Category: প্রচ্ছদ

  • খুব অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস !

    খুব অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস !

    নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এই সময়ে ঢাকার বায়ুর মান স্কোর ছিল ২২৮। তবে সকাল ৯টা দিকে ছিল ২৪৬।বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায়  ঢাকার অবস্থান চতুর্থ। দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বসনিয়ার হার্জেগোভিনার সারায়েভো শহর।

    তালিকার শীর্ষে অবস্থান করা সারায়েভোর বায়ুর মানের স্কোর ৪৭৮! অর্থাৎ সেখানকার বায়ু ‘দুর্যোগপূর্ণ বা বিপজ্জনক’ পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকে ভারতের কোলকাতার বায়ুমান ২৮৫ বা খুবই অস্বাস্থ্যকর। তিনে পাকিস্তানের করাচির বায়ুমান ২৩২। এখানকার বাতাসও খুবই অস্বাস্থ্যকর। চারে থাকা ঢাকার বায়ুমান ২২৮, অর্থাৎ খুব অস্বাস্থ্যকর। পাঁচে থাকা দিল্লির বায়ুমান ২২৮।

  • কেশবপুরে সরকারী গাছ কাটার দায়ে আলমসাদু গাড়িসহ চালক আটক

    কেশবপুরে সরকারী গাছ কাটার দায়ে আলমসাদু গাড়িসহ চালক আটক

    জেলা প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে কপোতাক্ষ নদের পাড় থেকে প্রায় এক লক্ষ টাকা মূল্যের রেইনট্রি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় বোঝাইকৃত আলমসাধুসহ চালক সুমন হোসেন কে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ভোরে চিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাকে আটক করে। সে বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত আলাউদ্দিন সানার ছেলে।

    জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে কপোতাক্ষ নদের পাড় থেকে প্রায় এক লক্ষ টাকা মূল্যের রেন্টি গাছ কেটে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বোঝাইকৃত আলমসাধুসহ চালক সুমন হোসেনকে আটক করেছে চিংড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামরুল ইসলাম।

    পুলিশ চালক সুমন হোসেনের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে, তার আলমসাধু ভাড়া করে বিষ্ণুপুর গ্রামের নাঈম হোসেন, অহিদুজ্জামানসহ ৭/৮ জন মিলে ওয়াপদার গাছ গাড়িতে লোড করে দেয়। বোঝাইকৃত কাট নিয়ে হাসানপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হলে চিংড়া বাজার থেকে তাকে পুলিশ আটক করে। এ ব্যাপারে চিংড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ কামরুল ইসলাম বলেন, সরকারি গাছ কেটে পালিয়ে যাওয়ার সময় চিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে কাট বোঝাইকৃত নসিমনসহ চালক সুমন হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় কেশবপুর থানার ডিউটি অফিসার জানান মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারের জন্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • গাইবান্ধায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

     জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেনতামুলক এক কর্মশালা আজ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় জেলা প্রশাসক চৌদুরী মোয়াজ্জম আহমদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক মাহমুদুল কবীর,সদস্য (যুগ্নসচিব )।

    কর্মশালায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো সোহেলুর রহমান খান, সিভিল সার্জন ডাঃ কানিজ সাবিহা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রব জ্যোতিমর্য় গোপ, জেলা বিএনপির সভাপতি ডাঃ ময়নুল হাসান সাদিক, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সিনিয়র কনসালটেন্ট মোঃ আইয়ুব হোসেন, স্বাগত বক্তব্য রাখেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মিলন মিয়া সহ সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, গনমাধ্যমকর্মী এবং অন্যন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে সেতু নির্মাণ কাজ রেখে পালিয়েছেন ঠিকাদার, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

    ঠাকুরগাঁওয়ে সেতু নির্মাণ কাজ রেখে পালিয়েছেন ঠিকাদার, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

    জেলা প্রতিনিধি: শেষ হয়নি সেতুর কাজ, দু’পাশে রাস্তা পারাপারের জন্য বানানো হয়েছে কাঠের তৈরি মই। অধিকাংশ কাঠ ভেঙে যাওয়া আর নিচে পানির বিশাল গর্ত থাকায় সেতুটি মরণ ফাঁদে রুপ নিয়েছে। পারাপারের সময় বেড়েছে দূর্ঘটনার প্রবণতা, এতে এলাকার মানুষের ভোগান্তি প্রতিনিয়ত। দ্রুত কাজ শেষ করে ভোগান্তি থেকে মুক্তি চায় গ্রামবাসি। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ২৯ লাখ ২৬ হাজার টাকা ব্যয়ে দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের সিংগিয়া গ্রামে কাজ শুরু হয় সেতু/কালভার্টের। গত বছরের শুরুতে কাজটির গতি থাকলেও গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে বন্ধ রয়েছে কাজ। সেতু তৈরির কাজে ব্যবহৃত মালামাল রেখে পালিয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

    এতে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ৪ গ্রামের কয়েকশত মানুষকে। হেঁটে রাস্তা পারাপার, যানবাহন, কৃষি জমির ফসল, বিভিন্ন পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলে ঘটছে নানা ধরনের সমস্যা। সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, সেতুর এমন দুর্দশা গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে এলাকাবাসীর। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত, কৃষি জমির ফসল পরিবহন সহ ব্যাঘাত ঘটছে দৈনিক কাজের। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ করে ঝুঁকিমুক্ত করার দাবি এলাকাবাসীর।

