Category: Uncategorized

  • টেকনাফে গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ দাদা-নাতনির লাশ উদ্ধার

    প্রতিনিধি, টেকনাফ, কক্সবাজার
    ৩১ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৪৫
    আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০১৮, ১৮:০৭

    কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীর মৎস্য ঘের ও প্যারাবনে গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ হয় দাদা মো. ইউসুফ আলী (৭৫) ও তাঁর নাতনি রোজিনা আক্তার (১০)। নিখোঁজের দুই দিন পর আজ শুক্রবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং উনছিপ্রাং রইক্ষ্যংখালের মুখে ভাসমান অবস্থায় রোজিনার লাশ এবং সকাল নয়টার দিকে ঝিমংখালী এলাকা থেকে ইউসুফ আলীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

    গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং লম্বাবিল গ্রামের মৃত আবদুল আজিজের ছেলে মোহাম্মদ ইউসুফ আলী ও আব্দুল মালেকের মেয়ে রোজিনা আক্তার একসঙ্গে নাফ নদীর মৎস্য ঘের ও প্যারাবনে কয়েকটি গরু চরাতে করাতে যায়। দিন শেষে গরুগুলো বাড়িতে চলে এলেও তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

    টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় চাকমা প্রথম আলোকে দাদা-নাতনির লাশ উদ্ধারের খবর নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় লাশ দুটি হস্তান্তর করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নাফ নদীর খালের মোহনায় জোয়ার-ভাটায় কিংবা পাহাড়ি ঢলে তারা চাপা পড়েছিল।

    হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক দীপংকর কর্মকার প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয়দের সহযোগিতায় লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে দাদা-নাতনির লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • এ কোন ধরনের মাদক!

    এ কোন ধরনের মাদক!

    আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে এ দেশে আসতে শুরু করে মাদক হেরোইন। এর অনেক আগে থেকে প্রচলন ছিল গাঁজার। হেরোইন আসার পর মাদকসেবীরা আসক্ত হতে থাকেন এতে। এরপর ৯০–এর দশকে ভারত থেকে আসা শুরু হয় ফেনসিডিল। ফেনসিডিলের রমরমা ব্যবসাকে ম্লান করে নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে থাবা দেয় ‘ইয়াবা’। প্রায় দেড় দশক ধরে চলছে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে আসা ইয়াবা নামের ভয়ংকর এই মাদকের ব্যবসা। এবার নতুন আরেক ধরনের মাদক আসা শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। সেবনের পর এটি মানবদেহে ইয়াবার মতো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তবে ফেনসিডিল-ইয়াবার মতো সীমান্ত পথে নয়, আকাশপথে এসেছে নতুন এই মাদক।

    আজ শুক্রবার দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় চার শ কেজি নতুন এই মাদকের চালান জব্দ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল।

    বেলা তিনটার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম শিকদারের নেতৃত্বে এক অভিযানে বিমানবন্দরের কার্গো গুদাম এলাকা থেকে মাদকের এই চালান জব্দ করা হয়।

    শুক্রবার বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে নতুন মাদক এনপিএস আটক করা হয়। ছবি: সংগৃহীতবিষয়টির সার্বিক তত্ত্বাবধানের ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) ডিআইজি মাসুম রব্বানী। এনপিএসের চালানটি কয়েক দিন আগে আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া থেকে ঢাকায় বিমানবন্দরে এসেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম শিকদার প্রথম আলোকে বলেন, গোপন সূত্রে বিপুল পরিমাণ নতুন মাদক নিউ সাইকোট্রফিক সাবসটেনসেস (এনপিএস) আসার খবর কয়েক দিন আগে পাওয়া যায়। এই তথ্য পেয়ে আজ দুপুরে বিমানবন্দরে অভিযান চালানো হয়।

    তিনি বলেন, এনপিএস অনেকটা চায়ের পাতার গুঁড়োর মতো দেখতে। পানির সঙ্গে মিশিয়ে তরল করে এটি সেবন করা হয়। সেবনের পর মানবদেহে এক ধরনের উত্তেজনার সৃষ্টি করে। অনেকটা ইয়াবার মতো প্রতিক্রিয়া হয়। এক ধরনের গাছ থেকে এনপিএস তৈরি হয়ে থাকে। এটি ‘খ’ ক্যাটাগরির মাদক। ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবার জিয়াদ মোহাম্মাদ ইউসুফ এনপিএসের চালানটি এ দেশে পাঠিয়েছেন। এ দেশে নওয়াহিন এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে চালানটি পাঠানো হয়।

