Category: প্রচ্ছদ

  • ইসরাইলে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, যা বললেন ইয়াহিয়া সারি

    ইসরাইলে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, যা বললেন ইয়াহিয়া সারি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট দখলকৃত ইয়াফায় হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এতে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং লাখো ইসরাইলি আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যায় বলে দাবি করেছেন ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি।

    ইয়েমেনের আল-মাসিরাহ টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি ঘোষণা করেছেন যে ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট সফলভাবে ক্লাস্টার ওয়ারহেড সংযুক্ত ‘প্যালেস্টাইন–২’ নামের হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে দখলকৃত ইয়াফার সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

    সারি জানান, ক্লাস্টার-ওয়ারহেড বিশিষ্ট এ ক্ষেপণাস্ত্র অভিযানে সফলতা এসেছে, ফলে লাখো ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, গাজাকে ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সমর্থন দেওয়া থেকে ইয়েমেনিরা কখনো পিছিয়ে যাবে না।

    তিনি আরও বলেন, ‘জায়োনিস্ট শত্রু ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যে কোনো আগ্রাসন চালালে, তা আমাদের ফিলিস্তিনি ভাইদের সমর্থনে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে।’

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী গাজায় ভয়াবহ আগ্রাসন শুরু করে। তখন থেকেই ইয়েমেনিরা প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনের মুক্তির সংগ্রামে সমর্থন জানিয়ে আসছে।

    এদিকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় আরও ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।  এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৭৫৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সূত্র: মেহের নিউজ

  • জোরপূর্বক বিতাড়নের বেদনাদায়ক গল্প শোনালেন আফগান অভিবাসীরা

    জোরপূর্বক বিতাড়নের বেদনাদায়ক গল্প শোনালেন আফগান অভিবাসীরা

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    ভয়াবহ ভূমিকম্পের মধ্যেই আফগান শরণার্থীদের দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে পাকিস্তান। ভূমিকম্পের কারণে জাতিসংঘ গণহারে বিতাড়ন স্থগিত করার আহ্বান জানালেও তা শুনছে না। সময়সীমা শেষ হওয়ার অজুহাতে বিতাড়ন জোরদার করেছে দেশটি।

    টোলো নিউজ জানিয়েছে, গত কয়েকদিনে পাকিস্তান থেকে আফগান অভিবাসীদের জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর ঘটনা বেড়েছে। শরণার্থীদের আফগানিস্তানে ফেরত যাওয়ার জন্য ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল পাকিস্তান। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর থেকেই বিতাড়ানের হার তীব্র হয়েছে।

    স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিদিন হাজার হাজার পরিবারকে তোরখাম ক্রসিং দিয়ে আফগানিস্তানে নির্বাসিত করা হচ্ছে।

    পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডিতে একটি হোটেলের মালিক হাবিবুল্লাহ কয়েক দশক ধরে বসবাসের পর এখন সব সম্পত্তি এবং ব্যবসা হারিয়েছেন।  পরিবারসহ তাকে জোরপূর্বক নির্বাসিত করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, আমার নিজস্ব হোটেল এবং ব্যবসা ছিল, কিন্তু পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে মর্যাদার প্রশ্ন হয়ে ওঠে এবং আমি সবকিছু হারিয়ে ফেলি। হোটেল এবং ব্যবসা দুটিই শেষ হয়ে গেছে। আমাদের কিছু জিনিসপত্র আনতে পেরেছি, কিন্তু অনেক কিছুই রয়ে গেছে। সম্মানটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সেটি নিয়েই ফিরে এসেছি।

    বর্তমানে, পাকিস্তানে আফগানদের জীবনযাত্রা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

    সম্প্রতি ফিরে আসা অন্যান্য অভিবাসীরাও হঠাৎ পুলিশি অভিযান, চাঁদাবাজি এবং জোরপূর্বক আটকের কথা জানিয়েছেন।

    নির্বাসিতদের একজন খালিদ বলেন, কখনও কখনও তারা আমাদের আটকে রাখত, আবার কখনও টাকা দাবি করত। আমরা রাস্তায় বা বাজারে যেতে পারতাম না। তারা আমাদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিল।

    আরেক নির্বাসিত উমর গুল বলেন, তারা আমাদের অনেক জোর করেছে। আমরা সেখানে ৪৫ বছর ধরে বসবাস করেছি, কিন্তু আমরা কখনোই সত্যিকার অর্থে জীবন উপভোগ করতে পারিনি।

    নাঙ্গারহারের স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পাকিস্তান থেকে আফগান অভিবাসীদের বহিষ্কারের ঘটনা অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে।

