Category: প্রচ্ছদ

  • নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে জাতীয় নাগরিক পার্টি

    নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে জাতীয় নাগরিক পার্টি

    নিউজ ডেস্ক:   নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বলে জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    শুক্রবার (৬ জুন) রাতে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরে তাৎক্ষণিকভাবে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এমনটাই জানিয়েছেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে হবে; তার জন্য দায়বদ্ধ। ফলে সেই অনুযায়ী সরকার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নেবে। তারপর সিদ্ধান্ত নেবে।

    তিনি আরও বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদ বাস্তবায়ন এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে এপ্রিলের দিকে ভোট হতে পারে।

    উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে যেকোনো একটি দিনে অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণকে স্বাগত জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। শুক্রবার (০৬ জুন) রাতে ভাষণের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এমনটাই জানিয়েছে দলটি।

    দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস আজ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে বিচার, সংস্কার, নির্বাচন এবং সরকারের গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে যে বক্তব্য রেখেছেন তা আমরা গভীর আগ্রহ নিয়ে অবলোকন করেছি। বেশ কিছুদিন ধরে আমরা সরকারের কাছে এসকল বিষয়ে সুস্পষ্ট রূপরেখা প্রদানের আহ্বান জানিয়ে আসছিলাম। আজ তাঁর প্রতিফলন ঘটায় প্রধান উপদেষ্টাকে ধন‍্যবাদ ও স্বাগত জানাচ্ছি।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তিনি এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের যে ঘোষণা দিয়েছেন তা আমাদের পূর্ববর্তী প্রস্তাব ও এ সংক্রান্ত পর্যালোচনার সাথে না মিললেও আমরা তাঁর উপর আস্থা রাখতে চাই। আবহাওয়াজনিত কারণে এপ্রিল মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কিছু সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে অনেকের আশঙ্কা। তবে প্রধান উপদেষ্টা যেহেতু সামগ্রিক প্রস্তুতির বিষয়ে আলোকপাত করেছেন এবং প্রাসঙ্গিকভাবে সময়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন তাতে আমরা উনার সরকারের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাব বজায় রাখতে চাই।

    সেইসাথে, দলটি আশা করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু নির্বাচন উপযোগী করে এবং নির্বাচন কমিশনকে জনগণের আস্থার জায়গায় নিয়ে আসতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে অন্তর্বর্তী সরকার।

    অপরদিকে, সংস্কার ও বিচারের একটা সন্তোষজনক অগ্রগতি এবং নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির জন্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়টা আপাত দৃষ্টিতে বিলম্বিত মনে হলেও সকল পক্ষের এ ব্যাপারে ঐকমত্য প্রয়োজন বলে মনে করে দলটি।

    বিবৃতিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ ত্যাগের মনোভাব দেখিয়ে এ ব্যাপারে একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে সচেষ্ট হবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

  • প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণ

    প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণ

    নিউজ ডেস্ক:     অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধের যেকোনো একটি দিনে অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (৬ জুন) পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন।

    ভাষণের শুরুতেই প্রধান উপদেষ্টা ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। পরে হজ ও কোরবানির সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচন কখন হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানার জন্য রাজনৈতিক দল ও জনগণের মধ্যে বিপুল আগ্রহ রয়েছে। এর আগেও বলা হয়েছে—এই নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এই সময়ের মধ্যে দেশে নির্বাচন উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির জন্য যা যা করা দরকার, সরকার তাই করছে।

    তিনি আরও বলেন, এই ঘোষণার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন উপযুক্ত সময়ে জনগণের কাছে ভোটের রোডম্যাপ প্রদান করবে।

    ড. ইউনূস বলেন, এ সরকারের বড় দায়িত্ব হলো পরিচ্ছন্ন, উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করা। এমন একটি নির্বাচন আয়োজন করা যাতে দেশ ভবিষ্যতে নতুন সংকটে না পড়ে। এজন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। যে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত সেগুলোতে যদি সুশাসন নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে ছাত্র-জনতার সকল আত্মত্যাগ বিফলে যাবে।

    ভাষণে তিনি বলেন, সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন এই তিনটি ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে এ সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। সে বিবেচনায় আগামী রোজার ঈদের মধ্যে সংস্কার ও বিচারের বিষয়ে একটি গ্রহণযোগ্য জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি।

