Category: প্রচ্ছদ

  • আমার বাবা-মা ও বোনকেও হুমকি দেওয়া হতো

    আমার বাবা-মা ও বোনকেও হুমকি দেওয়া হতো

    বিনোদন ডেস্ক:     বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে বিবেক ওবেরয়ের বচসার কথা একটা সময়ে বলিউডের চর্চায় থাকত। সেই সময় সংবাদ সম্মেলন করে সালমানের নামে বেশ কিছু অভিযোগ করেছিলেন বিবেক। সংবাদ সম্মেলনের পর জীবন বদলে গিয়েছিল অভিনেতার। হাতছাড়া হয়েছিল বহু কাজ। আজও কি সেই ঘটনা মনে পড়ে বিবেকের? সম্প্রতি সেই কথা জানালেন অভিনেতা, এখন তিনি সেই অতীত হেসে উড়িয়ে দেন।

    এর আগে ২০০৩ সালে সংবাদ সম্মেলনে করে বিবেক ওবেরয় জানিয়েছিলেন, সালমান তাকে অনবরত হুমকি দিচ্ছেন। সেই সময়ে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন বলেই সালমান নাকি তাকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বলিউড সেই ঘটনায় চমকে গিয়েছিল।

    বিবেক বলেন, এখন আর আমি এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবি না। আমার সঙ্গে কী ঘটেছিল, মনেও রাখিনি আর। কিন্তু একটা বিষয় ভুলতে পারা খুব কঠিন ছিল। পুরো ঘটনায় আমার বাবা-মায়ের ওপর দিয়ে যা গিয়েছিল এবং ওদের প্রতিক্রিয়া যেমন ছিল, তা হেসে উড়িয়ে দিতে পারিনি। ওদের চোখের পানি ভুলে যাওয়া সহজ ছিল না।

    শুধু বিবেক একাই নন; তার পরিবারও পেয়েছিলেন একাধিক হুমকি বার্তা। অভিনেতা বলেন, এমন একটা সময় এসেছিল, যখন সবাই আমাকে বয়কট করেছিল। আমার সঙ্গে কেউ কাজ করতে চাইত না। বহু সিনেমা থেকে আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। আমার বাবা-মা ও বোনকেও হুমকি দেওয়া হতো।

    ব্যক্তিগত জীবনও বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিল বিবেকের। অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। অভিনেতা বলেন, খুব ভেঙে পড়েছিলাম। আর পাঁচজনের মতো আমিও মায়ের কাছে গিয়ে খুব কেঁদেছিলাম। বেশ কিছু দিন পর অভিনয়ে ফিরেছিলেন বলে জানান বিবেক ওবেরয়।

    উল্লেখ্য, খুব শিগগির বিবেককে দেখা যাবে ‘মাস্তি ৪’ সিনেমায়। ইতোমধ্যে ১ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। বিবেক ছাড়াও এ সিনেমায় আরও আছেন রিতেশ দেশমুখ, আরশাদ ওয়ারসি, জেনেলিয়া ডি’সোজা, নারগিস ফাখরি, তুষার কাপুর, শাহাদ রন্ধাভা, এলনাজ নুরুজি, রুহি সিং প্রমুখ।

  • ফাইনালে পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ

    ফাইনালে পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ

    খেলাধুলা ডেস্ক:        এশিয়া কাপের ১৭তম আসরের ফাইনাল আজ। গুরুত্বপূর্ণ এই ফাইনালে এশিয়ার এই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল দুটি এশিয়া কাপের ৪১ বছরের ইতিহাসে প্রথম ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে।

    দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনালে মাঠে নামার আগে কাগজে-কলমে এগিয়ে ভারত। তবে পাকিস্তানকেও হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। সর্বশেষ দুই দল ফাইনালে খেলেছিল ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। সেবার জিতেছিল পাকিস্তান।তবে এশিয়া কাপের চলতি আসরে দুর্দান্ত ফর্মে আছে ভারত। তারা এশিয়া কাপের এবারের আসরে টানা ৬ ম্যাচে দাপুটে জয়ে ফাইনালে। অন্যদিকে বাদ পরার শঙ্কা নিয়েই ফাইনাল পর্যন্ত এসেছে পাকিস্তান।

    টুর্নামেন্টজুড়ে ছন্দে না থাকলেও পাকিস্তান ফাইনালে জ্বলে উঠতে পারে। তারা অতীতে এমন দৃষ্টান্ত রেখেছে। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে এবং ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নড়বড়ে অবস্থায় থেকে ফাইনালে খেলে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান।