    তোরখামের অভিবাসী প্রত্যাবাসন প্রধান বখত জামাল গওহর বলেন: ইসলামিক আমিরাতের সহায়তা পাওয়ার পর, প্রত্যাবর্তিতদের অংশীদার সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

    ইতোমধ্যে, পশতুন জাতীয়তাবাদী দলগুলো এবং সাবেক পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আফগানদের জোরপূর্বক বিতাড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু পাকিস্তান সরকার আরও দ্রুত গতিতে প্রক্রিয়াটি চালিয়ে যাচ্ছে।

    পাকিস্তান গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সোভিয়েত আক্রমণ থেকে শুরু করে ২০২১ সালের তালেবান ক্ষমতা দখল পর্যন্ত আফগান শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে।

    কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জঙ্গি হামলা ও সীমান্তে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির অভিযোগ তুলে ইসলামাবাদ ২০২৩ সালে শরণার্থীদের বহিষ্কারে অভিযান শুরু করে।

    জাতিসংঘের তথ্যানুসারে, ইতিমধ্যে ১২ লাখেরও বেশি আফগানকে ফেরত পাঠানো হয়েছে, এর মধ্যে চলতি বছরেই চার লাখ ৪৩ হাজারের বেশি।

  • কবি ফররুখ আহমদের বাড়িতে প্রেস সচিব

    কবি ফররুখ আহমদের বাড়িতে প্রেস সচিব

    অনলাইন ডেস্ক: মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এ সময় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যেই হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল গ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়া রেল সড়কের নির্মাণ কাজ দেখতে গিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন পেছানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের একটি কমিটমেন্ট। কেউ যদি বানচালের চেষ্টা করে, তার কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশে এই নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। প্রধান উপদেষ্টার কথায় এটি ফাউন্ডেশনাল ইলেকশন। যেটি সামনের নির্বাচনগুলোকে দিক-নির্দেশনা দেবে।

    নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রশ্নে তিনি বলেন, নির্বাচন সবাই মিলে করে। পুলিশ তার কাজ করবে। জনগণও তার কাজ করবে। উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলে কেউ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতে পারবে না। আমরা আশা করছি, নির্বাচন ফ্রি, ফেয়ার এবং পিসফুল হবে। সেটি করতে যা যা করার সেটি এই অন্তর্বর্তী সরকার করবে। নির্বাচনকালে সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুতে সবাই কাজ করে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, ৮ লক্ষ্যের ওপর পুলিশ, আনসার, বিজিবি এবং কোস্টগার্ড নিযুক্ত করা হবে। আশা করছি ভালো নির্বাচন হবে যেটি দেশগঠনে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে।

    সকালে মাগুরার মাঝাইল গ্রামে কবি ফররুখ আহমদের বাড়িতে যান প্রেস সচিব। এ সময় কবি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কবির জন্মভিটা অক্ষত রেখে রেল লাইনের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি কবি পরিবারকে প্রতিশ্রুতি দেন।

    শফিকুল আলম বলেন, কবির বাড়ি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এটিকে সুরক্ষা দিতে হবে। সে লক্ষ্যে কবির বাড়ির সীমানার অন্তত ১০ ফুট দূরে ওভারব্রিজের উপর দিয়ে রেল লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে করে কবির বাড়ি সুরক্ষিত থাকবে।

    এ সময় ফরিদপুরের মধুখালি থেকে মাগুরার সদর উপজেলার ঠাকুরবাড়ি পর্যন্ত ২৩.৯০ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আসাদুল হক, মাগুরা জেলা প্রশাসক অহিদুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে শহরে সনাতন ধর্মের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রেস সচিব। আসন্ন দুর্গাপূজা যেন শান্তিপূর্ণ হয় সেজন্য সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • কী আছে এই নতুন আইফোন ১৭ এয়ারে?

    কী আছে এই নতুন আইফোন ১৭ এয়ারে?