    নজরুল ইসলাম শিকদার বলেন, এই মাদক ইয়াবার মতো কাজ করলেও গ্রিন টির মতো প্যাকেটে আনা হয়। বাংলাদেশে আবার নতুন করে প্যাকেট করে বাইরে চোরাচালান করে পাঠানো হয়। বাংলাদেশে বিক্রির পাশাপাশি পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জব্দ হওয়া এনপিএস সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করানো হবে।

  • চট্টগ্রামে সহপাঠীর ছোড়া রডের আঘাতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    চট্টগ্রামে সহপাঠীর ছোড়া রডের আঘাতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    আঘাতে এক এতিমখানার শিক্ষার্থী মারা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সে মারা যায়। এই ঘটনায় বিকেলে ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠীকে আটক করেছে পুলিশ।

    মারা যাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মো. মিজানুর রহমান (১১)। সে উপজেলার কলাউজান শাহ আমজাদিয়া হেফজখানা ও নুরিয়া এতিমখানার হেফজ শাখার শিক্ষার্থী ছিল। উত্তর কলাউজান সিকদার পাড়ার মোহাম্মদ ইছহাকের ছেলে মিজান।

    পুলিশ ও এতিমখানা সূত্রে জানা যায়, এতিমখানায় গত বুধবার দিনগত রাত চারটার দিকে মিজানুর রহমান ঘুম থেকে ওঠে। পরে তার এক সহপাঠীকে ঘুম থেকে জাগানোর জন্য মুখে পানি ছিটিয়ে দেয়। হন্তদন্ত হয়ে সেই সহপাঠী ঘুম থেকে উঠে ক্ষিপ্ত হয়ে মিজানুরকে মারার চেষ্টা করে। এ সময় মিজানুর ভবনের বাইরে চলে যায়। পরে ওই সহপাঠী ঘণ্টির দণ্ড (লোহার রড) নিয়ে ধাওয়া করে মিজানুরের দিকে ছুড়ে মারে। এতে রডটি মিজানের মাথায় বিদ্ধ হলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাকে উদ্ধার লোহাগাড়ার আমিরাবাদের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

    মিজানুর রহমানের বাবা মোহাম্মদ ইছহাক মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়তে দিয়েছিলাম, কোরআনের হাফেজ বানানোর জন্য। কিন্তু তারা আমার ছেলেটাকে হাফেজ না বানিয়ে হত্যা করেছে।’ ছেলে আহত হওয়ার পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সেই খবরটি জানায়নি বলেও দাবি করেন মোহাম্মদ ইছহাক।

    মাদ্রাসার পরিচালক গোলাম রসুল কমরী প্রথম আলোকে বলেন, মিজান মাথায় আঘাত পেলে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে গিয়ে ওই সময় তাঁর অভিভাবকদের খবর পাঠানো সম্ভব হয়নি।

    লোহাগাড়া থানার পরিদর্শক (এসআই) মো. মফিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত মিজানুরের এক সহপাঠীকে আটক করা হয়েছে।

  • যেকোনো বয়সে সরকারি চাকরিতে আপত্তি নেই অর্থমন্ত্রীর

    যেকোনো বয়সে যে কেউ সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করতে পারবে-এমনটি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গতকাল সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
    সরকারি চাকরিতে প্রবেশ বয়স ৩২ বছর করার ব্যাপারে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রস্তাব দেবে- এ বিষয়ে আপনার অভিমত কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কোনো আপত্তি নেই। আমার মতে সরকারি চাকরি হওয়া উচিত কন্ট্রাক বেসিসে (চুক্তিভিত্তিক)। যেকোনো বয়সে যে কেউ চাকরি পাবে।
    আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বয়স বাড়ানোর পরিকল্পনা আমার ছিল। আমি প্রস্তাবও দিয়েছিলাম। কিন্তু ওইটা বাস্তবায়ন হয়নি।

    আমার মনে হয় নির্বাচনের আগে এসব ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
    জানা গেছে, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সমপ্রতি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার সুপারিশ করেছে। এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