    এখন দেখার বিষয়, আজ ফাইনালে কোন একাদশ নিয়ে মাঠে নামবে পাকিস্তান।ফাইনালে পাকিস্তান দলে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। আগের ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে যে একাদশ পাকিস্তান খেলিয়েছে, সেই দলই আজ ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলাতে পারে পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্ট।

    আজ ফাইনালে ওপেনিংয়ে সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে খেলবেন ফখর জামান। তিনে খেলতে পারেন সাইম আইয়ুব। পাকিস্তানের বোলিং লাইনআপে নেতৃত্ব দেবেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। সঙ্গে আছেন হারিস রউফ, ফাহিম আশরাফ ও হুসাইন তালাত। স্পিনার হিসেবে আছেন আবরার আহমেদ।

    পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ: সালমান আগা (অধিনায়ক), সাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নেওয়াজ, আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, হারিস রউফ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি।

    ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: অভিষেক শর্মা, শুবমান গিল, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), তিলক বর্মা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), হার্দিক পান্ডিয়া/অর্শদীপ সিং, অক্ষর প্যাটেল, শিবম দুবে, কুলদীপ যাদব, যশপ্রীত বুমরাহ ও বরুণ চক্রবর্তী।

  • আজকের মুদ্রার রেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

    আজকের মুদ্রার রেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

    অর্থনীতি ডেস্ক:    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের কোটি মানুষ আছেন প্রবাসে। বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫) মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, রোববার দেশের মুদ্রা বাজারে ডলারের দাম ধরা হচ্ছে ২১.৮০ টাকা। গড় বিনিময় হার ১২১ টাকা ৭৫ টাকা। ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪২ টাকা ৪৫ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪২ টাকা ৫৪ পয়সা। *মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
    মুদ্রা ক্রয় (টাকা) বিক্রয় (টাকা)
    ইউএস ডলার ১২১.৭৫ ১২১.৮০
    পাউন্ড ১৬৩.১৪ ১৬৩.৩২
    ইউরো ১৪২.৪৫ ১৪২.৫৪

    জাপানি ইয়েন ০.৮১ ০.৮১
    অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৭৯.৭৯ ৭৯.৭৪
    সিঙ্গাপুর ডলার ৯৪.২১ ৯৪.৩৪
    কানাডিয়ান ডলার ৮৮.৩৩ ৮৮.৩৩
    ইন্ডিয়ান রুপি ১.৩৭ ১.৩৭
    সৌদি রিয়েল ৩২.২৫ ৩২.৫৯
  • পাকিস্তানে সেনা অভিযানে বাংলাদেশি যুবক নিহত

    পাকিস্তানে সেনা অভিযানে বাংলাদেশি যুবক নিহত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কারাকের দর্শখেলের শাহ সেলিম থানার কাছে সেনাবাহিনীর চালানো অভিযানে ওই যুবক নিহত হন।  অভিযানে মোট ১৭ জনকে হত্যা করে পাক সেনাবাহিনী।

    পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভি রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পাকিস্তানি সেনারা যে  ১৭ জনকে হত্যা করেছেন, তার মধ্যে একজন বাংলাদেশি রয়েছেন। কর্তৃপক্ষ তার পরিচয় নিশ্চিত করেছে।তার কাছ থেকে বাংলাদেশি পরিচয়পত্র, টাকা এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত জিনিসপত্র পাওয়া গেছে। এরমাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে তিনি বাংলাদেশি।আফগান সীমান্তবর্তী ওই অঞ্চলে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার মাধ্যমে সেখানে বিদেশিদের উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

    স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এর আগেও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে আরও দুই থেকে তিন বাংলাদেশি নিহত হন। তারা ধর্মীয় শিক্ষা নেওয়ার অজুহাত দিয়ে আফগানিস্তানে প্রবেশ করেছিলেন এরপর সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলেও দাবি করেছে তারা।

    শনিবারের এ অভিযানের বিষয়ে পাক সেনাবাহিনী জানায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (টিটিপি) ১৭ সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে তারা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খাইবার পাখতুনখোয়া কারাক বিভাগে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এখন জানা গেল, ওই ১৭ জনের মধ্যে এক বাংলাদেশিও আছেন।

