Category: প্রচ্ছদ

  • ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়ার সাংগঠনিক পদ আগামী এক মাস স্থগিত

    ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়ার সাংগঠনিক পদ আগামী এক মাস স্থগিত

    নিউজ ডেস্ক:    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়ার সাংগঠনিক পদ আগামী এক মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

    রোববার (১৫ জুন) ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলমের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়ার সাংগঠনিক পদ আগামী এক মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

  • ৪ দিনে বাসে অতিরিক্ত আদায়কৃত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ভাড়া যাত্রীদের ফেরত

    ৪ দিনে বাসে অতিরিক্ত আদায়কৃত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ভাড়া যাত্রীদের ফেরত

    স্টাফ রিপোর্ট :  জয়পুরহাটে অভিযান চালিয়ে ৪ দিনে বাসে অতিরিক্ত আদায়কৃত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ভাড়া যাত্রীদের ফেরত দিয়েছে সেনাবাহিনী।

    ১১ পদাতিক ডিভিশন জানায়, ঈদের ছুটিতে ঢাকাগামী বিভিন্ন পরিবহণ নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে ১০ জুন থেকে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের কালাই ও ক্ষেতলাল এলাকায় পৃথক চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। যাত্রীদের টিকিট যাচাই-বাছাইয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার প্রমাণ পেলে পরিবহন কোম্পানীকে টাকা ফেরত দিতে বাধ্য করা হয়।

    গত চারদিনে প্রায় ৬শ যাত্রীকে বাস ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে। এদিকে, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে চারটি বাসকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

  • উত্তরায় র‍্যাব পরিচয়ে নগদ-এর ডিস্ট্রিবিউটরের এক প্রতিনিধিদের কাছ থেকে টাকা ছিনতাই

    উত্তরায় র‍্যাব পরিচয়ে নগদ-এর ডিস্ট্রিবিউটরের এক প্রতিনিধিদের কাছ থেকে টাকা ছিনতাই

    নিউজ ডেস্ক:  রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব পরিচয়ে মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’-এর ডিস্ট্রিবিউটরের এক প্রতিনিধিদের কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৪ জুন) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভুক্তভোগী ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এ সময় একটি কালো মাইক্রোবাস মোটরসাইকেলটির গতিরোধ করে। এরপর ওই মাইক্রোবাস থেকে র‍্যাবের পোশাক পড়া কয়েকজন ব্যক্তি বেরিয়ে ভুক্তভোগীকে ধড়ার চেষ্টা করে। তখন ভুক্তভোগী ব্যক্তি দৌড় দিলে র‍্যাবের পোশাক পড়া ব্যক্তিরাও পেছনে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে তারা তাকে ধরে ফেলে। পরে ভুক্তভোগীকে মাইক্রোবাসে ওঠিয়ে নিয়ে চলে যায় তারা।

    ভুক্তভোগী জানান, ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যাওয়ার পথে একটি কালো মাইক্রোবাসে করে আসা একদল ব্যক্তি নিজেদের র‍্যাব সদস্য পরিচয় দিয়ে তার পথরোধ করে। পরে টাকাভর্তি ব্যাগসহ তাদের গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে তাকে উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরে ফেলে রেখে চলে যায়।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনার অনুসন্ধানে কাজ চলছে।

    নগদ-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিনের কালেকশন নির্ধারিত ব্যাংকে জমা দিতে প্রতিনিধি রওনা দিয়েছিল। এ সময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গাড়ীতে তুলে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

  • টানা ১৮ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

    টানা ১৮ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

    নিউজ ডেস্ক:  টানা ১৮ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শনিবার (১৪ জুন) হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা শুরু হয়েছে।

