Category: প্রচ্ছদ

  • তীর-ধনুক হাতে শাকিব খান

    তীর-ধনুক হাতে শাকিব খান

    বিনোদন ডেস্ক:    ঢালিউড কিং শাকিব খান সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেওয়া মানেই ভক্তদের মধ্যে নতুন জল্পনা। এবার সবুজ ঘাসের মাঠে তীর-ধনুক হাতে একেবারে লক্ষ্যভেদের ভঙ্গিতে ছবি দিয়ে সেই জল্পনা আরও বাড়ালেন ঢালিউড কিং। ক্যাপশনে দেওয়া তার অনুপ্রেরণামূলক বার্তাটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, বড় কিছুর জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন এই সুপারস্টার

    আজ দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করেন শাকিব খান। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি পুরোপুরি স্পোর্টস পোশাকে, হাতে তুলে নিয়েছেন আর্চারি খেলার ধনুক। তার তাকানোর তীব্র ভঙ্গি, ফিটনেস এবং পেশিবহুল হাত—সবকিছুই প্রমাণ করছে, তিনি কোনো এক বিশেষ চরিত্রের জন্য কঠোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার এই নতুন লুক এবং মনোযোগী ভঙ্গিমা দেখে ভক্তরা উচ্ছ্বসিত।

    নতুন কোনো অ্যাকশন সিনেমার ইঙ্গিত?

    শাকিব খানের এই আর্চারি প্র্যাকটিসের ছবি দেখে চলচ্চিত্র পাড়ায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি তার আসন্ন কোনো অ্যাকশন বা ঐতিহাসিক গল্পের সিনেমার জন্য চরিত্র রূপায়ণের প্রস্তুতি। গত কয়েক বছর ধরেই তিনি নিজেকে শারীরিক দিক থেকে আরও বেশি ফিট করে তুলছেন, আর এই তীর-ধনুক হাতে নেওয়া ছবিটি সেই প্রস্তুতিরই অংশ।

    তর ভক্তরা ধারণা করছেন, এই লুকটি কোনো বড় বাজেটের সিনেমার জন্য, যেখানে হয়তো তাকে একজন যোদ্ধা বা বিশেষ কোনো মিশনে দেখা যাবে। তবে, এই প্রস্তুতি ঠিক কোন সিনেমার জন্য, তা নিয়ে শাকিব খান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।

  • পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের কর্মীদের বেতন-ভাতা কমানোর পরামর্শ বাংলাদেশ ব্যাংকের

    পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের কর্মীদের বেতন-ভাতা কমানোর পরামর্শ বাংলাদেশ ব্যাংকের

    অনলাইন ডেস্ক:    বাংলাদেশ ব্যাংক পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের কর্মীদের বেতন-ভাতা কমানোর পরামর্শ দিয়েছে। ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটের কারণে কর্মীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছে এবং গ্রাহকেরা টাকা তোলার ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

    এখানকার পাঁচটি ব্যাংক হলো: ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক। ব্যাংকগুলো একীভূত হয়ে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করবে।

    গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সদর দপ্তরে এই পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। বৈঠকে ব্যাংকগুলো এক হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা চেয়েছিল, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমোদন দিয়েছে মাত্র ৩৫০ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, ব্যাংকগুলোর খরচ কমানো এবং নতুন ব্যাংক দ্রুত চালু করা অপরিহার্য। অংশ হিসেবে কর্মীদের বেতন ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে এই পাঁচ ব্যাংকে প্রায় ১৬ হাজার কর্মী রয়েছেন। অতীতের সময় অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাংকগুলোকে প্রায় ৩৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে, যা এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি। একীভূত ব্যাংকে সাধারণ আমানতকারীরা দুই লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। ক্ষুদ্র আমানতকারীদের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে।

    নতুন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সাত সদস্যের, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক। পর্ষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন সরকারি বিভিন্ন বিভাগীয় সচিব ও যুগ্ম সচিবরা। নতুন ব্যাংকে পেশাদার ব্যাংকার, হিসাববিদ ও আইনজীবী সমানসংখ্যক স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাবেন। এমডি এবং শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • সচিবালয়ে আগুন লাগার বিষয়ে কী বলছে ফায়ার সার্ভিস

