Category: প্রচ্ছদ

  • নরসিংদীতে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

    নরসিংদীতে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

    বিশেষ প্রতিনিধি:নরসিংদীতে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।শুক্রবার (২৪ জানুয়ারী) দুপুরে নরসিংদী পৌর পার্কে এই মেলার উদ্বোধন করা হয়।

    নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরী।

    নরসিংদী চেম্বারের প্রেসিডেন্ট রাশেদুল হাসান রিন্টুর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এবং ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে ১ শত ৫ টি স্টল নিয়ে মাসব্যাপী এই মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। তবে মেলায় এখনো স্টল সাজসজ্জার কাজ চলছে, পুরোদমে মেলা জমে উঠতে আরও ১ সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

  • অভাবের তাড়নায় ভাতের মাড় খেয়ে দিন পার করছে আঁখিসহ তার ভুমিহীন গৃহহীন পরিবার

    অভাবের তাড়নায় ভাতের মাড় খেয়ে দিন পার করছে আঁখিসহ তার ভুমিহীন গৃহহীন পরিবার

    জেলা প্রতিনিধি: চাই না মাগো রাজা হতে, রাজা হবার সাধ নাই, মাগো দু’বেলা যেন পাই মা খেতে’ কথাগুলো ছিল অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও সাধক রামপ্রসাদ সেনের। প্রকৃত অর্থে এটিই বাঙালির হাজার বছরের চিরন্তন স্বপ্ন। বাঙালির ভাতের কষ্ট, পেটের টানের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। তবে, এক বিংশ শতাব্দীতে এসেও অভাবের তাড়নায় ভাতের অভাবে দিনের পর দিন না খেয়ে থাকা, সন্তানকে অন্যের বাসা থেকে ভাতের মাড় নিয়ে খাওয়ানোর গল্পটা কিছুটা অবাস্তব কিংবা অপ্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে।

    কিন্তু, এটাই চিরসত্য। একবিংশ শতাব্দীতে এসেও একমুঠো ভাতের অভাবে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ৬ বছর বয়সী শিশু সন্তান আফসানা খাতুন আঁখির মুখে ভাতের মাড় তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছে শিশুটির পরিবার।
    আফসানার বাসা আশাশুনি উপজেলার বাঁকড়া ব্রিজ এলাকায়। সে ওই এলাকার আলমগীর হোসেন ও রুবিনা খাতুন দম্পত্তির একমাত্র সন্তান।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত এক দশক আগেও ভাতের অভাব ছিলনা শিশুটির পরিবারে। বসবাস করতো মরিচ্চাপ নদীর তীরে। তবে অপরিকল্পিত ভাবে নদী খননের ফলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় আলমগীর হোসেনের বসতভিটা। এরপর যাযাবরের মতো দেশের বিভিন্ন ইটভাটা ও রাইচ মিলে পরিবারসহ কাজ করে নিজ সংসারের ভরণপোষণ যোগাতেন তিনি। তবে শারীরিক অক্ষমতার কারনে মালিকপক্ষের মনোগত কাজ করতে না পারাতে সেখান থেকেও বিতারিত হতে হয় আলমগীরকে। একপর্যায়ে উপায়ন্তর না পেয়ে বাঁকড়া ব্রীজের ভেড়িবাঁধের স্লোপে (পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা) বেড়া আর নারকেল গাছের পাতার ছাউনি দিয়ে বসবাস করতে থাকেন আলমগীর ও রুবিনা দম্পতি। এসবের ভিতরে জন্ম হয় শিশু আফসানা খাতুন আঁখির।

    আঁখির বয়স যতো বাড়তে থাকে ততো সাংসারিক খরচও বাড়তে থাকে আলমগীরের সংসারে। তবে শারীরিকভাবে ভারি কাজ করতে অক্ষম হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময় বেকার থাকতে হয় আলমগীরকে। অপরদিকে রুবিনা কাজ করলেও নায্য মজুরী থেকে বঞ্চিত হন তিনিও। তার উপর প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়াতে সবসময় কাজ না পাওয়ায় এই দুরবস্থা সৃষ্টি হয় তাদের সংসারে।
    সরেজমিনে আঁখিদের এলাকাতে গেলে জানা যায়, বর্তমানে ওই এলাকার বিদ্যুৎহীন পরিবার তারা। বছরের অধিকাংশ সময় কোন না কোন বেলা অনাহারে থাকতে হয় তাদের। এনজিওর সহায়তায় আঁখির বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ থাকলেও সেটার আলো হিসেব করে ব্যবহার করতে হয়। যদি আকাশ দীর্ঘদিন মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে অন্ধকারে থাকতে হয় রাতের সময়। আর রাতের মতোই অন্ধকার নেমে এসেছে তাদের জীবনে।