    জুলাই মাসে ‘জুলাই সনদ’ ঘোষণা করা হবে বলেও ভাষণে জানান প্রধান উপদেষ্টা। বলেন, এই সনদ হলো একটি প্রতিশ্রুতি। একটা জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য সংস্কার কমিশন যে প্রস্তাবগুলো দিয়েছে সেগুলোর মধ্য থেকে রাজনৈতিক দলগুলো যে কয়টিতে একমত হয়েছে তার তালিকা থাকবে এই সনদে। জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে তারা জাতির কাছে সেগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করবে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী আশুকরণীয় সংস্কার কাজগুলো বাস্তবায়ন করতে বর্তমান সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বাকি অংশের বেশকিছু কাজও এ সরকার শুরু করে যেতে চায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অবশিষ্ট অংশ পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন অব‍্যাহত থাকবে।

    এছাড়াও তিনি আরও বলেন,  রাখাইনের জন্য করিডর দিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে । প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি রাখাইনের জন্য বাংলাদেশ করিডোর দিয়ে দিয়েছে বলে একটা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি সুস্পষ্টভাবে বলছি— এটি সর্বৈব মিথ্যা। এটা চিলে কান নিয়ে যাওয়ার গল্প। যারা অসত্য কল্পকাহিনি বানিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে ক্রমাগত বিভ্রান্ত করে অশান্তি সৃষ্টিতে নিয়োজিত, এটা তাদেরই শিল্পকর্ম। আপনারা এ বিষয়ে হুঁশিয়ার থাকবেন। কোনোভাবেই বিভ্রান্ত হবেন না। এসব অপপ্রচার সত্ত্বেও আমরা লক্ষ্যচ্যুত হবো না। এ সময়, জটিল এই সমস্যা সমাধানে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি। ‌

    ড. ইউনূস জানান, জাতিসংঘের মহাসচিব গত মার্চ মাসে ঢাকা সফরকালে রাখাইন‌ রাজ্যে মানবিক বিপর্যয় মোকাবেলার জন্য একটি ত্রাণ চ্যানেলের প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন এই প্রস্তাবটি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সহায়ক হবে। বিষয়টি এখনও প্রস্তাব পর্যায়েই আছে বলে জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আমরা যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম, তখন রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে প্রায় মৃত অবস্থায় পেয়েছিলাম। আন্তর্জাতিক এজেন্ডা থেকে ইস্যুটি ঝরে পড়েছিল। সেই অবস্থা থেকে আমরা ইস্যুটিকে বিশ্ববাসীর দৃষ্টির সম্মুখভাগে নিয়ে আসতে পেরেছি।

    রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনের সফলতা উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, গত মার্চ মাসে বাংলাদেশ সফরে এসে জাতিসংঘের মহাসচিব এনতোনিও গুতেরেসও পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করেছেন যে, মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সমস্যার একমাত্র সমাধান।

    এ সময়, তার রোহিঙ্গা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠানের আহ্বানে, জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র সাড়া দিয়েছে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।

    তিনি বলে, তারা একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বছর সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।

    অপরদিকে, মিয়ানমার সরকার কর্তৃক প্রত্যাবাসনযোগ্য রোহিঙ্গাদের সর্বপ্রথম তালিকার ঘোষণা, প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আরেকটি বড় অগ্রগতি বলে মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টা। গত এপ্রিল মাসে ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনে সাইডলাইন আলোচনায় প্রথমবারের মতো ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনযোগ্য বলে ঘোষণা করে মিয়ানমার সরকার, জানান তিনি।

    এ সময়, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে ও সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের সরকারসহ সেখানকার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সাথে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস।

  • ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী

    ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী

     আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননের বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার আগে ইসরায়েলি বাহিনী এলাকার কয়েকটি ভবন খালি করার সতর্কতা জারি করেছিল।

    ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহর একটি গোপন ইউনিট শনাক্ত করেছে, যা ভূগর্ভে ‘হাজার হাজার’ ড্রোন উৎপাদন করছিল এবং এটি ‘ইরানি সন্ত্রাসীদের অর্থায়নে’ পরিচালিত হচ্ছিল। গত ছয় মাস ধরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও অনেকটা অতর্কিতভাবে এই হামলা চালানো হয়।

    এ হামলার পর লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এক্সে পোস্ট করে এই হামলাকে ‘জঘন্য ও ইচ্ছাকৃত’ আক্রমণ বলে অভিহিত করেন।

