Category: প্রচ্ছদ

  • ৭১৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা কেসিসির

    ৭১৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা কেসিসির

    অনলাইন ডেস্ক:  চলতি অর্থবছরের জন্য ৭১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে বাজেট ঘোষণা করেন প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার ফিরোজ সরকার।

    রাজস্ব তহবিল থেকে আয় ধরা হয়েছে ৪৫৫ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। অনুদান ধরা হয়েছে ১৩০ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

    এবারের বাজেটে নতুন কোনো করারোপ করা হয়নি। জোর দেওয়া হয়েছে জলাবদ্ধতা নিরসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিধন ও নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট দাঁড়িয়েছিল ৬১৮ কোটি টাকা। বাজেট অর্জনের হার ছিল ৬৩ শতাংশ।

    প্রশাসক জানান, দেশের অস্থিরতা ও আর্থিক দৈন্যতার কারণে এবং সরকারের কাছ থেকে আশানুরূপ বরাদ্দ না পাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তবে তার আশা, চলতি বাজেটে নগরবাসীর প্রত্যাশা অনেকখানি পূরণ হবে।

  • হেলিকপ্টারের দড়িতে ঝুলে পালিয়েছেন নেপালের মন্ত্রীরা!

    হেলিকপ্টারের দড়িতে ঝুলে পালিয়েছেন নেপালের মন্ত্রীরা!

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে শুরু করেছে নেপালে জেন-জি বিক্ষোভের নানান ধরনের ফুটেজ। আন্দোলনের জেরে দেশটির মন্ত্রীদের পালিয়ে যাওয়ার ভিডিও পাওয়া গেছে বেশ কয়েকটি। এরমধ্যে একটি ভিডিওতে দেশটির মন্ত্রী এবং তার পরিবারের সদস্যদের একটি সেনা হেলিকপ্টার থেকে ফেলা দড়ি (রেসকিউ স্লিং) আঁকড়ে থাকতে দেখা গেছে।

    বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমজুড়ে ভাইরাল এ ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে।

    এতে দেখা যায়, মন্ত্রীর বাড়ির ওপর একটি হেলিকপ্টার উড়ছে। সেখান থেকে ফেলা উদ্ধার স্লিং আঁকড়ে ধরে আছেন মন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা। এরপর তাদের নিয়ে নিরাপদে স্থান ত্যাগ করে উড়োযানটি। এসময় আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।

    নেপালে বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই পুড়িয়ে দেয়া হয় একাধিক মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তার বাড়ি। অনেককে প্রকাশ্যে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতও করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই পালানোর পথ বেছে নেন অনেকে।

    ঘটনার সূত্রপাত হয় নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা জারির পর। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জেন-জি প্রজন্মের তরুণরা বিক্ষোভে নামে। দ্রুত তা সহিংসতায় রূপ নেয়। মঙ্গলবার রাজধানীজুড়ে সরকারি-বেসরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর শুরু করে বিক্ষোভকারীরা। এর মধ্যেই পদত্যাগে বাধ্য হন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি কারফিউ জারি করে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। সেনাবাহিনী রাজধানীতে টহল শুরু করেছে এবং জনগণকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর না ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

  • সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়েই জাতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: সালাহউদ্দিন

    সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়েই জাতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: সালাহউদ্দিন

    অনলাইন ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের নানা অর্জন ও ব্যর্থতার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকারের সাফল্য থাকলেও যদি একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব না হয়, তবে সেই অর্জনের কোনো মূল্য থাকবে না। তিনি মনে করেন, সংবিধান সংশোধন, সংস্কার বাস্তবায়ন ও নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা—সবকিছু মিলিয়েই জাতীয় জীবনের প্রধান প্রশ্ন এখন নির্বাচন।

    বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নাগরিক কোয়ালিশন আয়োজিত ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য আয়োজন করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচন কমিশন যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, তার কাজও সেই সময়সূচি অনুযায়ী এগোচ্ছে।

    সংবিধান সংশোধনের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কেবল নির্বাচিত জাতীয় সংসদই সংশোধনী অনুমোদনের ক্ষমতা রাখে। অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় তা হলে তা আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে বিএনপি অতীতেই ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছিল, যার বেশিরভাগই ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তার দাবি, সংস্কারগুলো আংশিকভাবে এখনই বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং বাকিগুলোও ধাপে ধাপে কার্যকর হবে।