     অনলাইন ডেস্ক:     বাজারে এলো বহুল কাঙ্ক্ষিত আইফোন ১৭ সিরিজ। এই সিরিজে আইফোন ১৭ , আইফোন ১৭ প্রো, আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স এবং আইফোন ১৭ এয়ার। আইফোন ১৭ সিরিজ লঞ্চে সামনে এল আইফোন ইতিহাসের সবচেয়ে পাতলা ফোন, আইফোন এয়ার। ফোনটি চওড়ায় মাত্র ৫.৬ মিলিমিটার। ওজন মাত্র ১৬৫ গ্রাম।

    ৮০ শতাংশ রিসাইকেলড টাইটেনিয়াম দিয়ে তৈরি এই ফোনটি। এই ফোনের ৬.৫ ইঞ্চির সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে রয়েছে যার রেজোলিউশন ১২০ হার্জ পর্যন্ত। ফোনের উভয় দিকেই রয়েছে প্রো-সেরামিক শিল্ড। এর ফলে ফোন ভাঙার সম্ভাবনা আরও চারগুণ কম। তবে আয়তনে সরু হলেও, অ্যাপেল কর্তৃপক্ষের দাবি আইওএস ২৬-র অ্যাডাপটিভ পাওয়ার ফিচার এবং এন১ ওয়ারলেস চিপ থাকায় এটির ব্যাটারি খরচও কম হবে।

    ফোনে এআইয়ের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাক ব্রুক প্রো স্তরের পারফরম্যান্সের দাবিও করা হয়েছে। এই ফোনের ব্যাটারি থাকছে ৩১৪৯ এমএএইচ। ফোনের ব্যাক ক্যামেরায় থাকছে ৪৮ মেগাপিক্সেল ফিউসন ক্য়ামেরা সিস্টেম। সঙ্গে ১৮ মেগাপিক্সেল সেন্টার স্টেজ ফ্রন্ট ক্যামেরাও রয়েছে।

    এই ফোনে বিশ্বজুড়ে উৎপাদিত কোনো মডেলেই সিমের আলাদা কোনো স্লট রাখা হবে না। কেবল ই-সিমই ব্যবহার করা যাবে। কালো, সাদা, হালকা সোনালি এবং আকাশি নীল, এই চার রঙে পাওয়া যাবে এই ফোনটি। বিশ্ববাজারে এই ফোনের দাম ৯৯৯ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর দাম ১ লাখ ২২ হাজার থেকে শুরু। তবে দেশে এর দাম আরও কিছুটা বেশি হতে পারে।

  • চিয়া সিডের সঙ্গে এই খাবারগুলো খাওয়া হতে বিরত থাকুন

    চিয়া সিডের সঙ্গে এই খাবারগুলো খাওয়া হতে বিরত থাকুন

    অনলাইন ডেস্ক:    চিয়া সিড তার অনন্য পুষ্টিগুণের জন্য পরিচিত। যেহেতু এটি আমাদের খাদ্যতালিকায় প্রাধান্য পাচ্ছে, তাই কীভাবে খেলে স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী হবে তা জানাও গুরুত্বপূর্ণ। সব ধরনের খাবার চিয়া সিডের সঙ্গে ভালোভাবে মেশে না। কিছু সংমিশ্রণ হজম এবং পুষ্টির শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন খাবারগুলো চিয়া সিডের সঙ্গে মিশিয়ে খাবেন না-

    ১. মিল্কশেক এবং ফুল ফ্যাট ডেইরি প্রোডাক্ট

    চিয়া সিড তরল পদার্থের সঙ্গে মিশ্রিত হলে প্রসারিত হয় এবং জেলের মতো ঘনত্ব তৈরি করে। যদি আপনার অন্ত্র সংবেদনশীল হয়, তাহলে ফুল ফ্যাট ডেইরি প্রোডাক্টের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে পেট ফাঁপা হতে পারে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণাপত্রে তুলে ধরা হয়েছে যে, উচ্চ-চর্বিযুক্ত খাবার হজমকে ধীর করে দেয়, যার ফলে শরীরের জন্য চিয়া সিডের ফাইবার প্রক্রিয়া করা কঠিন হয়ে পড়ে। পাচনতন্ত্রকে সুচারুভাবে কাজ করতে সাহায্য করার জন্য চিয়া সিড এবং ফুল ফ্যাট ডেইরি প্রোডাক্ট আলাদাভাবে খাওয়া ভাল।

    ২. ডুবো তেলে ভাজা খাবার

    পাকোড়া, সমুচা বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই চিয়া সিডের সঙ্গে খাবেন না। ২০২১ সালের একটি গবেষণাপত্র অনুসারে, চিয়া সিড হজমশক্তি বাড়ায়, ভাজা খাবার তা ধীর করে দিতে পারে। এই মিশ্রণটি অস্বস্তি, অ্যাসিডিটি বা বদহজমের কারণ হতে পারে। ফলের মতো হালকা খাবারের চিয়া সিডের মিশ্রণ স্বাস্থ্যকর হজমশক্তি বাড়ায় এবং এর পুষ্টিগুণ সর্বাধিক করে তোলে।