    প্রবেশমুখে পুলিশ সদস্যদের যাচাই শেষে রোগীদের হাসপাতালে ঢুকতে দেয়া হয়েছে। গত ২৮ মে, হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সঙ্গে চিকিৎসক-নার্স-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় সব চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়ে যায়। ৪ জুন থেকে জরুরি বিভাগে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছিল। এই কয়েকদিন হাসপাতালে কোনো ধরণের রোগী ভর্তি কিংবা অপারেশন করা হয়নি। সরকার গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের ছাড়পত্র দিলেও তারা হাসপাতাল ছাড়ছিলেন না। সংঘর্ষের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া হাসপাতালেই ছিলেন ৫ জন।

    জুলাই আন্দোলনে আহত ৫ জনের ছাড়পত্র প্রস্তত, অনুমতি না নিয়ে ঈদে বাড়ি ফেরা ৫০ জনকে পলাতক হিসেবে পুলিশকে জানানো হয়েছে

    হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. জানে আলম জানান, জুলাই আন্দোলনে আহত ৫ জনের ছাড়পত্র প্রস্তত। বাকি ৫০ জন কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজেদের চিকিৎসা ফাইলসহ ঈদের সময় হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাওয়ায় তাদের পলাতক দেখিয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে।

  • দাম নিয়ে আড়তদারদের আশ্বস্ত করলেন ট্যানারি মালিকরা

    দাম নিয়ে আড়তদারদের আশ্বস্ত করলেন ট্যানারি মালিকরা

    অর্থনীতি ডেস্ক:  কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণে লবণ লাগানোর কাজ শেষ করেছেন আড়ত মালিকরা। এবার ঢাকাসহ সারাদেশে এভাবে চামড়া সংরক্ষণ করা হয়েছে ৯০ লাখ পিসের ওপরে। এসব চামড়া এখন চলে যাবে সাভারের ট্যানারি পল্লীতে।

    কয়েক দিনের মধ্যেই চামড়া সংগ্রহ শুরু করবেন কারখানা মালিকরা। প্রথমে ঢাকার চামড়া কিনবেন তারা। পর্যায়ক্রমে কেনা হবে ঢাকার বাইরের চামড়া।

    বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেছেন, পোস্তা, আমিন বাজারসহ বিভিন্ন আড়তে ঢাকার ভেতরে যে চামড়াগুলো আছে, সেগুলোর কেনাকাটা শুরু হবে আগামী ছয়-সাত দিনের মধ্যে। এখন যেহেতু একটা লম্বা ছুটি আছে, সেই কারণে প্রক্রিয়াটা একটু ধীরে হবে।

    সমতা লেদারের পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, একটা চামড়ায় যদি লবণ লাগানো হয়, তার থেকে তিন-চার দিন সময় নেয় পানিগুলো সরে যেতে। সেই ক্ষেত্রে আমরা প্রথমে ঢাকা শহরের চামড়াগুলো সংরক্ষণ করবো। আমরা আশা করতেছি, আগামী শনি বা রোববার থেকে হয়তো আমাদের লোকজন বিভিন্ন হাট-ঘাটে যাওয়া শুরু করবে।

    এদিকে, পশুর চামড়ার সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। ঢাকায় গরুর চামড়ার সর্বনিম্ন দাম সাড়ে ১৩শ’ এবং ঢাকার বাইরে সাড়ে ১১শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    তবে ট্যানারি শিল্প মলিকরা বলছেন, পিস হিসেবে নয়, ফুট হিসাব করে চামড়া কিনবেন তারা। চামড়ার গুণগত মান ঠিক থাকলে সরকার নির্ধারিত দাম পাবেন আড়ত মালিকরা।

    শাহীন আহমেদ বলেছেন, পিস হিসেবে চামড়া কিনবো না। আমরা ফুট মেপে স্কয়ার ফিট হিসেবে যে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ঢাকার চামড়া, ঢাকার বাইরে ৫০ থেকে ৫৫ টাকার ভেতরে লবণযুক্ত চামড়া কিনবো। সরকার যে দামটা দিয়েছে, আমরা মনে করি সেটা একটু অধিক। ছোট চামড়ার দাম যদি ১৩৫০ টাকা দিয়ে থাকে, তো আমরা স্কয়ার ফিট হিসেবে ক্যালকুলেশন করে কিনবো চামড়া।

