Category: প্রচ্ছদ

  • লুটপাটের রাজনীতি পরিহার করে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে

    লুটপাটের রাজনীতি পরিহার করে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে

    নিজস্ব প্রতিবেদন: মাদার বখসের মতো দেশ প্রেমিকের নেতৃত্বের আজ বড়ই অভাব। তাকে অনুসরণ করে রাজশাহীকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। জননেতা মাদার বখসের ৫৮তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা একথা বলেন।

    সোমবার (২০ জানুয়ারী) বিকেল ৪ টায় নগরীর শিরোইলে বিভাগীয় প্রেসক্লাব রাজশাহীর হলরুমে জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ ও বিভাগীয় প্রেসক্লাব রাজশাহী যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও অবহেলিত উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা-সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক মুক্তি, সমৃদ্ধির স্বপ্নদ্রষ্টা অগ্রনায়ক, গণমানুষের আপন বলয়ের অনিঃশেষ নক্ষত্র মানুষ জননেতা মাদার বখসের মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন, লুটপাটের কারণে দেশ আজ পিছিয়ে পড়ছে। জনগণের কল্যাণের জন্য লুটপাটের রাজনীতি পরিহার করে রাজনীতিবিদদের জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। অফিস, আদালত, ব্যাংক , বীমায় যে দুর্নীতি চলছে তার বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ ও বিভাগীয় প্রেসক্লাব রাজশাহীর সভাপতি ভাষাসৈনিক পরিবারের সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক সাইদুর রহমান।

    জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. আসলাম-উদ-দৌলার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আবুল কালাম আজাদ। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান আলী বরজাহান।

    সভায় বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রেসক্লাব রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক এসএম আব্দুল মুগনি নিরো, জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন মিন্টু, জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের উপদেষ্টা মাসুদ রানা সরকার, মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ওয়ালিউর রহমান বাবু, শহীদ পরিবারের সদস্য হাসানুজ্জামান হাসানি, প্রকাশকালের নিউজ এডিটর সাহিদ হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শফিকুর রহমান রিপন, গণমাধ্যম কর্মী মোজাম্মেল বাবু, মো নাইম, মানবাধিকার কর্মী মো মোস্তফা কামাল ইমন ও প্রকাশকালের চীফ রিপোর্টার শেখ রুমেল, জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের সদস্য আব্দুল মাজেদ, সাংস্কৃতিক কর্মী বাশেদ হোসেন প্রামানিক।

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ইলন মাস্ক

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ইলন মাস্ক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও টেক বিলিওনিয়ার ইলন মাস্ক। সোমবার (২০ জানুয়ারি) এমনটা জানিয়েছে গণমাধ্যম স্কাই নিউজ।

    ক্যাপিটাল ওয়ালে জমকালো আয়োজনে ছেলে ‘এক্স’কে নিয়ে উপস্থিত হয়ে সবাইকে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন বিশ্বের সর্বোচ্চ ধনী এই ব্যক্তি। ছেলেকে সঙ্গে নিয়েই মঞ্চে ওঠেন তিনি।

    দৌঁড়ে গিয়ে বাবার সঙ্গে পোডিয়ামের কাছে দাঁড়ায় মাস্কের ছেলে। তার মাথায় হাত বুলিয়ে আদরও করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসময় বেশ খুশি দেখা যায় মাস্কপুত্রকে। লাফিয়ে লাফিয়ে হাত নাড়িয়ে উপস্থিত জনতার সামনে প্রকাশ করে সেই অভিব্যক্তিও।

    হাসতে হাসতে ট্রাম্পের একজন উদ্যমী সমর্থক বলে ছেলেকে পরিচয় করিয়ে দেন বাবা ইলন মাস্ক।

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে শপথ নেবেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্প যুগ শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই শুরু হচ্ছে না, পরাশক্তি দেশ হিসেবে তার প্রভাব পড়বে বিশ্বজুড়েই। তার এই ফেরা বৈশ্বিক রাজনীতি ও নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ এজেন্ডা আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নতুন রূপ দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ইউক্রেন: ট্রাম্প বলেছেন, তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ একদিনেই শেষ করতে পারবেন, তবে তিনি কীভাবে সেটা করবেন, তা বিস্তারিত বলেননি। তিনি ইউক্রেনকে বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দেওয়ার সমালোচনা করেছেন। এতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে, ট্রাম্প হয়ত ইউক্রেনকে আঞ্চলিক সমঝোতা করতে চাপ দিতে পারেন।

    ট্রাম্পের মনোনীত বিশেষ দূত, কিথ কেলগ, ১০০ দিনের মধ্যে এ সংকট সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছেন সেইসাথে ইউক্রেনকে শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার শর্তে সহায়তা দেওয়ার কথা বলেছেন।

    ন্যাটো: ট্রাম্প ন্যাটো নিয়ে সমালোচনা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি ইউরোপীয় সদস্যদের প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার দাবি জানিয়েছেন। যদিও তিনি ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের কথা স্পষ্ট করেননি। তবে ইউরোপে মার্কিন সেনাদের সংখ্যা কমিয়ে ন্যাটোকে দুর্বল করে দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    মধ্যপ্রাচ্য: মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্প ইসরায়েলপন্থী অবস্থান ধরে রাখবেন। তিনি আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের ভিত্তিতে সৌদি আর ও ইসরায়েলের মধ্যে চুক্তি করার চেষ্টা করতে পারেন। ইরানের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক প্রতিরোধ জারি করতে পারেন। গাজার যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জও তার নেতৃত্বের পরীক্ষা নেবে।

