Category: প্রচ্ছদ

  • সাতক্ষীরায় রেজিস্ট্রার অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    সাতক্ষীরায় রেজিস্ট্রার অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাইফুল ইসলাম বাচ্চু যেভাবে ছড়ি ঘোরান সেভাবেই চলে জেলা রেজিষ্ট্রার অফিস। খোদ জেলা রেজিস্ট্রারও বাচ্চুর বাইরে কথা বলেননা বলে অভিযোগ করেছেন অনেকের।

    সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী সাইফুল ইসলাম বাচ্চু’র বিরুদ্ধে ঘুষ, দূর্ণীতি, অনিয়ম, নকল নবিশদের হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা অভিযোগ উঠেছে।

    এবিষয়ে অভিযোগ করেও কর্তৃপক্ষে ইতিবাচক সাড়া মেলেনি বলে দাবী ভূক্তভূগীদের।

    সম্প্রতি আবেদ আলী নামের একজন ব্যক্তি নিবন্ধন শাখার মহাপরিদর্শক বরাবর বাচ্চু’র দূর্ণীতি ও অনিয়মের বিচার চেয়ে অভিযোগ করেছেন।

    অভিযোগ সূত্র জানায়, নকলনবিশ থেকে আসা অফিস সহকারি পদে যোগদানের পরে সাইফুল ইসলাম বাচ্চুকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১৬ সাল থেকে জেলা রেজিষ্ট্রার অফিস, জেলা ৭টি সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস একায় নিয়ন্ত্রণ করেন। জেলা ৭টি অফিস থেকে গড়ে মাসে ৪০০০ হাজার দলিল রেজিষ্ট্রি হয় এতে বাচ্চু দলিল প্রতি নেন ২০০ টাকা, মাসে ৩ হাজার নকলে নেন নকল প্রতি ১৫০ টাকা করে। প্রতি মাসে পরির্শনে অফিস প্রতি দিতে হয় লাখ টাকা, ৩০ জন কর্মচারিকে প্রতিমাসে বাচ্চু বাবদ দিতে হয় ৫ হাজার টাকা করে।

    জেলায় ১০০ জনের নিকাহ রেজিস্ট্রারকে প্রতি বছর ইনডেন্ট প্রতি দিতে ৩ হাজার টাকা, নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার নামে লাখ টাকা নিয়ে থাকে। জেলা অফিসে প্রতি বছর আসবাব পত্র কেনার জন্য যে বাজেট থাকে তার কোন কাজ না করে ভূয়া বিল ভাউচার করে টাকা হজম করে ফেলে। সহকারি বদলিতে দিতে হয় ৫ লাখ টাকা, মোহরার ৩ লাখ টাকা ও পিয়নে দিতে হয় ২ লাখ টাকা। দলিল লেখার লাইসেন্স নবায়ন করতে জনপ্রতি দিতে হয় ১৫০০ টাকা। জেলায় লাইসেন্স আছে ৪০০।

    আরো জানা যায়, তৃতীয় শ্রেণীর একজন কর্মচারি হয়েও সাইফুল ইসলাম বাচ্চু সাতক্ষীরা শহরে গড়ে তুলেছেন আলিশান বাড়ি। কিনেছে শত বিঘা জমি। কৌশলে নিজের ছেলেকে দিয়েছেন নকল নবিশের চাকুরি। যদিও তিনি অফিস করেন না। বোনকে করিয়েছে পদন্নতি। বাচ্চু জেলা রেজিস্ট্রার অফিস নিজের বাড়ি মনে করেন। নিজের ইচ্ছামত করেন অফিসের কাজ। অফিসের প্রধান সহকারী নুসরাত ফাতেমাকে দিয়ে কোন কাজ করান না। কম্পিউটার অপারেটরেরও একই অবস্থা। নিজেই করেন যাবতীয় কাজ।

    এ বিসয়ে তদন্তপূর্বক বাচ্চুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়ে ভূক্তভোগীরা মহাপরিদর্শকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম বাচ্চু তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট। এ সকল অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।’

  • সাতক্ষীরা আনোয়ারা ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে কলেজ ছাত্রী

    সাতক্ষীরা আনোয়ারা ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে কলেজ ছাত্রী

    সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :সাতক্ষীরা শহরের আনোয়ারা মেমোরিয়াল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এপেন্ডিক্স অপারেশন করে এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সুবর্ণা খাতুন (১৭)।
    বর্তমানে তিনি এখন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন।

    সাতক্ষীরা আশাশুনির চাপড়া গ্রামের সাইদুল ইসলামের মেয়ে। তারা সাতক্ষীরা শহরে ভাড়া বাসায় থাকেন।

