Category: প্রচ্ছদ

  • প্রধান উপদেষ্টার সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর দু’দফায় সাক্ষৎ

    প্রধান উপদেষ্টার সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর দু’দফায় সাক্ষৎ

    নিউজ ডেস্ক:  দেশের বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসতে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (২৫ মে) বিকেল ৫টা ও ৬টায় দুই দফায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তারা।

    প্রথম দফায় দেখা করবেন ১১ জন। তারা হলেন, কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, মাহমুদুর রহমান মান্না, সাইফুল হক, জুনায়েদ সাকী, হাসনাত কাইয়ুম, মুজিবর রহমান মঞ্জু, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া, টিপু বিশ্বাস, শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

    দ্বিতীয় দফায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ৯ জন। তারা হলেন, মাওলানা সাদিকুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করিম, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা আহমেদ আব্দুল কাদের, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদি, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, নুরুল হক নূর, মাওলানা মুসা বিন ইজহার ও মুফতি মাওলানা শাখাওয়াত হোসাইন রাযি।

    এর আগে, গতকাল শনিবার (২৪ মে) রাতে বিএনপি-জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস।

  • ঢাকায় আনা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত মো. হাসানের মরদেহ

    ঢাকায় আনা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত মো. হাসানের মরদেহ

    নিউজ ডেস্ক:   ঢাকায় আনা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত মো. হাসানের মরদেহ। শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় হাসানের কফিন হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

    বিমানবন্দরে আনুষাঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করে প্রথম জানাজার জন্য তার কফিন শহীদ মিনারে নেয়া হচ্ছে। তার প্রথম জানাজা রাত ৮ থেকে ৯টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট চট্টগ্রামের টাইগারপাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুরুতর আহত হাসানকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়।

    পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বামরুনগ্রাদ হাসপাতাল পাঠানো হয়। শেষে তাকে সেদেশের পায়াথাই পাহোলিওথিন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ১০ মিনিটে হাসানের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ২৫ বছর।

    তার মায়ের ইচ্ছাঅনুযায়ী তাকে নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরে দাফন করা হবে। তার মহদেহ দাফনের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্বাবধানে জেলা প্রশাসন নোয়াখালী সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

  • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী সেজে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী সেজে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন

    জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী সেজে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এ সময় রোগীদের খাবারসহ নানা অব্যবস্থাপনার চিত্র উঠে আসে।

    শনিবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত টানা ৪ ঘণ্টা অভিযান পরিচালনা করে দুদকের জামালপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি দল।

    এতে নেতৃত্ব দেন জামালপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক মো. জিহাদুল ইসলাম। সাথে ছিলেন আরেক উপ সহকারী পরিচালক মো. আতিউর রহমান।

    অভিযানে দেখা যায়, হাসপাতালে আবাসিক রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত মুরগির মাংস ২১০ গ্রামের পরিবর্তে ১১২ গ্রাম দেয়া হয়েছে। এ সময়, ওষুধ বিতরণে অনিয়ম ও কয়েকটি ঠিকাদারের কার্যক্রমে গাফিলতিও পান কর্মকর্তারা।

    জামালপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক মো: জিহাদুল ইসলাম বলেন, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে রোগী সেজে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করি। এরপর বিভিন্ন শাখায় গিয়ে নানা অনিয়ম দেখতে পাই। এ সময়, অনিয়মের সকল তথ্য কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

    এর আগে, অভিযানের দুই ঘণ্টা পূর্বে প্রথমে রোগী সেজে তথ্য সংগ্রহ করেন দুদক কর্মকর্তারা। পরে অভিযানের সময় হাসপাতালের প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ রাজ বংশী এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বিচিত্রা রানীকে অনুপস্থিত পান তারা। এ সময় দুদক কর্মকর্তাদের হাসপাতাল সংক্রান্ত সকল তথ্য দেন মেডিকেল অফিসার নুরে আলম সৈকত।

  • ইসরায়লি বিমান হামলায় এক ডাক্তারের দশ সন্তানের মধ্যে ৯ জনই নিহত হয়েছে

    ইসরায়লি বিমান হামলায় এক ডাক্তারের দশ সন্তানের মধ্যে ৯ জনই নিহত হয়েছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার খান ইউনুসের নাসের হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ইসরায়লি বিমান হামলায় গাজার এক ডাক্তার আলা আল-নাজ্জারের বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। এ ঘটনায় তার দশ সন্তানের মধ্যে ৯ জনই নিহত হয়েছে। শনিবার (২৪ মে) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় আল-নাজ্জারের স্বামী ও বেঁচে যাওয়া ১১ বছর বয়সী এক ছেলে গুরুতর আহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ মে) খান ইউনিসে আল-নাজ্জার পরিবারের বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলা চালানো হয়।

    নিহত শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বড়টির বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। ডাক্তার আল-নাজ্জারের স্বামী হামদি (যিনি নিজেও একজন চিকিৎসক) মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। তাদের ১১ বছর বয়সী ছেলেকে জরুরি অস্ত্রোপচার করেছেন ব্রিটিশ সার্জন গ্রেম গ্রুম।

    হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টর মুনির আল-বুরশ শুক্রবার (২৩ মে) একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। এতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপ থেকে পুড়ে যাওয়া শিশুদের দেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।

    এ হামলার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে শনিবার (২৪ মে) এক বিবৃতিতে তারা দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় একশ’টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে তারা হামলা চালিয়েছে।

    আল-নাজ্জার পরিবারের এক আত্মীয় ইউসুফ আল-নাজ্জার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে! আমাদের উপর দয়া করুন! আমরা সব দেশ, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, হামাস ও সকল গোষ্ঠীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি—এই যুদ্ধ বন্ধ করুন। আমরা বাস্তুচ্যুত হয়ে, ক্ষুধায় ক্লান্ত!