    চীন: চীনের প্রতি ট্রাম্পের কঠোর মনোভাব আরও তীব্র হতে পারে। তিনি চীনা পণ্যের ওপর ৬০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন। তার প্রশাসন চীনকে একটি বড় হুমকি হিসেবে দেখে, বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে। ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করলেও তাইওয়ানের প্রতি চীনের যেকোনো আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছেন।

    জলবায়ু পরিবর্তন: জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে, ট্রাম্প আবার প্যারিস চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিতে পারেন সেইসাথে জীবাশ্ম জ্বালানির উৎপাদন বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিতে পারেন। তিনি সবুজ শক্তির জন্য আর্থিক প্রণোদনা কমানো এবং তেল ও গ্যাস ড্রিলিং বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এটি বৈশ্বিক জলবায়ু প্রচেষ্টাকে ধীর করতে পারে, তবুও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে বিশ্বের ধাবমান প্রবণতা থামবে না।

    অভিবাসন: অভিবাসন নিয়ে, ট্রাম্প লাখ লাখ অনথিভুক্ত বা অবৈধ অভিবাসীকে বিতাড়িত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের পরিকল্পনা করেছেন। তার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বিতর্কিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা কঠোর করা।

    তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তার এই পরিকল্পনাগুলো আইনি, লজিস্টিক এবং আর্থিক দিক থেকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

    গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খাল: ট্রাম্প কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের কথা উল্লেখ করে গ্রিনল্যান্ড কেনার এবং পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ব্যাপারে তার বিতর্কিত ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন।

    যদিও এই পদক্ষেপগুলো সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে এটি বিশ্বব্যাপী মার্কিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের আকাঙ্ক্ষার বিষয়টি প্রকাশ করে।

    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে প্রথমবার মার্কিন মসনদে বসেন ট্রাম্প। পরের নির্বাচনে জো বাইডেনের কাছে হেরে যান তিনি। আগামী চার বছর যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নানা ইস্যুর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পররাষ্ট্রনীতিতে কতটা ইতিবাচক আবহ তৈরি করতে পারেন ট্রাম্প সেটি সময়ই বলে দেবে। পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৮ সালে। ২০২৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত হোয়াইট হাউজসহ মার্কিন ক্যাপ্টেন এখন ট্রাম্প।

  • পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাকে পরিবর্তন আনা হচ্ছে

    পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাকে পরিবর্তন আনা হচ্ছে

    নিউজ ডেস্ক: পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাকে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সোমবার (২০ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, বৈঠকে আয়রন, রয়েল ব্লু, ডিপখাকি, ডিপব্লু, জলপাইসহ কয়েকটি রংয়ের পোশাকের মডেল উপস্থাপন করা হয়। সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তিন বাহিনীর জন্য আলাদা আলাদা রংয়ের পোশাক চূড়ান্ত করা হয়।

    বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের পোশাকের রং হচ্ছে ‘আয়রন’। র‌্যাবের পোশাক হচ্ছে জলপাই বা অলিভ রংয়ের এবং আনসারের পোশাকের রং হচ্ছে ‘গোল্ডেন হুইট’।

  • ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন

    নিউজ ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে আজ চারদিনের সফরে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন। সোমবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টায় সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি। ২৫ জানুয়ারি তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

    সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা সম্মেলনের ফাঁকে বেশ কয়েকটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর হেয়ার রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।

    আজাদ মজুমদার বলেন, সোমবার রাত ১টায় প্রধান উপদেষ্টা সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন। সম্মেলন শেষে ২৫ জানুয়ারি দেশে ফিরে আসবেন। এর মধ্যে জার্মানির চ্যান্সেলর, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, বেলজিয়ামের রাজা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    তিনি আরও জানান, সম্মেলনে বাংলাদেশ বিষয়ে আলাদা একটি সংলাপ হবে। দেশের বিনিয়োগের পরিবেশ সম্পর্কে সেখানে একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করা হবে। এ ছাড়াও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের প্রতি নজর দিতে আহ্বান জানানো হবে বলে জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, সংলাপের আয়োজক ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম। বাছাইকৃত দেশগুলোকেই সংলাপের সুযোগ দেয়া হয়। এবার বাংলাদেশকে দেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরাও সেখানে থাকবেন। সফরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাকবেন বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।

  • গত প্রায় এক বছর ধরে জব্দকৃত বিভিন্ন ধরণের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি

    গত প্রায় এক বছর ধরে জব্দকৃত বিভিন্ন ধরণের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি

    নিউজ ডেস্ক: রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ৩৩ বিজিবি সদর দপ্তরে এ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।সাতক্ষীরা সীমান্তে গত প্রায় এক বছর ধরে জব্দকৃত বিভিন্ন ধরণের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    ধ্বংসকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে দেশি-বিদেশি ব্রান্ডের মদ, ফেন্সিডিল, ইয়াবা, গাজা, হিরোইন, এলএসডি, ক্রিষ্টাল মেথ আইস, ভারতীয় অনাগ্রা ট্যাবলেট, ইনজেকশন ড্রাগ, পাতার বিড়ি ও তামাকের গুড়া। এসব মাদকদ্রব সাতক্ষীরা সীমান্তের ৫৪ কিলোমিটার এলাকায় করা হয়েছিল।

    বিজিবি জানায়, ‘মাদককে না বলি জীবনকে হ্যা বলি।’ মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে সমাজকে সচেতন করতেই তাদের এ মাদক ধ্বংসের আয়োজন।

    এ সময় মাদকদ্রব্য ধ্বংসকালে উপস্থিত ছিলেন খুলনার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল হেদী হাসান চৌধুরী, সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক আশরাফুল হক। সহকারী পরিচালক মাসুদ রানা, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডাঃ কাজী আরিফ আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার এস এম আরিফ রায়হান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিজয় কুমার মজুমদারসহ আরও অনেকে।