    নিরাপত্তাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, গোয়েন্দা সূত্রে তারা জানতে পারেন দুর্গম ওই অঞ্চলে মোল্লা নাজির গ্রুপের সদস্যরা রয়েছেন। এরপর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইউনিট, স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ (এসএসজি) এবং কাউন্টার টেররিজম বিভাগের (সিটিডি) সদস্যরা সেখানে যৌথ অভিযান চালান।

    এই অভিযানটি দুইদিনব্যাপী চলেছে। ওই সময় টিটিপির সদস্যদের পাহাড়ি এলাকায় ঘিরে ফেলা হয়। অভিযান শেষে ১৭ জন নিহত হওয়ার ব্যাপারে জানতে পারেন তারা। অপরদিকে ১০ জন আহত হয়। অভিযানে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর তিন সদস্যও আহত হন।

  • ‘ডিম থেরাপি’ কি সত্যিই কার্যকর !

    ‘ডিম থেরাপি’ কি সত্যিই কার্যকর !

     অনলাইন ডেস্ক:   মানুষের রোগ-ব্যাধি ও দুর্ভাগ্যের সঙ্গে লড়াইয়ের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে ওঠার আগে মানুষ ভরসা রাখত প্রকৃতির উপাদান, আচার-অনুষ্ঠান কিংবা বিশ্বাসের ওপর। সেই বিশ্বাসে বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছিল ডিম। অনেক দেশে এখনো প্রচলিত আছে এক ধরনের লোকাচার—যা ‘ডিম থেরাপি’ নামে পরিচিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আসলেই কি ডিম দিয়ে রোগ সারানো সম্ভব, নাকি এটি শুধু কুসংস্কার?

    লোকবিশ্বাসে ডিম থেরাপি

    বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক গ্রামে দেখা যায়, কোনো শিশু অসুস্থ হলে বা কারও দৃষ্টিদোষ হয়েছে মনে হলে মাথার চারপাশে কাঁচা ডিম ঘোরানো হয়। পরে সেটি ভেঙে দেখা হয়—ধারণা করা হয়, খারাপ শক্তি বা ‘নজর’ ডিমের ভেতরে চলে গেছে।

    এমন প্রথা শুধু আমাদের অঞ্চলে নয়; মেক্সিকো, পেরু, কিউবা, ফিলিপাইনসহ লাতিন আমেরিকার দেশে লিম্পিয়া নামে একটি আচার প্রচলিত। সেখানে ডিম দিয়ে শরীর মুছে সেটি পানিতে ভাঙা হয় এবং ডিমের ভেতরের আকৃতি দেখে অসুখ বা দুর্ভাগ্যের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। অনেক সংস্কৃতিতে ডিমকে জীবনের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়, তাই ডিম ব্যবহার করে শুদ্ধিকরণের মাধ্যমে নেগেটিভ এনার্জি দূর হওয়ার বিশ্বাসও বিদ্যমান।

    ইতিহাসে ডিমের অবস্থান

    ডিমকে ঘিরে বিশ্বাস বহু পুরোনো। প্রাচীন মিশর ও গ্রিসে এটি ছিল উর্বরতা ও নতুন জীবনের প্রতীক। আবার মধ্যযুগীয় ইউরোপে কিছু সম্প্রদায় রোগ ও অশুভ আত্মা তাড়াতে ডিম ব্যবহার করত। ভারতীয় উপমহাদেশেও লোকজ চিকিৎসায় ডিমের ব্যবহার ছিল ব্যাপক।

    পুষ্টি ও সৌন্দর্যে ডিম

    ডিম প্রোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ হওয়ায় ডায়েটে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনেক সময় ডায়েট প্ল্যানকে মজা করে ‘ডিম থেরাপি’ বলা হয়।

    সৌন্দর্যচর্চায়—চুল ও ত্বকের যত্নে—ডিমের ব্যবহার প্রচলিত, যা অনেকে ‘থেরাপি’ বলে থাকেন।

    আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অবস্থান

    • ডিম থেরাপি কোনো বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা নয়।
    • ডিম ঘুরিয়ে অসুখ সেরে যায়—এমন কোনো প্রমাণ নেই।
    • ডিম ভেঙে রোগ নির্ণয়ের প্রচলন কেবল কুসংস্কার।
    • কাঁচা ডিম ব্যবহারে স্যালমোনেলা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে, যা বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য বিপজ্জনক।

    তবে ডিমের পুষ্টিগুণ বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত, নিয়মিত খেলে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সৌন্দর্যচর্চায় এর ব্যবহার ক্ষতিকর নয়, যদিও একে ‘থেরাপি’ বলা সঠিক নয়।

    কুসংস্কার নাকি সংস্কৃতি?

    সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, ডিম থেরাপির মতো প্রথা মানুষকে মানসিক স্বস্তি দেয়। অসুস্থ অবস্থায় এটি চিকিৎসার বিকল্প না হলেও রোগীর মনে ভরসা তৈরি করে, যা মনোবল বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

    অতএব, ডিম থেরাপি বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা নয়—এ বিষয়ে সন্দেহ নেই। তবে এটি মানুষের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের অংশ হয়ে আজও টিকে আছে। চিকিৎসার বিকল্প না হলেও লোকাচারের প্রতীক হিসেবে এর অস্তিত্ব অস্বীকার করা যায় না।

  • আমরা সঠিক নির্বাচনের শপথ নিয়েছি: সিইসি

    আমরা সঠিক নির্বাচনের শপথ নিয়েছি: সিইসি

    অনলাইন ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় মিলনায়তনে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বললেন, “আমরা একটা সঠিক নির্বাচনের শপথ নিয়েছি।” এসময় নিরপেক্ষভাবে কাজ করার জন্য সিইসি কর্মকর্তাদের হাত তুলে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে শপথ করতে বলেন। কর্মকর্তারা হাত তুলে সে শপথ করেন।

    নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “নির্বাচনে কারও পক্ষে অন্যায় বা বেআইনিভাবে নির্দেশনা দেবো না। আমাদের নির্দেশনা হবে সম্পূর্ণ আইনের বিধি মোতাবেক। আমরা যে শপথ করেছি সেটা আপনাদের কাছে ছড়িয়ে দিলাম। আমরা আমাদের শপথ রক্ষা করতে পারবো যদি আপনারা সঠিকভাবে কাজ করেন। দায়িত্ব আপনাদের কাছে দিয়ে দিলাম। আমাদের মাসুদ সাহেব (নির্বাচন কমিশনার) শপথের কথা বলেছেন, এখানে কোরআনের আয়াত আলোচনা হয়েছে। আমি অত বিস্তারিত আর যাবো না। আমরা শপথ নিয়েছি পাঁচজন। শপথ নিয়েছি, কিসের শপথ? একটা সঠিক নির্বাচনের শপথ।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি কিন্তু গত বছরের ২ মার্চ পহেলা রমজানে আপনাদের শপথ করিয়েছিলাম। আপনারা কিন্তু ওয়াদা করেছিলেন যে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং প্রফেশনালি কাজ করবেন, আইন মেনে কাজ করবেন। আমাদের ব্রিগেডিয়ার ফজল সাহেব (নির্বাচন কমিশনরা) বলেছেন যে আমরা কোনো রকমের কোনো অন্যায় ইন্সট্রাকশন এখান থেকে দেবো না। আমরা কিন্তু বেআইনি কোনো ইন্সট্রাকশন দেবো না। আমরা কাউকে ফেভার করার জন্য ইন্সট্রাকশন দেবো না। আমরা কারও পক্ষে কাজ করার জন্য ইন্সট্রাকশন দেবো না। আমাদের ইন্সট্রাকশন হবে সম্পূর্ণ আইনের বিধি মোতাবেক। আইন মোতাবেক, সঠিক কাজটি সঠিকভাবে করার নির্দেশনা আমরা দেবো। সঠিকভাবে আপনারা কাজ করবেন এটা নিশ্চিত করতে হবে। আপনারা কাজটা সঠিকভাবে করছেন এটা শুধু আপনাদের জন্য না, এটা দেশের জন্য করতে হবে।”

    ‘এবারের নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে হচ্ছে। তাই আমাদের বিশেষভাবে এটা মোকাবিলা করতে হবে। বিশেষভাবে এটাকে ফেইস করতে হবে। যারা বিদেশে আছেন তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবো। যারা জেলখানায় আছেন, যারা সরকারি কর্মকর্তা তাদের ভোটে আনার কথা ভাবছি। এই কাজগুলো নতুন। আমরা একসঙ্গে অনেক কাজ নিয়ে ফেললাম’-উল্লেখ করেন তিনি।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও যোগ করে বলেন, “কাজ আদায় করা ডিফিকাল্ট- এখন এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছি। আমরা অনেক চ্যালেঞ্জ নিচ্ছি, যার কিছু অদৃশ্য। আমি পজিটিভ মানুষ, নেগেটিভ কিছু দেখতে চাই না।”