    ৩. সাদা ভাত

    চিয়া সিড ফাইবার সমৃদ্ধ, অন্যদিকে সাদা ভাত মূলত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট এবং খুব কম ফাইবারযুক্ত। এগুলো একসাথে খেলে হজমে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ পাবলিক হেলথ কর্তৃক প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চিয়া সিড হজমশক্তি কমিয়ে দিলেও সাদা ভাত দ্রুত হজম হয়, যা সিস্টেমকে বিভ্রান্ত করে। এই মিশ্রণটি বেশি পরিমাণে খেলে পেট ফাঁপা বা পেট খারাপ হতে পারে।

    ৪. কলা

    কলা একটি স্বাস্থ্যকর খাবার, তবে চিয়া সিডের সঙ্গে অতিরিক্ত মিশিয়ে খেলে তা ক্ষতিকারক হতে পারে। ২০২১ সালের একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, কলা দ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ, চিয়া বীজেও দ্রবণীয় ফাইবার প্রচুর পরিমাণে থাকে। এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যেতে পারে, যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেট ভারী ভাব দেখা দিতে পারে। মাঝে মাঝে কলা-চিয়া স্মুদি খাওয়া যেতে পারে, কিন্তু যদি আপনার অন্ত্র সংবেদনশীল হলে প্রতিদিন খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

    ৫. অতিরিক্ত চিনি

    হালুয়া, কেক বা মিষ্টি স্মুদির মতো চিনিযুক্ত মিষ্টিতে চিয়া সিড যোগ করলে এর উপকারিতা কমে যায়। অতিরিক্ত চিনি হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং চিয়া সিডে থাকা ফাইবার এই প্রভাবের সঙ্গে সংঘর্ষ করতে পারে। যাদের অন্ত্র সংবেদনশীল, তাদের জন্য এই মিশ্রণটি অস্বস্তিকর হতে পারে।

  • সমুদ্রগামী জাহাজ আমদানিতে মূসক অব্যাহতির সিদ্ধান্ত

    সমুদ্রগামী জাহাজ আমদানিতে মূসক অব্যাহতির সিদ্ধান্ত

    অনলাইন ডেস্ক:  ৫ হাজার ডিডব্লিউটির বেশি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সমুদ্রগামী জাহাজ আমদানিতে আরোপিত সাড়ে ৭ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন।

    পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ৫ হাজার ডিডব্লিউটির বেশি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সমুদ্রগামী জাহাজ আমদানিতে আমদানি পর্যায়ে আরোপিত সাড়ে ৭ শতাংশ মূসক অব্যাহতির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    তিনি বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ মনে করছে, এ অব্যাহতির ফলে সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতেই জাহাজ সংগ্রহ সহজ হবে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থানে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এটা শুধু ব্যবসার জন্য নয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    সভায় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থনের প্রসঙ্গও গুরুত্ব পায়।

    এ বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, আমরা ফিলিস্তিনি প্রশ্নে সবসময়ই স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছি। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ আয়োজিত ‘হাই লেভেল ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন দ্য পিসফুল সেটেলমেন্ট অব দ্য কোশ্চেন অব প্যালেস্টাইন’ সম্মেলনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন। এ ছাড়া আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর দোহায় ওআইসির জরুরি সম্মেলনে অংশ নেবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

    সংস্কার কমিশনের অগ্রগতির বিষয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ প্রসঙ্গে প্রেস সচিব জানান, এ পর্যন্ত ৫১টি সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়েছে, ৩৭টি সুপারিশ আংশিক বাস্তবায়নের পথে এবং বাকি সুপারিশগুলোও বাস্তবায়নাধীন। কিছু সুপারিশ রাজনৈতিক প্রকৃতির, যা নির্বাচিত সরকারের সময় বাস্তবায়ন করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, অনেকে ভুলভাবে মনে করছেন যে সংস্কার হচ্ছে না। আসলে প্রতিটি মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে বড় বড় সংস্কার করছে। ব্যাংকিং, এনার্জি, রাজস্ব, শ্রম—প্রায় সব খাতেই সংস্কার হয়েছে এবং এগুলো অব্যাহত আছে।

    সভায় শ্রম খাতের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। প্রেস সচিব বলেন, শ্রম কমিশনের ৮২টি সুপারিশের অনেকগুলো ইতোমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে। শ্রম আইন সংশোধন হলে বাকি সুপারিশগুলোর বেশিরভাগই কার্যকর হয়ে যাবে। আমাদের শ্রম মন্ত্রণালয় আইএলও’র সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। গত বছর যে ১৮ দফা ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে, সেটা বড় অর্জন। ওই অনুযায়ী শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তও কার্যকর হয়েছে।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।