Category: প্রচ্ছদ

  • আয়নাঘরগুলোর কিছু জায়গায় নতুন প্লাস্টার দেখা গেছে : শফিকুল আলম

    আয়নাঘরগুলোর কিছু জায়গায় নতুন প্লাস্টার দেখা গেছে : শফিকুল আলম

    নিউজ ডেস্ক:  প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আয়নাঘরের আলামত ধ্বংস করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখছে গুম কমিশন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তবে পরিদর্শন করা আয়নাঘরগুলোর কিছু জায়গায় নতুন প্লাস্টার দেখা গেছে।

    আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) যৌথবাহিনীর গোপন বন্দিশালা ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তার সাথে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের সংবাদকর্মী, ভুক্তভোগী ও কয়েককজন উপদেষ্টা ছিলেন। ঘুরে দেখা এই বন্দিশালাগুলো রাজধানীর আগারগাঁও, কচুক্ষেত ও উত্তরা এলাকায় বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

    পরে দুপুরে এ নিয়ে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব এ কথা বলেন।

    অভিযোগ করা হচ্ছিল, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আয়ানঘরগুলোর চিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। প্রেস সচিবের বক্তব্যেও উঠে এলো এর সত্যতা।

    শফিকুল আলম আরও বলেন, দেশে সাত থেকে আটশর বেশি আয়নাঘর বা টর্চার সেল আছে। বাংলাদেশে যত আয়নাঘর আছে সব খুঁজে বের করা হবে।

    মাত্র ৬ মাসে গুম-খুনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার যা করেছে তা এই সরকারের বিরাট সফলতা বলে মনে করেন প্রেস সচিব। বলেছেন, গুম কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশেষ বাহিনীর যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরও গ্রেফতার হয়নি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সময় হলে দেখা যাবে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার জানান, দুই দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে আজ সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা। ফিরবেন আগামী শুক্রবার।

  • ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত যৌথবাহিনীর বন্দিশালা পরিদর্শন

    ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত যৌথবাহিনীর বন্দিশালা পরিদর্শন

     নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেলজয়ী ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আইয়ামে জাহেলিয়াত বলে একটা কথা আছে, গত সরকার (আওয়ামী লীগ সরকার) আইয়ামে জাহেলিয়াত প্রতিষ্ঠা করে গেছে সর্বক্ষেত্রে, এটা (আয়নাঘর) তার একটা নমুনা।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত যৌথবাহিনীর বন্দিশালা পরিদর্শন করছেন। এ সময়ে তার সঙ্গে স্থানীয় ও বিদেশি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্য ও ভুক্তভোগীরাও সাথে ছিলেন।

    আয়নাঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। গোপন বন্দিশালাগুলো আগারগাঁও, কচুক্ষেত ও উত্তরা এলাকায় বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আপনারা সবাই সঙ্গে ছিলেন, কাজেই আমার নতুন করে কিছু বলতে হবে না। এটার বর্ণনা যদি বলতে হয়, তাহলে বলব এটা বীভৎস দৃশ্য। নৃশংস অবস্থা, অতীতে এখানে যেসব অবস্থা হয়েছে। যতটা শুনি অবিশ্বাস্য মনে হয়। এটা কি আমাদেরই জগৎ, আমাদেরই সমাজ? যারা এর (গুম) শিকার হয়েছে, তারা আমাদের সঙ্গে আছেন, তাদের মুখ থেকে শুনলাম কী হয়েছে তাদের সঙ্গে, কোনেও ব্যাখ্যা নেই এর। কোনও ব্যাখ্যা থাকলে মানুষ বুঝে এর কোনও কারণ ছিল। বিনা কারণে মানুষকে রাস্তা থেকে তুলে আনা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এ রকম টর্চার সেল বাংলাদেশজুড়ে আছে, আজকে সেটা শুনলাম। আমার ধারণা ছিল, আয়নাঘর বলতে কয়েকটি আছে এখানে। এখন শুনতেছি এই আয়নাঘরের বিভিন্ন ভার্সন দেশজুড়ে আছে। কেউ বলছে ৭০০, কেউ বলছে ৮০০, এটির সংখ্যাও নিরুপন করা যায়নি।

    গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে আয়নাঘর পরিদর্শনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এক সপ্তাহের মাথায় তারা ঘুরে দেখলেন গোপন বন্দিশালা। আর প্রকাশ্যে এলো ছবি।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আমার জানামতে ভুক্তভোগীদের সংখ্যা ১৭০০ এর বেশি। অজানা কত তা তো আমরা জানি না। কেউ কেউ বলে যে এটা ৩ হাজারেরও বেশি হতে পারে। এই যে মানুষ উধাও হয়ে গেলো, নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলো, কেউ বলতে পারছে না, সে কোথাও। তার (ভুক্তভোগী) মেয়ে আজ আপনাদের সামনেই ছিল। সে বলছে আমার মাকে কোথায় নিয়ে গেছে, আজ নয় বছর হলো। নয় বছর ধরে আমরা খোঁজ পাইনি। সে নিজেও এখানে (আয়নাঘরে) ছিল। মায়ের সঙ্গে ছিল। তাকে রেখে মাকে নিয়ে চলে গেছে। এই দৃশ্য করুণ দৃশ্য।

    ‘যারা এসব কাজ করেছে, তারা আমাদেরই ভাই, আমাদেরই সন্তান, আমাদেরই ঘনিষ্ঠ আত্মীয়’— উল্লেখ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তারাই এসব করেছে। আমরা যদি এই সমাজকে এর থেকে বের করে আনতে না পারি, তাহলে তো এ সমাজ টিকে থাকবে না।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের সবারই অপরাধ, এটি (গুমের মতো ঘটনা) হতে দিয়েছি আমরা। আজকে আমরা মুক্ত হলাম। মুক্ত বাংলাদেশে আমরা যেন আবার নতুন সমাজ গড়তে পারি। এটার যে নমুনা, সাক্ষী, ডকুমেন্টেশন, গুম কমিশনের রিপোর্টের মধ্যে থাকবে। এবং এটি পাঠ্য হিসেবে অবশ্যই পড়তে হবে। আর যারা করেছে, তাদের বিচার করতে হবে। তা না হলে এ জাতি নিষ্কৃতি পাবে না।

    সবশেষে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যারা করেছে তাদের জন্য আমরা কেন ভুক্তভোগী হতে যাব? তাদের বিচার করব, ভবিষ্যতে বলবে যে, উচিত বিচার হয়েছে। তখন আমরা এটি থেকে মুক্তি পাব। সবার কাছে আমাদের আবেদন, এই বিচারটি যেন আমরা করে ফেলতে পারি। আমরা যেসব এভিডেন্স দেখলাম, সেগুলো সিলগালা করে দেয়া হবে, যাতে কেউ এগুলো বিনষ্ট করতে না পারে।

  • ইয়াবা, গাঁজা, মোবাইলসেট ও মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধারপূর্বক আপন দুই ভাইসহ আটক ৩ পলাতক ১

    ইয়াবা, গাঁজা, মোবাইলসেট ও মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধারপূর্বক আপন দুই ভাইসহ আটক ৩ পলাতক ১

    স্টাফ রিপোর্ট : গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযানকালে চান্দিনা উপজেলার মহারং গ্রামের মৃত চারু মিয়ার দুই ছেলে জসীম উদ্দীন (৪৬) এবং মোঃ আলমের (৪৯) দখল হতে ইয়াবা, গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ অর্থসহ আটক করা হয়। এছাড়া অপর অভিযানে চান্দিনা উপজেলার নাওতলা গ্রামের মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে মো: আবুল কাশেমকে (৪৪) ইয়াবা, গাঁজা, মোবাইল সেট ও মাদক বিক্রির নগদ অর্থসহ আটক করা হয়। এ সময় গ্রেফতারকৃত মোঃ আবুল কাশেমের ভাবী মাদক কারবারি জেসমিন আক্তার (৩৭) পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পৃথক দুটি অভিযানে উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে ইয়াবা ১৬৫ পিস, গাঁজা ১.৫ কেজি, মোবাইল সেট ১ টি এবং মাদক বিক্রির নগদ ২১,৯০০ টাকা।

    ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, ১১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ ভোররাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয় কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা, গাঁজা, মোবাইল সেট ও মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধারপূর্বক আপন দুই সহোদরসহ ৩ জনকে আটক করেন। ১ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

    তিনি আরো জানান গ্রেফতারকৃত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা দায়ের করবেন। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • জুলাই এর শহীদের পরিবারকে এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির দেয়া হলেও কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না : নাহিদ ইসলাম

    জুলাই এর শহীদের পরিবারকে এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির দেয়া হলেও কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না : নাহিদ ইসলাম

    নিউজ ডেস্ক: জুলাই এর শহীদের পরিবারকে এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির দেয়া হলেও কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না  বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

    ফেসবুক পোস্টে উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজন ব্যক্তিকে একবারের জন্যই যোগ্যতার বিচারে সরকারি-আধা সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়ার কথা বলা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটা বিবেচ্য হবে না।

    জুলাই আন্দোলনে আহতদের অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, আহতদের ক্ষেত্রে যারা সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (অন্ধ কিংবা অঙ্গহানী) এবং আর কখনো কর্মক্ষম হতে পারবে না তাদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরকম আহতদের একটা বড় অংশই তরুণ এবং বাকি জীবন তাদেরকে আন্দোলনের ক্ষত বয়েই বেড়াতে হবে, অনেককে দীর্ঘকাল চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের পুনর্বাসন এবং এই পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা দেয়াটা আমাদের অঙ্গীকার ছিলো এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বও বটে। কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাদের এই ক্ষতি আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারবো না। আর এই পরিবারগুলো যেকোনো সুযোগ সুবিধার চেয়ে কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়।

  • কারখানাগুলোয় ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে কর বসানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার

    কারখানাগুলোয় ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে কর বসানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার

    নিইজ ডেস্ক: কারখানাগুলোয় ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে কর বসানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। এ কথা জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে সাসটেইনেবল এপারেল ফোরামের ষষ্ঠ সংস্করণে যোগ দিয়ে এ কথা জানান তিনি।

    উপদেষ্টা বলেন, এখন পর্যন্ত মাটির নিচের পানি ব্যবহার করতে সরকারকে কোনো টাকা পয়সা দিতে হয় না। তবে, এ ব্যাপারে একটি নীতিমালা তৈরিতে কাজ করছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

    রিজওয়ানা হাসান বলেন, গার্মেন্টসগুলোয় টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি করতে হবে। এপারেল ফোরামের এবারের সংস্করণে অংশ নিচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের একটি প্রতিনিধি দল, যেখানে রয়েছে ১৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

    দেশটির রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে কার্সটেন্স বলেন, তৈরি পোশাকের বৈশ্বিক বাজারে শক্তিশালী অবস্থানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে বাংলাদেশ। বিনিয়োগ ও পরিবেশবান্ধব কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্প টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

  • ডিসেম্বরকে লক্ষ্য করেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন— নির্বাচন কমিশনার

    ডিসেম্বরকে লক্ষ্য করেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন— নির্বাচন কমিশনার

    নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরকে লক্ষ্য করেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন— এমন তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। জাতিসংঘের উন্নয়ন সহযোগী কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং ১৭টি দেশের রাষ্ট্রদূতের সাথে কমিশনের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

    নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন একসাথে সম্ভব না। স্থানীয় নির্বাচন আগে করতে হলে, জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে যাবে। কমিশনের অগ্রাধিকার জাতীয় নির্বাচন।

    তিনি জানান, নির্বাচন কবে হবে সেটা সরকারের সিদ্ধান্ত। সবচেয়ে কাছাকাছি সময় হাতে নিয়েই প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।

    এর আগে, বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে শুরু হয় বৈঠক। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অন্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

    ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচিতে প্রযুক্তিগত ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে ইউএনডিপি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিদেশি দূতদের প্রস্তুতির বিষয়ে জানিয়েছে কমিশন।