    পথচারী শরিফুল ইসলাম বলেন, এই রাস্তা দিয়ে আমরা আশপাশের সকল মানুষ যাতায়াত করে থাকি। শহরে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। অথচ ব্রীজটির কারনে আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কৃষক সুরেশ চন্দ্র বলেন, আলুর আবাদ করেছি। বীজের আলু ভ্যানে করে নিয়ে যেতে হয়। আবাদের সময় সার কীটনাশক নিয়ে যেতে হয়। আমরা এসব ভ্যানে নিয়ে যেতে পারছি না। তারা কাজটা এমন ভাবে রেখে পালিয়েছে না শুরু না শেষ। আর দুই পাশে যে কাঠের রাস্তা করেছে সেগুলো আরো ভয়ানক। যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটে যাবে। স্কুল শিক্ষার্থী লিপি রায় বলেন, প্রতিনিয়ত এই রাস্তায় বিদ্যালয়ে যেতে হয়। বাধ্য হয়ে নিচ দিয়ে নেমে ব্রিজের আরেক পাশে উঠতে হয়। বর্ষার সময় তো বইপত্র সহ ভিজে গেছে।

    এটি কাজ শেষ করলে যাতায়াতে সুবিধা হবে। ১৭ নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং- ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রহিম বলেন, এলাকার মানুষের সাথে দেখা হলে ব্রিজের বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কাজে আসেনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাসেল পরিবহনের সাথে কয়েক দফায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু শোয়েব খান বলেন, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত কাজ শেষ করার মেয়াদ রয়েছে কাজটির। তবে ভোগান্তি নিরসনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে কাজ করা হবে।

  • বাংলাদেশ পুলিশের ২০ কর্মকর্তাকে বদলি

    বাংলাদেশ পুলিশের ২০ কর্মকর্তাকে বদলি

    নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার চারজন ও পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১৩ জন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মর্যাদার তিনজনসহ ২০ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান।

    বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, পিবিআই, ডিএমপি, শিল্পাঞ্চল পুলিশ ও আরআরএফসহ বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।

    ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি নরেশ চাকমাকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার, রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি এসএম এমরান হোসেনকে এন্টি টেররিজম ইউনিটে, পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনকে খুলনা রেঞ্জ অফিসে এবং ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিসের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জাবেদুর রহমানকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে বদলি করা হয়েছে।

  • জুলাই অভ্যুত্থানে যারা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভোটারদের তথ্য হালনাগাদ শুরু

    জুলাই অভ্যুত্থানে যারা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভোটারদের তথ্য হালনাগাদ শুরু

    নিউজ ডেস্ক: জুলাই অভ্যুত্থানে যারা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের ভোটার তথ্য হালনাগাদ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেখানে বায়োমেট্রিকের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের সুযোগও তারা পাচ্ছেন। দেড় সপ্তাহের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে পরিচয়পত্র।

    মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) কেবিন ব্লকে জুলাই বিপ্লবে আহতদের ভোটার হালনাগাদ করতে যায় বিশেষ দল।

    সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের এক টেবিলে বসে ভোটার আবেদনকারীর তথ্য, ছবি তোলা, আঙ্গুলের ছাপ এবং চোখের আইরিশ দিয়ে ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন আহতরা। একইসঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনেরও সুযোগ পাচ্ছেন। আহতদের পাশাপাশি তাদের পরিবারের সদস্যরাও পাচ্ছেন বিশেষ এ সুবিধা।

    হাসপাতালে আহত এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের বাসায় গিয়ে ভোটার তথ্য হালনাগাদ করতে হলে ঝামেলা পোহাতে হতো। আমরা তো আহত রোগী, হাঁটাচলা নিষিদ্ধ। যে পদ্ধতিতে তথ্য হালনাগাদ করতে হচ্ছে, এতে আমাদের উপকার হচ্ছে। এজন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানায়।

    নির্বাচন কমিশনের সহকারী প্রোগ্রামার মো. সাহাবুদ্দীন বলেন, আমরা হাসপাতালে যেসব সেবাগুলো দিচ্ছি-যাদের নতুন এনআইডি কার্ড দরকার বা কার্ড সংশোধন করতে হবে, কার্ড হারিয়ে গিয়েছে অথবা এই জাতীয় কোনো সমস্যা থাকলে আমরা তার সেবা দিচ্ছি।

    আহতদের মধ্যে যাদের হাত ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের কার্ড দেয়া হচ্ছে কমিশনের অনুমতিতে জানিয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবির বলেন, স্বাভাবিকভাবে যাদের হাত থাকে না। তাদেরকেও আমরা ভোটার তালিকায় রাখি। তাদেরকেও এনআইডি দেয়া হয়।

    তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে যাদের (আহতদের) এমন সীমাবদ্ধতা হয়ে গেছে। আমরা কমিশনের অনুমতি নিয়ে তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করবো এবং এনআইডি দিবো। এ ছাড়াও সারাদেশে যত জায়গায় রোগী আছে, আমরা সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করবো।

    উল্লেখ্য, শুধু ঢাকার হাসপাতালগুলোয় নয়, পর্যায়ক্রমে এ সেবা দেয়া হবে সারাদেশে জুলাই অভ্যুত্থানে চিকিৎসাধীন আহতদেরকেও।