Category: Uncategorized

  • ‘বৃদ্ধাশ্রম নয় পরিবারই আসল ঠিকানা প্রবীণদের’

    ‘বৃদ্ধাশ্রম নয় পরিবারই আসল ঠিকানা প্রবীণদের’

    সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, প্রবীণদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হচ্ছে আসল ঠিকানা। আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর বেইলি রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) সেমিনার কক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    ‘পিআইবি-প্রবীণবন্ধু সম্মাননা-২০১৮’ প্রদান ও ‘প্রবীণের অধিকার, টেকসই উন্নয়ন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠান যৌথভাবে আয়োজন করে পিআইবি ও প্রবীণবন্ধু ফাউন্ডেশন।

    সম্মাননাপ্রাপ্ত সাত গুণীজন হলেন পল্লী-কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক কামাল লোহানী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, বাংলাদেশ প্রবীণহিতৈষী সংঘ ও জরাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এ এস এম আতিকুর রহমান, বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খতিব আবদুল জাহিদ মুকুল, মামস ইনস্টিটিউট অব ফিস্টুলা অ্যান্ড ওমেন্স হেলথ সেন্টারের সিইও অধ্যাপক সায়েবা আক্তার ও হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাবেয়া সুলতানা।

    রাশেদ খান মেনন আরও বলেন, আজকের প্রবীণ দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতার আলোকে একজন আলোকিত মানুষ। তার অভিজ্ঞতাকে আমাদের উন্নয়নে কাজে লাগানো যায় কি-না, তা নিয়ে আমাদের ভাবনা রয়েছে।

    পিআইবি মহাপরিচালক শাহ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. মহসীন কবীর।

    ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে প্রবীণের সংখ্যা প্রতিবছর ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ হারে বাড়ছে। দেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই বয়স্ক মানুষদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি প্রবীণ ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষায় ‘প্রবীণ নীতিমালা’ বাস্তবায়ন করতে হবে এবং তা আইন করতে হবে।

    কামাল লোহানী বলেন, যেভাবে পত্রিকার প্রথম পাতায় রাজনৈতিক বিষয় গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়, তেমনি প্রবীণদের অধিকার রক্ষায় ‘পজিটিভ রিপোর্ট’ গুরুত্ব দিয়ে ছাপাতে হবে।

    কাজী রিয়াজুল হক বলেন, সরকারের পাশাপাশি পরিবার থেকেই প্রবীণদের সম্মান ও মর্যাদা জানাতে হবে।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পিআইবি অধ্যয়ন ও প্রশিক্ষণ বিভাগ পরিচালক আনোয়ারা বেগম, সম্মাননাপ্রাপ্ত এএসএম আতিকুর রহমানের স্ত্রী মাসুমা আক্তার লিপা, কথাসাহিত্যিক মিতালী হোসেন ও ঢাবি অধ্যাপক ড. হাফিজ উদ্দীন ভূঁইয়া।

  • সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জমায়েত বাড়ছে

    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জমায়েত বাড়ছে

    রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় আসতে শুরু করেছেন দলের নেতাকর্মীরা। আজ রবিবার দুপুর দুইটায় সভার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল নয়টা থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নেতাকর্মীদের জমায়েত লক্ষ্য করা গেছে।

    সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে নেতাকর্মীদের ভিড়। জনসভাস্থলে ঢুকছে খণ্ড খণ্ড মিছিল। নেতাকর্মীদের হাতে দেখা যাচ্ছে নানা রঙ-বেরঙের ও স্লোগান লেখা ব্যানার-ফেস্টুন-প্ল্যাকার্ড।

    ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির পাশাপাশি গাজীপুর মহানগর ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরসহ আশপাশের জেলা থেকেও জনসভায় যোগ দিচ্ছেন নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ছাত্রদলের কর্মীরাও আসছেন জনসভায়।

    জানা গেছে, বেলা ১১টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত গান-বাজনা চলবে। গানের মধ্যে থাকবে দেশাত্মবোধক এবং বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবির গান। বেলা দুইটায় আনুষ্ঠানিকভাবে জনসভা শুরু হবে।

    জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সভাপতিত্ব করবেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেবেন।

    এদিকে জনসভায় প্রধান অতিথি করা হয়েছে কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে লেখা রয়েছে বেগম খালেদা জিয়ার নাম। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘‘নির্বাচনের আর মাত্র তিন মাস বাকি, এই নির্বাচনে আমারা শক্তভাবে অংশগ্রহণ করতে চায়।’’ শনিবার রয়টার্সকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরব। এ দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- নির্বাচনের আগেই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনকালীন সময়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার এবং নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন।

  • ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই

    ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই

    পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর-নাজিরপুর-নেছারাবাদ) আসনে আওয়ামী লীগের সাংসদ এ কে এম এ আউয়ালের ভাই হাবিবুর রহমান (মালেক) আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। বড় ভাই সাংসদ আউয়ালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মাঠে কাজ করছেন তিনি। মনোনয়নপ্রত্যাশী দুই ভাইয়ের বিরোধে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও।