  • ‘নোলক’-এ থাকছেন পরিচালক রাহা

    ‘নোলক’-এ থাকছেন পরিচালক রাহা

    কিছুদিন আগের কথা। পরিচালকের কাছ থেকে ‘নোলক’ ছবিটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ছবির পরিচালক রাশেদ রাহা পরিচালক ও প্রযোজক সমিতিতে লিখিত অভিযোগ করেন। রাশেদ রাহার মতে, ছবির সিংহভাগ কাজ শেষ করার পর পরিচালক বদলে ফেলার পাঁয়তারা করছিলেন ছবির প্রযোজক সাকিব সনেট। এমনকি ভারতে গিয়ে প্রযোজক সাকিব সনেট নিজেই পরিচালকের চেয়ারে বসে পড়েছিলেন। এ বিষয়ে ক্ষোভ জানিয়ে রাশেদ রাহা বলেন, একজন পরিচালকের কাছে তাঁর সৃষ্টি হচ্ছে সন্তানের মতো। সেই সন্তান লালন-পালন করে বড় করার পর প্রযোজক তাঁর ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নিয়ে আরেকজনকে দিয়ে কাজটি করিয়ে নিতে চান! এটা তো ছিনতাই ছাড়া আর কিছুই না।

  • ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত: ওবায়দুল কাদের

    ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত: ওবায়দুল কাদের

    আগামী জাতীয় নির্বাচনে ১০০টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে বলে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের দাবিটি আওয়ামী লীগের নতুন কোনো দাবি নয়। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে আওয়ামী লীগ ইভিএম ব্যবহারের দাবি জানিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সেই দাবিতে এখনও অটল।

    বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। গত তিনটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের কথা তুলে ধরে বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ইভিএমে এত অবিশ্বাস কেন? সিলেটে জিতলেন। সেখানেও তো ইভিএম ছিল।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ইভিএম আজ বিশ্বস্বীকৃত একটা আধুনিক ভোটিং সিস্টেম। ভারতে অনেক নির্বাচন ইভিএম পদ্ধতিতে হয়েছে। উন্নত গণতান্ত্রিক দেশেও এই পদ্ধতি চালু আছে। তাহলে বিএনপি কেন এর বিরোধিতা করে? স্বচ্ছ নিরপেক্ষ নির্বাচন চাইলে ইভিএম ব্যবহারে আপত্তি কোথায়?

    তবে ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে, এই মুহূর্তে ইভিএমে ভোট করার মতো বাস্তবতা নেই অথবা তারা করতে চান না বা এই সময়ের মধ্যে ইভিএম মেশিন কেনা এবং এর ব্যবহারের বিষয়গুলো যদি যৌক্তিক না হয়, তাহলে এসব বিষয় নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে।

    আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তফ্রন্টের জাতীয় ঐক্যের শোডাউনের বিষয়টি ‘ভালো’ দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন এলে অনেক ধরনের মেরুকরণ হয়, সমীকরণ হয়! ফ্রন্ট হবে এলায়েন্স হবে- এটা সবার গণতান্ত্রিক অধিকার। এখন গণফোরামের সঙ্গে যদি যুক্তফ্রন্টের মিলন হয়, এই সুখের মিলন নির্বাচন পর্যন্ত স্থায়ী হোক। আমাদের শুভকামনা রইল।

    তিনি বলেন, তবে শোডাউন বলতে যা বোঝায়, সেখানে যদি ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে-পরের মতো কোনো আগুনসন্ত্রাসের গন্ধ পাওয়া যায়, আন্দোলনের নামে সহিংসতা সৃষ্টি করা হয়, আন্দোলন যদি রাজনৈতিকভাবে ইতিবাচক আন্দোলন হয়, তাহলে আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবো। সহিংসতার চেষ্টা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ করা হবে। সমুচিত জবাব জনগণই দেবে।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, এসব শোডাউনের আওয়াজ অতীতে অনেক শুনেছি। নির্বাচনে আসা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, না আসাও গণতান্ত্রিক অধিকার, আর এ দেশের জনগণের মুড এখন সবাই জানে, জনগণ এখন নির্বাচনমুখী। এখন কেউ আন্দোলন আর খাবে না, তারা সাড়া পাবে না। নয় বছরে নয় মিনিটেও পারেননি, এখন তিন মাসে আন্দোলন করবেন, এটা জনগণ বিশ্বাস করে না।

    তিনি বলেন, মাত্র দুই মাস আছে নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণার। পরিস্কারভাবে বলতে চাই, নির্বাচন হবে অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো সংবিধানসম্মতভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। আগামী ডিসেম্বরে দেশে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম, উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ূয়া, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, নগর নেতা আখতার হোসেন প্রমুখ।