    সচিবালয়ে আগুন লাগার বিষয়ে কী বলছে ফায়ার সার্ভিস

    অনলাইন ডেস্ক:    সচিবালয়ে নবনির্মিত কেবিনেট ভবনে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। রোববার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে নবনির্মিত ১নং ভবনের নবম তলায় দুপুর পৌনে দুইটায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরফলে পুরো ভবনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নবম তলাসহ, প্রত্যেকটি তলায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছোটাছুটি করতে থাকেন।

    ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রাথমিক ধারণা মতে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত।২০ তলা ভবনের ১০ম তলায় অ্যাডজাস্ট ফ্যানে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকেই আগুন লাগার কথা জানান তিনি।আগুনের ঘটনার সার্বিক দিক খতিয়ে দেখা হবে জানিয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম বলেন, ভবনটির বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি রয়েছে কিনা সেটি তদন্ত করে দেখা হবে।

    রোববার বেলা আড়াইটার দিকে সচিবালয়ের নতুন ভবনের (১ নং ভবনে) ১০ তলায় আগুন লাগার পরপরই ভবনজুড়ে বারবার বাজতে থাকে ফায়ার হুইসেল। ধোঁয়ায় চারপাশ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। ফায়ার হুইসেলের শব্দে আতঙ্ক বিরাজ করছে।রাফিউল ইসলাম নামে এক কর্মকর্তা বলেন, হঠাৎ করেই ফায়ার হুইসেল বাজতে শুরু করে। কয়েক মিনিটের মধ্যে আমরা ১০ তলার দিক থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখেছি। পরিস্থিতি বুঝে সঙ্গে সঙ্গে নিচে নেমে আসি।

    আরেক কর্মচারী জানান, আমরা প্রথমে মনে করেছিলাম এটা সিগারেট এর ধোঁয়া হতে পারে। পরে দেখি  বড় আকারে ধোঁয়া উড়ছে। সবাই দ্রুত ভবন ত্যাগ করেছে। এখনও ঠিক কী হয়েছে তা কেউ বলতে পারছে না।ঘটনার পর ১ নম্বর ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাঠে নেমে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নিয়েছেন। এ ভবনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রয়েছে। এর আগে গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুন লাগে।

  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি : রিজভী

    খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি : রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক:     বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারী কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধানী।তার অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন বলে দলের পক্ষ থেকে আগে জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে শঙ্কা ভর করেছেন দেশবাসীর মনে।

    রোববার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সবশেষ শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আহমেদ বলেন, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি; তিনি এখনও একই জটিল অবস্থায় রয়েছেন।

    তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড এখনো কোনো পরামর্শ দেয়নি। বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।তিনি জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের সব কর্মসূচি স্থগিত করেছে বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    হাসপাতালের সামনে বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় এড়ানোর পরামর্শ দিয়ে রিজভী বলেন, হাসপাতালে অতিরিক্ত ভিড় সৃষ্টি হলে চিকিৎসা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। এজন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে হাসপাতালের সামনে ভিড় না করতে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দোয়া করবেন।দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিতভাবে চিকিৎসকদের যোগাযোগ হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সার্বিক শারীরিক খোঁজ-খবর মেডিকেল বোর্ডই দিচ্ছে।

    উল্লেখ্য, ৮১ বছর বয়সি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর আগে ১৫ অক্টোবর তিনি এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। একদিন থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।

    এর আগে গত ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। সেখানে ১১৭ দিন অবস্থান শেষে ৬ মে দেশে ফেরার পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।

  • পোস্টাল ব্যালটে ভোটের নিবন্ধন ৯২ হাজার ছাড়াল

    পোস্টাল ব্যালটে ভোটের নিবন্ধন ৯২ হাজার ছাড়াল

    অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের জন্য চালু হওয়া আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিবন্ধন দ্রুত বাড়ছে। রোববার, ৩০ নভেম্বর সকালে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন ৯২ হাজার ১৪৪ জন প্রবাসী। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭৭ হাজার ৩৪৬ জন এবং নারী ১৪ হাজার ৭৯৯ জন।

    নির্বাচন কমিশন জানায়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবারই প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এ ব্যবস্থায় প্রবাসী, আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তি এবং ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা ভোট দিতে পারবেন। এর জন্য অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। গত ১৯ নভেম্বর শুরু হওয়া নিবন্ধন চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    ইসি কর্মকর্তারা জানান, অতীতে প্রচলিত পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতি কার্যকর ছিল না, তাই নতুন আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, “প্রবাসী ভোটারদের কাছ থেকে ইতিমধ্যে ভালো সাড়া পাচ্ছি। সামনে আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তি ও ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের নিবন্ধন শুরু হলে পুরো চিত্র বোঝা যাবে।”