    মিজানুর রহমান বলেন, আমরা আশঙ্কা করতেছি ১৫ থেকে ২০ শতাংশ চামড়া এই বছর লাম্পি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত। আমাদের কোরবানি হয়ে গেছে ইতোমধ্যে এবং চামড়াগুলোও সল্টিং হয়ে গেছে। সুতরাং এই চামড়াগুলোর গুণগত মান অনেক অনেক কম। এগুলো আমরা কোনও অবস্থায় রফতানি করতে পারি না। তবে লবণযুক্ত চামড়া যারা বেচাকেনা করে কারণ তারা খুবই প্রফেশনাল। তাদের সাথে আমাদের যে বার্গেনিংটা হয় এটা প্রফেশনাল বার্গেনিং হয়। সুতরাং সেই জায়গাটায় আমাদের খুব একটা সমস্যা হয় না তাদের সাথে কেনাকাটা করতে। আমরা আশা করতেছি, সরকার নির্ধারিত দামে আমরা চামড়াগুলো সংগ্রহ করতে পারবো।

    দাম নিয়ে দর কষাকষি হলেও চামড়া কিনে আড়ত মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলেও জানিয়েছেন ট্যানারি শিল্প মালিকরা।

  • শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এখন ভারতে

    শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এখন ভারতে

    নিউজ ডেস্ক:   ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এখন ভারতে অবস্থান করছেন। মায়ের সঙ্গে দেখা করতেই ঈদুল আজহার আগের দিন, অর্থাৎ গত শুক্রবার (৬ জুন) তিনি ভারতে এসেছেন।

    গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুতির পর বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ছেলে জয়ের এটিই প্রথম সাক্ষাৎ।

    ভারতের নিরাপত্তা এজেন্সিগুলোর একাধিক সূত্র এবং দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতার বরাতে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    তবে সূত্রগুলো বলছে, ক্ষমতা হারানোর পর মা-ছেলের এই সাক্ষাৎ অনেকটাই পারিবারিক, যতটা না রাজনৈতিক।

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সজীব ওয়াজেদ জয়ের বাংলাদেশি পাসপোর্ট বাতিল করে দেয়।

    কিন্তু সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট পেয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তার কয়েক দিন আগেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পান। গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর থেকেই জয়ের ভারত ভ্রমণ নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে, তা কয়েক মাস পরে ভারতে জয়ের আসার কথা ছিল। কিন্তু তিনি তার সফর এগিয়ে আনেন।

    ভারতে পৌঁছে বিমানবন্দর থেকে যথাযথ নিরাপত্তা দিয়েই তাকে সেখানে পৌঁছিয়ে দেয়া হয়, শেখ হাসিনা যে গোপন ঠিকানায় আছেন। ওই ঠিকানায় শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানাও রয়েছেন।

    এছাড়া, শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলও কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকেন। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও-র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক। তার সঙ্গে ভাই জয়ের দেখা হয়েছে কি না, সেটা কোনো সূত্র থেকেই নিশ্চিত করা যায়নি বলে বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

    এদিকে, ভারত সফরে এসে জয় কলকাতায়ও আসতে পারেন বলে শোনা গিয়েছিল। কলকাতা এবং তার আশপাশের এলাকায় অবস্থান করা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা, সাবেক এমপি ও মন্ত্রী এবং দলটির ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন জয়, সেই গুঞ্জনও রয়েছে।

    তবে, ভারতের নিরাপত্তা এজেন্সির সূত্রগুলো বলছে, অন্তত এবার তার কলকাতায় আসার কোনো পরিকল্পনা নেই। এছাড়া, জয়ের দীর্ঘ সময় ভারতে থাকার পরিকল্পনা নেই, তা জানা গেছে আওয়ামী লীগ সূত্রে।