    অসুস্থ্য সুবর্ণার মা সেলিনা খাতুন বলেন, এপেন্ডিক্স এর ব্যথার কারণে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় শহরের আনোয়ারা ক্লিনিকে মেয়েকে ভর্তি করি। ওই রাতেই মেয়েকে এপেন্ডিক্স এর অপারেশন করেন ক্লিনিকের পরিচালক ডাঃ মুশফিকুর রহমান। অপারেশন শেষে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় মেয়েকে। পরবর্তীতে সমস্যা দেখা দিলে আবারও গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ও ২২ ডিসেম্বর আনোয়ারা ক্লিনিকে মেয়েকে ভর্তি করি। তখন ম্যানেজার ইখতিয়ার ও কম্পাউন্ডার খায়রুলকে দিয়ে আরও ২ বার অপারেশন করানো হয়। তবে ওই ২ বার অপারেশন করার সময় কোন রকম অবশ করা হয়নি। ২য় বার অপারেশন করার আগে আমার মেয়ে ডাক্তার কোথায় জানতে চাইলে তারা তাকে হুমকি দিয়ে বলে ‘আপনার অত বোঝা লাগবেনা, আমরাও ডাক্তারের চেয়ে কম না, চুপচাপ শুয়ে থাকেন।’

    সেলিনা খাতুন আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘যেহেতু একজন মেয়ের অপারেশন করা হলো সেখানে কোন নারী ডাক্তার বা নার্স ছিলনা কেন? এভাবে মোট তিন বার অপারেশন করার পরও সুবর্ণার ক্ষত আরও বেড়ে যায় এবং ইনফেকশন দিনদিন বেড়ে যাওয়ায় মাংস পঁচন ধরে। আমরা একমাসের বেশিদিন ধরে এই যন্ত্রণা ভোগ করছি। ক্ষতস্থানে বর্তমানে প্রচন্ড জ্বালা-যন্ত্রণা হওয়ার ফলে কোন উপায়ান্তর না পেয়ে গত ২৬ জানুয়ারি তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। এই অপারেশনের জন্য আমাদের কাছ থেকে দফায় দফায় মোট ২৪ হাজার টাকা বিল করে ১৬ হাজার টাকা নিয়েছে। আমরা তিনশত টাকা কম দিয়েছিলাম তখন তারা আমাদের ছাড়পত্র না দিয়ে আটকে রেখে দুর্ব্যবহার করে। এপর্যন্ত সুবর্ণাকে ৭, ৯ ও ২৯ ডিসেম্বর তিনবার ছাড়পত্র দিয়েছেন ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ।’

    প্রচন্ড অসুস্থ্য সুবর্ণা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘তিনি বহুদিন যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারছেন না এবং এই কষ্ট আর সহ্য করতে পারছেন না। তিনি তাদের নামে মামলা করবেন । সুবর্ণা আরো বলেন, তার এই অবস্থার জন্য দায়ি আনোয়ারা ক্লিনিকের ডাক্তার মুশফিকুর রহমান ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের সুষ্ঠ বিচার চান।

    সাংবাদিক পরিচয়ে ক্লিনিকের ম্যানেজার ইখতিয়ারকে ফোন দিলে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, ‘আপনারা মিডিয়ার লোক না জেনে কেন বলছেন যে আমরা অপারেশন করেছি? আমরা কি ডাক্তার?’ অপারেশন কে করেছে প্রশ্নে তিনি বলেন, ডাঃ মুশফিকুর রহমান করেছেন। একটা সামান্য এপেন্ডিসের অপারেশন, কেন ৩ বার করা লাগলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনবার কেন আরও বহুবার করা লাগতে পারে। তাছাড়া সিএস ব্যবস্থা নেবে, আপনারা না। তাছাড়া সে সদর হাসপাতালে কেন ভর্তি হলো প্রশ্নছুড়ে দিয়ে বলেন, আমাদের এখানে যতবার আসবে আমরা ট্রিটমেন্ট দেব। আপনাদের গাফিলতি ও ভুলের কারণে আপনাদের প্রতি ভরসা না পেয়ে সে সদরে ভর্তি হয়েছে বললে তিনি বলেন, যা খুশি করুক। আমাদের কিছু করার নেই। আপনারাতো অসহায় রোগীরদের দালালের মাধ্যমে ক্লিনিকে ভর্তি করে গলা কাটেন বলতেই ওপরপ্রান্ত থেকে ফোন কেটে দেন।

    সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুস সালাম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। এ ব্যাপারে অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বীরগঞ্জের টিএমএসএস হাসপাতালে নবীন বরণ ও ক্যাপিং অনুষ্ঠান

    বীরগঞ্জের টিএমএসএস হাসপাতালে নবীন বরণ ও ক্যাপিং অনুষ্ঠান

    বীরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বীরগঞ্জ টিএমএসএস ফাতেমাতুজ জোহরা (রাঃ) হাসপাতালে ২০২৩-২৪ইং ৪র্থ ব্যাচ ১ম বর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও ক্যাপিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে ২৯জানুয়ারি উপজেলার করিমপুর টিএমএসএস টিএমএসএস ফাতেমাতুজ জোহরা (রাঃ) হাসপাতাল চত্বরে করিমপুর টিএমএসএস নার্সিং ইনস্টিটিউট (টিএনআই) এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠান হয়।