    হাবিবুর রহমান পিরোজপুর পৌরসভার তিনবার নির্বাচিত মেয়র। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। সাংসদ এ কে এম এ আউয়াল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তবে দলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট জেলা কমিটির বেশির ভাগ নেতা হাবিবুর রহমানের অনুসারী বলে নেতা–কর্মীদের দাবি।

    দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনে নবম সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দারকে। তিনি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এ কে এম এ আউয়াল নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। ওই নির্বাচনে আউয়াল জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে পরাজিত করে সাংসদ নির্বাচিত হন।

    দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় সাংসদ হন আউয়াল। নির্বাচিত হওয়ার পর জেলার রাজনীতি পুরোটা তাঁর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। ২০১৬ সালে বেকুটিয়া ফেরিঘাট ও বলেশ্বর সেতুর টোল আদায়ের ইজারা নিয়ে আউয়াল তাঁর ভাই পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। আউয়ালের স্ত্রীর লায়লা পারভীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সুভাষ এন্টারপ্রাইজ ও বুশরা এন্টারপ্রাইজ ফেরিঘাট এবং সেতুর টোল আদায়ের ইজারা নেওয়ার জন্য দরপত্র জমা দেয়। দরপত্র জমা দেন হাবিবুর রহমানও। এ নিয়ে আউয়ালের সঙ্গে তাঁর ভাই হাবিবুর রহমান, মজিবুর রহমান ও মসিউর রহমানের বিরোধ দেখা দেয়। সাংসদ আউয়ালের সঙ্গে ভাইদের বিরোধ দেখা দেওয়ার পর দলের বেশির ভাগ নেতা-কর্মী সাংসদের ভাইদের পক্ষ অবস্থান নেন। এতে আউয়াল কোণঠাসা হয়ে পড়েন। দলের নিয়ন্ত্রণ অনেকটা চলে যায় হাবিবুর রহমানের হাতে।

    ওই বছরের ৬ আগস্ট জেলা ছাত্রলীগ সংবাদ সম্মেলন করে আউয়ালের বিরুদ্ধে টেন্ডার–বাণিজ্য, দলীয় নেতা-কর্মীদের হয়রানি, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ তোলে। এরপর ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা হাবিবুর রহমানের পক্ষে অবস্থান নেন। এ অবস্থায় আউয়াল দলীয় বিরোধ মেটানোর জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের শরণাপন্ন হন। ২০১৭ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম দলীয় কোন্দল এবং দুই ভাইয়ের বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

    গত ৮ জুলাই নেছারাবাদ উপজেলার পূর্ব জগন্নাথকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা এক সমাবেশে বক্তব্য দেন। ওই সমাবেশে বক্তারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংসদ আউয়ালকে দলীয় মনোনয়ন না দিয়ে হাবিবুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।

    হাবিবুর রহমান পিরোজপুর সদরের পাশাপাশি নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলায় দলীয় কর্মসূচি পালন ও সভা–সমাবেশ করে যাচ্ছেন। এসব সমাবেশে তিনি সাংসদ আউয়ালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করে আসছেন।

    পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ ফিরোজ বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ৫০ থেকে ৫৫ জন সদস্য সাংসদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। হাবিবুর রহমান এবার দলীয় মনোনয়ন চাইবেন।

    হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করতে কাজ করে যাচ্ছি। বর্তমান সাংসদ আউয়াল দুর্নীতির কারণে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিলে এ আসনটি বিপুল ভোটের ব্যবধানে তাঁকে উপহার দেব।’

    সার্বিক বিষয়ে সাংসদ এ কে এম এ আউয়াল প্রথম আলোকে বলেন, ‘কে প্রচারণা চালাচ্ছে, কে চালাচ্ছে না, সেটা আমি দেখছি না। অন্য কেউ মনোনয়ন পাবে বলে দল কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। তাই ধরে নিতে পারি আমিই মনোনয়ন পাচ্ছি। সে লক্ষ্যে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।’

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায়’

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায়’

    স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন সব ধারা উপধারা বহাল রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ সংসদে পাস করায় উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সাংবাদিক সমাজের মতামত, পরামর্শ ও সুপারিশ উপেক্ষা করে এই আইন পাস করায় নিন্দা জানান ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন খান এক বিবৃতিতে বলেন, বহুল আলোচিত এই বিলের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর থেকেই সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন সুনির্দিষ্ট কিছু ধারায় আপত্তি জানিয়ে আসছিল।

    সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিদের সাথে বৈঠক করে আপত্তিকর ধারাগুলো বাদ দেয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। বিলটি সংসদে উত্থাপনের পর সংসদীয় কমিটিতেও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সুনির্দিষ্ট সুপারিশ দেন।