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইতোমধ্যে নিবন্ধন করছেন প্রবাসীরা। দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, মিশর, মোজাম্বিক, লিবিয়া, মরিশাস, হংকং, ব্রাজিল, উগান্ডা, কঙ্গো, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, লাইবেরিয়া, বতসোয়ানা, কেনিয়া, রুয়ান্ডা, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, তানজানিয়া, সোমালিয়া, ঘানা, গিনি, মরক্কো, দক্ষিণ সুদান, চিলি, সিয়েরা লিওন, ইকুয়েডর, তাইওয়ান, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, গাম্বিয়া, পেরু, জিম্বাবুয়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবসহ বহু দেশ থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত নিবন্ধন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯২ হাজার ৭৭১ জনে।

    ইসি জানিয়েছে, অ্যাপে নিবন্ধনকারীদের ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠানো হবে পোস্টাল ব্যালট। ভোট দিয়ে নির্দিষ্ট ফিরতি খামে তা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। কমিশন বলছে, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হলে প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

  • বাংলাদেশ সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ

    বাংলাদেশ সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ

    অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের বাজারে স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের পর পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্রের রপ্তানিকারকরা চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। সীমান্তে আটকে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ দ্রুত নষ্ট হতে শুরু করেছে। এতে নাসিক থেকে ২২ রুপি খরচ করে আনা সেই পেঁয়াজ এখন মাত্র ২ রুপি কেজিতে ‘পানির দরে’ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

    ভারতীয় গণমাধ্যম ইটিভির এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে।

    শুক্রবার(২৮ নভেম্বর) মালদহের মাহাদিপুর-সোনামসজিদ সীমান্তে দেখা যায়, ৫০ কেজির বস্তা মাত্র ১০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। অথচ মালদহের স্থানীয় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ২০-২২ রুপি। মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে সীমান্তে এত কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারায় ক্রেতারা ছুটে আসছেন, কিন্তু এটি রপ্তানিকারকদের জন্য বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, বাংলাদেশি আমদানিকারকদের মৌখিক আশ্বাসের ভিত্তিতে ঘোজাডাঙ্গা, পেট্রাপোল, মাহাদিপুর ও হিলি সীমান্তে অন্তত ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ মজুত করা হয়েছিল। শুধু মাহাদিপুরেই ছিল প্রায় ২০ হাজার টন।

    ব্যবসায়ীদের দাবি, রপ্তানি স্বাভাবিক থাকলে প্রতি কেজিতে ৩০-৩২ রুপি দরে বিক্রি করে ৮-১০ রুপি লাভ হতো। এখন রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব পেঁয়াজ পচতে শুরু করেছে। ক্ষতি কমাতে প্রতিদিন শতাধিক শ্রমিক লাগিয়ে পচা পেঁয়াজ আলাদা করতে হচ্ছে।

    ব্যবসায়ী সাজিরুল শেখ বলেন, ২২ রুপি কেজি দরে নাসিক ও ইন্দোর থেকে পেঁয়াজ এনেছিলাম। এখন পচা শুরু করায় বাধ্য হয়ে ২, ৬ বা ১০ রুপিতে বিক্রি দিচ্ছি। আরেক ব্যবসায়ী জাকিরুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ পরিষ্কার জানিয়েছে, তারা এখন পেঁয়াজ নেবে না।

    মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, দু’মাস আগেও বাংলাদেশে রপ্তানি স্বাভাবিক ছিল, সেই ধারাবাহিকতায় মজুত করা ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ এখন তাদের মাথাব্যথার কারণ। অন্যদিকে, এত কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি হলেও ভারতীয় ভোক্তারা সন্তুষ্ট নন। মালদহের ক্রেতা খাইরুল হক বলেন, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের অবহেলায় বাজারের এই অবস্থা। ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত, আর খুচরা বাজারে দাম এখনও ২০-৩০ রুপি।

    কলকাতাসহ আশপাশের শহরে এখনও তুলনামূলক ভালো মানের পেঁয়াজ ২৫-৩০ রুপি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বিক্রেতাদের মতে, গুদামে থাকা স্টক বাজারে আসতে শুরু করলে দাম আরও কমে যেতে পারে।