    শিশু আঁখির বাসাতে যেয়ে দেখা, পার্শ্ববর্তী একটা বাড়ি থেকে মেয়ে আঁখির জন্য ভাতের মাড় সংগ্রহ করে রেখেছেন তার মা রুবিনা খাতুন। দুপুরের পর যখন আঁখি ৩ কিলোমিটার দূরের স্কুলের ক্লাস শেষ করে ফিরবে তখন এই ভাতের মাড় খেয়ে পেটে ক্ষুদা নিবারণ করবে শিশুটি। এসময় শিশুটির খাবারের তালিকাতে ছিল টমেটো সিদ্ধ ও দেশি পুঁটি ভাজা মাছ। সবজির দাম কমে যাওয়াতে এই টমেটো ক্রয় করেন আঁখির বাবা। মাছগুলো ছিল প্রতিবেশী এক ঘের মালিকের দেওয়া।
    এব্যাপারে আঁখির মা রুবিনা খাতুন জানান, অনেক কষ্টের ভেতরে রয়েছেন তিনিসহ তার পরিবার। অভাবে অভাবে এখন বেঁচে থাকাটা বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানান তিনি।

    রুবিনার ভাষাতে, নসীবে যদি কষ্ট লেখা থাকে তাহলে সুখবা আসবে কোথা থেকে! স্বামী অসুস্থ, ভারি কাজ করতে পারেনা। একদিন কাজ হয়লে দুইদিন কাজ হয়না। আর আমিতো নারী। আমারে সবাই কাজেও নেয়না। যারা নেয় তারাও কম মজুরী দেয়। বর্তমান বাজারে এক, দেড় শ’ টাকাতে কী সংসার চলে জানিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন তিনি।
    আবেগপ্রবণ হয়ে রুবিনা বলেন, মেয়েটারে নতুন জামাকাপড় দিতে পারিনা। লোকের বাদ দেওয়া জামাকাপড় দিয়ে বছরের পর বছর পড়ে আসছে তার সন্তান। বর্তমানে এমতাবস্থায় আছি যে, ফুল ড্রেসের পরিবর্তে হাফপ্যান্ট পড়ে তার সন্তান ক্লাস করাতে স্কুলের শিক্ষকরাও আপত্তি তুলেছে। যেখানে এক মুঠো ভাত জোগাড় করতে পারিনা, সেখানে ফুল প্যান্ট কেনা আমাদের সাধ্যের বাইরে।

    আঁখির বাবা আলমগীর হোসেন বলেন, জীবনে সুখ কী জীনিস সেটাই জানিনা। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার ভূমিহীনদের ঘর দিয়েছিল। তবে আমাদের ভাগ্যে কোন ঘর জোটেনি। আবেদন করেছিলাম। সরাসরি তৎকালীন ইউএনও ও তৎকালীন জেলা প্রশাসকের সাথে দেখা করেছিলাম, তবে কোন সুফল মেলেনি।
    আক্ষেপ করে আলমগীর বলেন, আজ ৫ বছরের মতো ভেড়িবাঁধের স্লোপে বসবাস করছি। এখানে কর্মসংস্থানের অভাব। যে কাজগুলো মেলে তাতে নিজের দেহ পারে না।

    সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত জানিয়ে আলমগীর বলেন, এপর্যন্ত কোন সহায়তা পায়নি। যখন সাহায্যের জন্য চাইতে যাইতাম তখন আমি বা আমরা কার সমর্থক সেটাকে গুরুত্ব দেওয়া হতো। যেখানে একমুঠো ভাত নিয়ে প্রতিটা দিন যুদ্ধ করতে হয় সেখানে প্রকাশ্যে রাজনীতি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক সমর্থক হওয়াটা কতটুকু যুক্তিসংগত জানিয়ে প্রতিবেদকের কাছেই প্রশ্ন রাখেন তিনি।