    নেতৃবৃন্দ বলেন, মত প্রকাশের অন্তরায় ও স্বাধীন সাংবাদিকতার বাধা হতে পারে এমন কোন ধারা আইনে থাকবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বাস দেয়া হলেও, আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করলাম সাংবাদিকদের সকল মতামত ও সুপারিশ উপেক্ষা করেই ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস করা হলো। এতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে আইসিটি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারা বাতিল করে সেগুলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারায় ছড়িয়ে দেয়া এবং বৃটিশ আমলের অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন অন্তর্ভূক্ত করা, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করার বিধান রাখায় সাংবাদিকদের নিগৃহীত হওয়ার আশংকা সৃষ্টি হয়েছে। এসব বিধান মৌলিক মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

    আইনটি তথ্য অধিকার আইনের সাথেও সাংঘর্ষিক।

    ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক সমাজের দেয়া সুপারিশ আমলে নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন, আপত্তিকর ও নিবর্তনমূলক ধারাসমূহ বাতিল করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

  • শহিদুলের জামিন আবেদন হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

    শহিদুলের জামিন আবেদন হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আটক দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদন হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

    বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে জামিন আবেদনটি সোমবারের কার্যতালিকায় ৩৫৫ নম্বরে রয়েছে।

    ক্রম অনুসারে এ সপ্তাহে ওই আবেদনের শুনানি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শহিদুল আলমের আইনজীবী ব্যরিস্টার জ্যেতির্ময় বড়ুয়া।

    তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শহিদুল আলম শারীরিকভাবে অসুস্থ। জামিন পেলেও তিনি দেশ ছেড়ে যাবেন না। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায়ও পড়ে না। এ জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে জামিনের এ আবেদন করা হয়।

    আলোকচিত্রী শহিদুল আলম গত আগস্টে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন। এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট তথ্য-প্রযুক্তি আইনে রমনা থানায় করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঢাকার হাকিম আদালতে শহিদুলের জামিন আবেদন নাকচ হলে তার আইনজীবীরা ১৪ আগস্ট মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেন।

    এরপর ওই আদালতে তার জামিন সংক্রান্ত আবেদন নামঞ্জুর হলে ২৮ আগস্ট হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। পরে ৪ সেপ্টেম্বর ওই আবেদনের শুনানিতে বিব্রতবোধ করেন হাইকোর্ট। এ পর্যায়ে বিধি অনুসারে প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চে বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন শহিদুল আলমের জামিন আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ। পরে ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালত শুনানি নিয়ে শহিদুল আলমের জামিন নাকচ করেন। এ প্রেক্ষিতে ১৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে ফের তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়।

  • পরিবর্তনের দাবীতে বেলাবতে এক মঞ্চে ৫ মনোনয়ন প্রত্যাশী

    পরিবর্তনের দাবীতে বেলাবতে এক মঞ্চে ৫ মনোনয়ন প্রত্যাশী

    নরসিংদী প্রতিনিধি ঃ নরসিংদীর বেলাবতে সরকারের উন্নয়নমূলক শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মহা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধায় বেলাব পাইলট মডার্ণ মডেল হাইস্কুল মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠন এ মহা সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ থেকে ৫ মনোনয়ন প্রত্যাশী থেকে নরসিংদী-০৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনে পরিবর্তনের ডাক দেন।
    নরসিংদী-০৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগ নেতা এ এইচ আসলাম সানীর (সিআইপি) আহŸায়নে এতে একাত্ততা প্রকাশ করেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রউফ সরদার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনোহরদী উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান বীরু, কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কাজী মাজহারুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন, মনোহরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য কর্ণেল আবদুর রউফ।
    অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী ব্যানার ফেস্টুন হাতে নিয়ে মহাসমাবেশে যোগ দেন।
    বক্তারা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার ১০ বছরে উন্নয়নের মহাসড়কে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখন মনোহরদী-বেলাবরের মানুষ উন্নয়ন অবহেলিত। স্থানীয় সংসদ সদস্য ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যনায়ন করে দলের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভাজন সৃষ্টি করে রেখেছেন। তাই আজ মনোহরদী-বেলাবতে পরিবর্তনের দাবী উঠেছে। তৃণমূলের সেই দাবী অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই আসনে মনোনয়ন পরিবর্তন করবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।
    বেলাবো উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শমসের জামান ভূইয়া লিটনের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মনোহরদী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গোলাম সাকলাইন স্বপন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মকসুদ আলম নীলু, কাঁচিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন কনক, চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুর রউফ হিরন, নারায়নপুরের চেয়ারম্যান মোসলেউদ্দিন সেন্টু, বেলাব উপজেলা যুবলীগের আহŸায়ক মোশাররফ হোসেন রিপন, পাটুলি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যান, বিন্দাবাইন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা গোলাপ প্রমুখ।