    সালাহউদ্দিন বলেন, “অনেকে বলেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে না। কিন্তু বিএনপি যে সরকার গঠন করবে—এটা কি কেউ শপথ করে বলেছে? বাস্তবায়নের দায়িত্ব যারাই সংসদে থাকবে, তাদেরই। আমাদের দলের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুত সংস্কার বাস্তবায়ন অবশ্যই করতে হবে।”

    তিনি আরও জানান, নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত রাখতে কমিশন গঠন প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা, বিচার বিভাগের প্রতিনিধি, ডেপুটি স্পিকার ও বিরোধী দলের একজন প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকারের কিছু সাফল্য আছে, আবার কিছু ব্যর্থতাও আছে। তবে গণতন্ত্র রক্ষার সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ হবে একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, স্বাধীন বিচার বিভাগ, কেয়ারটেকার সরকারের ভূমিকা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। এগুলো নিশ্চিত করতে পারলেই আর কোনো সংসদ ফ্যাসিবাদী আচরণ করতে পারবে না।”

    নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে সংসদে নারীদের জন্য সরাসরি নির্বাচনে অন্তত ১০ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে সামাজিক বাস্তবতার কারণে নারী অংশগ্রহণ এখনও সীমিত।

    জুলাই গণহত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, “এ বিচার যে সরকারই থাকুক থেমে থাকবে না। বিচার তার নিজস্ব বিচারিক প্রক্রিয়াতেই এগোবে।”

    গোলটেবিল বৈঠকে অন্যান্য বক্তারাও মনে করেন, ভোট নিয়ে জনগণের দুশ্চিন্তা দূর করা সরকারের দায়িত্ব। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত না হলে জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের অগ্রগতি সম্ভব নয়।

  • জুলাই সনদের ভিত্তিতেই নির্বাচন হবে: তাহের

    জুলাই সনদের ভিত্তিতেই নির্বাচন হবে: তাহের

    অনলাইন ডেস্ক: রাজনৈতিক ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে গৃহীত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আলোচনা এগোচ্ছে। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আয়োজিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে মত দেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের স্পষ্টভাবে জানান, জুলাই সনদের ভিত্তিতেই দেশের আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এ বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য একাধিক প্রস্তাব উপস্থাপন করে। প্রাথমিকভাবে বিশেষজ্ঞ প্যানেল পাঁচটি উপায়ের সুপারিশ দেয়—অধ্যাদেশ, নির্বাহী আদেশ, গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের আলোকে সুপ্রিম কোর্টের মতামত গ্রহণ।

    আলোচনায় দলগুলোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন মতামত উঠে আসে। জামায়াতে ইসলামী বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেয়। গণসংহতি আন্দোলন আদালতের মতামত নিয়ে সংসদ সংস্কারের বাধ্যবাধকতা তৈরি করার মতো আইনের পক্ষে মত দেয়। অন্যদিকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সরাসরি আগামী সংসদেই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়।

    কমিশনের আলোচনায় আরও উল্লেখ করা হয়, পূর্ণাঙ্গ সনদ বা এর কিছু অংশ গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদন, রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতাবলে বিশেষ সাংবিধানিক আদেশে বাস্তবায়ন, কিংবা সংসদকে সংবিধান সংস্কার সভারূপে প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমেও সনদের ধারা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব।

    বিস্তারিত পর্যালোচনার পর কমিশন চারটি কার্যকর পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ করে—অধ্যাদেশ, নির্বাহী আদেশ, গণভোট এবং বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ। ফলে রাজনৈতিক মহলে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এখন এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রে অবস্থান করছে।

  • ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়া প্রার্থীদের আইন উপদেষ্টার অভিনন্দন

    ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়া প্রার্থীদের আইন উপদেষ্টার অভিনন্দন

    অনলাইন ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ডাকসু নির্বাচনে ফলাফল মেনে নেয়া অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    আইন উপদেষ্টা বুধবার তার ভেরিফাইড ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনে বিজয়ী ছাত্র শিবিরের নেতাদের অভিনন্দন। স্বতন্ত্র প্রার্থী  যারা জিতেছেন তাদের অভিনন্দন। অভিনন্দন এই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়া অংশগ্রহণকারীদের।’