    তিনি বলেন, বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের জায়গা থেকে আমাদের চলে যাওয়ার জন্য মৌখিক ভাবে নির্দেশনা দিয়েছে। তবে এখান থেকে চলে গেলে থাকবো কোথায়? কিংবা যাবো বা কোথায়? এজন্য নিজ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের মানবিক ব্যক্তিসহ রাষ্ট্রের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    স্থানীয় সংবাদ কর্মী এসকে বাদশা বলেন, পরিবারটি অনেক অসহায়। আমরা ইতিপূর্বে পেশাগত দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এই পরিবারকে সরকারি ঘর দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি রেখেছিলাম। তবে এখনও পর্যন্ত সেটা উপেক্ষিত। এজন্য নতুন বাংলাদেশে আঁখির মতো পরিবাররা যাতে গৃহহীন কিংবা ক্ষুদার্ত না থাকে সেজন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    এব্যাপারে সাতক্ষীরার উন্নয়ন কর্মী মাধব দত্ত বলেন, আফসানা আঁখি আমাদেরই সমাজে বেড়ে উঠা সন্তান, তার ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে, উন্নয়ন সংগঠন, প্রশাসন ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান নিশ্চয়ই এই পরিবারের সহায়তা করবে। আজকের দিনে আঁখির মত ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবার থাকতে পারে না। বিত্তবানরা পরিবারটির পাশে দাঁড়াবে প্রতাশা করি। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগ আছে, আছে বেসরকারি প্রকল্প। আশাকরি তাদের জন্য একটি সামগ্রিক উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। নিশ্চিত হবে আঁখির অনাগত ভবিষ্যত। এব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদের সাকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও কল রিসিভ না হওয়াতে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  • মধুপুরে দুর্বৃত্তের হামলায় দুই ভাই মারাত্মক ভাবে আহত

    মধুপুরে দুর্বৃত্তের হামলায় দুই ভাই মারাত্মক ভাবে আহত

    জেলা প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের ভট্টবাড়ি এলাকায় দুর্বৃত্তরা দুই ভাইকে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করে মারাত্মক ভাবে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    আহতরা হলেন গোলাবাড়ি ইউনিয়নের মাইজবাড়ি গ্রামের মোঃ আবু তালেবের ছেলে মোঃ মনিরুজ্জামান আসিফ (৩৫) ও তার ছোট ভাই মোঃ মহসিন (২৭)।

    বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে স্থানীয় ভট্টবাড়ি বাজারে এঘটনাটি ঘটে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মনিরুজ্জামান আসিফ জানান, কয়েকদিন আগে ভট্টবাড়ি গ্রামে দুই পরিবারের দুই মহিলার মধ্যে ঝগড়া হয়।
    এই বিষয়ে দুই পক্ষের সম্মতিক্রমে স্থানীয় মেম্বার রফিকুল ইসলাম সোহেলের উদ্দ্যোগে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে সঙ্গে নিয়ে মিমাংসা উদ্দেশ্যে আলোচনায় বসি।

    মিমাংসার শেষ পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে একটু কথা-কাটাকাটি হয়। আমি তাদেরকে থামাতে গেলে তৃতীয় পক্ষের এক ব্যাক্তি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এনিয়ে তার সাথে আমার তর্কবির্তক হয়। এ সময় আমার ছোট ভাই মহসিন এগিয়ে এলে তার সাথে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরবর্তীতে সোহেল মেম্বার দুই পক্ষকে ডেকে আপোষ মিমাংসা করে দেন এবং তৃতীয় পক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে বসবেন বলে জানিয়ে দেন।

    এমতাবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারী) বিকেলে আমার ছোট ভাই ভট্টবাড়ি বাজার করতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওতপেতে থাকা আঃ সামাদ ও তার দুই ছেলে সাহেব আলী ও শহিদ, মৃত আঃ সাত্তারের ছেলে এমদাদুল, সোহাগ, মজিবরের ছেলে তোফাজ্জল সহ আরও কয়েকজন তাকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করতে থাকে। আমি শোনার পর বাজারে আমার ভাইকে বাঁচাতে গেলে তারা আমাকেও এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করতে থাকে। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার হাত কেটে যায় এবং আমার ছোট ভাইয়ের হাতে কোপ লেগে হাড়ভেঙা জখম হয়।

    পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন আমাদেরকে উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থার অবনতি দেখে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

    ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের কাছে এর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান। এ ঘটনায় আহতদের মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি অভিযোগ পত্র দাখিল করেছেন।

  • আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একটি ‘মধ্যমপন্থী’ রাজনৈতিক দল ঘোষণা

    আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একটি ‘মধ্যমপন্থী’ রাজনৈতিক দল ঘোষণা

    জেলা প্রতিনিধি: আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একটি ‘মধ্যমপন্থী’ রাজনৈতিক দল ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুরের কাউনিয়া বাজারে গণসংযোগকালে এ তথ্য জানান তিনি।

    আখতার বলেন, আগামী নির্বাচনে অনেকেই আওয়ামী লীগকে নিয়ে আসবার পাঁয়তারা করছে। এটা স্পষ্টত যে, দিল্লীর সাথে সম্পর্ক থাকায় তারা এ ধরনের কাজ করছে। তবে আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে আর রাজনীতি করতে দেয়া হবে না। যারাই আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধেই দেশের জনগণ সর্বশক্তি দিয়ে রুখে দাড়াবে বলে জানান তিনি।

    এর আগে, কাউনিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক হাজার দুঃস্থ নারী ও পুরুষের হাতে হাতে উষ্ণতার বস্ত্র বিতরণ করেন তিনি। পরে গণসংযোগ শেষে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই রাজনৈতিক দল আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে একটি রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হতে যাচ্ছে। আশা করছি, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই আমরা সেই রাজনৈতিক দলের দেখা পাবো।

    ইতোমধ্যে ২০০ থানা কমিটি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জানুয়ারির মধ্যে ৪ শতাধিক থানা কমিটি হয়ে যাবে। এরপর ফেব্রুয়ারিতে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে দল ঘোষণা করবো। অনেক নাম প্রস্তাবনা এসেছে। যাছাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত করা হবে।

    ‘কেমন হবে দল’ সে কথা উল্লেখ করে আখতার বলেন, বাংলাদেশে একটি মধ্যমপন্থী রাজনৈতিক চর্চা থেকে এই দলের আবির্ভাব হবে। এদেশে দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা ইসলাম বিদ্বেষ যেমন আমরা টলারেট করবো না তেমনি হিন্দু, উগ্রবাদ কিংবা মুসলিম উগ্রবাদের যে জায়গাগুলো আছে সেগুলোও আমরা হতে দিবো না।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করে কৃষকদের ওপর হামলা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ‘ভারতীয় ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করে কৃষকদের ওপর হামলা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ‘ভারতীয় ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ

    নিউজ ডেস্ক: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করে কৃষকদের ওপর হামলা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ‘ভারতীয় ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ।

    বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে বক্তারা বিএসএফে’র বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আগ্রাসন চালানোর অভিযোগ করেন।

    একইসঙ্গে বাংলাদেশি কৃষকদের ওপর হামলা, কৃষকের ফসল কেটে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

    বাংলাদেশ অংশে কোনো ধরণের উসকানি বা সীমান্তে কোনও হামলা হলে ভারতকে চরম মূল্য দিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

    এসময়, পার্বত্য চট্রগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদী নির্মূলে সামরিক কমিশন গঠন ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার আহ্বানও জানায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ।

  • আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ার প্রায় ৬০ লাখ মানুষের এ বছর মানবিক সহায়তা প্রয়োজন

    আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ার প্রায় ৬০ লাখ মানুষের এ বছর মানবিক সহায়তা প্রয়োজন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ার প্রায় ৬০ লাখ মানুষের এ বছর মানবিক সহায়তা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। দেশটি কয়েক দশকের গৃহযুদ্ধ, আল-শাবাবের রক্তাক্ত বিদ্রোহ ও ঘন ঘন জলবায়ু বিপর্যয় সহ্য করছে। অর্থনীতিও ভেঙে পড়েছে দেশটির। খবর, আরব নিউজের।

    জাতিসংঘের ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা সংস্থা ওসিএইচএ’র এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এমন তথ্য। দেশটি অচিরেই একটি জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। এজন্য ১৪৩ কোটির তহবিল আবেদনের কাজ শুরু হয়েছে।

    ওসিএইচএ আরও জানিয়েছে, গত বছর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের বৃষ্টিপাতের কারণে দেশটি বর্তমানে ব্যাপক শুষ্ক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে।ৃ

    প্রসঙ্গত, সোমালিয়ান সরকারের সঙ্গে সম্প্রতি একটি তহবিল আবেদন করেছে ওসিএইচএ। এর লক্ষ্য হলো দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ৪৬ লাখ মানুষকে সহায়তা করা।