    তিনি বলেন, ‘আমি এই হামলাকে আমাদের স্বদেশ, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতির বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত হামলা হিসেবে দেখছি—বিশেষ করে উৎসবের প্রাক্কালে এবং পর্যটন মৌসুমে।’

    হামলার সতর্কতার পর ওই অঞ্চলের হাজার হাজার বাসিন্দা দ্রুত এলাকা ছেড়ে যান, যার ফলে সেখানে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।

    লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আওন এই হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন, এটি ‘একটি পবিত্র ধর্মীয় উৎসবের প্রাক্কালে’ ঘটেছে।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর ‘ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার’ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের আক্রমণের একটি প্রধান হাতিয়ার এবং এটি ‘ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার সমঝোতার সরাসরি লঙ্ঘন’।

    হামলার এক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিচাই আদরাঈ হাদাথ, হারেত হরেইক ও বোরজ আল-বরাজনেহ এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মানচিত্রসহ পোস্ট করে বলেন, ‘আপনারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামোর পাশে আছেন’।

  • আফ্রিকার দেশ চাদে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিলো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা প্রদান

    আফ্রিকার দেশ চাদে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিলো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা প্রদান

    আন্তর্জাাতক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এবার পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে আফ্রিকার দেশ চাদ। দেশটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিলো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা প্রদান। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

    চাদের প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস ডেবি বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় চাদের নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকান নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রদান স্থগিত করা হয়েছে।

    ডেবি বলেন, ‘আমি পারস্পরিকতা নীতির ভিত্তিতে আমেরিকান নাগরিকদের ভিসা প্রদান বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছি। চাদের কাছে দেয়ার মতো কোনো বিমান নেই, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নেই, কিন্তু চাদের আছে তার মর্যাদা ও গর্ব।’

    তিনি মূলত এই পোস্টের মধ্য দিয়ে কাতারের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের একটি বিমান উপহার দেওয়ার ইঙ্গিত দেন।

    যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ১২টি দেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে, যার মধ্যে চাদও রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে চাদ বিপরীত পদক্ষেপ নেয়।

    ডেবির বক্তব্য অনুযায়ী, চাদ হয়তো অর্থনৈতিক বা কূটনৈতিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ নয়, কিন্তু তারা সার্বভৌমত্ব ও সম্মানের প্রশ্নে আপস করবে না।

    এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • আল-জামারায় শয়তানের প্রতীক লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়বেন হাজিরা

    আল-জামারায় শয়তানের প্রতীক লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়বেন হাজিরা

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  পবিত্র হজের তৃতীয় দিন আজ। শুক্রবার (৬ জুন) স্থানীয় সময় ভোর হলেই মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন হাজিরা। সেখানে ফিরে আল-জামারায় শয়তানের প্রতীক লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়বেন হাজিরা।

    এরপর হাজিরা পশু কোরবানি করে ফিরবেন মক্কায়। সেই সাথে তাওয়াফ করবেন কাবা ঘর। পরের দু’দিন—১১ ও ১২ জিলহজ পালন করবেন হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা।

    এর আগে, বৃহস্পতিবার (৫ জুন) আরাফাতের ময়দানে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষে মুজদালিফায় যান হাজিরা। রীতি অনুযায়ী সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করছেন তারা। মধ্যরাত পর্যন্ত ইবাদতের পাশাপাশি শয়তানকে মারার জন্য পাথর সংগ্রহ করেছেন হাজিরা।

    বৃহস্পতিবার (৫ জুন) হজের মূল দিনে আরাফাতের ময়দানে জড়ো হয়েছিলেন মুসল্লিরা। স্থানীয় সময় দুপুর বারোটায় মসজিদে নামিরায় খুৎবা দেন মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ। কামনা করেন বিশ্বশান্তি। মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় এ জমায়েতে এবছর যোগ দেয়ার সৌভাগ্য হয়েছে ১৫ লাখ মুসল্লির।

  • পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক:  পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৬ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় তিনি ভাষণ দেবেন। ভাষণটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    জানা গেছে, ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ঈদ উপলক্ষে জাতির প্রতি শুভেচ্ছা জানাবেন এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরবেন। পাশাপাশি তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাবেন।

    উল্লেখ্য, আগামীকাল শনিবার (৭ জুন) সারাদেশে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।