    তিনি বলেন, ‘ছাত্র শিবিরের বিশাল বিজয় নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে এখন। আমি শুধু একটা কথা বলবো। এই নির্বাচনের মাধ্যমে ট্যাগ দেয়ার রাজনীতির ভূমিধস পরাজয় হয়েছে। শেখ হাসিনার আমলে শিবির ট্যাগ নিয়ে অগণিত শিবির কর্মী ও সাধারণ ছাত্রদের প্রতি অমানুষিক নির্যাতন হয়েছে। শিবির সন্দেহে পেটানোর পর পুলিশে সোপর্দের ঘটনা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।’

    আমি এর তীব্র প্রতিবাদ করেছি উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘নানা হুমকি ও আক্রমণ এসেছে, কখনো থামিনি। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই থিমের ওপর ‘আমি আবুবকর’ নামের উপন্যাসও লিখেছি। এক বইমেলাতেই এটি ১১ বার মুদ্রণ করতে হয়েছিল। তখন এর কারণ বুঝিনি, এখন বুঝতে পারছি।’

    ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘শিবিরের নেতাদের প্রতি আমার অনুরোধ, গণঅভ্যুত্থানকারী সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করুন।’

    তিনি বলেন, ‘সলিমুল্লাহ হলে জুম্মার নামাজ পড়তে যাওয়ার সময়ে হলের ভেতর দিয়ে যেতাম। বারান্দায় চৌকি, মশারি আর ভাঙ্গা টেবিল চেয়ার দেখে বস্তির মতো লাগতো। ক্যান্টিন দেখে মনে হতো লঙ্গরখানা আর রুমগুলোর ভেতর তো উকি দিতেই ইচ্ছে হতো না। কত কিছু নেই আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কত সমস্যা এখানে। আশা করি ফ্যাসিস্টমুক্ত এই বাংলাদেশে ঢাবি’র অন্তত আবাসিক শিক্ষার্থীদের কিছু গুরুতর সমস্যা আপনারা দূর করে যাবেন।’

  • ক্যাডার কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের মেয়াদ ৪ মাস নির্ধারণ

    ক্যাডার কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের মেয়াদ ৪ মাস নির্ধারণ

    অনলাইন ডেস্ক: ক্যাডার কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছয় মাস থেকে কমিয়ে চার মাস করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন মাস প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে এবং এক মাস মাঠপর্যায়ে ওরিয়েন্টেশন ও গ্রাম সংযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় প্রশিক্ষণ কাউন্সিলের নবম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সভায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, কর্মকর্তাদের মাস্টার্স ও পিএইচডি কোর্সে ভর্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৪৭ বছর করা হবে। পিএইচডি কোর্সে অধ্যয়নকালে প্রতি বছর তত্ত্বাবধায়কের অগ্রগতিমূলক প্রত্যয়ন মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে, অন্যথায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বেতন বন্ধ রাখা হবে।

    সভায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকারি যত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে সেগুলোর ওপর মূল্যায়ন করতে হবে। কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, প্রশিক্ষণের ধরন-মান ইত্যাদির মানদণ্ড নির্ধারণ করে ক্যাটাগরিভিত্তিক প্রতিটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে র‌্যাংকিং করতে হবে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘একটি স্বাধীন ইউনিট গঠন করতে হবে। তারা সমস্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ওপর পদ্ধতিগতভাবে, স্বাধীনভাবে মূল্যায়ন করবে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক দর্শন জানতে হবে। সেগুলো সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না দেখতে হবে। সরকারি কর্মকর্তারা যারা বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন তাদের তথ্য সেখানে থাকবে।’

    সভায় সঞ্জীবনী প্রশিক্ষণের নাম পরিবর্তন করে ‘দক্ষতা নবায়ন প্রশিক্ষণ’ করার সিদ্ধান্ত হয়। এ প্রশিক্ষণ হালনাগাদকৃত কারিক্যুলামে মাঠপর্যায়ে সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আয়োজন করা হবে। এছাড়া উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা আংশিক বৃত্তিপ্রাপ্ত হলেও প্রেষণ অনুমোদন করা যাবে।

    কর্মচারীদের সততা ও নৈতিকতা বিকাশ এবং দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব তৈরিতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে সদ্গুণ, নৈতিকতা, আচরণবিজ্ঞান ও আচরণবিধি অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক মূল্যায়ন এবং প্রশিক্ষণ বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে গবেষণা, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সভায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে সভাপতি করে একটি নির্বাহী কমিটি (ইসিএনটিসি) গঠন করা হয়।

     

    সূত্র: বাসস