ভিত্তিক বন্যপ্রাণীর একটি তালিকা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বন্যপ্রাণী উপদেষ্টা বোর্ডের ৪১তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    এ লক্ষ্যে বন বিভাগ দেশব্যাপী এলাকা ভিত্তিক বন্যপ্রাণীর তালিকা প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু করবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বন্যপ্রাণী বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

    ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের অধীনে গঠিত বন্যপ্রাণী অ্যাডভাইজরি বোর্ডটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। এটি পুরোনো আইনসমূহের পরিবর্তে গঠিত হয় এবং বন্যপ্রাণী, জীববৈচিত্র্য ও বন সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করে। এ বোর্ডে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন; যারা নীতিমালা, সংরক্ষিত এলাকা এবং অবৈধ বাণিজ্য প্রতিরোধ বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

    বাসস-এর কাছে থাকা একটি সরকারি নথি অনুযায়ী, বোর্ড দেশের বিভিন্ন হাটে পাখিসহ বন্যপ্রাণী বিক্রি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বন বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাজারে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অন্য কোনো মাধ্যমে পাখিসহ কোনো বন্যপ্রাণী কেনা-বেচা যাতে না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। শীতকালে পরিযায়ী পাখি ও অন্যান্য পাখি শিকারে বন্দুক ব্যবহারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে বন বিভাগ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

    এ বিষয়ে পাখির আবাসস্থলের তালিকা পাঠাতে এবং সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করতে জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া লাইসেন্স নবায়নের সময় বন্দুকের লাইসেন্স ব্যবহার করে পাখি শিকার করা হচ্ছে কি না, তা বিবেচনায় নিতে জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

    সভায় হাতির আক্রমণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে এর আগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে, হাতির সঙ্গে মানুষের সংঘাত নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বন বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

    দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (চট্টগ্রাম) এবং উত্তরাঞ্চলের (শেরপুর, ময়মনসিংহ) এলাকায় মানুষ-হাতি সংঘাত একটি গুরুতর ও ক্রমবর্ধমান সমস্যা। আবাসস্থল ধ্বংস ও বনভূমি খণ্ডিত হওয়ার কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে ফসল নষ্ট, সম্পত্তির ক্ষতি এবং বহু মানুষ ও হাতির মৃত্যু ঘটছে।

  • ডিসেম্বরের প্রথম ১৬ দিনে প্রবাসী আয় ১৮২ কোটি ৬০ লাখ ডলার

    ডিসেম্বরের প্রথম ১৬ দিনে প্রবাসী আয় ১৮২ কোটি ৬০ লাখ ডলার

    অর্থনীতি ও বাণিজ্য ডেস্ক: চলতি ডিসেম্বর মাসে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম ১৬ দিনে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১৮২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর এই দুই দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার।

    সূত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অপরদিকে ২০২৪ সালের একই সময়ে এই আয় ছিল ১ হাজার ৬০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    সে হিসেবে চলতি মাসে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে প্রায় ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

    এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই ২০২৪ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪) এই আয় ছিল ১২ হাজার ৭৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    ফলে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা অব্যাহত থাকা এবং প্রবাসীদের আস্থার কারণে প্রবাসী আয়ে এই ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।