    ব্রিটিশ সার্জন ভিক্টোরিয়া রোজের ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ভিডিওতে গ্রুম বলেন, এই হামলা ‘অকল্পনীয়’, কারণ আল-নাজ্জার পরিবারের কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সম্পৃক্ততা নেই।

    এই হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তীব্র নিন্দা ডেকে আনতে পারে, বিশেষত, যখন একটি চিকিৎসক পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

  • যমুনায় গিয়েছে বিএনপির প্রতিনিধি দল

    যমুনায় গিয়েছে বিএনপির প্রতিনিধি দল

    নিউজ ডেস্ক:  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সাক্ষাৎ করতে যমুনায় গিয়েছে বিএনপির প্রতিনিধি দল।

    শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত হয়েছেন। বাকি তিনজনের মধ্যে রয়েছেন, আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ।

    সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় এ বৈঠক শুরু হয়েছে।

    এর আগে শুক্রবার রাতে, প্রধান উপদেষ্টা বিএনপিকে সাক্ষাতের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়াও কথা হতে পারে প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের ভাবনা সম্পর্কেও।

    এর আগে, গত ১৬ এপ্রিল প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

  • ভুয়া ডাক্তার আলমগীর হোসেন সিদ্দিকীর প্রতারণার ফাঁদে অসংখ্য রোগী

    ভুয়া ডাক্তার আলমগীর হোসেন সিদ্দিকীর প্রতারণার ফাঁদে অসংখ্য রোগী

    সামিমা ইসলাম: রাজধানীর ডেমরা থানাধীন ডগাইর এলাকায় চিকিৎসার নামে দীর্ঘদিন ধরে ভয়ংকর প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছেন আলমগীর হোসেন সিদ্দিকী নামের এক ব্যক্তি। নিজেকে ‘ডাক্তার’ দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট। তবে নামের আগে ‘ডা.’ উপাধি ব্যবহার করে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

    আলমগীর হোসেন নিজেকে “শিফা গ্লোবাল ট্যুরিজম লিমিটেড” এবং “শিফা হাসপাতাল”-এর চেয়ারম্যান দাবি করে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাচ্ছেন। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডগাইর মিলন রোড হোল্ডিং নং ১৮৬/১/এ উক্ত প্রতিষ্ঠানের কোনো বৈধ সাইনবোর্ড নেই। একটি জরাজীর্ণ কক্ষে বসে বিভিন্ন অখ্যাত কোম্পানির ওষুধ মজুদ করে সেখানে তিনি রোগী দেখছেন।

    ভিজিটিং কার্ডে উল্লেখিত ঠিকানা “১৫৩ ক্রিসেন্ট ইনক্লেভ, গ্রীন রোড, কলাবাগান, ঢাকা ১২০৫” কিংবা থাইল্যান্ডের “১৭১ এম্বাসেডর হোটেল, সুকুমভিত সোই ১১, ব্যাংকক”—কোনোটিই বাস্তবে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অথচ তিনি রোগীদের বলেন, ব্যাংককে চিকিৎসা নিতে পাঠানো হবে, কিন্তু পরে বলেন এখানেই চিকিৎসা সম্ভব। এতে রোগীরা প্রতারিত হয়ে লাখ লাখ টাকা।

    তথাকথিত এই ডাক্তার নিজেই আল্ট্রাসাউন্ড, ইউআরও পরীক্ষা ও গর্ভপাত (MR) করে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, অ্যানেসথেশিয়া বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের উপস্থিতি ছাড়াই তিনি অবৈধভাবে গর্ভপাত ঘটান, যা নারীদের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। পাশের একটি কক্ষে কোনো অনুমোদন ছাড়াই অ্যাপেন্ডিসাইটিস অপারেশনও চালান বলে জানা যায়।

    অনুসন্ধান করতে সংবাদকর্মী চেম্বারে উপস্থিত হয়ে তথ্য চাইলে আলমগীর হোসেন উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং এক রোগীর আত্মীয়কে মারতে উদ্যত হন। সাংবাদিকরা তার বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি সরাসরি তা দেখাতে অস্বীকৃতি জানান।

    বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) এর তথ্য অনুযায়ী, তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ডি-১৩৭৬৯ এবং তিনি একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট মাত্র। তবুও তিনি নিজের পরিচয়ে ডাক্তার ও সিনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে দাবি করে আসছেন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থেকে তার এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, “এই ব্যক্তি নিজেই রোগ নির্ণয় করেন, নিজেই পরীক্ষা করেন, নিজেই ওষুধ লেখেন এবং বিক্রিও করেন। এত বড় প্রতারণা দিনের পর দিন চলে যাচ্ছে, অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”

    একজন রোগীর স্বজন বলেন, “উনি যদি আসল ডাক্তার হন, তাহলে তার বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন দেখাতে সমস্যা কোথায়?”

    একজন ভুয়া ডাক্তার কীভাবে বছরের পর বছর এমন ভয়ঙ্কর প্রতারণা করে চলেছেন তা এখন প্রশাসনের জন্য বড় প্রশ্ন। জনস্বাস্থ্য ও রোগীর নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ এবং এই ধরনের ভুয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে জনজীবন রক্ষার পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।