    করিমপুর টিএমএসএস নার্সিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মোছাঃ খালেদা আকতার কল্পনা এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম।

    শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের সাবেক সহকারী পরিচালক ও রেজিস্টার মেডিসিন এবং তত্ত¡াবধায়ক অত্র হাসপাতালের টিএফজেডএইচ ডাঃ মোঃ নজমুল ইসলাম।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, টিএমএসএস বাংলাদেশ এর উপ-নির্বাহী পরিচালক-২ রোটা. ডাঃ মোঃ মতিউর রহমান, দিনাজপুর নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ কহিনুর বেগম, দিনাজপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারী কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ মোছাঃ ছেলিনা আক্তার বানু, ডোনার এর প্রতিনিধি প্রভাষক মোঃ মহসীন আলম শামীম, বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল গফুর, মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহিনুর রহমান চৌধুরী, নিজপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আনিসুর রহমান, বগুড়া নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ রীতা রানী পাল, স্বাস্থ্য সেক্টর টিএমএসএস নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউট এর উপদেষ্টা রাবেয়া বেগমসহ আরও অনেকে।

    এসময় বক্তারা বলেন, নার্সিং ইনস্টিটিউটের জন্য খুব শীঘ্রই আমরা নতুন ভবন নির্মাণ কাজ করবো এবং আগামীতে আলাদা ক্যাম্পাস তৈরি করবো। তোমার মেধা কাজে লাগিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। রোগীদের সংস্পর্শে নার্সরাই থাকে, তাই খারাপ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  • শেয়ার বিক্রি করে বেক্সিমকোর শ্রমিকদের পাওনা দেয়া হবে: শ্রম উপদেষ্টা

    শেয়ার বিক্রি করে বেক্সিমকোর শ্রমিকদের পাওনা দেয়া হবে: শ্রম উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক: বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল ও শাইনপুকুর সিরামিকসের শেয়ার বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা সাড়ে পাঁচশত কোটি টাকা পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

    মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে বেক্সিমকো নিয়ে উপদেষ্টাদের সাথে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির চেয়েও বেক্সিমকোর ঋণ জালিয়াতির ঘটনা বড়। বেক্সিমকো গ্রুপের ঋণ প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা।

    তিনি আরও বলেন, গ্রুপটি কীভাবে তারা এতো ঋণ পেয়েছে তা তদন্ত করে দেখতে হবে। এই ঋণ দেয়ার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • রমজান উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিশেষ ওএমএস কর্মসূচির মাধ্যমে চাল বিক্রি করবে সরকার

    রমজান উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিশেষ ওএমএস কর্মসূচির মাধ্যমে চাল বিক্রি করবে সরকার

    নিউজ ডেস্ক: আসন্ন রমজান উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিশেষ ওএমএস কর্মসূচির মাধ্যমে চাল বিক্রি করবে সরকার। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, ফ্রেব্রুয়ারি থেকে ৬১টি জেলার ৪০১টি উপজেলায় প্রতিদিন তিন মেট্রিক টন করে এবং ৩টি পার্বত্য জেলার ২৩টি উপজেলায় এক মেট্রিক টন করে সারাদেশে ৮৪৮টি কেন্দ্রে ওএমএসের মাধ্যমে চাল বিক্রি করা হবে।

    এছাড়া, ওএমএস (সাধারণ) কর্মসূচির আওতায় ঢাকা মহানগর, জেলা সদর, পৌরসভা, ৮টি সিটি করপোরেশন ও শ্রমঘন ৪টি (ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুর) জেলার ৯০৬টি কেন্দ্রে দৈনিক এক টন করে (সচিবালয় কেন্দ্রে দৈনিক ২ মে.টন) করে চাল বিক্রয় করা হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জনপ্রতি ৫ কেজি করে চাল কেনা যাবে। দাম প্রতি কেজি ৩০ টাকা করে।

  • বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৮ জন আহত

    বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৮ জন আহত

    নিউজ ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রূপগঞ্জ উপজেলার সাওঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সাওঘাট এলাকার বিসমিল্লাহ পাইকারি আড়তের মালিকানা নিয়ে আড়তেতের মালিক সেলিমের সাথে ভাড়াটিয়া মজিবর রহমানের দ্বন্দ চলছিলো। ১০ বছরের চুক্তিতে জমির মালিক সেলিম মুজিবরকে আড়ত ভাড়া দিলেও ৩ বছরে এসে আড়ত দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। তার পক্ষে জেলা ছাত্রদলের একটি অংশ ও মুজিবরের পক্ষে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরেকটি পক্ষ অবস্থান নেয়। দুপুরে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষকালে পুড়িয়ে দেয়া হয় একটি প্রাইভেটকারসহ বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল। বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানবাহন চলাচল। এ সময় গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে অন্তত ১৮ জন।

    নারায়ণগঞ্জ সরকারী পুলিশ সুপার মেহেদি ইসলাম বলেন, আড়ত নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধের খবর শুনেছি। যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।